বিখ্যাত লোকের সংগে কোন কিছু মিলে যাওয়ার অনেক মজা। আমার এক ভাইয়া, চেহারা একদম অনিল কাপুরের মত, অনিল কাপুর তখন আবার বম্বের হিট নায়ক, মাধুরীর সংগে তার হট হট হিট হিট সব ছবি বেরুচ্ছে, আমরা গোগ্রাসে গিলছি। এক দো তিন, চার পাচ ছয় সাত ……… নাম্বার কাউন্টিং এর গানটা দেদারছে বাজছে হোটেল-রেস্তোরায়, মাধূরী পোস্টার দেদারছে সাটা পড়ছে আমাদের মত উঠতি যুবকের রুমের দরজার উলটো দিকে।
বিস্তারিত»নিরর্থকাব্য
সকালে যখন আবছা ময়লাটে নীল পর্দার পেছনে রোদের হাট বসে,
একটা তুমুল সিনেমা শুরু হয় তখন এই ঘরে
তেমন একটা আলো এসে পৌঁছায় না।
নীল নীল আবছা ঘুম জমে থাকে এখানে।
আর আমি পাশ ফিরে শুয়ে উল্টে যাই, পাল্টে যাই একটু, মাত্র এক অথবা দুই ইঞ্চি।
তারপরে জানালায় নিবিড় হয়ে মিশে থাকা
সবুজ পাতার ডাল নড়ে ওঠে, কেঁপে ওঠে এবং আমিও ঘুমের ঘোরে কেঁপে উঠি।
কল স্ক্রিনিং!!
আত্মীয়তার সম্পর্ক থাকা স্বত্ত্বেও আমরা ছিলাম বন্ধুর মতন। না! বন্ধু না, তার চেয়েও বেশি। নিজেদের মাঝে সব কিছু শেয়ার করতাম। ক্লাস, পরীক্ষা, বন্ধুদের সাথে ঝগড়া বা আড্ডা, পছন্দ-অপছন্দ…সব কিছু। এমনকি, একে অন্যের বন্ধুদের নিকনেম পর্যন্ত জানতাম। আমার জন্য সবচেয়ে কষ্টকর ছিল যখন কোন মুভি দেখে তার গল্প বলত। কারন, ‘ওর’ স্বভাব ছিল এক্কেবারে খুঁটি-নাটি সব শোনানো। হয়ত অনেকেই হাসবেন, তবুও বলি- এমনকি, মুভির গানের অংশে গান গেয়েও শোনাতো!!
বিস্তারিত»টুকিটাকি ছন্দ, হবে কি পছন্দ ?
১.
ও পাড়ার নিতিশ এ
করে দুর্নীতি সে
পুছেনাকো কারো কথা
কারো ভয়-ভীতি সে
কিছুদিন থেমে শুরু
করে যথারীতি সে।
২.
দিলাম তোমায় মন দেহ
করছো তবু সন্দেহ ?
৩.
যার উপদেশে ভেসে গেল এই দেশটা
নাম তার হলো সরকারি উপদেষ্টা
ব্লগরোল ০১
১।
সিসিবিতে আমার সিরিজ আছে দুইটা। পরবাসীর রোজনামচা আর আচার। নতুন প্রোগ্রামের ঠেলায় পড়ে এই দুই সিরিজেরই নতুন কোন পর্ব লেখার ম্যাটেরিয়াল পাচ্ছি না। স্মৃতিচারণ করা যায়, কিন্তু ক্যাডেট কলেজ বিষয়ক স্মৃতি আমার কাছে কেমন যেন ধোঁয়াশা লাগে। পোলাপাইনের সাথে আড্ডায় বসলে মনের গভীর থেকে সেইগুলা উগলে আসে, জাবর কাটি। আড্ডা শেষে আবার ধোঁয়া।
নতুন একটা সিরিজ শুরু করুম ভাবতেছি। এইটা তার প্রথম কিস্তি।
বিস্তারিত»গুরুরঙ্গ ০১
আমরা ক্লাস সেভেনে যখন আসলাম তখন একজন স্যারকে দেখতাম ডাইনিং এর মাঝে দাঁড়িয়ে থাকতে। পরে জানলাম উনি মেস ওআইসি। আরও জানলাম আমাদের ভাসানী হাউসেরই এক ব্যাচমেটের দূরসম্পর্কের নানা। ছোটখাট একজন লোক। খুব আন্তরিকতার সাথে বায়োলজী পড়াতেন। শান্তশিষ্ট ভদ্রলোক হঠাত্ একদিন ক্ষেপে উঠলেন যখন ডাইনিং এর এককোনা থেকে কেউ পোকা বলে চেচিয়ে উঠল। একটু পর পর একেক জায়গা থেকে পোকা শব্দটি ভেসে আসছে আর স্যার ক্রমাগত ক্ষেপে যাচ্ছেন।
বিস্তারিত»দৃষ্টিনন্দন দৃষ্টি ০২
