আলোর মিথ্যাচারীতায় ক্লান্ত আমি এখন
অন্ধকারের উপাসনা করি ।
চারপাশের আলো ক্রমশ ঝাপসা হয়ে আসে,
রঙ্গিন থেকে সাদাকালো……অতঃপর শুধুই নিকষ কালো ।
আমি প্রার্থনা জানাই অন্ধকারের দেবতার কাছে –
খানিকটা রঙের আশায় ।
আলোর মিথ্যাচারীতায় ক্লান্ত আমি এখন
অন্ধকারের উপাসনা করি ।
চারপাশের আলো ক্রমশ ঝাপসা হয়ে আসে,
রঙ্গিন থেকে সাদাকালো……অতঃপর শুধুই নিকষ কালো ।
আমি প্রার্থনা জানাই অন্ধকারের দেবতার কাছে –
খানিকটা রঙের আশায় ।
১৯৭১ সালে ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের অনেক প্রাক্তন ক্যাডেট স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন যাদের অনেকেই ছিলেন বিখ্যাত মুক্তিযোদ্ধা। এদের মধ্যে আছেন মুক্তিযোদ্ধা বদিউল আলম, যার ওপর ভিত্তি করে হুমায়ুন আহমেদ ” আগুনের পরশমণি ” চলচ্চিত্র নর্মাণ করেন। এ কলেজের আটজন ক্যাডেট মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করেন। নিচে তাদের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি তুলে ধরা হলো।
লেফট্যানেন্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেইন, বীর উত্তম : তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পদাতিক কোরের কর্মকর্তা।
বিস্তারিত»আগের ব্লগের মন্তব্য দেখে মনে হল যে আজকে এই পর্বে কলেজ পালানোর(ধন্যবাদ আনোয়ার,২০০০-২০০৬) যে স্মৃতিগুলো আছে তারই একটা কাহিনী বর্নণা করা উচিত।প্রথম কলেজ পালানোর কাহিনীটাই আজ বলতে চাই।
এস এস সি পরীক্ষার্থী তখন আমরা। কলেজের আগের ৩-৪ বছরে অন্যান্য ব্যাচের বড়ভাইদের কলেজ পালানোর অনেক কাহিনী তো ততদিনে মুখে মুখে অনেক শুনেছি। এমনকি জুনিয়র বা ইন্টারমিডিয়েট ব্লকে যখন ছিলাম তখন অনেক বড়ভাইদের কলেজ পালানো সচক্ষে দেখেছি।
বিস্তারিত»কলেজে থাকাকালীন সময়ে আমার একটা রেপুটেশান ছিল যে আমি কখনই কোন কাজে কন্সিস্ট্যান্ট ছিলাম না। এইখানেও ব্লগ লিখতে গিয়েও সেই বদঅভ্যাসের কাছে মার খেয়ে গেলাম। আসলে তাও না। বিদেশের মাটিতে লেখাপড়া করতে এসে তো দেশের অনেক টাকা খরচ করলাম, তাই কাজ করে কিছু টাকা এইখানেই রোজগারের নেশায় নিয়মিত ব্লগ লেখা হয়ে ওঠেনি। আমার জানামতে অনেকেই আমার ব্লগ কিছুদিন নিয়মিত পড়েছেন। তাই আমি সবার কাছে( বিশেষ করে যারা নিয়মিত পড়েছেন) বিনীতভাবে মাফ চাচ্ছি।
বিস্তারিত»আমার এ গল্পটা অর্থাত্ কিনা আমার জীবনের এ গল্পটা এখন পর্যন্ত কাউকে বলিনি।এমনকি যাদের সাথে “বিন্দু বিন্দু জল ” থেকে শুরু করে “সাগর অতল ” সমান দুঃখগুলো শেয়ার করেছি, কলেজের সেই ক্লাসমেটগুলোকে পর্যন্ত না । হঠাত্ কি মনে করে গল্পটা বলতে ইচ্ছে হলো …
ক্যাডেট কলেজে ভর্তি হওয়ার পর পরই একটা অদ্ভুত কারণে বাবার চাকরিটা চলে যায় ।আত্মীয়স্বজনেরা নাকি তখন হিসেব করা শুরু করেছিল ,
বিস্তারিত»ফয়েজ ভাই সচলের মাহবুব লীলেনের বরাতে একবার আমার এক পোষ্টে কইছিলেন যে, ডঃ মুহাম্মদ ইউনুস মধ্যপ্রাচ্যে জন্মাইলে নবী হওয়ার চান্স আছিলো। কিন্তু আমার ত মনে হচ্ছে, উনি অলরেডী নবী হয়ায় গেছেন। তা না হলে তানা’র কাছা টানাটানি করার পাপে আমার মাথায় ঠাডা পড়লো ক্যান?-
গত সপ্তাহ থেকে বিদ্ঘুটে এক রোগে ভুগছি- সময় সময় মাথা টালমাটাল করে, মনে হয় মাথা ঘুরে পড়ে যাবো। ডাঃ অসীমরে কইলাম,
