১.
গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি পড়ছে বাইরে। মাঝে মাঝে মুষুলধারে বৃষ্টির জন্য কান পেতে থাকি, সাড়া মেলে না। বৃষ্টি দেখাটা আমার নেশা, বেশ পুরানো অভ্যাস। সময়ের শুকনো রঙগুলো বৃষ্টির জলে ভিজিয়ে স্মৃতির ক্যানভাসে রঙ চড়াতে বেশ লাগে। আবছা হয়ে যাওয়া ছবিগুলোয় উজ্জ্বল রঙচ্ছটা জ্বলতে থাকে, ফেলে আসা সময়ের জোনাকগুলো আমার ভেজা মনে আলো ছিটিয়ে হারিয়ে যায়। আমি বসে থাকি; একা কিংবা বাস-ছাউনিতে দাঁড়ানো এক দঙ্গল মানুষের ভিড়ে।
হুম্ম, অবশেষে…!
তখন আকাশের ইঞ্জিনিয়ারিং এ চতুর্থ লেভেলের শেষ টার্ম চলছে।
ও খুব শখ করে একটা লাইটার কিনেছিল। ক্যাপ খুললেই বাজনা বাজে আর নীলচে একটু লাইট জ্বলে।
ও সিগারেট ছুঁয়েছে সেই ক্লাস নাইনে। শুরুটা স্বাদ নেয়ার অভিপ্রায়ে রোমাঞ্চকর অভিযান। তারপর সময়ের হাত ধরে এক সময় সে নিজেকে আবিষ্কার করলো মোটামুটি শেকলে বাধা ধুমপায়ী’র আদলে। শুরুতে লুকিয়ে লুকিয়ে অভিসার চলতো। খাবার পর এই একটু হেঁটে আসা টাইপ আর কি!
বিস্তারিত»ম.ক.ক. কে অভিনন্দন! (ক্ষুদ্র পোস্ট)
অভিনন্দন ম.ক.ক. এর সবাইকে এবং সেইসাথে আমাদের সেনাবাহিনীর নতুন সেনাপ্রধান লেফটেন্যাণ্ট জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল মুবীনকে!
তিনি প্রথম একজন সেনাপ্রধান যিনি একই সাথে বাংলাদেশের ক্যাডেট কলেজের (মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজের) একজন এক্স ক্যাডেট এবং বাংলাদেশেরই সেনাবাহিনীতে কমিশনপ্রাপ্ত।
বিস্তারিত»দিনলিপি ০৩: হঠাৎ গরমে আম-কাঠাল ট্যুর
পরশু সন্ধ্যায় হঠাত মোস্তফা (এমসিসি) ফোন দিলো “আম খাইতে যাবি?” আমিঃ “মানে?”
মানে হইলো তোহা (এমসিসি)এর গ্রামের বাড়িতে যাবার প্লান হচ্ছে আম খাবার জন্য। প্রায় বিশ জনের মতো রাজি হয়েছে যাবার জন্য।
এরকম চান্স কে মিস করে? চাকুরি করতে করতে বোরড হয়ে গেছি। এরকম চান্স পেলে ইদানিং মিস না করার চেষ্টা করি। ঠিক আছে যাবো বলে জানালাম………
গতকাল অফিস করে বিকালে গেলাম আহসান (এমসিসি) এর অফিসে একটা কাজে।
আশার কাছে খোলা চিঠি
দিনবদলের হাওয়াঃ ক্যাডেট কলেজে প্রেমপত্র
“মেয়েটির সৌজন্যে একটি চিঠি লিখেছিলাম কিন্তু আজো সেটা পোস্ট করা হয় নি”
এর পর থেকে শুরু করছি…
ব্লগের শিরোনামটি মাসরুফ ভাইয়ের দেওয়া । আমি আর পরিবর্তন করার দুঃসাহস দেখাই নি । হাজার হলেও বড় ভাই 😀
আদনান ভাই, তানভীর ভাই, মাসরুফ ভাই, রকিব ভাই এবং মাহমুদ ভাই এর নির্দেশে আমার পোস্ট না করা চিঠির অজুহাতগুলো লিখছি :-B
আমি ক্যাডেট কলেজে যাওয়ার পর থেকেই চিঠি লিখতে এবং পেতে খুব ভাল লাগত ।
বিস্তারিত»টিপাইমুখ আরেক মরণ ফাঁদ্
