কষ্ট

কষ্টরা বারেবারে আমার বুকে আঘাত পেয়ে যায়;
কষ্টরা আমাকে ভালবাসে তাই
আমাকে ছেড়ে যেতে তাদের কষ্ট হয়।
আমিও কষ্টকে ভালবাসি তাই কষ্টকে আমি কষ্ট দেই;
কেন না কষ্টরা আমাকে কষ্ট দেয়,
কষ্টের বদলে তাদেরকে সুখ কি করে আমি দেই!
আমি কষ্টকে ভালবাসি তাই কষ্টকে পেতে চাই,
কষ্ট আমার বুকে আছে তাই সুখকে ঘৃণা করে যাই।

বিস্তারিত»

অবশেষে তাহাকে পাইলাম, জনমের মতো পাইলাম……

:guitar: :guitar: :guitar:

অবশেষে তাহাকে পাইলাম! জনমের মতো আপন করিয়া পাইলাম!! আহ্ কি আনন্দ আকাশে-বাতাসে…………..

কিন্তু কাহাকে আমি পাইলাম! কাহার জন্য আমার এতো অপেক্ষা-প্রতীক্ষা? সে কি রক্তমাংসের মানুষ? সে কি নারী? আরো একজন?

অসম্ভব। একজনকে তো পাইয়াছিলাম ২৪ বছর আগে। আজি হইতে আর একটি দিন পরেই!! প্রায় দুই যুগ পার করিয়া আরো একজন নারীর প্রেমে মাতোয়ারা হওয়ার অবস্থা আমার নাই।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রলাপ ০১১

১।
আজ রুমে ফিরেছি হাসপাতাল থেকে। সোমবারে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলাম তার দুদিন আগেই রুম থেকে বের হয়ে সাকেব ভাইদের বাসায় ছিলাম। ওনাদের ওখান থেকে হাসপাতালে গেলাম। একদিন পরেই অপারেশন ছিল রাতের বেলায় ঘুম আসল না। অপারেশনের চিন্তায় নয় অবশ্য জেনারেল বেডে ছিলাম সেখানে দুজন মনের সুখে নাক ডাকার কম্পিটিশন দিয়ে গেল আমাকে রেফারি বানিয়ে।

বিস্তারিত»

স্মৃতির ঝাঁপি : নরক ছেড়ে পালালাম

প্রথম পর্ব
দুই.
বাবার একটা পদোন্নতি হলো। মুক্তিযুদ্ধের আগেই আমরা বাসা বদল করে কলোনীর আইডিয়াল স্কুল অঞ্চলে চলে গেলাম। এফ-৪৯ নম্বর ভবনে। এই বাসাটা কমলাপুর রেল স্টেশনের কাছে। ‘৭০-৭১ সালে কলোনীর ভেতরে প্রায় প্রতিদিনই মিছিল-সভা হতো। সন্ধ্যায়-রাতে নিয়মিত ছিল মশাল মিছিল।

‘৭১-এর ২৫ মার্চ সন্ধ্যা থেকেই বাইরে রাস্তায় প্রবল উত্তেজনা দেখছি। তরুণ-যুবক বয়সীরা কেউ বাসায় নেই। সবাই রাজপথে নেমে গেছে।

বিস্তারিত»

একটি সাময়িক পোষ্ট – “নীলা” ও এর “শেষ পর্বে”র প্রাক্কথন

আমার এই পোষ্টটি দেওয়ার পিছনে বেশ ক’টি কারণ আছে। “নীলা” সিরিজটার গ্রহণযোগ্যতা এবং আমার সমসাময়িক সমস্যাগুলোর কারণ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছি।

প্রথমত, আমি গল্প লেখক নই, কবিতা লেখক। আমি সাধারণ ভাষায় যা ব্যাখ্যা করতে পারি না, কবিতার শব্দ ও ছন্দ আমার সে অভাব পূরণ করে দেয়। কবিতার মধ্যেই আমি আমাকে প্রকাশ করতে পারি, তীক্ষ্ণ অনুভূতিগুলো উপলব্ধি করতে পারি। কবিতার কম্প্রেসড কলেবরে বিশাল ভাব প্রকাশ করা আমার জন্য খুব সহজ ও আনন্দের।

বিস্তারিত»

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- ১৩

ভালোবাসার বন্ধুত্ব- [১] [২] [৩] [৪] [৫] [৬] [৭] [৮] [৯] [১০] [১১] [১২]

৫৭।
নীল বাসায় ঢুকেই দেখে ফারিয়া আর অয়ন বসে আড্ডা দিচ্ছে। নীল কে দেখে ফারিয়া বললো
“কি ব্যাপার , আপনি থাকেন কোথায়?”
নীলঃ “আরে কোথায় আবার ?

বিস্তারিত»

একটা জরিপ/ভোটাভুটি করলে কেমন হয়?

