কিছু স্মৃতি কিছু গান …

অনেক দিন পর আজ উইনিং এর ‘ওই দূর পাহাড়ের ধারে’ গানটি শুনছিলাম। এই গানটি প্রথমবার শুনি আমি তখন ক্লাস এইটে, কলেজে রিউনিয়ন চলছে, শেষ দিন কনসার্ট করতে ঢাকা থেকে আসল অবসকিওর। আমাদের মাঝে সারাদিন কি উত্তেজনা! কিন্তু হঠাৎ শুনলাম খবর খারাপ, ঢাকা থেকে আসার পথে বাসের ছাদে রাখা অবসকিওরের ড্রামসেট ফুটা হয়ে গেছে এখন তাঁরা কনসার্ট নাও করতে পারে। আমাদের মন বেশ খারাপ। দুপুর থেকে আমাদের অডিটরিয়াম অবসকিওর দখল করে নিল, কেউ অডিটরিয়ামের ধারে কাছে ঘেসতে পারছে না, সিনিয়র কয়েকজন বলল যে কনসার্ট হয়তো হবে। রাতে ছিল রিউনিয়ন স্পেশাল ডিনার আর ডিনারের পরেই কনসার্ট হবে। তাড়াহুড়া করে ডিনার শেষ করে অডিটরিয়ামে , যেয়ে শুনি যে কনর্সাট হবে। আমি এর আগে কখনো কোন কনসার্ট দেখি নাই অন্যরকম এক উত্তেজনা কাজ করছিল সেইদিন, সাউন্ড চেক করতে গিয়ে পর্দার আড়াল থেকে যখন অবসকিওর জ্যামিং করছিল আমি তা শুনেই মহামুগ্ধ। এক সময় পর্দা উঠল প্রথম গানটা অবসকিওর গাইল না, আমাদের এক্স ক্যাডেট তুষার ভাই গাইলেন আর সেই গানটাই ছিল ‘ওই দূর পাহাড়ের ধারে’। অসম্ভব মমতা দিয়ে গেয়েছিলেন উনি, পুরা মনে হচ্ছিল আসলেই একটি মেয়ে দূর থেকে ডাকছে আর উনি আমাদের সেই মেয়েটির গান শুনাচ্ছেন।

অনেক গান এইভাবে কলেজ জীবনে দাগ কেটে গিয়েছিল, সেখান থেকেই কয়েকটা গানের গল্প আজ বলতে ইচ্ছা হলো –

আসমান ভেঙ্গে ট্যালেন্ট ঝরে অথবা ‘মন কি যে চায় বলো’

ক্লাস সেভেনে আমাদের ট্যালেন্ট শো করা লাগবে। পঞ্চাশ জন অডিটরিয়ামে দাঁড়িয়ে আছি, তৌহিদা ফারুক ম্যাডাম খুঁজে খুঁজে বের করছেন কে কি করতে পারে। সব কিছু পাওয়া যায় কিন্তু একক সংগীত কেউ যে গাইবে এমন কাউকে আর পাওয়া যায় না। এখন একক সংগীত ছাড়া কেমন করে ট্যালেন্ট শো হবে। দুইটি দলীয় সংগীত ঠিক করা হলো, যাদের গলা একটু চিকন তাদের সেখানে ভর্তি করে দেওয়া হলো কিন্তু তাদের মধ্যে কাউকে দিয়ে একক গাওয়ানো সম্ভব না। শেষে খালিদ হাউসের পোলাপান ফাঁস করে দিল যে মোস্তফা ভালো গান গায়। মোস্তফা প্রতিবাদের তীব্র চেষ্টা কোন কাজেই আসল না, ম্যাডাম জানতে চাইলেন ও কি গান জানে? মোস্তফা বলল সে একটা গানই জানে তা হলো উইনিং এর ‘মন কি যে চায় বলো’। ম্যাডাম বললেন গেয়ে শুনাতে, মোস্তফা গাইল। ম্যাডাম গান শুনে থ এতো পুরা বিশ্ব ভালোবাসা সংগীত ক্লাস সেভেনের একটা ক্যাডেট এই গান ট্যালেন্ট শো তে গাইলে তো প্রিন্সিপাল বেশ খেপবে এই রকম কথার গান বাছাই করার জন্য। শেষে আর কোন উপায় না পেয়ে সেই গানটাই রাখা হলো এবং গানটা প্রচন্ড রকমের হিট করল। আমাদের মোস্তফা গায়ক হিসাবে বেশ নাম করে ফেলল, সে ক্লাস সেভেনে থাকার সময়ে তিন হাউসের সিনিয়রদের গান শুনিয়ে আসতে থাকল। আমাদের ব্যাচের অনেক ট্যালেন্ট ছিল কিন্তু আর কোন গায়ক ছিল না, মোস্তফা ছয়টা বছর একা সেই দায়িত্ব পালন করে গেছে।

