ক্যাডেট হিসেবে আত্নপ্রকাশ করার আগে থেকেই জেনে আসছি আমাদের কলেজের নাম ঐতিহ্যবাহী ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ । আমাদের কলেজের সবকিছুই ঐতিহ্যবাহী। যেকোন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বা প্রিন্সিপালের ভাষনে অথবা বার্ষিকীতে বাণী লেখার সময় ঐতিহ্যবাহী শব্দটা ব্যবহার করতে কার্পণ্য করতেন না কেউই। আমাদের একটা ঐতিহ্যবাহী দীঘিও আছে যেটির সাথে সব হাউসের বাথরূমের লাইনের কানেকশন। বলা বাহূল্য আমাদের গোসলের পানির সাপ্লাই আসতো দীঘি থেকেই। বিড়াট বড় শান্ত দীঘি এবং ভরপুর পানি।
বিস্তারিত»লাবলু ভাইয়ের দেখাদেখি আমিও
এই পোষ্টটা ছবি নিয়া। কামরুল ভাই বলছে ছবিওয়ালা পোষ্ট দিলে প্রথম পাতায় কোন ছবি না দিতে, তাইলে নাকি লোড হৈতে কি কি হাইটেক সমস্যা হয়। তাই এখন কিছু প্যাচাল লিখতে হচ্ছে যাতে প্রথম পাতাটা ভরে উঠে ।
গ্রুপ মেইলের বদৌলতে এতক্ষণে অনেকেই হয়তো এই ছবিগুলা দেখে ফেলছেন, তারপরো share করার লোভ সামলাতে পারলাম না। আর এক্ষেত্রে প্রভাবকের ভূমিকা রেখেছে সানা ভাই’র আজকের পোষ্টটা। ছবিগুলা দেইখা মনে হৈল দিয়া দেই আমিও।
স্মৃতিচারণ: পলাশীর আম্রকানন …
আমরা তখন ১১ এ। নতুন প্রিন্সিপাল এসে আমাদের ৪ বছরের সম্পত্তি আম বাগান লিজ দিয়ে দিল। গত ৪ বছরে গাছের একটা আমও পাকতে দেইনি আর এখন কিনা এই বেরসিক প্রিন্সিপাল আম পাকিয়ে বিক্রি করবে !!! সবার তো মাথা গরম । প্রতিটা গাছের নিচে একটা করে গাডঁ , কোন উপাই নাই আম পাড়ার । কি করা যায় এই নিয়ে প্ল্যান করতে থাকলাম। বুদ্ধি বের হল। কাউন্টার এ্যাটাক…প্রেপ টাইমে ঠিক করলাম সবাই একসাথে আমগাছে এ্যাটাক করব।
বিস্তারিত»দি অ্যাক্সিডেন্টাল ওটার – ১
অনুভূমিকা
বর্তমানে পৃথিবীর সবচেয়ে সক্রিয় চলচ্চিত্র আন্দোলন বোধহয় ইরানী নিউ ওয়েভ বা ইরানী নবতরঙ্গ। এই মহান আন্দোলনের রূপকার হলেন আব্বাস কিয়ারোস্তামি। আমরা জাপান সম্পর্কে জেনেছি আকিরা কুরোসাওয়ার মাধ্যমে, ভারতকে চিনেছি সত্যজিৎ রায়ের মাধ্যমে আর ইরানকে বুঝেছি আব্বাস কিয়ারোস্তামির মাধ্যমে। ব্রাইট লাইটস ফিল্ম জার্নালে কিয়ারোস্তামির একটা সাক্ষাৎকার পেয়ে অনুবাদ শুরু করে দিলাম। এর একটা বাংলা অনুবাদ হয়ে ইতিমধ্যে বই হিসেবে প্রকাশিতও হয়ে গেছে। তারপরও আমি আবার অনুবাদ করলাম।
বিস্তারিত»চেইন মেইল থেকে ছবি ব্লগ
চেইন মেইলকে ব্লগে রূপ দেওয়ার আইডিয়াটা রবিনের কাছ থেকে নিলাম। 😀 (রবিনের উপর দিয়া চালাইলেও স্পষ্ট মনে আছে আমিও এর আগে ডায়নোসোরের বিরানি নিয়া একটা পোস্ট মারছিলাম।) আসলে কয়েকদিন কিছু না লিখলে আঙুলগুলা নিশপিষ করতে থাকে!
