ট্রিবিউট টু তুহিন (৯৯-০৫)

তুহিন ছুরিকাহত হবার পর তার রিকভার করার জন্য অভিনন্দন হিসেবে এবং কিভাবে এটা ঘটলো সেটা জানার পর তাকে নিজ দায়িত্ববোধের জন্য সাধুবাদ জানিয়ে মন্তব্য করছিলাম তুহিন ছুরিকাহত এই পোস্টে। মন্তব্য বড় হয়ে যাচ্ছে মনে হওয়ায় পোস্ট হিসেবে লিখছি। তুহিন একজন পথচারীকে ছিনতাই হতে দেখে ছিনতাইকারীকে বাধা দিতে গিয়ে ছুড়িকাহত হয়েছে। কি আমার প্রতিক্রিয়া?

fantastic, marvelous!!!!

অবশ্যই তুহিন আমাদের গর্বের বিষয়। এই না হলে আর ক্যাডেট? অবশ্যই আমি ওকে খানিকটা হিংসাই করছি এটা ভেবে যে, যেই সাহস আর বীরত্ব ও দেখাতে পেরেছে সেই সাহস বা বীরত্ব হয়তো আমি দেখাতে পারতাম না। এরকম ক্যাডেটই আমরা দেখতে চাই যে কিনা কোন অবস্থাতেই চোখের সামনে ঘটে যাওয়া কোন অন্যায়কে মেনে নিবে না। এক ফোঁটাও বাড়িয়ে বলছি না, আমি ঠিক সেরকম গর্বিতই বোধ করছি যেরকম বোধ করেছিলাম বেনিনে বিমান দুর্ঘটনায় বা পিলখানা হত্যাযজ্ঞে আমাদের সাহসী স্বজনদের হারিয়ে। তুহিন তুমি যেটা করলে সেটা মুলত সারাজীবন বলে যাওয়ার মত একটা ঘটনা, সারাজীবন এটা নিয়ে গর্ব করা যায়। আর এই কঠিন পৃথিবী যেখানে মানুষের মনুষ্যত্বের উৎকর্ষ মাপার প্যারামিটার মাত্র একটাই- যেটা কিনা শুধুই এবং শুধুমাত্রই তার অর্জন- সেখানে আমাদের মত অসংখ্য সাধারণ জনগনকে পিছনে ফেলে মাত্র একটি পদক্ষেপেই তুমি এগিয়ে গেছ অনেক অনেক দুর। তুমি যদি এমনকি ঔধ্যত্বপূর্ণভাবে এই দাবী নিয়েও আসো যে “I am the hero; I is the hero” এবং তুমি যা করলে এই ঘটনাটা তুমি দেখাও তোমার দাবীর স্বপক্ষে এভিডেন্স রূপে, আমি নিঃদ্বিধায় তোমার দাবী মেনে নেব কেননা যে এভিডেন্স তুমি দেখালে সেটা হচ্ছে তোমার দাবীর স্বপক্ষে কনক্লুসিভ এভিডেন্স

এবার বলি কেন তোমার এটাকে অর্জন বলছি। অর্জন বলছি একারণে যে তুমি একটা ভ্যালু আমার মধ্যে প্রপাগেট করতে পেরেছো। আমরা আমাদের চারপাশ থেকেই তো ভ্যালু শিখি। প্রথমত পরিবারের কাছ থেকে, বিশ্ববিদ্যালয় থেকে, শিক্ষকের কাছ থেকে, সমাজ থেকে। হয়তোবা আমি আগেই ভেবেছি যে দায়িত্ববোধ বলে যেই ব্যাপারটা আছে তার বলে একজনের বিপদে আমাকে ঝাপিয়ে পড়তে হবে, টাকাপয়সার অভাবে অনেক সময় আটকে গেছি কিন্তু এ ছাড়া সবসময়ই চেষ্টা করেছি যাতে কারো বিপদে তার পাশে গিয়ে না দাড়ানোর মত অপদার্থ না হই। তুমি নিজের জীবন বিপন্ন করে হলেও যেই উদাহারণটা স্থাপন করলে, সেটা আমার এই ভ্যালুকে আরো অনেক বেশী শক্তিশালী করলো। সাহসের অভাবে আগে আমি যেটা করতে পারতাম না তোমার এই ঘটনা এখন হয়তো আমাকে তাই ই করার শক্তি যোগাবে। এজন্যই এটাকে অর্জন বলছি। আমরা কিন্তু আমাদের আশপাশের সবার ভাল্যুই আপহোল্ড করিনা, করি কি? বা অন্যকথায় ভ্যালুর প্লজিবিলিটি অন্য কোন সোর্স থেকে ঝালাই করে নেই, পরিবার থেকে যেই ভ্যালু শিখি বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে হয়ত ঐ ভ্যালুর অন্তঃসারশুণ্যতা বুঝতে পারি ও তা ত্যাগ করি। এমতাবস্থায়, তুমি যদি একটা ভ্যালু প্রপাগেট করতে পার, সেটাই কিন্তু একটা অনেক অনেক বড় দান, যেটা কিনা সমাজে প্রপাগেট হতে থাকবে এক্সপোনেন্সিয়ালি। শুধু তাই ই নয় দশ জন মানুষের একশোটা ভ্যালুর সাথে প্রতিযোগীতা করে একজনের একটা ভ্যালু যেখানে কিনা প্রোপাগেট হতে পারলো- আরও দশজন দর্শকের মধ্যে অন্তত দুই একজনের ঐ একই ভ্যালু গ্রহন করার সম্ভবনাই বেশী। এরকম ছোট ছোট অনেক বালুকনার যোগফলই কিন্তু এখন আমরা যেটা দেখি আমাদের সুসভ্য, সুশিক্ষিত কালেক্টিভ ভ্যালুর সর্বাঙ্গীক রূপ, আমাদের সমাজ।