গুরুর গুরু হয়ে উঠা অথবা ‘প্রিয় আকাশী’

আমরা তখন মনে হয় ক্লাস ইলেভেনে অথবা এস এস সি এক্সামিনী এই সময়ে আমাদের পরিচয় ঘটল জেমসের গানের সঙ্গে। জেমস তখন জনপ্রিয় হয় নাই তাঁর গুরু হওয়া তো পরের কথা। আমাদের ফজলে এলাহী ছুটি থেকে জেমসের প্রথম অ্যালবামটা শুনে এবং নিয়ে আসল। তারপর থেকে সে প্রতিদিন বাথরুমে প্রেপে গাইতে লাগল ‘প্রিয় আকাশী গতকাল ঠিক দুপুরে তোমার চিঠি পেয়েছি…ফজলের গাওয়ার ঢং দেখে এক- ওকে টিজ করতে গিয়ে ও দুই- জেমস কে টিজ করতে গিয়ে আমরাও গলা ফাটিয়ে এই গান সব জায়গায় গাওয়া শুরু করলাম। বিশেষ করে গেমস থেকে আসার পরে তারিক হাউসে আমাদের টেন সিটার রুমে আমরা দশজন একসাথে এই গান ধরতাম। ফজলে আমাদের খালি বলতো, ‘দেখিস দেখিস এই জেমস একদিন বাংলাদেশ কাঁপাবে’, আমরা হাসতাম ওর কথা শুনে। আমরা কেউ সেইদিন বুঝি নাই ফজলেই গুরু কে চিনতে পেরেছিল। একদিন ফজলের ক্যাসেট টা আমরা কলেজ কালচারাল প্রিফেক্ট কে দিলাম লাঞ্চের সময় ডাইনিং হলে বাজানোর জন্য। লাঞ্চের সময় যেই না জেমস প্রিয় আকাশী বলে টান দিল ওমনি শওকাতুন্নেসা ম্যাডাম মেস ও আই সি র(উনি তখন মেস ও আই সি ছিলেন) রুম থেকে দৌড়ে আসলেন ‘এই এই তোমরা এটি কি গান লাগিয়েছ, বন্ধ করো, বন্ধ করো’ বলতে বলতে, বেচারা ফজলে সেদিন বেশ কষ্ট পেয়েছিল।

প্রেপের গান অথবা ‘রেল লাইনের ধারে বস্তিতে’

প্রেপে ডাইনিং হল থেকে ফিরেই কিম্বা হঠাৎ কারেন্ট চলে গেলে হইহই করে গান গেয়ে উঠা তো মনে হয় ব্যাচের অতিশয় ভালো ছেলেটাও করে। আমাদের ফর্মে সমবেত সংগীত হিসাবে গাওয়া হতো ‘রেল লাইনের ধারে বস্তিতে’। আমরা অবশ্য একটু আমাদের মতো করে গানটির কথা পালটে দিয়েছিলাম। ‘ছেলে’ শব্দটার বদলে একজনের টিজ নাম বসিয়ে আমরা গানটি গাইতাম, দেখা যেতো যাকে টিজ করা হচ্ছে সেও গাইছে গানটি।