বরাক একটি আন্তর্জাতিক নদী। প্রায় পনের বছরের অধিক সময় ধরে ভারত বরাক নদির উপর টিপাইমুখ বাধ দেওয়ার চেষ্টা করে আসছে। স্থানীয় জনগণের বিরোধিতা মুখে তারা প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে পারছিলোনা। অতিসম্প্রতি তারা টিপাইমুখ বাধ নির্মাণের কাজ পুনরায় শুরু করে দিয়েছে।
ভুমিকা
টিপাইমুখ বাধ যে নদিতে দেওয়া হবে তা একটি আন্তর্জাতিক নদী। উজানের দেশ ভাটির দেশের সাথে আলোচনা ব্যতীত আন্তর্জাতিক নদী হতে পানি প্রত্যাহার বা বাধ স্থাপন করতে পারেনা।
অতঃপর ব্লগর ব্লগর – ৫
মিশন শেষে দেশে ফিরে কাজে জয়েন করে রংপুরের ‘কালবেলা’ আমায় মেইলে লিখেছিল – ‘‘দেশে আসেন বস্ – তারপর দেখবোনে কত লেখা দিতে পারেন ব্লগে’’। কথাটা আমার তখন পুরোপুরি উপলব্ধিতে আসেনি। আমি হেসেছিলাম মনে মনে। সেই জোশেই লাইবেরিয়া থেকে এসে ছুটির মধ্যে গরম গরম এবিসি রেডিওতে জমকালো গেট টুগেদারে শামিল হলাম। ব্লগের প্রিন্সিপাল, ভিপি, অ্যাডজু, আমার বন্ধু জুলহাস সহ আরো সব তুখোর ব্লগারদের সাথে দেখা হলো।
বিস্তারিত»কতদিন ডাব চুরি করিনা !
কয়লা ধুইলে ময়লা যায়না।
তাই রিইউনিউন ‘০২ তে গিয়েও ডাব চুরি করেছিলাম।
সেটা ছিল আমার সবচেয়ে বড় অভিযান।
পুরো গাছ খালি করেছিলাম(৬০-৭০ টা ডাব)।
৩ দিনেও সবাই মিলে খেয়ে শেষ করতে পারিনি।
আহারে ! কতদিন হয়ে গেল! :dreamy:
বিস্তারিত»দিনবদলের হাওয়াঃ ক্যাডেট কলেজে প্রেমপত্র
আমি তখন ক্লাস সেভেনে । এক ফ্রেন্ডের কাছে কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স দেখে কি মনে করে যেন স্কুল কুইজটা পুরণ করে পাঠিয়ে দিলাম :-B
একরাতে প্রেপের পর সানি ভাই আমাকে বললেন যে আমার একটি পার্সেল আছে । পার্সেল খুলে দেখলাম কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স ২০০২ সালের আগস্ট সংখ্যা । প্রথমে ভেবেছিলাম আব্বু হয়ত বাসা থেকে পাঠিয়েছে । পরবর্তীতে ১০ জন কুইজ বিজয়ীদের তালিকায় নিজের নামটি ১ নাম্বারে দেখে কতটা আনন্দিত এবং বিস্মিত হয়েছিলাম সেটা আমার স্পষ্ট মনে আছে :dreamy:
ক্লাস সেভেন থেকে টেন পর্যন্ত মোট ২৯ বার কুইজ বিজয়ী হয়েছি :clap:
এর মধ্যে ২০০৪ সাল মানে ক্লাস নাইন খুবই ভাল কেটেছে :hug:
যেহেতু প্রায় মাসেই একটি কমন নাম কুইজ বিজয়ীদের তালিকায় থাকত সেহেতু আমি বেশ পরিচিতি লাভ করেছিলাম অচিরেই :shy:
তারপর থেকে শুরু হল আমার চিঠি আসা :chup:
দিনবদলের হাওয়ায় এখন তো সব কলেজেই মোবাইল ফোন দেয়া হয়েছে ।
বিস্তারিত»জাতি অভিমান কি ক্ষয়িষ্ণূ হচ্ছে
এটা ছোট একটি লেখা। তবুও লিখতে হল। কাল রাতে ভারতীয় হাই কমিশনার পিনাক রঞ্জন চক্রবর্তী সাংবাদিকদের সামনে যে কথা গুলো বললেন তা আমার মত একজন সাধারণ রাজনীতির ছাত্রের কাছেই কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভূত মনে হয়েছে। একজন সাধারণ বাঙ্গালী হিসাবেও জাতি অভিমান থাকলে এর প্রতিবাদ করা উচিত ছিল। আমাদের সংবাদ মাধ্যম গুলো যে সব রিপোর্টারদের কুটনৈতিকদের কাভারেজ করার জন্য পাঠান তাদের কেন কূটনৈতিক আইন সম্পর্কে জ্ঞান থাকবে না।
