সিসিবি তে এটা আমার প্রথম লেখা। যদিও আমার প্রথম লেখা হওয়ার কথা ছিল লিন্ডাও সম্মেলনের ওপর, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতি বিবেচনা করে আমার মনে হল এই রকম একটা লেখা দেয়া দরকার।
আমি প্রথমেই বলে নিতে চাই যে আমি কোন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ নই, আমি পদার্থবিদ্যার একজন সামান্য ছাত্র। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রাজনৈতিক সমীকরণ আইন্সটাইনের ফিল্ড ইকুয়েশন এর চেয়ে কোন অংশে কম জটিল না, ক্ষেত্রবিশেষে আরো জটিল। ফিল্ড ইকুয়েশন সমাধান এর কিছু অভিজ্ঞতা আমার থাকলেও দেশের রাজনীতি নিয়ে কোন লেখা আমি আগে কখনো লেখিনি,
জীবনের গল্প – ৩
-
সাগর
আমার সবচেয়ে কাছের একজন মানুষের কথা আজ বলব, যাকে সেই ছোটবেলা থেকে দেখে এসেছি। সঙ্গত কারনেই ছদ্মনাম ব্যবহার করলাম কারন আমিও ওর মতই ওকে কারো করুনার পাত্র বানাতে চাই না। প্রথম যেদিন ও কলেজে পা রাখল সেই দিন থেকেই ওর সাথে আমার খুব আন্তরিক একটা সম্পর্ক হয়ে দাড়াল, ঠিক কি কারনে জানি না একসময় আমরা প্রানের বন্ধু হয়ে দাড়ালাম।
বিস্তারিত»লিভারপুলঃ শিরোপার সম্ভাবনা বাড়ছে!!!
(নির্বাচন পরবর্তী লেখা হিসাবে আর কয়েকদিন পরে লেখাটা দেয়া উচিত ছিলো। ভাব গম্ভীর লেখাগুলোর মাঝখানে একটু হালকা লেখা দিতে চেয়ে ছিলাম। কামরুল আর আমার আতেঁল ছোট বোনের বুদ্ধিতে আমির খানের ‘গজনী’ দেখলাম। কামরুল বললো একটা রিভিউ দিতে। কিন্তু সানা ভাই এর নির্বাচনী live text এর সাথে সাথে গজনী দেখছিলাম। বার বার থামতে হচ্ছিলো। ওই কারনেই হোক, অথবা বাজে প্রিন্ট এর কারনেই হোক, গজনী বেশী ভাল লাগে নাই।
বিস্তারিত»একটা মন খারাপ করে দেয়া খবর
সকাল থেকে মনটা খুব খারাপ। বঙ্গোপসাগরে ৩০০ বাংলাদেশী নিখোঁজ। ভারতের আন্দামান ও নিকোবর দীপপুঞ্জের কাছে বঙ্গোপসাগরে ৩০০ বাংলাদেশী নিখোঁজ রয়েছে। তারা পানিতে ডুবে মারা গেছেন বলে আশংকা করা হচ্ছে। প্রতারক দালালের খপ্পরে পরে ৪৪৫ জন বাংলাদেশী মালয়শিয়া যাবার জন্য সমুদ্রপথে রওনা হয়েছিল। মধ্যসাগরে দালালরা তাদের অন্য একটি নৌযানে তুলে সটকে পড়ে। খাবারের অভাবে ৭ জন মারা যায়। মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেয়া হয়। পরে একটি বাতিঘর দেখে ওরা সবাই সমুদ্রে ঝাপিয়ে পড়ে।
বিস্তারিত»রম্য আমার কম্ম্য নয়…!
আমার অনেক দিনের শখ একটি রম্য রচনা লেখার। কিন্তু কখনো সাহস করে লেখা হয়ে ওঠেনি…
অনেকে আছেন যারা ‘রম্যরচনা’ শিরোনামে কোন লেখা দেখলে ভ্রু কুঁচকিয়ে সেসব পড়তে শুরু করেন, ভাবটা এমন যেন- ‘এরা আর কি রম্য রচনা লিখবে??? এসব তো ছিল আমাদের সময়ে…ইন দ্যা ইয়ার নাইনটিন…’ কেউ আবার আছেন এক কাঠি সরেস, পুরো ব্যাপারটাকে ব্যক্তিগতভাবে নিয়ে ‘দেখি কিভাবে আমাকে হাসায়’ ভেবে পড়া শুরু করেন…!!!
