অন্তরযাত্রা

নদী বয়ে যায়,তরঙ্গ জানেনা সমুদ্র কোথায়?মানুষ তার ভবিষ্যত সম্পর্কে ধোঁয়াশার মত আবছা ধারনা নিয়ে যাত্রা শুরু করে।এই জীবনে পথ চলতে চলতে কোন অজানা ঘাটের সন্ধান পায়।আর তারপরইতো অসীম শূন্যতায় পা বাড়ানো,অজানায় সম্পূর্নরূপে অবগাহন করা।মাঝে মাঝে মনের ক্যানভাসে ভেসে উঠে সেই কথাগুলো-

“ছুটতে ছুটতে বহুদূরে চলে গেছি আমি,
অজানা এক নীরবতার সুরে………,
দূরে পাখি বহুদূরে উড়ে ঊড়ে আসে আর চলে যায়।”

অন্তর আত্মার সন্ধানে ছুটে চলছে মন মাঝি।অন্তহীন এ পথ চলার শেষ সীমা আবিস্কার করতেই আমরা অজানার পানে ছুটে বেড়াই।ক্ষেত্রবিশেষে মনে হয় আমাদের এ পথ চলা অর্থহীন।কী দরকার ঐ অজানার রহস্য জেনে?মানব মনের সুক্ষাতিসুক্ষ ভাবকে প্রকাশ করার কীই বা দরকার?বাস্তবতাকে মেনে নেয়াই কি বুদ্ধিমানের কাজ নয়?মহান কিহু বাণী মন কে আলোরিত করে,অন্তরে সুরের ঝঙ্কার সৃষ্টি করে।তবে তা ক্ষনিকের জন্যই।হয়তবা আমরা আমাদের এই পথ চলার সমাপ্তি নিজের চোখেই দেখব।স্রস্টার ইচ্ছা যদি তাই হয় তবে তা ঠেকাবে কে?ঐ নিষ্ঠুর সত্তাকে থামানোর মত কিছুই যে আমাদের হাতে নেই।সময় বয়ে যায় খরস্রতা নদীর মত।কুল কুল করে বয়ে যাওয়া সময়কে অতিক্রম করে সাফল্য অর্জন করাই মন মাঝির আকাঙ্খা।তবে তা যে কতখানি সম্ভব তা বোধ করি ঐ স্রস্টাই ভাল জানেন।তবে হতাশার মাঝে পৃথিবী আলোকিত করে করে যেমন সূর্য আসে সম্ভাবনা নিয়ে তেমনি আশার কথাও আছে।ঐ স্রস্টা কখনো হতাশ হতে শেখাননি।এ নিরন্তর ছুটে চলায় হতাশার কোনো স্থান নেই।পথের শেষ প্রান্তে পৌছানোর জন্য দরকার দৃঢ় সঙ্কল্প,সংযম আর আত্মিবিশ্বাস।অন্তর আত্মাকে খুঁজে পাওয়ার যে আকাঙ্খা তা কখনো বৃথা হবার নয়।যে তীব্র যন্ত্রনাকর অনুভূতি মনকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে কি ক্ষতি যদি তাকে নদীর স্রোতের সাথে ভাসিয়ে দেয়া হয়?সেটি হয়তবা পৌঁছে যাবে অজানা কোনো দ্বীপে,হয়তবা হারিয়ে যাবে সময়ের অতল গহ্বরে।মন মাঝিকে এই অন্তহীন সংগ্রামী চলায় টিকে থাকতে হবে।তার সঙ্গী এক চিলতে সুখ,এক টুকরো আশা আর কিছু মহৎ স্বপ্ন পুরনের বাসনা নিয়ে।স্বপ্নহীন মন মৃত।তার মাঝে প্রানের কোনো স্পন্দন নেই।নিজেকে দূর্দশার আস্তাকূঁরে ফেলে রাখলে কখনো সুখ নামের সোনার হরিনটি হাতের কাছে ধরা দেবেনা।কি দরকার মনমাঝির নৌকায় দুঃখ-কষ্ট নামের কতগুলো অপ্রয়োজনীয় মালামাল বয়ে নেয়ার?এতে শুধু এ মহান যাত্রা বিলম্বিত আর বাধাগ্রস্ত হবে।দুঃখের দেয়াল দুমড়ে মুচড়ে ভেঙ্গে ছুড়ে ফেলে দেয়ার মাঝেই স্বর্গীয় সুখ নিহিত।আর আজন্ন মনের গাঁথুনি শক্ত করতে হবে।

বিস্তারিত»