বিস্তারিত»জন্মদিনে আমার ক্ষুদ্রতম পোষ্ট…
আজ থেকে তের বছর আগে কিছু নিষ্পাপ কিশোর-কিশোরীর পদচারণায় মুখরিত হয়েছিল বাংলাদেশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা দশটি বিশেষ কারাগার।
১৯৯৬-২০০২ ইনটেকের সকল পাপীদেরকে জানাই জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন।
:awesome: :awesome: :awesome:
বিস্তারিত»দশটা কুখ্যাত কলেজের দশটা বছর পার করে দেয়া…
আজকে যদিও বুধবার, তাও আমরা সেজেগুজে কালচারাল ফাংশন দেখতে আর স্পেশাল ডিনার খাইতে গেলাম।
তার আগে সন্ধ্যা বেলায় হলো মুড়ি পার্টি, সেই আগের মত দুই হাত ভরে মুড়ি নিয়ে এসে
উপরটা চেটে দেয়া, যেন আর কেউ না নিতে পারে…এবার অবশ্য আমি ভালু মেয়ে
ছিলাম, নিজেই দুহাত ভরা মুড়ি নিয়ে নিয়ে এসে সবাইকে দিয়েছি…ভুটি, মনে আছে, তুই কেমন খাইষ্টা ছিলি? চেটে দিলেও তুই নিয়ে খেয়ে ফেলতি?
আনলাকি তেরতম জন্মদিন বিষয়ক আজাইরা পোস্ট
আজ আমাদের ব্যাচের জন্মদিন। গতকাল দুপুরে আমার অফিসের তেরতলার উপর হতে বৃষ্টির শুভ্রতরঙ্গ কেবল তেরবছর আগের (একদিন কম) একটি দিনের কথাই মনে করিয়ে দিচ্ছিল। আমি অবশ্যি এমনিতে একটু বেরসিক আর কাঠখোট্টা স্বভাবের লোক। আবেগ খুব বেশি আমাকে ছোয় না। বৃষ্টি দেখে আমার বন্ধুদের চরম রোমান্টিক মূহুর্তে আমি “কিছুই লাগে না” জাতীয় নির্লিপ্ততায় অনেকের বিরক্তির কারণ হয়ে যাই । কিন্তু কিছু জায়গায় চরম বেরসিকেরও একটু ধাক্কা লাগে।
বিস্তারিত»এবিসি রেডিও’র ডামি ওয়েবসাইট : শুধু তোমাদের জন্য
এবিসি রেডিও’র ওয়েবসাইটটা দাঁড়াচ্ছে। এখনো অনেক কাজ বাকি। খবরটা নিয়মিত আপডেটও হচ্ছে না। অনুষ্ঠানের কিছুই দেওয়া নাই। সংগ্রহশালা (আর্কাইভ) খালি। তবে ডামিটা দেখে হয়তো তোমরা ধারণা পাবে।
লাইভ স্ট্রিমিং করতে নাকি বিটিআরসির অনুমোদন লাগে। তাই ওই সুযোগ এখন রাখা হচ্ছে না। তবে নিশ্চয়ই এক সময় সেটা পারা যাবে। আসলে এটা নিয়মিত আপডেট করার জন্য মানুষ নাই। তবে শিগগিরই আইটিতে আরো দুজন লোক নিচ্ছি।
বিস্তারিত»খেরোখাতা – খিচুড়ী খাইতে মনডা কান্দে
চিটাগাং এ ধুমায় বৃষ্টি পড়ে। ইসসিরে………………..।
কলেজে থাকলে ডাইনিং এ নির্ঘাৎ খিচুড়ী দিত। মাসুদ স্যার এইটা কামটা করত পুরাই উড়াধুড়া। বৃষ্টি হইলে নির্ঘাৎ খিচুড়ী। আর শুক্কুরবার হইলে তো কথাই নাই, এক নম্বর ফুটবল গ্রাউন্ডে খেলাটা যা জমত না, ফাটাফাটি। ইসসিরে………।
খিচুড়ীর সাথে যদি গরুর ভূনা বা ইলিশের ভাজি হইত, তাইলে লা জওয়াব। পত্রিকায় দেখলাম সাগরে নাকি মেল্লা ইলিশ ধরা পড়তেছে। গত তিরিশ বচ্ছরের মইধ্যে রেকর্ড।
বিস্তারিত»