আমি খুব ভয় পাই
সানা ভাই,তৌফিক ভাই ও মান্নান ভাইয়ের বিদগ্ধ জ্ঞানপ্রসূত আলোচনার পর আমার ক্ষুদ্র মস্তিষ্কজাত চিন্তা-ভাবনা এইখানে সবার সাথে শেয়ার করতে বুকটা ঢিব ঢিব করছে।
তার চেয়েও বেশি ভয় পাইছি এবারের নির্বাচনের ফলাফল দেখে। বাঙালী বরই আজিব জাতি! আমি নীতিগত ভাবে বঙ্গবন্ধু ও তার দলকে সাপোর্ট করি, এবং অবশ্যই হুজুগে নয়। এই ফলাফলে আমার খুব বেশি খুশি হবার কথা।কিন্তু কেন যেন খুশি হতে পারছি না।
বিস্তারিত»রাজাকারদের বিচারঃ জিজ্ঞাসা ও আশংকা
প্রথমেই ক্ষমা চেয়ে নেই। আমি এ ব্যাপারে বিশেষজ্ঞ নই। তার উপর যে বিষয়ের উপর লিখব, তার জন্য যতোটুকু গবেষণা আর সময় দেয়া প্রয়োজন তাও দেইনি। তবু লিখছি। কারণ, যারা এ ব্যাপারে ভালো জানেন, আশা রাখি, তারা কমেন্টের মাধ্যমে মূল্যবান মতামত দেবেন। আর আমার মতো নাদানেরা শিখতে পারবে। ব্লগ বলার চেয়ে বরং এটাকে থ্রেড ইনিসিয়েশন বলাই ভালো হবে। গৌরচন্দ্রিকার পাট এখানেই শেষ করি, আসুন চলে যাই মূল বিষয়ে।
বিস্তারিত»উত্তপ্ত কড়াই থেকে জলন্ত চুলায় : এক
আমরা কি উত্তপ্ত কড়াই থেকে জলন্ত চুলায় পরিলাম? ২৯ ডিসেম্বরের জনরায় দেখিয়া, পড়িয়া এবং জানিয়া আমার প্রাথমিক প্রতিক্রিয়াটা এই রকমই দাঁড়াইয়াছে।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসন পাইয়া ২০০১ হইতে ২০০৬ পর্যন্ত চারদলীয় জোট সরকারের অপশাসনে পিস্ট হইয়া রীতিমতো চিড়াচেপ্টা হইয়া গিয়াছিলাম আমরা। দুর্নীতি-সন্ত্রাসের লাগামহীন বিস্তার দেশকে নৈরাজ্যের শেষপ্রান্তে নিয়া গিয়াছিল। গ্রেনেড-বোমা নিয়া একদল মধ্যযুগীয় জঙ্গি সন্ত্রাসী গোটা জাতিকে জিম্মি করিয়া রাখিয়াছিল। আর এক দল গণহত্যা,
বিস্তারিত»বিদেশের মাটিতে একটা গর্বের দিন
আজকে বিদেশের মাটিতে একটা গর্বের দিন। বুক ফুলিয়ে সবাইকে বলেছি যে আজ বাংলাদেশে একটা সুষ্ঠু সুন্দর নির্বাচন হয়েছে। এবং নির্বাচনে বাংলা বিরোধী, ধর্মব্যবসায়ী ধরাশায়ী হয়েছে। গর্বে বুকটা ফুলে উঠেছিল। আর চোখটা কেমনজানি ভিজে আসছিল।
স্যালুট সেক্টর কমান্ডারদেরকে। তারা আবার ৭১ এর মতো বিজয়ী হয়েছে। বাংলার মানুষ তাদের প্রচেষ্টাকে ব্যর্থ হতে দেয়নি। নিজামী, মুজাহিদকে আবার বাংলার মাটিতে অপমানিত হতে হলো। যুগে যুগে এভাবেই বাংলা সাজা দেবে তার মাটিতে জন্ম নেয়া বেজন্মাগুলোকে।
বিস্তারিত»এক নতুন উৎসব
শেষ রাতের দিকে ঘুমিয়েছিলাম বলে অনেক বেলা পর্যন্ত বিছানায় শুয়েছিলাম। ঘুমটাও ভাংতোনা হয়তো যদি না মা ফোন করতেন। খুশীতে তরল হয়ে যাওয়া মায়ের কন্ঠস্বরে আমিতো অবাক। কি এমন ঘটলো যে মা এত খুশী?
