কৃতজ্ঞতাঃ অভ্র এবং মেহদীর কাছে

নানা কারনে ব্লগে আগের মত ঘন ঘন লিখতে পারিনা। তবে খুশির খবর হচ্ছে লেখালেখিকে লক্ষ্য বানিয়ে কর্মপদ্ধতি সাজিয়ে নিচ্ছি, যাতে মনের মত করে লিখতে পারি।

সবাই যে বয়সে কবি হয়, আমি সে বয়সে কবি ছিলাম, সবাই যে বয়সে রচনা প্রতিযোগীতা কিংবা রহস্য পত্রিকায় লেখা পাঠায়, যায় যায় দিনের বিশেষ সংখ্যায় লেখা পাঠিয়ে অধীর আগ্রহে অপেক্ষার প্রহর গুনে আমিও সেই বয়সে লিখতাম তাদের মত করে,

বিস্তারিত»

খেলা, খেলা এবং ……… খেলা

শনিবার আমার কাছে সাপ্তাহিক ঈদের দিনের মত, কলেজে যেমন ছিল বৃহঃস্পতিবার। কারন আর কিছুই না, বিকাল থেকেই খেলা আর খেলা, বিশেষ করে ফুটবল। আজকের শনিবারও ব্যতিক্রম না। এনসিএল এর খেলার কারনে আজকের ঈদ শুরু হয়েছিল সেই সকাল থেকেই।

এনসিএল টি২০ দেখে যাচ্ছি, তবে তেমন একটা মজা পাচ্ছি না, কারন ঢাকা ডায়নামাইটসকে সমর্থন দিলেও এখনো তেমন একটা প্যাশন তৈরী হয়নি। তবে ঢাকা যেভাবে সবাইকে উড়িয়ে দিতে সেমিফাইনালে উঠলো তাতে তারা যদি চ্যাম্পিয়ন না হতে পারে তাহলে সেটা হবে দুঃখজনক।

বিস্তারিত»

পুষ্প, বিহঙ্গ এবং বসন্তদিন

ক’দিন থেকেই মন ও তার কারখানার যাচ্ছেতাই অবস্থা। কিছুই ভাল লাগে না। সেমিষ্টার শেষ হইয়াও হইল না শেষ – ধরনের একটা অবস্থায় ঝুলছে। স্কুলে এখন সেমিষ্টার ফাইনাল। গমগম করা ল্যোব বিল্ডিং, ইউনিসেন্টার, অট্রিয়াম অনেকটাই ফাঁকা গড়ের মাঠ। টিমহর্টনস কিংবা ষ্টারবাকস কফিশপে লম্বা সেই একপ্রস্থ লাইন আর নেই। ফিল্ড হাউস, অ্যালামনাই হলসহ যেসব জায়গায় পরীক্ষা চলে, সেখানে ঝাঁকে ঝাঁকে চিন্তাক্লিষ্ট মুখ। কেউ কেউ নোটে বা বইয়ে চোখ বুলিয়ে নিচ্ছে শেষবারের মতো।

বিস্তারিত»

অজানা

আমি ধরিনি তোমার হাত
কিংবা ছুয়ে দেখিনি তোমার চুল,
আমি বসিও নি তোমার পাশে
ও চোখে চোখ রাখার সাহস আমার নেই ।
কখোনো হবেও বলে মনে হয় না !

বিস্তারিত»

দুর্ঘটনা

অন্যান্য দিনের মত সকালের দৌড়-ঝাপ শেষে বাসায় ফেরত এসে নাস্তা খেয়ে একটু ঝিমানোর প্রস্তুতি নিচ্ছি এমন সময় শাহরিয়ার (১৯৪৪ – মকক) এর ফোন। ধরার পরেই বলল,”অই কিবরিয়ারে স্ট্যাব করসে গাজীপুর স্টেশানে শুনছিস নাকি?! এখন ঢাকা সি,এম,এইচ এ আসে??!” বিছানা থেকে লাফ দিয়ে উঠতে গিয়ে ব্যালান্স হারিয়ে পরে গেলাম। আরোও বলল প্রথম আলো দেখতে। বাসায় ছিল ডেইলি স্টার। চোখ বুলাতেই দেখি “গাজীপুর স্টেশানে ৪ বুয়েট ছাত্র ছুরিকাহত”।

বিস্তারিত»