অনেক দিন ব্লগে আসা হয় না। আজকে হঠাৎ খুলে বসলাম। খোলার সাথে সাথেই একটা কথা মনে হল। এই কারণেই বোধয় বিয়ে-শাদী করার পরে লোকজন হালকা বোরিং হয়ে যায়। কারন কথাটা আমার বিবাহ করার জন্যই মনে হয়েছে। মানে বউয়ের সাথে বাত-চিত কালীন। বউয়ের সাথে কথা হচ্ছিল ক্যাডেট কলেজ নিয়ে। সে তার ছেলে মেয়েদের কে ক্যাডেট কলেজে দিব কি দিবে না -এই বিষয়ে। আমি তার ইচ্ছা শুনে একটু মনক্ষুন্নই হইছিলাম।

বিস্তারিত»

এই তো জীবন….

ক্যাডেটরা দুষ্টু হয়, ক্যাডেট কলেজে ঢুকার আগেই তা কানে এসেছিল। কলেজে পা ফেলার প্রথম দিন থেকেই তার প্রমাণ পাওয়া শুরু করলাম । অভিভাবকদের নিয়ে ডাইনিং রূমে যাওয়ার সময় দেখলাম একটা ছাগল শ্যান্ডো গেনজি আর জাঙ্গিয়া পরে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এতগুলা বাইরের লোকের সামনে যেন লজ্জা না পায়, এ কারনেই হয়তো কোন সিনিয়র ভাই এ ব্যাবস্থা নিয়েছিলেন। কিন্তু পাশেই একটা গরুকে কেন এ ব্যাবস্থার আওতায় আনা হয়নি,

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… ইংরেজী সিরিয়াল পর্ব

কিছুদিন হচ্ছে সবাই ডায়েরী টাইপের লেখা দিচ্ছে, তাই আমারো শখ হলো এই ধরনের কিছু লেখার। প্রথমেই ভাবছিলাম কি নাম দিয়ে লিখবো, সব খুল নাম গুলোতো দখল হয়ে গিয়েছে। ফয়েজ ভাই খেরোখাতা আর আউলা চিন্তা দখল করে রেখেছেন, তানভীর নিয়েছে এলোমেলো, রবিন লিখছে দিনলিপি নাম দিয়ে আর মাহমুদ দখল করেছে আজাইরা প্যাচাল।
কিছু দিন আগে এক্স ফাইলস রিভিশন দিতে গিয়ে, একটা পর্ব দেখলাম, musings of a lonly man।

বিস্তারিত»

নীলা-৫ম পত্র

নীলা-৪র্থ পত্র
নীলা-৩য় পত্র
নীলা-২য় পত্র
নীলা

সত্য অনেক সময় অনেক কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। অনেক সময় তা মেনে নেয়াও খুব কষ্টকর হয়ে পড়ে। মানুষের জীবন বড়ই বিচিত্র! কি থেকে যে কি হয়ে যায়,কেউ কিছু বলতে পারে না। কিছু হয়ে গেলে কারো কিছু করারও থাকে না। আর এর কোন নালিশ নেই,কোন প্রতিকার নেই,থাকে শুধু এক বুক হাহাকার।

বিস্তারিত»

আপনার প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা জানাই শহীদ জননী

জাহানারা ইমাম

ইতিহাস কিভাবে রচিত হয়? কিভাবে তৈরি হয় তার ঘটনা প্রবাহ? যুগ যুগ ধরে কি শুধু মাত্র রাজা-রাজরা,রাজনীতিবিদ কিংবা অতিমানবদের হাতেই ইতিহাস তৈরি হয়? নাহ, ইতিহাস শুধু অতিমানবদের হাতে তৈরি হয় না। এটা তৈরি হতে পারে অতি সাধারণ কিছু মানুষের হাতেও তাদের ইচ্ছে শক্তির জোরে। আর তাই একজন জননী, শিক্ষক, স্ত্রী জাহানারা ইমাম তার সব পরিচয় ছাপিয়ে আমাদের কাছে একসময় পরিণত হন এক প্রতীকে,

বিস্তারিত»

MJ, তোমাকে ভালবেসেছি, বেসে যাব!

কোনো একটা ব্লগে লিখেছিলাম, কলেজে ৭ম শ্রেণীতে পদার্পণ করার পর ১২এর সিনিয়র ভাইরা ডেকে নিয়ে যায়, সেখানে আমাকে ড্যান্স করে মাইকেল জ্যাকসনের গান গাওয়ানো হয়। ঐটুকু পিচ্চির মাইকেল জ্যাকসনের আস্ত একটা ইংরেজী গান মুখস্ত ছিল এটা তো কম কথা নয়।

হ্যা, আমি মাইকেলের সেরকমই একজন ভক্ত ছিলাম। আমাকে এই সিরিয়াস ট্যালেন্টেড আর্টিস্ট-এর সাথে পরিচয় করিয়ে দেয় আমার খালাত ভাই রাজীব। তখন আমরা মনে হয় ক্লাস 3/4 এ পড়ি।