এবার আসি ব্যাথা ও বেদনার কথায়। আমি বুঝতে পারি কি অবর্ণনীয় বেদনার ভেতর দিয়ে তুমি যাচ্ছ। কষ্ট পেয়েছি শুনে যে ব্যাথায় মাঝে মাঝে তোমার মুখ কুঁচকে যাচ্ছে। বলাই বাহুল্য যে, এত বড় একটা কিছু যেই তুমি করেছ এই ব্যাথা তুমি খুব সহজেই সাসটেইন করতে পারবে। একবার আমার মনে হলো আমি দেখতে চাই স্বেচ্ছায় একটা মানুষ কতটা বেদনা সাসটেইন করতে পারে। আমি আমার জিহ্বায় পিয়ার্সিং নেই একটা যেটা কিনা এখনও আছে। যেই ট্যাটু পার্লারে আমি ঢুকি তার দরজায় বড় করে লেখা ছিলো yes it hurts. আমাকে যখন বলা হলো যে আমি অ্যানেস্থেসিয়া চাই কিনা, আমি বলেছিলাম না, কেননা আমি জানতাম অ্যানেস্থেসিয়া ওই একটি সুঁই আর পিয়ার্সিং ও ওই একটি সুঁই ই। তারপরও পিয়ার্সিং গানের মোটা সুঁই যখন আমার জিহ্বার একপাশ থেকে অন্যপাশে ফুঁটো করে বেরিয়ে যায় আমার মনে হয় হয়তো অ্যানেস্থেসিয়া নিলেই ভালো করতাম। তো যাই হোক, বাসায় এসে সেদিন রাতে আমার জ্বর আসে, প্রচন্ড ব্যাথায় মুখ ফুলে যায়। আমার মনে হতে থাকে প্রতিটা মানুষের ভেতরই কি একজন ডক্টর হ্যানিবল বা জিগ-স্য বাস করে? যাই হোক তারপরও আমি নিউরোফেন খাইনি, আমার মনে হচ্ছিল না এখনো ব্যাথা অতটা হয়েছে যা কিনা আমি সাসটেইন করতে পারি না। যাই হোক, পরদিন আমি উইকিতে পড়ি মেডিয়েভল টর্চার র‌্যাকিং, ইমপেলিং, বার্নিং এট দ্যা স্টেইক, হ্যাং ড্রোন অ্যান্ড কোয়ার্টার ইত্যাদি সম্পর্কে। এটা পড়ে আমার কাছে মনে হয় যে পৃথিবীর মানুষ ইতিহাস জুড়ে যেই অবর্ণনীয় যন্ত্রনা ভোগ করে এসেছে সেই তুলনায় আমার নিজের যন্ত্রনায় কাতর হওয়াটা বিলাশীতা। আর এটা আমাকে আরও বোঝায় যে পেইনের চেয়ে সাইকোলজিকাল ট্রওমাটাই বোধহয় আমাদের বেশী কাতর করে। আশা করি দাঁতে দাঁত চেপে তুমি কাটিয়ে দিতে পারবে, মাল্টিসেলুলার সুপার-অর্গানিজম হবার কিছু দাম তো দিতে হবেই। বিহেইভিওরাল বায়োলজি এবং কগনিটিভ নিউরোসাইন্স পেইনকে একটি ডিফেন্স মেকানিজম হিসেবে চিন্হিত করে। যা আমাদের জন্য ক্ষতিকর তা যদি আমাদের ব্যাথা না দিত তবে আমরা মনেহয় প্রতি সপ্তাহেই একবার করে মরে যেতাম। তবে, তোমার যেই অর্জন তার গৌরবের কাছে আমি বলবো তোমার বেদনার যন্ত্রনা খুবই খুবই তুচ্ছ।

