রাতে খেয়ে আমি সুমন আর মিলু যে যার মত পড়ছিলাম।সারাদিন প্রচুর খাটুনি ছিলো।ল্যাব আর ক্লাস।ঘুম ঘুম ভাব সবারই চোখে।তারপরেও কেন যেন ঘুম আসছিল না।তিন জন গল্প শুরু করলাম।যদি ঘুম আসে এই ইচ্ছায়।মিলু বোতল নিয়ে পানি আনতে গেল।আমি আর সুমন প্লান করলাম মিলু ফিরে আসার সময় ওকে দরজার পাশ থেকে ভয় দেখাব।তাড়াতাড়ি লুকিয়ে পড়লাম আমরা ।মিলূ দরজা খুলতেই আমরা হো হো করে হেসে উঠি।কিন্তু মিলুর কোন ভাবান্তর হল না।
সিসিবিতে আনাগনা বহুদিনের। দেড় বছরের মত তো হবেই। করছি করবো করতে করতে আর সদস্য হওয়া হয় নাই। ব্যক্তিগত কিছু সমস্যাও ছিলো। এর মাঝে কতো কিছুই ঘটে গিয়েছে, ২৫ ফেব্রুয়ারী আর আরো কতো কতো কিছু। ঘটে গিয়েছে আমার জীবনেও অনেক কিছু। কিন্তু সব কিছুর মাঝেও সিসিবি ছিলো আমার এক পরম আশ্রয়। সদস্য না হয়েও সকল হাসি আনন্দ আর কষ্টের সময় গুলোতে অনুভব করেছি একাত্মতা। কখনো না দেখে কখনো কথা না বলেও অনেক অনেক আপন হয়ে গিয়েছে এখানের সকল মানুষ,
[প্রাককথাঃ
যারা জানেন না,তাদের জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে,আরসিসি বাংলাদেশের সীমানা ঘেষে রাজশাহী শহর থেকে ২৬ কি.মি. দূরে প্রত্যন্ত গ্রামে অবস্থিত।গ্রামটার নাম মোক্তারপুর।ক্যাডেট কলেজটাকে সবাই চিনেন।তাই গ্রামটাকে পরিচিত করার জন্য আমি টপিকে গ্রামের নাম দিলাম।আরেকটা কথা আমাদের অরকা’র অর্থায়নে এই গ্রামে ”অরকাপল্লী” স্থাপিত হয়েছে,যেখানে দুঃস্থ অনেকেই ঠাঁই পেয়েছে।এই সুযোগে জানিয়ে রাখলাম।।……..
অত্যন্ত পরিতাপের সহিৎ অবলোকন করিলাম যে, ডায়লগস ফ্রম জেসিসি,এমজিসিসি,এসসিসি,সিসিসি এমনকি পিসিসি পাবলিশ হইয়া গেলেও শাহী ক্যাডেট কলেজের ডজার ক্যাডুগুলা ব্লগে প্রবল প্রতাপের সহিৎ ডজ মারিতেছে।আমি এতকাল অপেক্ষা করিতেছিলাম,কোন দায়িত্ববান শাহী ক্যাডেট কলেজের অসংখ্য বাণীচিরন্তনী প্রকাশ করিবেন।কিন্তু আমার আর তর সহিতেছে না।তাই স্মৃতির গলি ঘুপচিতে পলান্টিস খেলতে থাকা ডায়লগগুলো ধরিয়া আনিয়া সিসিবি পরিবারে পেশ করিলাম।আর দেরি করিলে হয়ত,অন্য কেউ কহিয়া দিবেন,এর থেকে ক্রেডিটটা আগে আমিই লইয়া ফেলি,মাঠ ফাঁকা মনে হইতেছে………
বাংলাদেশের খেলা দেখলে সবসময়ই মেজাজ খারাপ হয়।আগে হইত প্লেয়ারগুলার ঢুসঢাস আউট হওয়া দেখলে আর এখন
আম্পায়ারগুলার কাজকাম দেখলে।রড টাকার আর টনি হিল্রে যে কি করতে ইচ্ছা করতেসে…দেখা যাক কালকে কি হয়।আমার মত মেজাজ খ্রাপ
কইরে লাভ নেই বইসে বইসে জুক্স পড়েন। =((
(কলেজে আপারা যখন গণহারে ওয়াল ম্যাগাজিন এর জন্য লিখা জমা দিতে বলত আমার ১ ক্লাসমেট একবার advanced learners থেকে ‘ম্যাংগো’ paragraph কপি করে জমা দিসিল, =)) আমি এতটা নিচে না নামলে ও এর চেয়ে বেশি ভাল লিখা জীবন এও লিখি নাই। তাই পাঠক কে অনুরোধ একটু কষ্ট করে পড়ে নিবেন)
কিছুদিন আগে বুয়েট ‘বিদ্রোহী’ ছাত্রদের তীব্র আন্দোলনের মুখে পরীক্ষা পিছাইলো,কি আর করা ভাবলাম ভালোই হল বাংলাদেশ ইংল্যান্ড এর ODI series টা বাসায় যেয়ে আরামসে দেখে আসি।
