ডিসক্লেইমার: এই গল্পের সকল চরিত্র :just: কাল্পনিক এবং সকল বৃক্ষই :just: কাল্পনিক বৃক্ষ। কেউ যদি বেশি জোশ নিয়া কারো সাথে কিছু মিলাইয়া ফেলেন তাইলে কিলাইয়া সেই ভুত ছাড়ানোর দায়িত্বও তার। আমি শুধু এই উপদেশটুকু বিলাইয়াই আপাতত ক্ষান্ত দিলাম।
বিস্তারিত»প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – শেষ
প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – ১
প্রবাসের ডায়েরি থেকে…(প্রথম খন্ড) – ২
৭। মাঝে মাঝে উদ্দ্যেশহীন ভাবে সারারাত ঘুরে বেড়াতে আমার ভালোই লাগত। এখানে দিন আর রাতের মধ্যে আকাশ-পাতাল ব্যবধান। কর্মব্যস্ত দিনের কোলাহল আর চঞ্চলতার পর ক্রমেই শান্ত হতে থাকে শহরটি। শপিং মলগুলো সন্ধ্যায় বন্ধ হয়ে যায়। ধীরে ধীরে ফাঁকা হতে থাকে রাস্তাঘাট। নিরবতা নেমে আসে। নাইট বাসগুলো চলতে শুরু করে।
বিস্তারিত»যদি পাইতাম- ০৩
যদি পাইতাম- [১] [২]
কাইয়ূম ভাই এর একটা যদি পাইতাম সিরিজ দেয়ার কথা ছিলো। অনেকদিন ধরে অপেক্ষা করতেছিলাম।
এবারের যদি পাইতাম দিলাম সাংহাই ২০০৯ অটো শো নিয়ে।যদিও এটার অফিসিয়াল নাম “সাংহাই ইন্টারন্যাশনাল অটোমোবাইল ইন্ডাস্ট্রী এক্সিবিশন”।
ভেন্যুঃ সাং হাই নিউ ইন্টারন্যাশনাল এক্সপো সেন্টার।
লক্ষনীয় যে, এখানে বেশির ভাগই আমরা চাইনীজ কোম্পানীর গাড়ি দেখতে পাবো। যেইসব কোম্পানীর নাম হয়তো অনেকেই শুনি নাই।
বিস্তারিত»স্বার্থপর আমরা
এক সুন্দর বিকেলের মিষ্টি রোদে বাসার লনের বেঞ্ছে বসে আছে এক যুবক এবং তার বুড়ো বাবা। বিকালের রোদে ঘাসের ডগাগুলো চিক চিক করছে।
যুবক টি খুব মনোযোগ দিয়ে পত্রিকা পড়ছে। বুড়ো বাবা চুপচাপ তার পাশে বসে আছেন।হঠাত পাশের গাছে একটি পাখি কিচিরমিচির করে উঠলো।বাবা জিজ্ঞাসা করলেন “ওটা কি পাখি?”
যুবকটি পত্রিকা থেকে চোখ তুলে দেখে উত্তর দিলো “বাবা ওটা চড়ুই পাখি”।
বাবা কি যেনো চিন্তা করলো।
বন্ধুতুড়ে
বন্ধু তুমি ভাবছো একা বসে
ভাবছো তুমি বন্ধু বোধহয়
হারিয়ে গেছে একলা তোমার দোষে।
বন্ধু তোমার নেইতো কিছু ভাবার
যে রয়ে যায় ঠিক রয়ে যায়
সেই চলে যায় যার তো কথা যাবার।
লাইফ অফ দ্য মাইন্ড
স্পয়লার ওয়ার্নিং: সিনেমাটা না দেখে এটা পড়া ঠিক হবে না। অবশ্য নিৎশের শিল্প তত্ত্ব পর্যন্ত সবাই পড়তে পারেন। বাকিটাতে পুরো কাহিনীই বলে দেয়া আছে।
হাতে বন্দুক নিয়ে উন্মাদের মত ছুটে চলেছে চার্লি, তার সাথে সাথে ছুটছে আগুন। এই চার্লির মাধ্যমেই বার্টন ফিংকের মনে নরকের জন্ম দিয়েছেন কোয়েন ব্রাদার্স। এখানে নরক মানে বাইবেলের নরক না, শিল্পীর নরক- যে নরকে প্রবেশ না করলে স্বর্গে পৌঁছানো যায় না।
বিস্তারিত»ফরমান
স্থাণুবৎ হয়ে অবাক পৃথিবী দেখে
মানুষের রক্তচাটা মানুষ,
নীলকুঠীর পুনরাবৃত্তি
তাই, এই বিশ্ব পুনরায় দেখবে জানি
শাসকের লেলিহান চিতা।
ধ্বংসের প্রতিপত্তি।
টগ্বগে রক্তের উত্তাপে
ধারালো হচ্ছে যুদ্ধের তরবারি,
বেদ কিংবা কোরানের শ্লোক তুলেও
রক্ষে হবে না তোমার খবরদারি।
সেই রাজবল্লভ তুমি
যতই হও না কেন নিভৃতচারী।
রক্তের তৃষ্ণা মেটাবো তোমার বিলক্ষণ
তোমারই রক্তকণায়,
ফিটাসের কান্না
ফিটাসের কান্না – অর্থহীনের অসমাপ্ত এলবামের একটা গান। ভাগ্যক্রমে এই গানের গীতিকারের সাথে আমার বেশ ভালো পরিচয় আছে। আমার চেয়ে বছর চার/পাঁচের বড় হবেন। প্রথম বাবা হতে যাচ্ছিলেন, সেই আবেগ থেকেই গানটা লিখেছিলেন। অর্থহীনের সুমনের সাথে পরিচয় থাকার সুবাদে সেই গানটার সুর করে সুমন, গায়ও সে। গানটার মূল উপজীব্য হলো ভ্রূণ হত্যা। আমাদের দেশে এটা খুব বেশি নেই, সুযোগ নেই বলেই হয়তো। কিন্তু নর্থ আমেরিকায় এটা একটা বড় ইস্যু।
বিস্তারিত»ভালোবাসার বন্ধুত্ব- ১২
৯৯৯ নম্বরটা ইজারা নিছি………..সাবধান
:chup: :chup: :chup:
সাবধান, সাবধান, সাবধান!!! আগে থেকে ইট ফেলে রাখলাম। ৯৯৯ নম্বর সদস্যের পোস্টটা আমার জন্য ইজারা নিয়ে রাখলাম আরকি। ওইডা আর বেশি দূরে নাই। আমি না লেখা পর্যন্ত সবাই কিবোর্ড বন্ধ কইরা রাখবা। আগে থেকে তাই সাবধান করে দিচ্ছি!! 😡 অন্য কেউ ভুলেও ওই চেষ্টা কইরো না!! তাইলে পুরা ব্লগ ঝাঁঝরা কইরা দিমু কইলাম। :gulli2: :gulli2: :gulli2: । মনে থাকবো তো??
