আমরা ৩ রুমমেট। আমি, সাব্বির আর রকিব। মাশাল্লাহ ৩জন ই পিস। তারমধ্যে রকিব হইলো পুরা মেডিকেল ইতিহাসের অংশ (কেন ও কিভাবে তা বলব, আস্তে আস্তে, ঘটনা তো আর ১টা ২টা না)।
এটা ২০০৫ বা ২০০৬ এর ঘটনা হবে। শবে বরাত এর রাতের কাহিনী। নেক্সড দিন কলেজ বন্ধ। পুরা মৌজ মৌজ ভাব এ আছি ।
***
চট্টগ্রামে বিআরটিসি স্ট্যাণ্ডে বাস থামে।বাস চেঞ্জ করতে হবে,তাই আমরা বাস থেকে নেমে পড়ি।খেয়াল করিনি মেয়েটি কই গেল।কে যেন বলল কিছুটা সময় লাগবে।সেজন্য ঠিক করলাম ব্রেকফাস্ট করে ফেলি।সবাই মিলে একটা রেস্টুরেন্টে গেলাম।সকাল সকাল তেমন কিছু পাওয়া যাচ্ছে না।ভাজি আর পরোটা খেলাম।সাথে চা।ততক্ষণে কেউ কছু বলল না মেয়েটিকে নিয়ে।যাক বাবা ভুলে গেছে সবাই,বাচলাম।
খেয়েদেয়ে আমরা ফিরলাম বাস কাউন্টারে।আমাদের জন্য বাস রেডি করা আছে।অনেকে নেমে গেছে এখানে।যাত্রী কম তাই একটু ছোট বাস দেয়া হয়েছে,তবে আগের টার চেয়ে বেশ জাকজমকপূর্ণ।এখানে আর সিট নিয়ে ঝামেলা হবে না।যে যার মত বসতে পারব।আমি এবার ঠক করলাম পিছনে গিয়ে বসব।গিয়ে বসলামও তাই।একা একা যাব।
সিফাত যেদিন প্রথম বুঝতে পারল, ও চৈতি-কে পছন্দ করে, তখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। কাল চৈতি-কে ছেলে পক্ষ দেখতে আসবে। চৈতি-র বাসার মহাগুরুজন গোছের যারা মানে- বড় চাচা, বড় ফুপি টাইপ পাবলিক (বাবা মা না হয় বাদই দিলাম)- তেনাদের মানসিকতার স্ট্যাটাস অতিমাত্রায় complicated আর কিছুটা মোঘলীয় হওয়ায় “Love Marriege” যে চৈতির ভাগ্যে নাই, তা ওর অজানা নাই। “Love Marriege” -এ Love-টা আগেই শেষ হয়ে যায়,
আমি বাস্কেটবলের একজন ভক্ত। প্রমীলা বাস্কেটবলের কয়েকটা ভিডিও নিয়া একটা আজাইরা পোস্ট দিছিলাম এর আগে, কিন্তু সিরিয়াস পোস্ট দেয়া হয় নাই। সর্বকালের সেরাদের নিয়ে আমার এই পোস্ট। মোটমাট ৬ জন প্লেয়ার নির্বাচন করব, পাঁচজন স্টার্টার, একজন সুপার সাব। কাজটা মোটেও সহজ না, ইচ্ছা করলে গড়গড় করে ছয়টা নাম বলে দিতে পারতাম। কিন্তু একজন চিন্তাশীল “কোচ” এই কাজ কখনোই করবে না। বাস্কেটবল টিমকে সফল বানাইতে হলে তাদের হতে হবে ব্যলেন্সড।
Disclaimer: এখানে বলা সকল কথা নিতান্তই আমার ব্যাক্তিগত মতামত।কাউকে দায়ী করার জন্য বা কারো দায়িত্ববোধ নিয়ে কোনও প্রশ্ন তোলা আমার উদ্দেশ্য নয়,তাই আমি চাইনা এই কথাগুলো নিয়ে কোন বিতর্ক হোক।আমার কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর পাওয়াটাই আমার উদ্দেশ্য,তাই সবাই নিজ গুনে আমার অজ্ঞতা মাফ করবেন।
গত ২৮শে এপ্রিল ছিলো ক্যাডেট কলেজ ডে।২৫ তারিখে এক বড় ভাই জানালেন যে ক্যাডেট কলেজ ক্লাবে নাকি তা ৩০শে এপ্রিল উদযাপন করা হবে।তাই ক্যাডেট কলেজ ক্লাবের পক্ষ থেকে রংপুর ওল্ড ক্যাডেটস এসোসিয়েশন (ROCA) এর জন্য বরাদ্দ করা কিছু কার্ড জুনিয়র ব্যাচের ছেলেদের মাঝে ভাগ করে দেয়ার দায়িত্ব পড়ল আমার উপরে।এই দায়িত্ব পালন কালে এবং এই প্রোগ্রামে গিয়েই আমার মনে কিছু প্রশ্ন আসে ও নানাজনের কাছ থেকে কিছু প্রশ্ন পাই যে প্রশ্নগুলোর উত্তর আমার জানা তো নেইই বরং অন্য কারো কাছেই সদুত্তর পাইনি।তাই সিসিবির কাছেই আশ্রয় নেয়া এবং এই লেখার অবতারণা করা।
কান্ডহীন প্রকান্ড দেহ নিয়ে তার পথচলা
অমলকান্তি রোদ্দুর হতে চেয়েছিল আর সে অমলকান্তি
দু কলমের লেখায় অন্তত কারো বুকে ঠাঁই
আজীবন……………………………….