ফুটবল প্যাচাল ২০১০

ফুটবলটা এই বছর বেশী উপভোগ করি নাই। ইংল্যান্ড থেকে ফিরে আসার পর এখনো এই নয় মাসে থিতু হতে পারি নাই। আমার নিজের কোনো বাসা নাই এখনো, বাবার বাসায় আব্বার আম্মার রুমে আর শ্বশুরবাড়ীতে লিভিং রুমে টিভি থাকায় শুয়ে বসে আয়েশ করে খেলা দেখা যায় না। লিভারপুলের চরম বাজে মৌসুম ফুটবলের মজাটাই শেষ করে দিয়েছে। যাই হোক আর মাত্র এক মাস; এরপরই শুরু হচ্ছে বিশ্বকাপ। তাই আশাকরি মৌসুমের শেষটা খারাপ হবে না।

বিস্তারিত»

একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৫

(২৯-১১-০৯ এর বাকি অংশ)

পারভেজের জ্বরটা আমাদের দুজনের বেইস ক্যাম্প আসার পথের প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়ায়, এর মধ্যে আরো কিছু ছেলে অসুস্থ হয়ে পড়ায় এক স্যার ফল ইন করিয়ে সবাইকে বলে দেন যে পরের দিন(আজ) একটা টিম কে আবার বাক্ষিমের দিকে পাঠিয়ে দেয়া হবে যখন বাকি সবাই রওনা দিবে বেইস ক্যাম্পের উদ্দ্যেশে। স্যারের কথা বলার ধরনটাও ঠান্ডা, কারণ খুব সম্ভবত এটাই যে এ পর্যায়ে এসে বেইস ক্যাম্পের পথে কেউ যদি অসুস্থ হয়ে পড়ে,

বিস্তারিত»

বাংলা ভাষার শব্দগুলি থেকে ডাটা কালেকশন: মন্তব্য প্রয়োজন

“সকাল নয়টা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টা পর্যন্ত অফিস” লাইফে মানিয়ে নিতেই চলে গেল বেশ কিছুদিন। এতদিন আসা হয়নি এই ব্লগে, আজকে ছুটির দিন পেয়ে নিজের কাজটা ঠিকপথে আছে নাকি সেটা নিয়ে আলোচনা করতে (এবং তালে তালে রংপুরের পোস্ট একটা বাড়িয়ে নিতে 😀 ) চলে আসলাম ব্লগে। তবে এসে প্রথম ২টা পোস্ট পড়ে যথেষ্ঠই টাশকায়িত হইলাম কারণ ধর্ম+মডারেশন নিয়ে মনে হচ্ছে ধুন্ধুমার হয়ে গেছে।

শার্লক হোমসের বাংলায় অনুবাদ করা “শার্লক হোমস অমনিবাস”

বিস্তারিত»

অবশ অনুভূতির দেয়াল

অবশ অনুভূতির দেয়াল

নাহিয়ানঃ দোস্ত তোকে কখনো কোন মেয়ে I love you বলেছে ?

রিশানঃ না । এ যাবৎ তো কেউ বলল না ।

নাহিয়ানঃ মনে হয় তোকে কেউ কোনদিন বলবেও না।

বিস্তারিত»

ঠান্ডা লড়াই এবং সিসিবির ভবিষ্যত

ব্লগে ঢুকবো না ঢুকবো না করেও শেষ পর্যন্ত ঢুকলাম। বেশ কিছুদিন ধরে প্যারেডে ছিলাম না। তাই বলে সিসিবিকে ‘টা… টা…. বাই…. বাই’ জানিয়ে দিয়েছি এমন ভাবলে ভুল হবে। জানালাটা খুলি প্রতিদিনই। দেখি কে কি করছে, কি লিখছে, কাজের অবসরে পড়িও অনেক লেখাই। গত কয়েকদিন ধরে যে ধর্ম নিয়ে আবার একটা ঠান্ডা লড়াই শুরু হয়েছে তাও নজর এড়ায়নি। আমার কি কিছু বলা বা করা উচিত- এমনও ভেবেছি।

বিস্তারিত»

শুভ জন্মদিন (০২-০৮)

আমরা কলেজে ঢুকি ২০০২ সালে ৭ই মে। সেইদিনের সব কথা আজও মনে আছে। গাইড হিসেবে মেহেদী ভাই এর আমাকে হাউজে নিয়ে যাওয়া থেকে শুরু করে হাউজ মাষ্টারের সাথে দেখা করা আমাকে রেখে চলে যাওয়ার কিছুক্ষণ আগে আম্মুর কান্নাকাটি আরো কত কিছু। রাতে প্রথম বারের মত কাটা চামুচ দিয়ে খাওয়া, ম্যানু টাও এখনো মনে আছে ডিম ছিল। :dreamy:।
রাতে রুমমেট মুস্তো আর রেজার শহীদ কোচিং নিয়ে গল্প।