– “কিরে এখনো ঘুমাচ্ছিস? ফ্রেশ হবি কখন, নাস্তা করবি কখন, আর রেডী ই বা হবি কখন?”
অনেকটা যেন আমি ঈদের ছুটিতে না গেলে নামাযের আগে মা আমাকে যেভাবে ফোন করে বলতেন ঠিক তেমন।
শীত
- রেনেসাঁ পর্ব
(জীবনানন্দ দাশ স্মরণে)
বিম্বিসার নগরে উঠেছে ঘোলাটে ময়লা চাঁদ
অরূপাক্ষ নদীতে পড়ে বালুচর। প্রিয়তমার মিথ্যা শরীরে
ডোবে কুহক-পুরুষ, প্রেমিক হতে পারে সে যদিও,
চুপ!- দেখো কুৎসিত কালো জলে ভাসে প্রণয়ের লাশ।
যাবতীয় ব্যর্থতাবাদী-বিধাতা-পূজারী সকল
ঘেটেঘেটে কাদাপাঁক রণে ভঙ্গ দেয় সেই রাতে
বিক্ষোভ মিছিল চলে অবিরাম গতিতে
দেবতাবিহীন রাজার স্বৈরাচারী সাম্রাজ্যে।
একটা ইয়াতো বড় কাহিনী……
আমি তখন ক্যাডেট কলেজে মাত্র আসছি ক্লাস সেভেনে, একদম প্রথম সপ্তাহর কথা। লাঞ্চের একটু পরে পরে কমন রুমের দিকে যাচ্ছিলাম। কে জানি ধোপার কাপড় নিয়ে আসতে বলছিল……। হাউজলীডারের রুমটা ক্রস করে কমনরুমে ঢোকার আগেই তৎকালীন ২৮তম ব্যাচের ডাইনিং হল প্রিফেক্ট আমাদের হাউজের জুলফিকার ভাইয়ের একদম মুখোমুখি পরে গেলাম! উনার সাথে আগে কখনো কথা হয় নাই, সাথে সাথে পাকড়াও করলেন আমাকে……
নাম কী?
—
ছবি ব্লগ-সিলেট
নির্বাচনের মধ্যে ছিবি ব্লিগ দিতিসি, খিবি লিজ্জার ব্যিপার। তাও লজ্জা শরম বেন্ধে ফেলে, দিয়ে দিলাম। এই ব্লগের সকল প্রশংশা রায়হানের প্রাপ্য। বলা চলে ছবি গুলা কোনমতে তুলে দেয়া ছাড়া আমি আর কিছুই করি নাই। ব্যাপার হলো, আমার খুব ব্লগ দেয়ার সখ। কিন্তু লিখতে পারিনা, এই জন্য ছবি ব্লগ দিব। আজকে হঠাৎ আবিষ্কার হলো, আমি আসলে ছবিও দিতে পারি না। (গতকাল রাত থেকে ক্রমাগত চেষ্টা করে যাওয়ার পর আজকে রায়হান দয়া পরবশ হয়ে ছবি আপ্লোড করে দিয়েছে)
আচ্ছা বেশি কথা না বলে ছিবি দিই।
টুশকি ২১
এই লেখার কোন শিরোনাম নাই
খারাপ ছাত্র হওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে। আমার মধ্যে তার সবটা বিদ্যমান। উদাহরণস্বরূপ, কলেজে আমি মানবিক বিভাগের একজন গর্বিত ছাত্র ছিলাম, বিজ্ঞানের ছাত্রদের যন্ত্রণা দেয়া ছিল আমার সবচাইতে প্রিয় কাজ। তাই কলেজ হতে বের হয়ে আমি খুবই চিন্তায় পরে গিয়েছিলাম যে আমার মত ছাত্র কীভাবে কোথাও চান্স পাবে তা নিয়ে। আইএসএসবিতে লাল কার্ড পাবার পর আমি নিশ্চিত ছিলাম যে এই জীবনে মনে পড়াশুনা করা আর হল না।
বিস্তারিত»