মিশরের দীনা, রানধা কামেল ও আরও কিছু গল্প

দীনার গল্প

মিশরে আমাদের গাইড ছিল দীনা। মিশরের মেয়ে। সে নিজেই জানালো তার বয়স ২৭, বিয়ে করেনি, কারণ একজন পারফেক্ট পুরুষ সে খুঁজে পায়নি। তবে এটা বুঝলাম তার পারফেক্ট পুরুষের খবর আছে। এক সেকেন্ডও কথা না বলে থাকতে পারে না। হয় আমাদের সাথে কথা বলছে, না হয় ড্রাইভারের সাথে, আর তা না হলে ফোনে।
দীনা বেশির ভাগ মিশরীয় মেয়েদের মতো হিজাব পড়ে না।

বিস্তারিত»

আমার প্রেমিকারা-৮

[কৈফিয়ত-ইদানিং বেকার সময়টা বড্ড বেশী যাচ্ছে,তাই এক মাসে চারটা পোষ্ট! তবে একঘেয়েমিতে পেয়ে বসতে ও আমার সময় বেশী লাগেনা, তার আগেই যা পারি সেরে নেই। 😀 ]

ভালবাসা মানেই কী একধরণের বিনিয়োগ? অন্ধ প্রেম মানেও তো আবেগের চরম বাসনায় প্রতিদানে ভালবাসা ফিরে পাওয়া।এও তো একধরণের স্বার্থপরতা নাকি? তাই একে মুনাফা না বলে কী আর উপায় আছে? তবে মাঝেমাঝে বিনিয়োগটা বড্ড বেশী হয়ে যায় যার আসল উঠে আসেনা অত সহজে।

বিস্তারিত»

দোয়েল বৃত্তান্ত ও পাদুকাপুরাণ

তারিক হাউসের সম্মুখের বাগিচায় একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেটেরা তাহাদের জুতা ও মোজা শুকাইতে দিত। এই ঐতিহ্য বহুদিনের পুরনো বটে, বিধায় বাগিচার প্রায় ২০ বর্গমিটার ক্ষেত্র ক্যাডেটদের জুতার সুবাসে নির্দয় মৃত্যুভূমিতে পরিণত হইয়াছিল। তাই অত্র এলাকায় বৃক্ষকুলের শ্যামলিমা অনুপস্থিত ছিলো, একটি মাত্র অর্ধমৃত পামট্রি ছাড়া; যে কিনা বিপুল বিক্রমে বাঁচিয়া রহিয়াছিল একাদশ শ্রেণীর ক্যাডেটদের পাদুকাসুবাস এবং ইত্যকার পারলৌকিক আহবান প্রত্যক্ষ করিয়াও। কিন্তু ২০০৫ সালে ৩৭তম ব্যাচ একাদশ শ্রেণীতে পদার্পণ করিলে বৃক্ষটি ইহলোক ত্যাগ করিয়া যায়;

বিস্তারিত»

ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জীন – রিচার্ড ডকিন্স (২)

[নিজের কথাঃ প্রথমেই যাঁরা উৎসাহ দিচ্ছেন, তাদের জন্যে আমার অশেষ কৃতজ্ঞতা! ব্যস্ততার মাঝেও কাজটা নিয়ে থাকার প্রেরণা পাচ্ছি আপনাদের সকলের কারণে। এই পর্বটি একটু বড়ো, বেশ কিছু খাশটা উদাহরণ আছে, এবং শেষের অনুচ্ছেদে কাকতালীয়ভাবে বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে আমার আজ রাতে হওয়া epiphany আছে। লিখতে লিখতে হুট করেই জামাত-শিবিরের চালচিত্রের একটা জেনেটিক, জেনেরিক ধারণা পেলাম। ডকিন্সকে ধন্যবাদ!]

প্রথম পর্বের পর…

আরো বিশদে যাওয়ার আগে আমাদের ধারণাগুলোকে সংজ্ঞায়িত করা দরকার।

বিস্তারিত»

প্রতিশোধ

আমি অতটা উদার নই ।
আমি বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে
শেষ করব তোমার ভালবাসা।
পা দিয়ে পিষে ফেলব
তোমার মনের প্রত্যেকটি স্বপ্ন
প্রতিটি আশা।

বিস্তারিত»