বিস্তারিত»

সাপ্তাহিক…(২)

আবার বৃহঃস্পতিবার চলে আসছে… কি শান্তি। ইদানিং বৃহঃস্পতিবারের মজা শুরু হয় লাঞ্চের থেকে, মেন্যু খালি কলেজের ইম্প্রুভ ডিনারের কথা মনে করে দেয়… এমনিতে এই সপ্তাহে এতোই ব্যস্ত ছিলাম যে কোন দিক দিয়া দিন চলে গেল টেরই পাই নাই। এক দিক দিয়া ভালই লাগে, তাড়াতাড়ি ছুটির দিন চলে আসে কিন্তু পরীক্ষার শিডিউলের দিকে তাকালেই মনে মধ্যে হায় হায় শুরু হয়ে যায়, তারপরেও থার্সডে নাইট বলে কথা।

বিস্তারিত»

রিকন্ডিশন্ড জাপানী গাড়ি ও দেশে গাড়ির হাট

গত চার বছর ধরে গাড়ির হাট বসছে ঢাকায়। আসাদ গেট কলোনির মাঠ জুড়ে শ দুয়েক গাড়ি ঘিরে চলে ক্রেতা বিক্রেতাদের তুমুল দরদাম। নিত্য প্রয়োজনীয় সদাইয়ের হাট দেখেছি, দেখেছি গরু-ছাগলের হাট, তবে বাংলাদেশে গাড়ির হাট এই প্রথম। আর হাটে আসা গাড়ির এই সংখ্যা অনেক গরু-ছাগলের হাটকেও হার মানায়। এক সময়ে গাড়ি বলতে গ্রামে-গঞ্জের মানুষ গরুর গাড়ি বুঝতো। কালেভদ্রে মটরগাড়ি গাঁয়ে ঢুকলে দল বেঁধে দেখতে যেত সবাই।

বিস্তারিত»

সহজিয়া-১

অনেক দিন ধরেই লিখব লিখব করছিলাম কিন্তু লেখা হয়ে উঠছে না আলসেমির জন্য।মাথায় কিছু জিনিস ঘুরছে।সবার সাথে শেয়ার করার জন্য লিখতে বসলাম।
কিছু দিন আগেই ঘড়ির কাটা এক ঘণ্টা এগিয়ে গেল।সরকার বলছে যে এতে করে দেশের নাকি ২০০ মেগাওয়াট current বাচবে।আমার কাছে কথাটা খুব হাস্যকর মনে হয়েছে।কারন,আমার কাছে মনে হয়েছে,যারা বলছেন যে এতে দেশের ২০০মেগাওয়াট current বাচবে তারা ২০০ মেগাওয়াট মানেই জানেন না।কারন,আমাদের দেশের market ও অফিস গুলোতে দিনের আলো বা sunlight কেউ ব্যাবহার করেন না।সবাই লাইট জালিয়ে রাখেন।market গুলোতেও একই অবস্থা।গাউছিয়া বা newmarket এর উদাহরন।এরা সবাই লাইট জালিয়েই যার যার কাজ করেন।আর এখন তো সব অফিসেই এয়ারকুলার চলে।এটাতো আর দিনের আল বা রাত দেখে চলে না।তাই এক ঘন্টা এগিয়ে আনলেও যতটুকু সময় এসি চলবে এক ঘন্টা পিছালেও একই সময় এসি চল্বে।তাই সরকার থেকে current savings এর যে বাণী ছাড়া হচ্ছে সেতা সরকার কে বলতে হয় তাই বলা।ডেলাইট সেভিংস করে খুব বেশি হলে ৪০ থেকে ৫০ মেগা ওয়াট current বাচানো সম্ভব।গতকাল খবরে দেখলাম আমাদের minister বলছেন যে কাল দেশে ৬০ মেগাওয়াট current বাচানো গেছে।ডেলাইটের সুফল পেতে তিনি আরো কিছুদিন সময় চেয়েছেন।কিন্তু আমার মনে হয় অবস্থার খুব একটা change হবে না।সরকার যেটা করতে পারে সেটা হল current খুব ভালভাবে রেশনিং করতে হবে।সিস্টেম লস কমাতে হবে।এসি চালানোতে সময় বেধে দিতে পারে।অযথা আলোকসজ্জা বন্ধের ঊদ্যোগ নিতে হবে।আমার বাসার সামনে একই জায়গায় তিনটি বাতি আছে।এসব অপচয় বন্ধে কঠিন নিয়ম ও তার বাস্তবায়ন করতে হবে।পাওয়ার ব্যাবস্থাপনায় যোগ্য লোক বসাতে হবে।এবং অতি দ্রুত সঠিক পরিকল্পনা করে এই খাতকে এগিয়ে নিতে হবে।নয়তো দেশের ভবিষ্যত বলতে কিছুই থাকবে না।

বিস্তারিত»