আজ এরকম একটা ছবি ব্লগের চেইন মেইল পেয়ে মনে হলো, ধার করা মজাটা শেয়ার করে ফেলি। বলা হচ্ছে এগুলো ভারতের ছবি। কিন্তু প্রথম ছবিটা কেমন জানি শ্রীলংকার মনে হচ্ছে!
বিস্তারিত»টেকি নিউজ ০৪: ডে লাইট সেভিং (আমাদের ঘড়ির কাটা পরিবর্তন)
আমরা সবাই জানি আগামী ১৯শে জুন, ২০০৯ থেকে আমাদের দেশের ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। যার ফলে ১৮ই জুন রাত ১১ টায় আমাদের ঘড়ির কাটা এক ঘন্টা এগিয়ে ১৯শে জুন ০০.০০ ঘন্টা করতে হবে।
অনেক তর্ক বিতর্ক চলছে এই নিয়ে। অনেকে বলছে পুরা দেশের সব হিসাব চেঞ্জ হয়ে যাবে, অনেকে বলছে কোনো দরকার ছিলো না। অনেকে বলছে এটা অনেকের বুঝতে সময় লাগবে।
বিস্তারিত»এলোমেলো-৪: নাম ছিল না
১.
সকালে এলার্মের শব্দে ধরফর করে ঘুম থেকে উঠি। তারপর বিরক্ত মুখে বাথরুমের দিকে পা বাড়াই। বিরক্তির সেই যে শুরু, তা আর যেন থামতেই চায় না! অফিসে আসতেও বিরক্ত লাগে। সেই সিস্টেম থেকে ডাটা নেয়া, ডাটার উপর কোয়েরী লেখা, পার্ফরমেন্স ট্রেন্ড এনালাইসিস করা, আজাইরা সব মিটিং করা- আর কত! আমার গ্রুপ মেম্বাররা এই ডিপার্টমেন্টে নতুন। তাদেরকে মাঝে মধ্যে টুকটাক কাজ বুঝিয়ে দিতে হয়। এইটা করতেও কেন জানি এখন বিরক্ত লাগে।
পরিচয়
ক্যাডেট কলেজ ব্লগে এটাই আমার প্রথম পোষ্ট । বাংলা টাইপের অভ্যাস নেই এইজন্য লিখতে ইচ্ছা করেনা । প্রবাস জীবন কাটাচ্ছি গত ৮/৯ বছর প্রায় ।এখন দেশের জন্য খুব মন টানে। নিউজ পেপারে খবর দেখি অনেকউত্থান পতনের ,অনেক আশা নিরাশা আর অনেক স্বপ্নের খবর। ভাল খবরে ভাল লাগে কিন্ত যখন দেখি আমাদের এই দেশটাকে নিয়ে ওরা টানা হেঁচড়া করে তখন মাথা গরম হয়ে যায়। আমার মত যারা প্রবাসে আছে তারা বুঝতে পারবে আমার অনুভুতি।
বিস্তারিত»খেরোখাতা – তুহিন, এই পোষ্টটা তোমার জন্য
অনেকদিন আগে, একটা চেইন গ্রুপ মেইল পেয়েছিলাম, বয়স অনুযায়ী গর্ব করার মত কাজের একটা লিষ্টি ছিল ওখানে। যতদূর মনে পড়ে অনেকটা এরকম ছিল
৩ বছরঃ প্যান্টে হিসু না করা।
১০ বছরঃ নতুন নতুন বন্ধু তৈরী করা।
১৮ বছরঃ নতুন নতুন বান্ধবী তৈরী করা।
৩৫ বছরঃ টাকা কামানো।
৫৫ বছরঃ নতুন নতুন বান্ধবী তৈরী করা।
৭০ বছরঃ নতুন নতুন বন্ধু তৈরী করা।
বাদল দিনের প্রথম কদম ফুল
চা খেতে বের হয়েছিলাম বাসার সামনের দোকানটায়, হঠাৎ ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি। একেবারে কাকভেজা হয়ে বাসায় ফিরে এলাম আমরা তিন জন, আমি, মাসুদ, রুম্মান। সিগারেটের প্যাকেট ভিজে সবগুলো সিগারেট নষ্ট হয়ে গেছে, শার্ট-প্যান্ট থেকে টুপটুপ পানির ফোঁটা পড়ছে। তোয়ালে দিয়ে গা মুছতে গিয়ে দেখি মাসুদ ভেজা শরীরে বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছে রেলিং ধরে। ‘কি রে গা মুছবি না?’ জিজ্ঞেস করতেই হেসে দিলো, বললো
ইচ্ছে করছে না।
কেন?