আমার আগের ব্লগ ‘দৃষ্টিনন্দন দৃষ্টিতে’ বলেছি আব্বার ডান চোখে cataract সার্জারীর কথা।বাম চোখেও সার্জারী করা দরকার।তাই আমি চাচ্ছিলাম যত দ্রুত করে ফেলা যায়।দেরী হলে যদি আবার কোন অসুবিধা হয়!তাই আব্বাকে তাগিদ দিচ্ছিলাম এই বছরের শুরুতেই করে ফেলার জন্য।কিন্তু যথারীতি তাঁর সার্ভিস,পারিবারিক,সামাজিক ব্যস্ততার কারনে বিলম্বিত হচ্ছিল।আমি বারবার বিরক্ত হয়ে বলেছি তোমার চোখ আগে বাকী সব পরে।টাকাসহ সবই ত রেডি করে রেখেছি।খালি ঢাকা আসবা আর অপারেশন হবে।আরেকটি চোখ ভাল হওয়ার কারনে চশমা ছাড়াই দিব্বি ভাল দেখতে পাচ্ছেন তাই মনে হয় তেমন তাগিদ দেখা যাচ্ছিল না তাঁর মধ্যে।আর ঝামেলাও যেন শেষ হয়না।এবার আর অনেককিছু নিয়েই আমাদের ভাবতে হয়নি।আগেই চিন্তা করেছিলাম সেই ইসলামিয়াতেই সেইম ডাক্তার দিয়ে সেইম লেন্স নেয়া হবে।আগের ম্যাচের সাফল্যে কোচরা যেমন উইনিং কম্বিনেশন ভাঙ্গতে চাননা এখানে আমার ভূমিকাও ছিল তাই।
বিস্তারিত»ব্যাক্তিগত একটি সংবাদ নিয়ে একটি আজাইরা পোস্ট
একটা গল্প আছে মিথ্যাবাদী রাখালের। সেই গল্প সবাই নিশ্চয় জানেন অতএব তার উল্লেখে সবাইকে বিরক্ত করাটা অনুচিত হবে। তাই গল্পটা আর মনে করানোর ধৃষ্টতা দেখালাম না। তবে যেহেতু তার উল্লেখ ঘটেছে এই পোস্টে অতএব তার সাথে মিল বা বেমিল ব্যাখ্যা করতে আমি বাধ্য। এই গল্পটা আমরা খুব ব্যবহার না করলেও গল্পের শিরোনামটা বেশ ব্যবহৃত আমাদের কলেজে বিশেষ করে দুটি হাউসে। তার কারণ অবশ্য শিরোনামে একজন শ্রদ্ধেয় শিক্ষকের নামোল্লেখে।
বিস্তারিত»বেঁচে আছি
বেঁচে আছি বলেই তো মনে হয়,
এর চেয়ে বেশি কিছু প্রয়োজন
থাকার কথা তো নয়।
হাঁটতে গিয়ে হোঁচট খাওয়া
তারপরে সামলে নেয়া
যেন সে প্রতিদিনেরই ঘটনা।
সিসিবির অটোয়া সম্মেলন (বিলম্ব-রিপোর্ট)
তাড়াহুড়া করে যখন বাস স্টপেজে এসে দাঁড়ালাম, ঘড়িতে তখন বাজে বেলা ৩টা। সাড়ে চারটার মধ্যে লবিতে থাকতে বলেছেন মঈন ভাই। কপাল ভালো এক্সপ্রেস বাস পেয়ে গেলাম। সিটে বসে একটু হাঁফ ছেড়ে গত দুদিনের কথা ভাবতে শুরু করলাম। কানাডা এসে কেমন যেন একটা বিচ্ছিন্ন জীবন যাপন চলছে। এরই মাঝে সিসিবিয়ানদের গেট-টুগেদারের ছবিগুলো যেন কাঁটা ঘায়ে আয়োডিন যুক্ত মোল্লা লবণের ছিটা দিয়ে যেত। শেষ পর্যন্ত আমিও এমন একটা গেট-টুগেদারে অংশ নিতে যাচ্ছি।
বিস্তারিত»“রোকেয়া কিবোর্ড লেআউট”: আমার তৈরী করা বাংলা কিবোর্ড লেআউট ও প্রোগ্রাম
অন্যরকম একটা অনুভূতি নিয়ে এই ব্লগটি লিখছি৷ যেখানে শেষ হয়েছিল তার পরে অনেকটা অংশ জুড়ে কিছু নেই, এরপর এই পোস্ট৷ শেষ থেকে শুরু করছি মনে হচ্ছে৷
সামহোয়ারইনে ২টি পোস্টে আলোচনা শুরু করেছিলাম আমার বানানো ফোনেটিক-ফিক্সড লেআউটের উপর৷
( দিনে বাংলা ভাষা নিয়ে আমার একটি কাজ: নতুন একটি ফোনেটিক কিবোর্ড ও বাংলা ভাষার কিবোর্ড: কেমন চাই – কি আছে…… তুলনামূলক আলোচনা )৷ এখন ওটার ডিটেইলস লিখছি৷ আপনাদের সবাইকে অনুরোধ করবো প্লিজ সেটা দেখবেন ও ফিডব্যাক দিবেন