আমার ইচ্ছা ছিলো তোমাকে দেখতে আসার, সেটা ছিলো তোমাকে সাপোর্ট দেবার উদ্দেশ্যে। এখনও তোমাকে আমি দেখতে আসতে চাই, তবে এবার আর তোমাকে সাপোর্ট দেবার উদ্দেশ্যে নয়, বরং আমার নিজের পার্সোনাল ইন্টারেস্টে। সুপারস্টার দেখার জন্য ভীড় আমি কখনোও জমাইনি। আমি তোমাকে দেখতে আসবো এই কারণে যে, এমন কিছু তুমি করেছ মানুষ হিসেবে যা তোমার যোগ্যতার মানদন্ড আমারটা থেকে অনেক অনেক উপরে উন্নীত করেছে। আমি বাংলাদেশ আসছি ১৭ তারিখ, পৌছবো ১৮ তারিখে, এর পর যেই কোন একদিনই আসবো, ওর কোন বন্ধু থাকলে ওর ফোন নাম্বারটা দিও যাতে আমি যোগাযোগ করতে পারি।

এবং আমার ধন্যবাদ দেয়ার রয়েছে তাদেরও যারা তুহিনের এই কঠিন সময়ে তার পাশে ছিলো, তাকে সাপোর্ট দিয়েছে, তার কষ্ট লাঘবের চেষ্টা চালিয়েছে। after all নিজের rational self-image এর ধার কয়েককাঠি বাড়ানোর জন্য আমরা যতই নিজেকে self-sufficient এবং প্রাপ্তবয়স্ক প্রমান করার চেষ্টা করিনা কেন, আমার দুঃসময়ে আমার দুঃখ লাঘব করার উদ্দেশ্যে কেউ আমার পাশে আছে, এটার চেয়ে সুসংবাদ আমার জন্য আর কিছু হতে পারে না। আবারও বলতে হচ্ছে, এই না হলে আর ক্যাডেট!

যার জন্য তুহিন নিজের জীবনের পরোয়া না করে দায়িত্বপালনে ঝাপিয়ে পড়লো, সেই লোক তাকে ছুড়িকাহত অবস্থায় ফেলে রেখে নিজের পথে হাঁটা ধরলো যাতে তার রক্তাক্ত পেট হাতে চেপে ধরে সে বাসা পর্যন্ত হেঁটে যেতে পারে? কতটা হৃদয়হীন। একজন সংবেদনশীল মানুষের মনে হয়না এটা শুনে ক্রোধ সংবরণ করা বা বিষোদগার না করে থাকতে পারাটা কোনভাবেই সম্ভব। আমি বিপন্ন বোধ করছি, আমার তাকে বলার আছে lets loose ’em, shall we? chop ’em off, pop in a fanny and a couple of t*ts? don’t need to give birth though; however, it needs to take a c**k, i mean a fair,old p***s, cause that’s what you like, don’t you? juicy and sweet!! after all এই কনসেনসাসে বোধহয় আমরা পৌছতে পারি যে, এই লোক সাইকোপ্যাথ, such an astounding lack of empathy for fellow human-being কে ভাষায় প্রকাশের জন্য আর কোন বিশেষণ আমি খুঁজে পাচ্ছিনা। লোকটার চেহারা আমার বড় দেখতে ইচ্ছা করছে। আমি যদি কোনকালে জাহাজের ক্যাপ্টেন হই, এবং সেই লোক হয় ঐ জাহাজে চড়ে বসার মতো পর্যাপ্ত মগজহীন নির্বোধ; জাহাজটি এমনকি যদি মাঝ সমুদ্রে ডুবে নাও যায়, তারপরও ঐ লোক মোটেও নিরাপদ নয়।

তুহিন মানুষের অকৃতজ্ঞতা আশা করি তোমাকে ব্যাথিত করবে না, তুমি জেনো প্রতিটি সংবেদনশীল মনের মানুষ তোমার ত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং তোমার চেতনা আপহোল্ড করে।

১,৬৮০ বার দেখা হয়েছে

১৪ টি মন্তব্য : “ট্রিবিউট টু তুহিন (৯৯-০৫)”

  1. রকিব (০১-০৭)
    তুহিনের মানুষের অকৃতজ্ঞতা আশা করি তোমাকে ব্যাথিত করবে না, তুমি জেনো প্রতিটি শ্রদ্ধাশীল মানুষ তোমার ত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং তোমার চেতনা আপহোল্ড করে।

    :salute: :salute: :salute:


    আমি তবু বলি:
    এখনো যে কটা দিন বেঁচে আছি সূর্যে সূর্যে চলি ..

