বেশ কিছুদিন আগে একটি ভিডিও ব্লগ বানিয়েছিলাম। পশ্চিমেতো সবসময় ভিডিও কনটেন্ট দেখছি। তখন মনে হতো বাংলাতেও এরকম বানিয়ে দেখি। এটি একটি এক্সপেরিমেন্ট। এটি সময় কিভাবে সামলে আনা যায় তার উপর ভিত্তি করে বানানো। বই বা রেফারেন্স এই ভিডিওটির মধ্যেই আছে। ধন্যবাদ। সবাইকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা।
বিস্তারিত»সিসিবির সাথে সুখবর *টি শেয়ার করছি!
বছর দেড়/দুই আগেও এই ব্লগটি লেখার কথা কল্পনাও করতে পারতাম না!
সিসিবিতে সেসময় ‘ঠাণ্ডা প্রতিশোধ‘ নামে একটি ওয়েস্টার্ন গল্প লেখা শুরু করেছিলাম। আমার স্বভাব হচ্ছে লেখা পুরোটা (বা অনেকখানি) শেষ করে তারপর ব্লগে দেয়া শুরু করি। এতে করে নিয়মিত লেখা দেয়া সম্ভব হয় এবং যে দুই-একজন শুভাকাঙ্ক্ষী আমার লেখা পড়েন তাদের কাছেও ধারাবাহিকতা বজায় থাকে। যাই হোক, সিসিবিতে কয়েকটি পর্ব দিয়ে আমি পুরো গল্পটি আমি সেবা প্রকাশনী বরাবর পাঠিয়ে দেই।
বিস্তারিত»উপন্যাসের খোঁজে
আনন্দ হলের সামনে বাস থেকে নামতেই আবার রিংটোন বেজে ওঠে ফাগুনের। রিতা ফোন দিয়েছে। এই নিয়ে গত বিশ মিনিটে পঞ্চম ফোন।
– আরে এসে গেছি তো। এইত হলের সামনে। তুমি পার্কে থাকো। আমি আসছি।
– গিফট গুলো এনেছ তো?
– হ্যা রে বাবা। বললাম তো এনেছি।
ফোনটা কেটে যায়।
রিতার সাথে সম্পর্ক দুই সপ্তাহের।মাস ছয়েক আগে কাজলের সাথে ব্রেক আপ হবার পর প্রায় দুই মাস ফাগুন সিঙ্গেল ছিল।
গোলাপকথা
দুই।
‘উচ্ছ্বাস ভুলিয়াছ,
ভ্রান্তি ভুল নাই’
গোলাপ হাসিল।
আনতনেত্র যুবরাজ
তৃণ গণণা করিতে করিতে
মৃদুস্বরে কহিল —
‘তোমার বাক্য শুনিয়া
কেবল একজনের কথা
স্মরণ হইতেছে কেন?
উচ্ছ্বাস ফিরাইয়া আনিতে
তোমার নিকট
কন্টক যাঞ্ছা করি —
পাইবো কি?’
তথাস্তু –
গোলাপ কহিল
তিন।
‘পত্র লিখিত কি?
বিস্তারিত»ঘুরে এলাম মেঘের বাড়ি- সাজেক!!!

“দুনিয়াটা অনেকের কাছে টেনিস বলের মতো ছোট্ট। একটুখানি। এরা নিত্যদিন নানা কাজে লন্ডন- প্যারিস- নিউইয়র্ক করে বেড়াচ্ছে। আর অনেকের কাছে এই পৃথিবী এক অফুরান তেপান্তরের দেশ; সাতসমুদ্দুর তেরো নদী, ভুত-পেত্নী, রাক্ষস খোক্কসে আকীর্ণ। তাদের অজানা দুনিয়ার শেষ নেই।”
বলাই বাহুল্য আমি পড়ি দ্বিতীয় দলে। ছোটবেলায় বছরে একবার আট-দশজনের দল করে একটা ভ্রমণ হতো বটে। একবার সিলেট, বেশ কয়েকবার চট্টগ্রাম- কক্সবাজার। ক্যাডেট কলেজের আধাসামরিক ভ্রমণগুলো ছিল অন্যরকম,
প্রকৃত বন্ধুর ভাবনা
গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে বেশ ক’জন পরিচিত মুখ ক্ববরে শায়িত হয়ে গেল! প্রায় প্রতিদিনই মাইকে ঘোষণা শুনতে পাইঃ …. নিবাসী …. নং রোডের …. নং বাড়ীর অমুক গতরাতে ইন্তেকাল করেছেন। মরহুমের নামাজে জানাজা আজ বাদ জোহর …. মাসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাকে … কবরস্থানে দাফন করা হবে।
আবার এ সময়টা বিয়ে শাদীরও ভরা মৌসুম। এমতাবস্থায়, গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে প্রায় প্রতিদিনইঃ
১।
ব্যথা
পাখি নীরব হয়ে থাকে,
সেই সাথে যেন প্রকৃতিও,
বিরহিণীর চোখে নদী বয়ে যায়!