বিস্তারিত»এখনি কি গান তুই শুনবি গোঁসাই? আরেকটু রাত হোক,
দূরের বিলের বুকে আলবোলা ভূতেরা জ্বলুক।
ছাতিমগাছের ডালে ডাহুকটা কেঁদে কেঁদে থেমে যাক।
ফ্যাঁকাশে রাতের মুখ নিকষ কাঁলচে হলে,
আমি পাঁপড়ি ছেড়া ফুলের মত
বসন্ত আসার আগেই ঝরে যাই।
আমি শীতের শুকনো পাতার মত
ঝড় আসার পূর্বেই উড়ে যাই।
আমি মেঘের গায়ে ধূলোর মত
বৃষ্টি নামার আগেই পড়ে যাই।

দুইটি যুগ পার করেও
আজ়ো আমি সাংগুর পাড় ধরে হাটছি
গন্তব্যহীন নিরলস পথচলা
আমি দুই যুগ ঘুমাই নি
আমি পৃথিবী দেখব
আমি পৃথিবীকে চিনব…
ছোট অযোধ্যা শহরে এসে রাম জন্মভূমি আন্দোলনের প্রধান সাধু নিত্যগোপাল দাসের ‘নির্মোহী আখড়া’য় ঢুকে শুনলাম তিনি উজ্জয়িনীতে কুম্ভমেলায় গেছেন। ভোট দিতেও অযোধ্যায় ফেরেননি। ফেরেননি আরো কয়েক শ সাধু-সন্ন্যাসী। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের (ভিএইচপি) নেতারা বারবার অনুরোধ জানালেও নিত্যগোপাল দাস ফেরেননি। তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, এবার ভোট দেবেন না।
আখড়ারই একজন জানালেন, কথা বলতে হলে ফৈজাবাদ ‘নাকা হনুমান গড়ি মন্দিরে’ যেতে হবে।
বিস্তারিত»[… সেদিন আমার এক বন্ধু বলল, ”প্রতিটা ক্যাডেট ইচ্ছা করলে একেকটা আত্মজীবনী লিখে ফেলতে পারে,কাহিনী তো কম করা হয় না।” আমি বললাম, ”ক্যাডেট লিখবে আত্মজীবনী!তাইলেই হইছে,পরীক্ষার খাতাতে লিখতে গিয়েই মনে হয়, ধুর এত্ত লিখে কী হবে,মরতে তো একদিন হবেই…(কপিরাইটঃ জুনা ভাই,যদিও সবারই মনের কথা)।এমনিতেই ডজিং এর উপর বিনা সার্টিফিকেটে ডিগ্রী নেই সবাই,তার উপর ক্যাডেটদের আত্মজীবনী ক্যাডেটরাই পড়বে,আর কেউ পড়লে বউ-প্রেমিকারা পড়তে পারে!” তারপর সে বলে,
বিস্তারিত»উপেন কহিল, “বুঝেছেন রাজা , কিনে লও মোর জমি,
আমি একা একা, নাই কোনো দোকা
দুটো বিঘে জমি, প্রয়োজন নাই মানি।
ভাবি বসে বসে, ক্ষণে কেশে কেশে
যাব চলে কাশী, হব সন্যাসী।

শুরু হয়ে গেল বার্সিলোনা আর আর্সেনালের চ্যাম্পিয়ন্স লীগ কোয়ার্টার ফাইনালের ২য় লেগ। প্রশ্ন একটাই আর্সেনাল কি পারবে মিরাকল ঘটাতে? চলুন দেখি…
[আগের অধ্যায় : ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা]
কালুরঘাটের কাছের গ্রাম উত্তর মোহরার একটি দালান বাড়ীর সামনে গাড়ী আমাদেরকে পৌঁছে দিল । আমরা তখনও ঘটনা প্রবাহের আকস্মিকতায় যেন একটা ঘোরের মধ্যে আছি। এতগুলি মৃতদেহ একসাথে পড়ে থাকতে আগে কখন দেখিনি। এরা সবাই এক সময় আমার সহকর্মী ছিলেন। ক’দিন আগেও আমরা এক সাথে কাজ করেছি, গল্প করেছি। কি দোষ করেছিল তারা যে এভাবে মরতে হলো তাদের?
বিস্তারিত»বাবা-মা নিয়ে ক্যাডেটদের আদিখ্যেতা করতে নেই। ছোটবেলা থেকে নিজে এবং আশেপাশের পরিস্থিতির জন্য আমরা শিখেছি কিভাবে কলেজে যাওয়ার মুহূর্তে ট্রেন ছেড়ে দেবার সময়ে হাত ধরে মায়ের কয়েক পা এগিয়ে আসা আর অশ্রুসজল চোখ দেখে নিজের চোখের জল কিভাবে সবার অলক্ষ্যে মুছে ফেলা। এরপর এদিক ওদিক তাকিয়ে দেখে নেওয়া কেউ দেখে ফেলল কিনা। আর তার ১০ মিনিট পরে সবার সাথে গল্প করতে শুরু করা। বাসার জন্য খারাপ লাগাটা আমরা প্রকাশ করতাম এই জেলখানাতে ঢুকতে হয় বলে কষ্ট হিসেবে ।
বিস্তারিত»