সাইফ ভাইয়ের গান অথবা ‘কখনো জানতে চেও না’

আমাদের কলেজের দশম ব্যাচের ছিলেন সাইফ ভাই, পেশায় স্থাপত্যবিদ আবার অসম্ভব ভালো গায়ক। ১৯৯২ এর দিকে আমাদের কলেজ ডে তে উনি আসলেন, এক্স ক্যাডেটদের অনুষ্ঠানে উনার কলেজ লাইফে লেখা আর সুর দেওয়া গান গাইলেন ‘কখনো জানতে চেও না’। এই এক গান দিয়ে উনি পুরা মাতিয়ে দিয়েছিলেন। সাইফ ভাইয়ের প্রথম অ্যালবাম ‘কখনো জানতে চেও না’ বের হবার পরে কলেজের ক্যাসেট প্লেয়ারে প্রায়ই বাজত এই গান। গানটার মধ্যে এক অসম্ভব মন খারাপ করা ব্যাপার আছে। এখন যখন এই গানটা শুনতে যাই তখন মনে পড়ে কলেজে ইন্টার হাউস ফুটবল অথবা ভলিবল কম্পিটিশনে খেলা শুরু করার আগে মাইকে ভেসে আসছে গানটি। সাইফ ভাই দরাজ গলায় গাইছেন –

‘আজও ঢেউ গুনে বসে বসে আমি
কোন স্মৃতির ঘাটে একেলা,
যেন উদাসী বাতাসে তার সুর ভেসে যায়…
চাওয়া না পাওয়ার মোহনায়’

এক্সামিনীদের গান অথবা ‘যাবে কি যাবে চলনা’

এখন কি হয় জানি না আমাদের সময়ে ক্লাস টুয়েলেভের এক্সামিনীরা দেখা যেতো বারান্দার এই মাথা থেকে ওই মাথা হেটে যাচ্ছে গভীর রাতে গান গাইতে গাইতে। কত রাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙ্গে গেলে শুনতে পেতাম কোন গান। সাধারনতঃ তখনকার কোন হিট ব্যান্ডের গান গাওয়া হতো। একটা গান শুনেছিলাম গানটি আমি পরে কোথাও পাইনি, গানটির কথা ছিল –

‘বৃষ্টির শেষে আকাশের বুকে
রংধনুর রং এর মেলা
পৌষের শেষে হইচই করে
পাখিদের নীড়ে ফেরা…
ভালো লাগে কি বলো না?
যাবে কি যাবে চল না
খুঁজে নিতে ঠিকানা…’

আর লাইনগুলো মনে নাই। যেরকম মনে নাই এরকম কোন রাতের বেলায় আমাদের এক্সামিনী লাইফে আমরা কোন গানটা বেশি গাইতাম? হয়তো কোন জুনিয়র মনে রেখেছে।

আরো কতো গান এসে ভীড় করছে মাথায়, কতো গান নিয়ে কত কান্ড, থাক নাহয় গানগুলো, বাজুক আমার স্মৃতিতে। মাঝে মাঝে গভীর রাতে ঘুম ভাংলে গান শুনতে পাই রাশেদ ভাই গাইছে (উনি আমাদের মোস্তফার বড় ভাই)…

‘পদ্মার পাড়ে ঝিল শালুকের মেলা,
তো দেখবি কে কে আয়…
ঠিক তারি ওপারে,
দালান সারি সারি
ওই যে দেখা যায়…
বালুচরের মেলায়
মৃদু হাওয়ার দোলায়…
বয়ে গেছে কখন
এ জীবন’

৩,১৮১ বার দেখা হয়েছে

৩২ টি মন্তব্য : “কিছু স্মৃতি কিছু গান …”

  1. মইনুল (১৯৯২-১৯৯৮)