কিংবা একদিনের জন্য ই হোক
একটি বার তো উচ্চারিত হবে তার নাম…….
ফেইসবুক। আমাদের মত কিছু অকর্মার ঢেকিদের কাছে বিশাল উপাদেয় একটা বস্তু এইটা। Specially আল্ট্রা-বোরিং ক্লাসগুলোতে একেবারে পেছনের লাইনে আজাইরা বসে না থেকে এই book-e ঘুতাঘুতি কইরাও শান্তি। ক্লাস ৪-৫ এর পিচ্চিরাও আজকাল facebook ইউজ করে (লোকমুখে শুনছি, দেখি নাই)। সেই দিন আর দূরে নাই, যখন আমাদের দাদা-দাদী, নানা নানীরাও fb-fever এ আক্রান্ত হয়ে যাবে , নিশ্চিত। মোটা ফ্রেমের চশমা ভেদিয়া তেনারা মোবাইলের স্ক্রীনে fb-এর স্বর্গীয় সুখ পাইতে ব্যস্ত থাকবে।
আদিকথাঃ নিচের যে লিখাটা ‘স্মৃতিকথা’ হিসেবে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হইছে, তা এই নতুন লেখকের একেবারেই প্রথম কোশিশ…! কাজেই পড়ার আগেই বইলা নেই, expectation level টা ইইক্টু নীচে নামাইয়া পড়া শুরু কইরেন। (এই রচনার একটি চরিত্রও কাল্পনিক নয়, Guarantee)
“আজ আমি অনেক্ষণ হাটবো…একা…পুরো ব্লকে। সম্পূর্ণ নিস্তব্ধতার দেয়াল ঘেসে। ক্যাডেট লাইফের ছয়টি বছরের শেষ রাত আজ। কালকের রাতটা হবে আজকেরটার চেয়ে সম্পূর্ণ আলাদা, একেবারেই অন্যরকম।
আমি জন্মমুহূর্ত থেকেই আগন্তুক পরিচয় ধারন করে চলছি এই পৃথিবীতে, যখন আমার জৈবিক বাবা মা হয়ত দরিদ্র্যজনিত(যেহেতু সমাজবাস্তবতায় এই একটি কারনেই মানুষকে নামিয়ে দেয়া যায় অনেক নীচে, ভাত পেটে গিয়ে না গুতো মারলে খ্রীষ্টের সম্মান হয়ত চাইবে না কেউ)কারনে আমাকে ফেলে গিয়েছিলেন এবং গল্পের মত কোন সোনার চামচ মুখে দেবার মত সন্তানহীন পরিবারে আমার ঠাই হতে পারত এরকম সুযোগ তৈরী করেছিলেন তখন থেকেই আমার এই পরিচয় বহন করছি।
কালু জনসন, তার নামের কারনেই পত্রিকার খেলার পাতায় নামটা কয়েকবার দৃষ্টি আকর্ষন করেছিল। তবে আজকের জন্য সে আমার ফেভারিট ফুটবলার। কেন? বাংলাদেশ লীগে ফরাশগঞ্জের হয়ে খেলতে আসা এই নাইজেরিয়ানের দুই গোলের সুবাধে শিরোপা প্রত্যাশী(কয়েক বছর যাবত :grr: ) মোহামেডানের সাথে ২-২ গোলে ড্র করেছে ফরাশগঞ্জ। এ জয়ের ফলে ফরাশগঞ্জের খুব বেশি লাভ ক্ষতি না হলেও মোহামেডানের বেশ বড় ক্ষতি হয়ে গিয়েছে। এর ফলে চিরপ্রতিদ্বন্দী এবং গতবারের চ্যাম্পিয়ন আবাহনী থেকে তারা ৬ পয়েন্ট পিছিয়ে পড়ল।