রাতচারণ

ইনসমনিয়া
দুপুর নিয়ে আমার প্রবল উন্মাদনা আছে। উন্মাদনা, অর্থাৎ সাধারণ্যের সমাজ ও প্রথানিয়ন্ত্রিত আচরণের বাইরে আচরণ। আমি এমন করি, জেনেশুনেই বুক-পকেটে উন্মাদনাসমূহ লালন করি বিবিধ বিষয়ে। জাগতিক তাড়না দিয়ে যেগুলো ইস্যু আমার হিস্যা নিয়ে নেয়- অর্থ, চাকরি, খাওন-দাওন এগুলো আমাকে উন্মাদ করে না। আমি হিসেবি ও খেয়াল করে দেখি এটিএম বুথের ভেতরে ছক ছক নম্বরের জোরে আমার প্রাপ্য খটাখট আমার করতলে চলে আসে। পাতলা হয়ে থাকা ওয়ালেটের ভেতরে শৌখিন রোলার স্কেটিং করে নোটগুলো জমা পড়ে।

বিস্তারিত»

নববর্ষ ‘৭১ – (ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-৩)

[আগের আধ্যায় – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা]
[আগের আধ্যায় – অজানা যাত্রা – ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা-২]

চরণ দ্বীপে আমরা আশ্রয় নিলাম মিলের এ্যাসিস্টান্ট লেবার অফিসার রহমান সাহেবের বাড়ীতে। যে বিষয়টি আমার বেশী চোখে পড়ল সেটি হচ্ছে, গ্রামের সাধারণ মানুষের সহজে বন্ধুত্বের হাত প্রসারিত করা দেখে। আমি আগে কখনো গ্রামে বাস করিনি, এমনকি গ্রামের মানুষদের নিয়ে কখনো বেশী চিন্তাও করিনি।

বিস্তারিত»

বউরে ডরায় না কেডা?

করিম সিদ্ধান্ত নিছে জীবনেও সে বিয়ে করবে না। একদিন সবাই গিয়া ধরলো, কেন বিয়া করবা না। করিমের জবাব, ভয়ে। বিবাহে তার ভয় নাই, ভয় বৌকে। যে জীবনেও বিবাহ করে নাই তার আবার বৌকে ভয়? কেমনে কী?
করিম বললো, অনেক আগে একবার বন্ধুর বিয়ে খাইতে গেছিলাম। ভীড়ের মধ্যে হঠাৎ এক মহিলার শাড়ীর আঁচলে পা পইরা গেলো। সেই মহিলা ঘুইরাই কইলো, চোখের মাথা খাইছো? দেইখ্যা হাঁটতে পারো না?

বিস্তারিত»

প্রতিদিন এই আমি…

প্রতিদিন একটু একটু করে অনেকটুকু ঘুমাই
স্বপ্ন দেখিনা…
সারাখন বসে কেবলি ভাবনা বিলাস; কাব্য করিনা
প্রতিবার ভাবি ছেড়ে দেব, বদঅভ্যাস যত্তসব
ছেড়েও ছাড়িনা
একছুটে ঘর পেরিয়ে বারান্দায়, পালাতে চাই
গ্রিলের খাচায় আটকে রই…পথ যে অজানা
প্রতিদিন একটু একটু করে মুটিয়ে যাই,
হাটতে চাইনা
বড় হতে চাই, বুড়ো হতে চাই না ।
সিগারেট ছাইদানি ছেড়ে দেব সব…তবু ধোয়া বাড়ে
মৃত্যুঝুকি কমেনা
পথ পেরিয়ে পথে যাব ভাবি,

বিস্তারিত»

সেলাই#৩

বিকেলের আলোমাখা টেবিলে আমরা দুজনে বসে
তোমার খয়েরি চোখের গাঢ় কাজল দেখলাম
চোখের পাঁপড়িগুলো নেই
(কেউ এসে তুলে নিয়ে গেছে)
ডান চোখের কিনার থেকে লাল ঠোঁটের প্রান্ত অবধি ছুরি দিয়ে চিরে দিয়েছে কেউ
ঠোঁট থেকে হাসির কিছু টুকরো কণা চোখের দিকে সিঁড়ি ভেঙে উঠে যাচ্ছে

তোমার কষ্ট লাগছে। তোমার ব্যথা লাগছে। তুমি হাসছো না। তুমি কাঁদছো না।

আসো আমরা এদিক-ওদিক তাকাই।

বিস্তারিত»

৬ বছর বা ২২০৩ দিন – ৯ম পর্ব

কত যে মজার স্মৃতি কলেজে ঘটেছিল, তা লিখতে বসলেই কোনটা ছেড়ে কোনটা লিখব ভেবে উঠতে পারি না। তাই আজকে মনে করলাম, যেহেতু কলেজ পালানোর স্মৃতিচারণ চলছে সেহেতু এই পর্বও কলেজ পালানো কে উৎসর্গ করি।