    দারুন ভালো লাগলো সামি ভাই।
    আমরা একাদশে থাকার সময়ে মনে হয় জেমসের দুঃখিনি দুঃখ কোরো না অ্যালবামটা বের হয়ে ছিলো। তখন গুরু ফ্যান ভার্সেস বাচ্চু ফ্যান মারাত্বক তর্কাতর্কি হত। তবে আমাদের খুব প্রিয় ছিলো, হাসানের ভুলে গেছি কবে গানটা। এক্সকারশনে এইটা আর নাথিং গনা স্টপ আস গানদুটোই শুধু শুনতাম।

    জবাব দিন
    • সামি হক (৯০-৯৬)

      বাচ্চুর 'যদি তুমি ভালোবাসো আমায় শুধু এ কারণে পালাতে চাই' গান টা আমাদের এস্কারশনে খুব হিট ছিল। কেন জানি আমাদের কলেজে ইংরেজী গান বেশী শুনা হয় নাই, তবে ইউরোপের ফাইনাল কাউন্টডাউন বেশ হিট ছিল।

      মইনুল ধন্যবাদ, লেখাটা ভালো লেগেছে দেখে ভালো লাগল।

      জবাব দিন
  2. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    একদম শেষের নোভার গানটার নতুন ভার্সন (রিটার্ন অফ নোভা এলবাম) এইমাত্র নামালাম নেট থেকে...

    সবগুলো গানই সুন্দর... সবারই মনে হয় কিছু স্মৃতিময় গান থাকে যা এক একটা নির্দিষ্ট স্ময়ের কথা মনে করিয়ে দেয়।


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  3. ভাইয়া, খুব ভালো লাগলো। আপাতত বিমুগ্ধ অবস্থায় ভালো লাগার ফলে সৃষ্টি হওয়া ভাবনাগুলো লেখা সম্ভব নয়। পরে লিখবো। :dreamy:
    :dreamy: :dreamy:

    লেখাগুলো খুউব আপন আপন লাগলো। আমি ফর্ম আর হাউসের দৃশ্যগুলো অনুভব করার চেষ্টা করছিলাম। এইরকম কিছু অসাধারণ স্মৃতি আমাদের মনেও আছে। 🙂 🙂

    কালকে আমার লেখাতে আপনার দীর্ঘদিন পোস্টহীন থাকার ব্যাপারটা উল্লেখ করতে না করতেই দেখি আপনি হাজির !! :boss:

    অফ টপিকঃ আপনি কোন হাউসের ছিলেন ভাই? 😀 আমি তারিক হাউস, বিখ্যাত মুসলিম সেনানায়ক আর বীর তারিক বিন জিয়াদের নামানুসারে যেই হাউসের নামকরণ B-) B-)

    জবাব দিন
    • শার্লী (১৯৯৯-২০০৫)

      আমি খালিদ হাউসের। সর্বশ্রেষ্ঠ মুসলিম সেনানায়ক খালিদ বিন ওয়ালিদের নামে যে হাউস।(কয়েকদিন ধরে খেয়াল করছি কলেজের সাম্প্রদায়িকতার ওপর মাহমুদ আর তাহমিনুল হাউসের ট্যাগ লাগাচ্ছে, কারনটা জানি না)

      সামি ভাই তারিক হাউসের।

      জবাব দিন
    • সামি হক (৯০-৯৬)

      @মাহমুদ ...তোমাদের তিনজনের কোন স্মৃতিচারন আমি পড়ি আমারো একই অবস্থা হয়, অন্যরকম একটা অনুভব, অনেক অনেক আপন। একই ক্লাস রুম, একই করিডোরেই তো আমরা হেটেছি তিনটি সময়ে। তোমারগুলো লিখে ফেলো শীঘ্রই নাহলে একদিন দেখবা ভুলে গেছো অনেক কাহিনী।

      আর শার্লী তো বললই আমি তারিক হাউসের B-) ।

      @শার্লী হে হে হে আমরা তিনজনেই তারিকের তাই খুব সাবধান সাম্প্রদায়িক একটু নাহয় হলামই 😀

      জবাব দিন
    • সামি হক (৯০-৯৬)

      মিয়া, খেলা নিয়ে অনেক লিখসেন এইবার কয়েকটা স্মৃতিচারন দেন। আর আপনার ম্যানেজার এগুলা কি করতাছে কোন প্লেয়ার কিনে না তাইলে সামনের বার ক্যামনে হবে আমাদের লিগ জিতা 🙁