    জবাব দিন
  2. মাসরুফ (১৯৯৭-২০০৩)

    অর্ণব,কাপুরুষের মত আমি যখন সবাইকে "ছিনতাইকারী ধরলে বিনা বাক্যব্যয়ে সবকিছু দিয়ে দিতে" পরামর্শ দেই সেখানে তোমার এই সাহসী উচ্চারণ দেখে অনেক ভাল লাগল ভাই।

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)

      ওয়েল না, ঠিক কাপুরুষ বলাটা ঠিক হবে না, আপনার মন্তব্য আপনি যখন করেছেন তখন আমরা এটা জানতাম না যে,
      ১। তুহিন ছিনতাইকারীকে বাধা দিতে যাচ্ছিল যখন কিনা ছিনতাইকারী দৌড়ে পালাচ্ছিল।
      ২। তুহিন নিজের মানিব্যাগ না বরং আরেকজনের মানিব্যাগ রক্ষার জন্য ছিনতাইকারীকে বাধা দিচ্ছিলো।

      আপনি যেই সময়ে আপনার মন্তব্য করেছেন সেইসময় আপনারটাই সঠিক ছিলো। আমাকে ছিনতাইকারী ধরলে অবশ্যই আমি ছুরির আঘাত না খেয়ে মানিব্যাগটা দিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তই নিব। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে ফাইট অর ফ্লাইট। কাউকে আপনি ফাইট দিতে দেখলে এবং যদি দেখেন অপোনেন্ট আপনার চেয়ে বেশি শক্তিশালী তবে হ্যা ফ্লাইটই আপনার সঠিক ডিসিশন। কিন্তু, যখন কিনা অপনেন্ট ফ্লাইট দিচ্ছে তখন কিন্তু সে বাই ডেফিনেশন ভালনারেবল, রাইট। তাই, তখন আপনার ফাইট দেওয়াটা দায়িত্ব। আমি তুহিনের ডিসিশন সঠিক বলছি এই দুইটা ঘটনার উপর ভিত্তি করেই। আর আপনি যখন আপনার মন্তব্য করেন তখন এই দুইটা ব্যাপার আমরা জানতাম না, তাই আপনার মন্তব্যও মনে করি সঠিক ছিলো, অন্তত আমি একমত প্রকাশ করেছি, মনে করিনা সেটা কাপুরুষোচিত ছিলো।

      জবাব দিন
  3. আশহাব (২০০২-০৮)
    তুহিনের মানুষের অকৃতজ্ঞতা আশা করি তোমাকে ব্যাথিত করবে না, তুমি জেনো প্রতিটি সংবেদনশীল মনের মানুষ তোমার ত্যাগকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে এবং তোমার চেতনা আপহোল্ড করে।

    :boss: :boss: :boss:

    জবাব দিন
  4. জুবায়ের লিখা নিয়ে কোন কমেন্ট নাই......... হ্যাটস অফ টু দ্য পোস্ট.....

    আলাদা করে ২টি কথা:

    ১) ছুরিকাহত বানানটা ঠিক কর....... ছু"রি"কাহত এর জায়গায় ছু"ড়ি"কাহত ব্যবহার করাতে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে......

    ২) আর ৩দিন পর দেশে আসতিছ এটা পোস্টটা না পড়লে জানতাম না.....প্রায় দেড় মাস পর এই ব্লগে আসছি আজ তাই প্রথম পাতায় পোস্টটা না থাকলে পড়াও হত না......
    যাই হোক, দেশে এসে আমাদের কারো সাথে কন্ট্যাক্ট করার / দেখা করার প্রয়োজন মনে করলে জানাইও....... গ্রুপ মেইলে সার্চ দিলে আমাদের সবার ফোন নাম্বার পাবা তাই আলাদা করে কারো নাম বললাম না.....

    জবাব দিন
    • জুবায়ের অর্ণব (৯৮-০৪)
      ছুরিকাহত বানানটা ঠিক কর……. ছু”রি“কাহত এর জায়গায় ছু”ড়ি“কাহত ব্যবহার করাতে শব্দের অর্থ পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে……

      বেশ অশিক্ষিত একটা ভুল ধরে লজ্জা দিয়ে দিলা, ধন্যবাদ, ঠিক করা হইছে অলরেডি। তবে মজা পাইলাম ভুলটা অর্থকে কিভাবে চেঞ্জ করে দিচ্ছে দেখে। ছুরিকাহত না হয়ে ছুড়িকাহত হতে তো বোধহয় আমাদের সবারই বাসনা, রাইট?

      কারো সাথে কন্ট্যাক্ট করার / দেখা করার প্রয়োজন মনে করলে জানাইও……. গ্রুপ মেইলে সার্চ দিলে আমাদের সবার ফোন নাম্বার পাবা

      গ্রুপে মেইল করা হইছে।

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।