ক্যাডেট কলেজের ছয়টি বছর (অত্যাবশ্যকীয়) এবং তারপরে বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি বছর (ঐচ্ছিক বলা যেতে পারে) এবং তারপর বেকার জীবনের বিগত একটি বছর (আমার ঠিক জানা নেই) সর্বমোট ১১টি বছরে এই অভাগার কপালে প্রেম জুটল না। “তবে চোখের দেখায় প্রেম হয়ে গেলে শ’খানেক প্রেম ইতমধ্যেই আমার হয়ে গিয়েছে” (কোন এক বাংলা নাটকের কোন এক পর্বে এই ডায়ালগটা শুনেছিলাম। উদ্ধৃতি না দিয়ে পারলাম না।)। অনেকেই নজর কেড়েছিল, অনেকেই ঘুমও হারাম করে দিয়েছিল কিন্তু বিধিবাম,
আসলেই, কি লিখি! মাথাটা দিন দিন কেমন জানি খালি খালি লাগে। সকাল বেলা অফিসে ঢুকে সবার আগে এককাপ কফি না ধরাইলে (বিড়ি ছারছি আইজ ৯ মাস, অহন কফিই ধরাই, কপাল…) মাথার জট খোলে না। তারপরে ব্লগে ঢুকে মনে মনে আবার ভাবি , কি লিখি! প্রায় এক মাস আগে কাম্রুল ইয়াহু মেসেঞ্জারে নক কইরা জিগায় লেখা দেই না ক্যান। আমি যথারীতি বিশাল ভাব নিয়া কই “ভাইরে,
আমি এই ব্লগে কনিস্ঠতম সদস্য না হলেও নিশ্চিত ভাবেই কনিস্ঠতম ব্লগার, অন্তত আগামী ৫-১০ মিনিট তো অবশ্যই।অতঃপর ৪ মাস ১০ দিন বয়সে (ব্লগে) এসে সাহস হলো ব্লগে একটি লেখা লিখার।অনেক দিন ধরেই ভাবছি একটি লেখা দিব কিন্তু বড় ভাই-বোনেরা তো অবশ্যই কলেজে থাকা পিচ্চি পোলা-পানেরাও এতো ভালো লেখা লিখতেছে যে আর সাহসেই কুলোতে পারছিলাম না।আজ ভাবলাম আর কাহাতক সহ্য করা যায়….. ~x( এইবার কিছু একটা করা দরকার।কিন্তু কি করব ??????লেখার হাত এতোই বাজে যে আমারে দিয়ে কিসসু লিখানোর চেয়ে আশরাফুল রে জাতীয় দলে ধারাবাহিক ভাবে রান করানো বা প্রতি ম্যচে century করানো সহজ……..
প্রথম পাকিস্থানিদের সাথে ব্যক্তিগত পরিচয় হয়েছিল ২০০২ সালের ডিসেম্বর মাসে, আই ইউ টি-তে। তখন ভব্যতা জ্ঞান একটু কম ছিল। পরিচয়ের দুই মিনিটের মাথায়ই সাংবাদিকদের স্টাইলে জিজ্ঞাসা করে বসলাম ১৯৭১ নিয়ে তোমরা কি জান? তোমদের ভাবনাটাই বা কি? সেই ব্যাটা বলে, আমরা এইসব ব্যাপারে কিছুই জানি না। বোঝাই যাচ্ছিল, সাজানো উত্তর, আসলে কি ভাবে শেয়ার করবে না। পাকিস্থানি পোলাগুলা এমনি খুব খারাপ ছিল না।
একটা বিষয় নিয়ে আমি কদিন ধরেই লিখব লিখব করছিলাম কিন্তু পহেলা বৈশাখের নানা প্রোগ্রাম আর প্রোগ্রাম পরবর্তী পরীক্ষা সমূহের জন্য হয়ে উঠছিল না। পরীক্ষা এখনো চলছে যদিও, তাও ভাবলাম লিখি। আর সহ্য হচ্ছে না।
১৫ তারিখে সার্টিফিকেট তোলার জন্য গিয়েছিলাম JCC তে। ভালই লেগেছিল এতদিন পর আবার সেই চেনা জায়গা-তে ঢুকে। আমার সাথে ছিল আমার বন্ধু নাঈম। ওর প্রায় ৭ বছর পর কলেজে ঢোকা হলো কারণ ২০০৭ এর রি-ইউনিয়ন ও মিস করেছিল।