      লেখাটা ভালো লেগেছে শুনে ভালো লাগল।

      জবাব দিন
  4. কাইয়ূম (১৯৯২-১৯৯৮)

    দারুন লেখা সামি ভাই।
    কত কিছু মনে করায়া দিলেন!
    সেভেনে থাকা অবস্থায়ই একটা রিইউনিয়ন পাই আমরা। যেখানে কন্সার্ট এ এল.আর.বি ছিলো। বাচ্চু কাকা তখনো বাচ্চু কাকা হয় নাই 😛 কিন্তু কি দারুন একটা কন্সার্ট করে গেছিলো :boss:
    আর এর পর একে একে মাইলস এর প্রত্যাশা, পেপার রাইম, ওয়ারফেইজের অবাক ভালবাসা, উইনিং এর অচেনা শহর, নোভা-ফজল, সোলসের এ এমন পরিচয় আরো কত এলবাম-গান!! মনে আছে একসময় হাসাইন্যার মাত্র ১১টা গান ছিলো এবং এর সব কয়টাই সুপার ডুপার হিট! তারপর জেমসের সেই বিখ্যাত দুখিনী দুঃখ কোরোনা, যেটা আমরা ইলেভেনে থাকতে রিলিজ হয়। কী দারুন সব দিন দারুন সব গান ছিলো!
    নাহ্, সামি ভাই এই অবেলায় মনটা উদাস করার জন্য আপনার ব্যাঞ্চাই 😀


    সংসারে প্রবল বৈরাগ্য!

    জবাব দিন
  5. সামি হক (৯০-৯৬)

    কাইয়ুম, কত কত অ্যালবামের কথা মনে করায়ে দিলা 🙁 । পেপার রাইমের অ্যালবাম আমার অল টাইম ফেবারিট অ্যালবাম, বেডারা আর কোন অ্যালবাম বের করল না x-( ।

    মিয়া আমি উল্টা তোমার ব্যাঞ্চাই 😀 কেন তুমি এত্তো এত্তো গান নিয়ে স্মৃতি মগজ এ জমায়ে রাখছো, লিখে ফেলো তাড়াতাড়ি

    জবাব দিন
  6. তানভীর (৯৪-০০)

    দারুন নষ্টালজিক করে দেয়া লেখা। :boss: :boss:
    হাসানের "ভুলে গেছি কবে" আমাদের ব্যাচে খুবই জনপ্রিয় একটা গান ছিল। আমরা সবাই কোরাসে গাইতাম। আহা রে! নানান রঙের সেই সব দিনগুলা! :dreamy: :dreamy:
    সামি ভাই, খুব ভালো লাগল লিখাটা। :salute:

    জবাব দিন
  7. কামরুল হাসান (৯৪-০০)

    নোভার 'স্কুল পলাতক মেয়ে' মাইলসের 'সে কোন দরদীয়া আমায়' এই দুইটা গান খুব মনে পড়ছে। কলেজে খুব গাইতাম সবাই।
    আর তখনকার অনেক হিন্দী গান তো ছিলোই। কলেজের স্মৃতিময় গান নিয়ে লিখেছিলাম একবার এখানে।


    ---------------------------------------------------------------------------
    বালক জানে না তো কতোটা হেঁটে এলে
    ফেরার পথ নেই, থাকে না কোনো কালে।।

    জবাব দিন
    • সামি হক (৯০-৯৬)

      ‘বৃষ্টির শেষে আকাশের বুকে
      রংধনুর রং এর মেলা
      পৌষের শেষে হইচই করে
      পাখিদের নীড়ে ফেরা…
      ভালো লাগে কি বলো না?
      যাবে কি যাবে চল না
      খুঁজে নিতে ঠিকানা…’

      এই গানটা কিন্তু আপনারাও গাইতেন বিশেষ করে ইফতেখার ভাই। আছেন কেমন?

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।