বিস্তারিত»প্রলাপ
এস. এস. সি. পরীক্ষার পর ছুটিতে বাসায় অনেক বই পড়েছিলাম। সেই সময় পড়া একটি বই, “আমি সুভাষ বলছি”। এই বইটার তিনটি খন্ডই পড়েছিলাম। মাথায় তখন শুধু বিপ্লবী চিন্তা গিজ্গিজ্ করে। কারো সাথে এই নিয়ে কথা বলতে লজ্জা লাগত। আর লেখালিখির অভ্যাস আমার কখনও ছিল না, তাই সেই চিন্তা তখনও করি নি। ধীরে ধীরে আমি অস্থির হয়ে উঠেছিলাম এই ধরনের ভাবনায়। তখন আমার দুলাভাই আমাকে বলেছিলেন বেশি চিন্তা করে মস্তিস্কের উপর অতিরিক্ত চাপ দেয়া ঠিক না।
বিস্তারিত»সমালোচনার ভাষা কী রকম হবে?
সমালোচনা-টা বাংলা সাহিত্যের একটা হৃষ্টপুষ্ট শাখা হয়ে উঠতে পারলো না, এই নিয়ে আব্দুল্লাহ আবু সায়ীদ বেজায় দু:খ করেছেন নানা জায়গায়। আমিও ভেবে চিন্তে দেখলাম, কান কথায় শুনেছি- শনিবারের চিঠি বলে একটা ব্যাপার ছিলো বহু আগে, যেটায় নাকি গায়ে বিছুটি লাগানো সমালোচনা হোত। কিন্তু ইদানীংকালে আমরা সেরকম আর দেখি কই!
এখনকার সমালোচনাগুলান তেমন আকর্ষক হয় না। ব্লগের কথা অবশ্য আলাদা। এইখানে সমালোচনার পারদ মরুভুমির টেম্পারেচারের মতন ওঠানামা করে।
বিস্তারিত»৩ টি গর্বিত শেল এবং আমার সত্যিকার ক্যাডেট হয়ে উঠা
মূল ঘটনা শুরুর আগে খলর মামা সম্পর্কে কিছু না বললেই নয়। মামাকে আমরা মেছো মামা বলেই ডাকতাম। মাছ সম্পর্কিত কোন ব্যাপার ছিল যা ইন-ডিটেইল না বলাটাই ভদ্রোচিত বোধ করছি। মামা ততদিনে কংশ-মামা :gulli2: হিসেবে আত্নপ্রকাশ করেছেন। আমারাও মামাকে ক্লাসে,মাঠে- ঘাটে আমাদের স্টাইলে অভিবাদন জানাতাম। :duel: আমরা বাংলা বর্ণমালা প্র্যাক্টিস করতাম এভাবে —
ক-লর
খ-লর
গ-লর
ঘ-লর
ঐদিন মিল্ক ব্রেক এর পর মামার ক্লাস ছিল।
পাঁচটি অনু-পরমাণু !
১
ফেলে আসা শত স্মৃতি
যেন হলো আজ মিতা,
প্রিয়তম কবি আমার –
লিখে যাও কবিতা।
২
কান পেতে থাকি-
নিভৃত কানাকানি
শোনা যায় যদি ?
চোখ তুলে থাকি-
অজানা হাতছানি
কিছু দৃশ্য, যা গল্প হতে পারত
(একটা প্রেমের গল্পের প্লট ঘুরছিল মাথায়, আজকে সাইজে আনলাম, পড়ুন, মন্তব্য করুন এবং অন্যকে পড়তে ও মন্তব্যে উৎসাহীত করুন 😀 )
১।
সাব্বির স্যারের মাথার চুল গুলো একদম নরম পালকের মত, সিল্কি, অনেকটা বাচ্চাদের চুলের মত। স্যারের অভ্যাস ছিল বীজগনিতের অংক করার ফাঁকে ফাঁকে নিজের চুলে হাত বুলিয়ে দেয়া। এলোমেলো আগোছালো চুল গুলো এত সুন্দর লাগতো তখন, মনে হত চুলে আগুল চালিয়ে এলোমেলো করে দেই কাশফুলের মত করে।
বিস্তারিত»