পাতালে গিয়ে হাস ধরার গপ্পো

গত ১৯ মার্চ শুক্রবার, কলেজের পোলাপাইনের সাথে ব্যাপক গুল্গুল-কিল্কিল করে রাতে বাসায় ফেরার পর থেকেই হাল্কা হাল্কা পেট ব্যাথা শুরু। শরমে বউ’রে কিছু বললাম না, বদ-হজম জাতীয় ব্যাপারে টিপ্পনী শুনতে কার ভাল লাগে। সারারাত বেশ ভালই কষ্ট হল, রাতে ঘুম একদমই হচ্ছিল না। বউয়ের কাছে ব্যাপারটা আর লুকানো গেল না। এমনিতে গ্যাস্ট্রিক জনিত সমস্যা থাকার দরুন বউ আমারে “গিয়াসের বাপ” ডাকে … সে রাতে আমার একটু সিরিয়াস অবস্থা দেখে খুব একটা রসিকতা না করে সেবা করাই মনঃস্থির করল।

বিস্তারিত»

মাইর দিয়েন্না…

আমার পরশু থেকে এক্সাম কিন্তু আমিও রকিবের মত লেখাপড়া ছাড়া সবই করছি। 😀 মন মেজাজ প্রচুর খ্রাপ। 😡
আমার একটা বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো আমি জীবনে কোন প্রকার জোকস মনে রাখতে পারিনা।মানুষ যখন তখন এই বিশেষ কাজটা করে শ্রোতাদের মনোরঞ্জন করে।একবার শুনেছিলাম দিনে ৩ জনকে হাসানোর মধ্যে কি যেন একটা বিশেষত্ব আছে।(এখন মনে নাই) যাই হোক শুনে দু:খ :-/ পাইসিলাম ভেবে যে আমার সেই গুণ নাই।

বিস্তারিত»

ক্রিকেট, লোডশেডিং এবং এইচ এস সি- ২য় পর্ব- লোডশেডিং

ক্যাডেট রা রুটিন এর মধ্যে থাকতে ভালবাসে 🙂

এইচ এস সি পরীক্ষার আগের এবং মাঝের ফাকা দিনগুলোর সকাল আমাদের কাটত ক্রিকেট খেলে. ক্লান্ত আমরা দুপুর টা ঘুমিয়ে সন্ধ্যা থেকে পড়া শুরু করতাম. পড়ার মাঝে মাঝে কখনো কারেন্ট চলে যেত, কিন্তু আমাদের চার্জার লাইট সেটা সামাল দিতে যথেষ্ট ছিল. পড়তে পড়তে রাত বার্ত . রাত গভীর হবার সাথে সাথে শফিক এর নেতৃত্বে একদল নিশাচর প্রাণী গাজা,

বিস্তারিত»

ব্লগানুবাদঃ দ্য সেলফিশ জীন – রিচার্ড ডকিন্স

[নিজের কথাঃ কথায় বলে মাথায় কিছু না থাকলে অন্যের মাথার জিনিস নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করা উত্তম। বিছানার পাশের টেবিলে পড়েছিলো বইটা। মাঝে মাঝে গুরুগম্ভীর বই ঘুমের টনিক হিসেবে ভালো। রিচার্ড ডকিন্সের প্রবল যুক্তিঘেঁষা আলোচনার পদ্ধতি আমার ভীষণ প্রিয়। বিবর্তন নিয়ে অনেক কু-ধারণা, কু-মত, আমাদের মাঝে বিরাজ করে। সেটা কি অজ্ঞতাবশত নাকি ভয়বশত তা আমি জানি না। ডকিন্স অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘Public Understanding of Science’ বিভাগের একজন প্রফেসর।

বিস্তারিত»

ক্রিকেট, লোডশেডিং এবং এইচ এস সি

আবার দেখি এইচ. এস. সি. শুরু হয়ে গেল ! ক্রিকেট ( আইপিএল) , এইচ. এস. সি. আর লোডশেডিং – নাহ, ২০০৭ এর কথা মনে পড়ে যাচ্ছে। 🙂

পরীক্ষার মাঝের দিন গুলোর সকাল গুলো বেশ কাজে লাগতো আমাদের। ব্রেকফাস্ট এর পর পরই আমরা শচীন, আফ্রিদী, মালিংগারা বল ব্যাট হাতে কমন রুম এর দিকে ছুট দিতাম । কিছুদিন বিক্ষিপ্ত ভাবে ম্যাচ খেলার পর ক্রিকেট বোদ্ধারা ভাবলাম,

বিস্তারিত»

ঘৃণা

রাস্তার পাশের ডাস্টবিন দেখেছ কখনো?
খুব দুর্গন্ধ না?
কী বিশ্রি দেখতে,ঘৃণা চলে আসে।
কিন্তু এখন আর ঘৃণা লাগেনা তেমন ।
কারন-তোমাকে দেখলে আরো বেশি ঘৃণা চলে আসে।

বিস্তারিত»