(আমেরিকান ইম্প্রেশনিস্ট কবি এযরা পাউন্ড এর “In A Station Of The Metro” কবিতা দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে)
ঢাকা
০৭ জানুয়ারী ২০১৬
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।
~ এই শীতে, অবশেষে … ~
অকস্মাৎ সরিসৃপ হেঁটে গেলো দেহময়,
অস্থি-মজ্জার কেন্দ্র ও কুরুশে
মেঘের নিরাপদ আবাস থেকে
মিহিদানা জলকনা
দেরাজে তুলে রাখা লংকোট
ও মাফলারে চালালো হানা।
পারদের স্থবিরতা কাটাতে
নাভিমূল সাজালো আজ
উষ্ণতার অভয়ারণ্যে আঁকা
শিল্পের সুষম ভাঁজ।
সোনালী শিশির সুখ পানে
সুশোভন সময়ের যুবরাজ।
অনাবিল আহলাদে তুলে আনে
কম্পমান যুগল পায়ের কারুকাজ।
যতিতে পূরবী
ক.
যতিতে পূরবী;ছড়াও নাগরিক ছোঁয়া
মধ্যরাতে ঘুম ভেঙে জেগে উঠা দাবী
জোছনা-জোছনা চায়,আর ছাদঘরে
পুঞ্জীভূত মেঘ হয় উর্বর নাভী
নাভীমূলে গোলাপের চাষ
কৃষিবিদ শীতঘুম ভেঙে
রোদে বসে লিখবে থিসিস
:নেপিয়ারে ধূর্ত দোঁ-আশ
খ.
রাখি বলে ছেড়ে দিয়ে ফোন
বই খুলে তর্জমা খোঁজে
এলোমেলো জ্যামিতিক কোণ
মাপজোকে প্রেম ভুল বোঝে
গ.
বিস্তারিত»রিইউনিয়নঃ সুন্দর তুমি চক্ষু ভরিয়া এনেছো অশ্রুজল
স্মৃতিরা হলো ঝুলিতে রাখা আহ্লাদী বেড়ালছানার মত; এমনিতে গুটিসুঁটি মেরে সুবোধ বালিকার মত চুপচাপ থাকে কিন্তু একটু নড়াচড়া করলেই আলতো করে সে মাথা উঁচিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়ে বলে, মিঁয়াও মিঁয়াও! তারপর সেই মিঁয়াও ধ্বনির সাথে সকরুণ বিল্লি পিটপিট চোখে এমন করে তাকায় যে তখন সংসার সন্তান সব ফেলে তার মুখে মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করতে মন চায়! আমাদের কলেজের রিইউনিয়নের আলোচনা শুরু হতে আমার সেই তুলতুলে সাদা বেড়ালবাচ্চার কথাই মনে পড়লো!
বিস্তারিত»অকৃতজ্ঞতা বা কৃতঘ্নতা কি আমাদের জাতিগত সমস্যা?