তখন আমরা একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেট। শিক্ষাসফর শেষ করে এসেছি মাসখানেক হয়েছে। সিগারেট ফুরিয়ে গেছে। অতএব কলেজ পালিয়ে সিগারেট আনতে হবে। তখন পালানোর ব্যাপারে কিছুটা কড়াকড়ি হয়েছে। তাই আমরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না যাওয়া উচিত হবে কিনা।

বিস্তারিত»

কাল(সময়)

আমাদের স্কুলে যখন ক্লাশ থ্রীতে পরতাম তখনকার কথা।আমাদের বাংলা ক্লাশ নিতেন মামুন স্যার।তিনি বাংলা ব্যকরণ পরানোর দিনে এই জোকস টা বলেছিলেন।আমরা বেশ মজা পেয়েছিলাম।দেখি আপনারা মজা পান কিনা??(না পাইলে আমার কিছু করার নাই)

এক স্যার তার ক্লাশের ছাত্রদেরকে ক্রিয়ার কাল পরাবেন।তার আগে তিনি দেখতে চাইলেন কেউ এ বিষয়ে কিছু জানে কিনা।তাই তিনি জিজ্ঞেস করলেন , “কেউ কি বলতে পারবে কাল কত প্রকার?”
১ম ছাত্রঃস্যার কাল তিন প্রকার।

বিস্তারিত»

বিদ্যুত সমস্যা — আওয়ামীলীগ সরকারের দায় এড়ানো ও বিএনপি সরকারের দায়

দেশে না থেকেও বিদ্যুত সমস্যার ভোগান্তিটা ভালই বুঝতে পারছি । পেপারে টিভিতে বিদ্যুতের জন্য হাহাকার। আওমীলীগ সরকার ২০১৫ সালে ৯ হাজার মেগাওয়াত বিদ্যুতের প্রতিশ্রুতির মূলা ঝুলিয়ে রেখেছে সবার জন্য। সাথে সাথে এই মুহুর্তের ভোগান্তির জন্য সব দোষ বিএনপি র ঘাড়ে চাপিয়ে বসে আছে। আমরা কম বেশি সবাই জানি বিএনপি আমলে বিদ্যুত সেক্টরে লুটপাট হয়েছে । কিন্তু সত্যিকারের পরিসংখ্যান কি জানি ? আওয়ামীলীগের দাবিই বা কতখানি যুক্তিযুক্ত ?

বিস্তারিত»

একটি হৃদয়স্পর্শী প্রেমের উপন্যাস (নাম খুঁজছি)

[ বখাটের দৌরাত্ম্যে কিশোরীর আত্মহত্যা – পত্রিকার এরকম দুঃখজনক সংবাদে ইচ্ছে হলো কিশোরী হয়ে আত্মহত্যার আগের মুহূর্তটিকে অনুভব করার। কেন অকাল মৃত্যু? কী তার প্রতিকার? ভাবনার ফলস্বরুপ এক উপন্যাসের প্লট মাথায় আসলো। জীবনের বিভিন্ন সময়টা দেখানোর জন্য উপন্যাসের সময়কালের পরিধিটা অনেক বড় হয়ে যাচ্ছে। জানি না শেষ পর্যন্ত কী দাড়ায়।]

বার

ইচ্ছেটা অনেকদিনের। ছোট মামিকে নিয়ে ধর্মসাগরের পাড়ে বেরাতে যাব। আসলে ঠিক অনেকদিনের নয়,

বিস্তারিত»

দ্যা গ্রেটেস্ট , মাই ওন স্টোরি- ৪+৫

সর্বকালের সেরা মুষ্টিযোদ্ধার আত্মজীবনী ‘দ্য গ্রেটেস্ট – মাই ওন স্টোরি’ । মোহাম্মদ আলীর জবানীতে লিখেছেন রিচার্ড ডারহাম।
‘কালের কন্ঠ’তে ধারাবাহিক ভাবে অনুবাদ করছি আমি। ভালো হচ্ছে নাকি খারাপ, সেই প্রতিক্রিয়া জানার জন্যে সিসিবিতে দেয়ার লোভটাও সামলানো গেল না! আজ দিচ্ছি ধারাবাহিকের পরের দুই পর্ব-

অনেক দিন ধরেই এর উল্টোটাই দেখিয়েছি । ম্যাডিসন স্কয়ার গার্ডেনে জো ফ্রেজিয়ারের লেফট হুক যখন আমাকে মাটিতে শুইয়ে দিয়েছিল তখনো তাদের এমন বুনো আনন্দ দেখিনি।

বিস্তারিত»