ট্রিবিউট টু তুহিন (৯৯-০৫)
তুহিন ছুরিকাহত হবার পর তার রিকভার করার জন্য অভিনন্দন হিসেবে এবং কিভাবে এটা ঘটলো সেটা জানার পর তাকে নিজ দায়িত্ববোধের জন্য সাধুবাদ জানিয়ে মন্তব্য করছিলাম তুহিন ছুরিকাহত এই পোস্টে। মন্তব্য বড় হয়ে যাচ্ছে মনে হওয়ায় পোস্ট হিসেবে লিখছি। তুহিন একজন পথচারীকে ছিনতাই হতে দেখে ছিনতাইকারীকে বাধা দিতে গিয়ে ছুড়িকাহত হয়েছে। কি আমার প্রতিক্রিয়া?
fantastic, marvelous!!!!
অবশ্যই তুহিন আমাদের গর্বের বিষয়। এই না হলে আর ক্যাডেট?
বিস্তারিত»জুনের চারঃ পিরিচের ওপর উনপঞ্চাশটি পানিবিন্দু
[গত পরশু রাতে ব্লগে লগ-ইন করলাম এই লেখাটি পোস্ট করার জন্য। তারপরেই দেখলাম তুহিনের ছুরিকাহত হওয়ার সংবাদ নিয়ে পোস্টটা। আমি দুঃখ বিপদ আপদ ঠিক সামাল দিতে পারি না। তারপর থেকে খালি বার বার পোস্টটা রিফ্রেশ দিয়েছি। একটু আগে দেখলাম ভালো সংবাদটা। এই সময়ে বারবারই মনে পড়ছিল দুইটা গেট-টুগেদারে দেখা হাসিখুশি ছেলেটার চেহারা। তাই এই লেখাটা তুহিনের জন্য, সাথে যারা গত দিনদুই ওর পাশে থেকেছে সর্বাত্মকভাবে তাদের জন্যেও!
বিস্তারিত»আমার আমি
আমি সবসময়ই একটা পদ্ধতি অনুসরণ করি, যখন আমার মন খারাপ থাকে। একটু মজা করি, কারও সাথে খুনসুটি করি বা খুব জোড়ে কিছু মেটাল বা র্যাপ গান শুনি। জানি না কেন, কিন্তু এসব করতে আমার ভালো লাগে। কাল থেকে আমার মন খুব বিক্ষিপ্ত অবস্থায় আছে। সকালে উঠেই তুহিনের খবরটা পেলাম। তারপর আমার কলেজের বন্ধু আহাদের হাতে অপারেশনের খবর(এখন আশঙ্কামুক্ত)। তার আগের দিন আবার জানতে পারলাম যে আমার নাকি পা ভেঙে গেছে।
বিস্তারিত»সি সি বি ভাবনা (…নাকি নিছক আবর্জনা)
[তুহিনের মর্মান্তিক ঘটনাটার সময় এরকম একটা পোস্ট দেয়া হয়তো ঠিক হচ্ছে না। তারপরেও এই পোস্টের কিছু অংশ হয়তো কাজে লাগবে ভবিষ্যতে (আল্লাহ না করুন) অন্য কোন ইমারজেন্সীতে]
সি সি বি যাতে সবসময় আমাদের নিয়মিত যোগাযোগের একটা প্লাটফর্ম হয়ে থাকতে পারে এ কামনা আমাদের সবসময়। সি সি বি কীভাবে আরও Functional ও interactive হতে পারে এ চিন্তাও আমাদের সবার।
ব্লগ এডু-মডুদেরকে বলছি।
বিস্তারিত»আয় বৃষ্টি ঝেঁপে…
১।
দুদিন আগে একবার হাস্পাতালে ভর্তি হয়েছিলাম। ১ রাত ছিলাম। ক্যাডেট কলেজ হাসপাতালের পর এই প্রথম আবার হাসপাতালে ভর্তি হলাম। হাসপাতাল নিয়ে যে ভাল লাগা ছিল সেটা মুহূর্তেই হারিয়ে গেল। হাসপাতাল থেকে ফিরে এসে মেসেঞ্জারে লগইন করতেই একটা অফলাইন পেলাম।
” ভাইয়া আপনার জন্য খুব খারাপ লাগছে কখনো দেখিনি তাও। তাড়াতাড়ি অপারেশন করিয়ে ফেলেন।”
প্রেরক এমসিসিতুহিন আমাদের ব্লগের কুচ্ছিত হাঁসের ছানা।
বিস্তারিত»