বাংলা সিনেমা নিয়ে হালকা চালে গভীর ভাবনা-২

( লেখাটি উৎসর্গ করলাম বাংলা সিনেমার সেই সব নায়িকাদের,যারা এই দেশের খেটে খাওয়া অতিসাধারণ মানুষের স্বপ্নের রাণী হয়ে আজো বিনোদন যুগিয়ে যাচ্ছেন।)

সবসময়ই একটা কঠিন প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় এই বাংলা সিনেমাওয়ালাদের। কিন্তু মজা হল,প্রশ্নটা না যত কঠিন এর উত্তরটা ততটাই সহজ।নায়িকারা এত মোটা কেন?এই স্থূলকায় স্বাস্থ্যবতী মেয়েদেরই কেন এত চাহিদা?পেশাগত কারণে আমি এই প্রশ্নটা করার সুযোগ পেয়েছিলাম সিনেমাসংশ্লিষ্ট কয়েকজনকে।একজন পরিচালক আমার এই অতিসাধারণ প্রশ্নে সরাসরি যা বলেছেন-‘দর্শকের চাহিদা হল নায়িকার গায়ে গোস্ত থাকতে হবে!তা না হলে ভালো বাজার পাওয়া যায়না’।একই প্রশ্নে একজন জনপ্রিয় নায়িকার উত্তর ছিল-‘আমি যখন প্রথম আসি বেশ স্লিম ছিলাম,কিন্তু আমাদের দেশের সিনেমার সাধারণ দর্শক চায় নায়িকা একটু মোটা হলে ভালো হয়,তাই আমি ইছেকরেই মোটা হয়েছি,এছাড়া অন্য কিছু নয়’।

বিস্তারিত»

বাংলা ভাষার বর্ণের সংখ্যাগত অ্যানালাইসিস: সূচনা

কিছুদিন ধরেই ইচ্ছা করসিলো কিভাবে থিসিসের কাজ করার সময় বাংলা ভাষার ডাটা কালেকশন ও অ্যানালাইজ করেছিলাম সেটাকে ইমপ্রুভ করে আবার করি। আলসেমী করে হচ্ছিলোই না কাজটা তবে আর না, আজ লিখেই ফেলি। এখন ওটার সাথে আরো কি কিছু যোগ করা উচিত নাকি সেটা জানানোর অনুরোধ থাকলো সবার কাছে।

স্যাম্পল ডাটাসেট হিসেবে সবগুলি বাংলা বর্ণ আছে এমন বাক্যটাই নেই:
বর্ষামুখর দিন শেষে, ঊর্দ্ধপানে চেয়ে যখন আষাঢ়ে গল্প শোনাতে বসে ওসমান ভুঁইঞা,

বিস্তারিত»

গল্প: জয়-পরাজয়

জহির একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাঝারি মাপের কর্মকর্তা। তার আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এরকম একজন মানুষ পথেঘাটে দেখতে পাওয়া যায় এবং কেউ মনেও রাখে না। সেই তুলনায় রাজিয়া বানু একদমই অন্যরকম। মুখে একটা আলগা লাবন্য আছে, মানুষ বার বার চোখ ফিরায়। রাজিয়া বানুরে রূপসী বলা যায় যে কোনো অর্থেই। তাদের তিন বছর হলো বিয়ে হয়েছে।
কেবল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গল্প কমই থাকে। তাই তৃতীয় একটা চরিত্র আনতেই হয়।

বিস্তারিত»

ভারত রাজনীতি : গুজরাটে নিরাপত্তাহীন মুসলিম, ভোটেও গুরুত্বহীন

নয়াদিল্লি ছেড়ে আসা ট্রেন ‘আশ্রম এক্সপ্রেস’ গুজরাটের রাজধানী আহমেদাবাদের সীমান্তে হাঁটু পানির একটি নদী অতিক্রম করল। সহযাত্রী গুজরাটের এক সরকারি কর্মীকে প্রশ্ন করে জানলাম, নদীর নাম ‘সবরমতি’। স্মৃতিতে ভেসে উঠল এরকমই আরেক ট্রেনের নাম ‘সবরমতি এক্সপ্রেস’, যাতে করে ২০০২ সালের মার্চে গুজরাট ফিরছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একদল করসেবক। গোধরায় স্টেশনের অদূরে ট্রেনে আগুন ধরে ওই করসেবকদের অনেকেই মারা গিয়েছিলেন। আর তার প্রতিক্রিয়ায় সে সময় ভারতের এই গুজরাট প্রদেশের কোনায় কোনায় জ্বলে উঠেছিল প্রতিহিংসার আগুন।

বিস্তারিত»