১। আমি তখন ছোট।সাত বছর বয়স।আমার খালামনি U.S.A থেকে দেশে বেড়াতে আসছে।তাই নানুবাড়ি গেলাম।নানু বাসার সামনের মাঠে একদিন আমি আমার ২ বছরের খালাতো ভাইকে কোলে নিয়ে ঘুরতেসি।ঘুরতে ঘুরতে হঠাৎ দেখি সামনে এক গরু 😮 ।আমার খালাতো ভাইতো গরু দেখে ভয় পেয়ে শক্ত করে আমার গলা জড়ায়ে ধরসে।সমস্যা হলো,আমিও গরু দেখে ভয় পাইসি কারণ আমার গায়ে গরুদের প্রিয় লাল রং এর জামা ~x( ।অন্য সময় হলে না হয় একটা দৌড় দিতাম।ভাই কোলে থাকায় দৌড়ও দিতে পারতেসি না।হঠাৎ মাথায় একটা চমৎকার আইডিয়া আসল :grr: ।মিস্টি করে ভাইকে বললাম,’ভাইয়া,একটু কোল থেকে নামো।আমি গরুটা তাড়ায়ে দিয়ে আসি।লক্ষী ভাইযা একটু নামো’।সেতো নামবেই না কোল থেকে।যাইহোক,একসময় তার হাতের বাধন একটু ঢিলা হলো আর আমিও ওকে নামায়ে রেখে দিলাম একটা দৌড়।আর বেচারা মাঠের মাঝখানে দাঁড়ায়ে ভ্যা ভ্যা করে কান্না।কিন্তু ওর কান্নায় তখন আমার কিছুই যায়-আসে না।
বহুদিন পর কলেজে গেলাম আজকে। সেই বহুদিনটা হিসেব করতে গিয়ে দেখি চার বছর হয়ে গেছে! শেষবার গিয়েছিলাম কলেজ রিইউনিয়নে, ২০০৭ এ। ৩৩ জনের বড়সড় গ্যাং ছিলাম সেবার আমরা। যাই করি সবাই একসাথে মিলে করি , শুধু বাথরুম আর টয়লেট ছাড়া। আনন্দে মাখামাখি হয়ে সেবার কলেজ থেকে ফিরে আসার পর কলেজে আর যাওয়া হয়নি।
আবার গেলাম আজ।
নস্টালজিয়ার টানে না, নেহায়েত পার্থিব দরকারেই যাওয়া।
আগামী ০১ এপ্রিল শুরু হতে যাচ্ছে আমাদের এইচ এস সি এক্সাম।দেখতে দেখতে ক্যাডেট লাইফটাও শেষ হয়ে যাচ্ছে!লাস্ট ড্রিল,লাস্ট পিটি,লাস্ট সোসাইটি করতে করতে লাস্ট কম্পিঊটার ক্লাসটাও করে ফেলতেসি!এইটাই হয়ত ক্যাডেট হিসেবে সিসিবি’তে আমার লাস্ট লেখা!দু একদিনের মাঝেই ব্লক মাফ হয়ে যাবে,গেমস পিটি করি না গত এক মাস ধরে।অবশ্য গতকাল ও ইডি করতে হলো!
যাই হোক,ভাইয়ারা,আপুরা সবাই দোয়া করবেন!
গত ১৮ তারিখ রাতে ঢাকার র্যাডিসন হোটেলের বলরুমে হয়ে গেলো মার্সিডিস বেঞ্জ এর নতুন দুটি মডেল গাড়ি এর উন্মোচন অনুষ্ঠান ।
এর মাঝে মূলত যেই গাড়ীটি ফোকাসে ছিলো সেটি হলো “2010 Mercedes-Benz E Class Coupe”
প্রথম দেখায় ভালো লাগার মতো গাড়ি। জটিল। আর আফসোস লাগার মতো যে আমার হবার চান্স নাই।
রক্তয় যখন বান ডাকো নিজের শরীরে,
তোমার পবিত্র হাতে, বেজন্মা পিচাশে,
তখন আমি কী করে বলো নিশ্চুপ থাকি?
তোমার আগ্নির্স্পশেও যখন কেউ জাগে না
তোমার সম্ভ্রম যখন কাগজের টাকায় বিকোয়
তোমার বোধ যখন বিষক্রিয়ায় অবশ হয়
একেই বলে কাকডাকা ভোর। ছোট্ট মফস্বল শহরটায় বাস থেকে এসময়েই নামলো সাগর। মোটেই তার আসার কথা না। সাগর চায়ও না বাসার কেউ দেখে ফেলুক। কিছুসময় থেকেই আবার বাসে উঠতে হবে। পরীক্ষা চলছে, ঢাকায় ফিরে পড়তে বসতে হবে। ফাইনাল পরীক্ষা।
হুট করে হল থেকে বেড়িয়ে এক কাপড়ে রাতের বাসে উঠার পরিকল্পনা সন্ধ্যা বেলায়ও মাথায় ছিল না। তারপরেও চলে আসলো সাগর। জীবনে কিছুটা পাগলামি থাকতেই হয়।