বিস্তারিত»

বাংলা সিনেমার ট্রাম্পকার্ড- খোঁজ ‘The Search’

কিছুকাল আগে লোকে রাজনীতির ময়দানে জলিলের ট্রাম্পকার্ডের খেলা দেখেছে, এবার বাংলা সিনেমার জগতে ট্রাম্পকার্ডের খেলা দেখা গেছে। আর এই ট্রাম্পকার্ডের ও মূল চরিত্র সে একই নাম- আবদুল জলিল। তবে এই জলিল সাহেব ব্যাঙ্ক ব্যবসায় মন দেননি তিনি মূলতঃ মন দিয়েছেন কাপড় ব্যবসায়, যার আজকাল কেতাবী নাম হয়েছে তৈরী পোষাক শিল্প। আর বস্ত্রবালিকাদের শ্রম নিংড়ানো এই ফটকাবাজিতে কিছুলোক দেশে বেশ টাকাওয়ালা হয়ে উঠেছে। এমনই একজন ব্যক্তিত্ব-এম,এ,জলিল ওরফে অনন্ত।

বিস্তারিত»

ঘুণপোকার আর্তনাদ

ফাগুনের হাওয়ায় নিজেকে ভাসিয়ে দিতে পারি নি আমি ,
রিক্ততার বেদনায় অশ্রুপাত শেখেনি আমার দু’নয়্ন ;
হারিয়ে গিয়েছি বারবার ছায়া নামের মিথ্যে আলোতে ।
তোমার ধৃত স্বপ্নের রাজপুত্র হতে দাওনি তুমি ,
মাঝে ফিকে হয়ে যায় ভুলের নেশা মেশানো স্মৃতি ।

বিস্তারিত»

পরিত্যক্ত ভালোবাসা

পরিত্যক্ত ভালোবাসা

বিক্ষিপ্ত রংগুলো ছড়িয়ে পড়ে –
খয়েরী আকাশ হঠাৎ আঁধারে ছেয়ে গেল ।
আমার সত্তার বিপরীত অস্তিত্ব আড়মোড়া ভেঙ্গে
দাঁড়িয়ে থাকে আমার ইচ্ছের বিরুদ্ধে ।

ঘৃণা অথবা ভালোবাসা –
কোন অনুভূতিই আজ আর বিক্ষিপ্ত নয় ,
শুধু জানি আমার ভালবাসা মিথ্যে ;
মিথ্যে অনুভূতির বেড়াজাল –
ছিঁড়তে ব্যর্থ হই বারবার ।
পাশবিক ভালবাসার মিথ্যে ভাবাবেগ ।

বিস্তারিত»

কিছু কথা মনে পড়ে

ব্লগে একদম নতুন এসেই আমার ক্লাসমেট হায়দার এর “বাণী চিরন্তনী – ক্যাডেট ভার্সন” পইড়া ব্যাপক মজা পাইলাম। এরপর আমার মাথায় কলেজের কিছু উক্তি ঘুরাঘুরি শুরু করছে। চিরন্তনী টাইপ না হইলেও আমার এখনও মনে আছে। (হায়দারকে বলে নিছি, যাতে সে আবার কপিরাইট মামলা না করে দেয়)

১। কলেজে তখন ইংরেজীতে কথা বলার উপর খুব জোর চলতেছে। আমদের সাথে সাথে মাঝে মাঝে স্যাররাও ঝামেলায় পড়ে যেতেন।

বিস্তারিত»