কিবোর্ডের ছবি:

অক্ষরের বিন্যাস:
যেকোন লেআউটেই আমাদের বাংলা টাইপের জন্যে ৬২টি সিম্বল মাথায় রাখতে হয়৷ (৩৯টি ব্যঞ্জনবর্ণ+১১টি স্বরবর্ণ+১০টি কার-রূপ+হসন্ত+য-ফলা = ৬২)৷ আমি আগেই বলেছি কিবোর্ড মুখস্থ করাতে বাধ্য করাকে আমি সমর্থন করিনা৷ তাই দেখা যাক আমাদের পরিচিত স্টাইলেই কিভাবে মনে রাখা যায়৷
খুব সহজ,
বিস্তারিত»একজন পর্বতারোহী ও কিছু কথা ৩য় পর্ব
…………………… Everest was the embodiment of the physical forces of the world. Against it Mallory had to pit the spirit of man. He could see the joy in the faces of his comrades if he succeeded. He could imagine the thrill his success would cause among all fellow mountaineers; the credit it would bring to his country; the interest all over the world; the name it would bring him;
বিস্তারিত»যেমন হবে বিশ্বকাপ দলঃ ব্রাজিল
[ বিশ্বকাপ ঘনিয়ে এসেছে। গুনে গুনে আর ৯০ দিন বাকি। অংশ গ্রহনকারী প্রতিটা দলকে ১২ মে’র মধ্যে ৩৫ জনের প্রাথমিক দল ঘোষনা করতে হবে। চুড়ান্ত ২৩ জনের নাম জমা দেয়ার জন্যে অবশ্য ফিফা সময় দিয়েছে ১০ জুন পর্যন্ত।
বড় দলগুলোর বিশ্বকাপ স্কোয়াড কেমন হতে পারে এই নিয়ে পত্রিকার জন্যে একটা সিরিজ লেখা শুরু করেছি। শুরু হচ্ছে ব্রাজিলকে দিয়ে, তারপর আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ফ্রান্স এইভাবে।
অতীত বয়ান – কেউ যদি শুনতে চায় (নারীকথ্ন)
১
নারীদের জন্য আলাদা দিবস কেন?
প্রথমেই একটা কুইজ দিয়ে শুরু করি।
এক গাড়ি দুর্ঘটনায় বাবা মারা গেলেন আর ছেলে মারাত্মকভাবে জখম হলো। অপারেশন থিয়েটারে রোগীর চেহারা দেখে ডাক্তার চিৎকার দিয়ে উঠলেন, ‘এটা তো আমার ছেলে।‘
কিভাবে সম্ভব?
এক – দুই – তিন – সময় শেষ।
যে নারীকে একজন পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে পরিগণিত করে তার পক্ষেই মুহূর্তের মধ্যে একজন মহিলা ডাক্তারের কথা ভাবা সম্ভব।
বিস্তারিত»নামটা খুঁজে পাচ্ছি না
আমার ঠিক জানা নাই ভালো লেখকরা কোন কিছু লিখার আগেই নামটা দিয়ে দেন কিনা।আমি শুধু এটাই জানি যে আমি দেই।কিন্তু এইটার যে কি নাম দিব খুঁজে পাচ্ছি না।
ছোটবেলায় প্রথমে হতে চেয়েছিলাম কনফেকশনারীর দোকানদার।বিনা পয়সায় পেষ্ট্রী খাওয়াটাই যখন আমার কাছে সবচাইতে আকর্ষনীয়।তারপর কখন ও ক্রিকেটার,কখন ও জার্নালিষ্ট (স্পোর্টস),কখন ও ফ্যাশন ডিজাইনার আবার কখন ও স্বপ্ন দেখেছি আমি বিরাট এক্সিবিশন করছি বেংগল গ্যালারীতে।কখনোই যেটা চাইনি সেটা হল আর্মি অফিসার হতে।শেষ পর্জ়ন্ত ওটাই হতে হল।তাই স্পোর্টস রিপোর্টার হওয়ার সুপ্ত ইচ্ছেটা এই ব্লগেই পুরন করি।
বিস্তারিত»