ক্যাডেট কলেজগুলো মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার পরও মুক্তিযুদ্ধের পরপরই তা বন্ধের যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল তা থেকেই একটা প্রশ্নই মাথায় ঘুরপাঁক খায়….// অকৃতজ্ঞতা বা কৃতঘ্নতা আমাদের জাতিগত সমস্যা কিনা?//
ক্যাডেট কলেজগুলো বন্ধ করে দেয়ার চিন্তা ভাবনা বা উদ্যোগ নতুন কিছু নয়। স্বাধীনতার পর পর তো বটেই এখনও অনেকে আছেন যারা এ ব্যাপারে একেবারেই আপোসহীন। যদিও ক্যাডেট কলেজের বিকল্প (ক্যাডেট কলেজ বন্ধ করে দেয়ার পর) কি হতে পারে বা তার চেয়েও ভালো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বা শিক্ষা ব্যবস্হা কি হতে পারে সে ব্যাপারে তারা আম-জনতাকে অন্ধকারে রাখতেই পছন্দ করেন।
বিস্তারিত»জীবনের জার্নাল – ২৭
আমার শিক্ষকেরাঃ
জনাব মোঃ আব্দুল গফুর
গফুর স্যার আমাদের ফিজিক্স পড়াতেন। তিনি অতি সহজ সরল জীবন যাপন করতেন, কথাবার্তায় স্পষ্টভাষী ছিলেন, নিয়মনীতি পালনে ও রক্ষায় কঠোর ছিলেন। হোমওয়ার্ক নিয়মিতভাবে দিতেন এবং নিয়মিত ভাবে তা পরীক্ষাও করতেন। ল্যাবেও বেশ সিরিয়াস ছিলেন, কোন ফাঁকিজুকি পহন্দ করতেন না। তিনি ক্লাসে কদাচিৎ হাসতেন, আর একটু নাকি সুরে কথা বলতেন। বাহ্যিকভাবে তিনি খুব কঠোর থাকলেও অন্তরে তিনি ক্যাডেটদের প্রতি স্নেহপ্রবণ ছিলেন।
মায়াবতী
আজ থেকে ঠিক নয় মাস আট দিন আগে সিসিবিতে আমার প্রথম প্রবেশ ঘটেছিলো। এরই মধ্যে এখানে অনেক বন্ধু, হিতাকাঙ্খী, শুভার্থী এবং বোদ্ধা সমালোচক পেয়ে গেছি। মতের মিল অমিল বড় কথা নয়, দিনশেষে মন খুলে কথা বলার একটা জায়গা খুঁজে পাওয়াটাই বড় কথা। সিসিবি’র যেসব পাঠক আমার লেখাগুলো পড়েছেন, সময় করে মন্তব্য লিখেছেন কিংবা আমার মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন, আপনাদের সবার প্রতি জানাচ্ছি আমার আন্তরিক ধন্যবাদ আর কৃ্তজ্ঞতা।
বিস্তারিত»পাতা ঝরার গান-০২
২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে মিলিটারি একাডেমিতে গেলাম। ছেলে হিসেবে আমার মধ্যে হোম সিকনেস ব্যাপারটা খুব কম। ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে নিজের কলেজের বন্ধু ছাড়াও বাকি নয় কলেজের আরও অনেক পরিচিত মুখ পেয়েছিলাম ওখানে। প্রথমদিনেই মনে করে নিলাম যে আগামী দুটো বছর যা ই হোক আমার একার সাথে তো আর হবে না। যা হবে সবাইকেই ভাগ করে নিতে হবে। কেউ যদি ভেবে বসেন যে ক্যাডেট কলেজে পড়েছি বলে হোম সিকনেস নেই,
বিস্তারিত»মানুষ লুবনার বিজুলি
লুবনার ভাপা পিঠা খাওয়ার ধুম দেখে বুঝতে পারি ঢাকা শহরে শীত পড়তে শুরু করেছে। লুবনার ব্যক্তিগত একজন দর্জি আছেন, নাম তার ইকবাল হোসেন। ইকবালের বৌ মাফিয়া খাতুন পৌষ মাস আসতে না আসতে চাল কুটতে বসে; ডাক্তার আপামণি ভাপা পিঠা খেতে বড় ভালবাসে, পিঠা বানাতে হবে যে! ইকবালের নানীর কোমড়ে ব্যথা, লুবনা আপার ‘অষুদ’ ছাড়া তার চলবে কেনো? মাফিয়ার মায়ের শ্বাসকষ্টে ইনহেলার কিনে দেবে কে, লুবনা ছাড়া?
বিস্তারিত»