অতঃপর সেই আমি-১

কলেজে ক্লাশ টেন এ থাকা কালীন এটা লিখা শেষ করছিলাম।ইচ্ছা ছিল কোন একদিন সুযোগ হলে কারও কাছে সাবমিট করবো চলমান ছবি হিসেবে ফুটিয়ে তোলার জন্য।সেই স্বপ্নটা সত্যি হতে চলেছে শীঘ্রই ইনশাল্লাহ :-)যা হোক সিসিবি তে সবার সাথে ধারাবাহিক হিসেবে শেয়ার করার চেষ্টা করছি…( এটা একটা সত্য ঘটনা,চরিত্র গুলোর নাম অনেক গুলোই বাস্তব,ঘটনার কিছু কিছু অংশ শুধু লেখার জন্য একটু আলাদা করে ফুটিয়ে তোলা)
****************************
আমি এই মুহুর্তে কোথায় আছি সেটা কিছুটা আন্দাজ করতে পারছি,বোধ হয় হাসপাতালে।আশেপাশের সবাই সম্ভবত আমাকে নিয়ে দারুন ব্যস্ত আর উৎকন্ঠিত।জানিনা কেন তাদের এত ব্যস্ততা আমার জন্য।হয়তো আমার প্রতি এ মুহুর্তে তাদের প্রচন্ড ভালবাসা জন্মে গেছে,সে ভালবাসা ভিন্ন সময়ে ভিন্ন রকম,যা রঙ বদলায়।ভালবাসার কি আদৌ কোন নির্দিষ্ট রঙ আছে?ঠিক জানিনা।তবে আমি এটুকু বলতে পারি,প্রত্যেকের মাঝেই ভিন্ন ধরনের ভালবাসা আছে।আমি এমন কেউ নই যে এরা আমাকে নিয়ে এতটা উৎকন্ঠিত হবে,আমি আমার নিজের কাছে খুব সাধারন,হয়তোবা অন্যদের কাছে আলাদা।আমি এ মুহুর্তে আমার বুকের সব জায়গা জুড়ে প্রচন্ড ব্যাথা অনুভব করছি,এক ধরনের তীব্র যন্ত্রনায় আমার সর্বাঙ্গ ভরে যাচ্ছে।আমার মুখে অক্সিজেন মাস্ক দেয়া হয়েছে।আমি শুধু চেয়ে চেয়ে সবার কাজ দেখছি।কেবল চেয়েই আছি,চোখ বুজতে ইচ্ছা করছেনা,কেমন যেন একটা অদৃশ্য ভয় আমাকে ছেয়ে আছে।সে ভয়ের জন্য আমি চোখ বুজতে পারছিনা,বুঝতে পারছিনা কি সে ভয়।সেটা কি মৃত্যু?আমার আশেপাশে যারা আছে তারা বিভিন্ন ধরনের কথাবার্তা বলছে তবে তাদের কথার বিষয়টা বুঝতে পারছিনা,হয়তোবা আমাকে নিয়েই কথা হচ্ছে এদের মাঝে।আমায় এখানে নিয়ে আসার আগে কি ঘটেছে আমার খেয়াল নেই।তবে,এটা মনে আছে যে কেউ একজন আমার হাতটা চেপে ধরে কেঁদেছিলো,কিন্তু কে কেঁদেছিলো?না,মনে পরছেনা।অনুভব করতে পারছি যে তার হৃদয়ে আমার জন্য ভালবাসার এতটুকু কমতি নেই।কিন্তু কে সে?আমি প্রচন্ড চেষ্টা করছি মনে করার;না মনে পরছেনা।আচ্ছা সবারই কি এমন হয়?যে মানুষটা তাকে ভালবাসে,প্রচন্ড রকম ভালবাসে অথচ তাকেই সে অনুভব করতে পারেনা কিংবা তার অস্তিত্বকে সহজে আবিষ্কার করতে পারেনা।কি জানি,তবে আমার মনে হচ্ছে আমি আবিষ্কার করতে পারবো।

বিস্তারিত»

জনৈক ভাষাসৈনিক বলছি

জনৈক ভাষাসৈনিক বলছি

অন্ধকার গোরস্থান থেকে বলছি –
আমি এক নির্বাসিত পথিক ,
আমার এই রক্তে এখনও তাজা বারুদের গন্ধ ,
তাজা বুলেট এখনও বিঁধে আছে বুকে ।

রুদ্ধ কবর থেকে বলছি –
আমি এক বেওয়ারিশ মুর্দা ,
বুলেটের তরঙ্গে কম্পমান ভারি বায়ুস্তর থেকে
আমার দরাজ কন্ঠ ভেসে আসে ;
আমার দেয়া দৃপ্ত স্লোগান কি এখনো ভেসে বেড়ায় ?

বিস্তারিত»

কবিতা লেখা বন্ধ হয়েছে

তুমি আর কবিতা লিখবেনা ,
তোমার কাব্য প্রতিভা বন্ধ হউক এ মুহুর্তেই ।
নয়তো ওরা আসছে –
তো্মার হৃৎপিন্ড খাবলে ছিঁড়ে ফেলবে ওরা ,
তুমি বরণ করবে নগ্ন চাপাতির ৮টি আঘাত ,
নির্ঘাত মৃত্যু হবে তোমার –
হয়ত দিনটি আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি ;
বাংলা একাডেমির প্রধান ফটকের সামনে ।

হুমায়ুন আজাদ কে কি মনে পরে তোমার ?

বিস্তারিত»

দিনবদলের স্বপ্ন

আমার কন্ঠে সূর নেই,
তবু গাইবো
অন্ধ আমি তবুও
দেখতে চাইবো
বধির আমি যে তবু জেদ
গান শুনবো,

বিস্তারিত»