বাংলা ভাষার বর্ণের সংখ্যাগত অ্যানালাইসিস: সূচনা

কিছুদিন ধরেই ইচ্ছা করসিলো কিভাবে থিসিসের কাজ করার সময় বাংলা ভাষার ডাটা কালেকশন ও অ্যানালাইজ করেছিলাম সেটাকে ইমপ্রুভ করে আবার করি। আলসেমী করে হচ্ছিলোই না কাজটা তবে আর না, আজ লিখেই ফেলি। এখন ওটার সাথে আরো কি কিছু যোগ করা উচিত নাকি সেটা জানানোর অনুরোধ থাকলো সবার কাছে।

স্যাম্পল ডাটাসেট হিসেবে সবগুলি বাংলা বর্ণ আছে এমন বাক্যটাই নেই:
বর্ষামুখর দিন শেষে, ঊর্দ্ধপানে চেয়ে যখন আষাঢ়ে গল্প শোনাতে বসে ওসমান ভুঁইঞা,

বিস্তারিত»

গল্প: জয়-পরাজয়

জহির একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের মাঝারি মাপের কর্মকর্তা। তার আলাদা কোনো বিশেষত্ব নেই। এরকম একজন মানুষ পথেঘাটে দেখতে পাওয়া যায় এবং কেউ মনেও রাখে না। সেই তুলনায় রাজিয়া বানু একদমই অন্যরকম। মুখে একটা আলগা লাবন্য আছে, মানুষ বার বার চোখ ফিরায়। রাজিয়া বানুরে রূপসী বলা যায় যে কোনো অর্থেই। তাদের তিন বছর হলো বিয়ে হয়েছে।
কেবল স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে গল্প কমই থাকে। তাই তৃতীয় একটা চরিত্র আনতেই হয়।

বিস্তারিত»

ভারত রাজনীতি : গুজরাটে নিরাপত্তাহীন মুসলিম, ভোটেও গুরুত্বহীন

নয়াদিল্লি ছেড়ে আসা ট্রেন ‘আশ্রম এক্সপ্রেস’ গুজরাটের রাজধানী আহমেদাবাদের সীমান্তে হাঁটু পানির একটি নদী অতিক্রম করল। সহযাত্রী গুজরাটের এক সরকারি কর্মীকে প্রশ্ন করে জানলাম, নদীর নাম ‘সবরমতি’। স্মৃতিতে ভেসে উঠল এরকমই আরেক ট্রেনের নাম ‘সবরমতি এক্সপ্রেস’, যাতে করে ২০০২ সালের মার্চে গুজরাট ফিরছিলেন বিশ্ব হিন্দু পরিষদের একদল করসেবক। গোধরায় স্টেশনের অদূরে ট্রেনে আগুন ধরে ওই করসেবকদের অনেকেই মারা গিয়েছিলেন। আর তার প্রতিক্রিয়ায় সে সময় ভারতের এই গুজরাট প্রদেশের কোনায় কোনায় জ্বলে উঠেছিল প্রতিহিংসার আগুন।

বিস্তারিত»

পাখির প্রতি…

প্রতিদিনের মত আজকেও ঘুম থেকে উঠেই বল্লাম,’কেমন আছো …?’বলেই বুঝলাম ভিতরটা মোচর দিয়ে উঠলো।প্রচন্ড কষ্টে মনে হলো দম বন্ধ হয়ে যাবে।বালিশে মুখ গুঁজে হাউমাউ করে কাঁদলাম,পাছে বাসার সবাই শব্দ শুনে ফেলে।
প্রথম যেদিন বুঝেছিলাম তুমি আর কোনদিন আমার হবেনা সেদিন যেমন আত্মাছেড়া কষ্ট হয়েছিল প্রতিটাদিন এবং আজো তেমন কষ্ট পাই।তোমাকে আলো ভেবে পেতে চেয়ে যে সারাজীবনের মত এমন অন্ধকারে হারিয়ে ফেলব…তুমি প্রথম থেকেই জানতে তাই না …?তাই আমাকে প্রতিটাদিন শক্ত হতে বলতে।কি লাভ হলো তোমার?আমাকে আগুনের কিনারে নিয়ে একা ছেড়ে দিয়ে কি লাভ হলো তোমার?কে জিতলো আর কে হারলো এই ভয়ঙ্কর খেলায়?

বিস্তারিত»

ছবিগুলি……

আমার আঁকা ছবি নিয়ে ১টা পোষ্ট দেয়ার পরে যে কমেন্ট তাতে এইগুলা না দিলে জাতির সংগে বিশ্বাস ঘাতকতা করা হবে। অবশ্য কেউ না বললেও হয়তোবা দিতাম । বাংগালী তো,বইতে দিলে শুইতে চায়……

বিস্তারিত»

ভিন্ন জানালা দিয়ে দেখা

ভূমিকা

এই লেখাটি প্রকাশের ব্যাপারে আমার মনের দ্বন্দ এখনও ঘোঁচেনি। স্বাধীনতার পর প্রায় দীর্ঘ ৪০ বছর পার হতে যাচ্ছে, কিন্তু আমাদের মনের গভীরে যে দীর্ঘ ক্ষত তা কি এখনও শুকিয়েছে ? নতুন প্রজন্ম যে আবেগ ভরা স্বাপ্নীল চোখে স্বাধীনতার সংগ্রামী সেনানীদের দেখে – তাদের মনে কি এই লেখা কোন ভুল ধারণার সৃষ্টি করবে? সেটা তো আমার কাম্য না। কিন্তু আমি নিজের চোখে যা দেখেছি,

বিস্তারিত»

দোষী

আমার কলম যদি ধারালো ছুরি হয়ে
তোমার বুকে বিধে রক্তাক্ত করে দেয়,
বল এ কি আমার দোষ?

আমার লেখা সবগুলো কবিতা যদি
ঝড় হয়ে এসে তোমায় লণ্ডভণ্ড করে দেয়
বল এ কি আমার দোষ?

বিস্তারিত»

তুমুল ভাব

……..গতকালই প্রথম ব্লগ লিখলাম। আজ দুপুরে অফিস থেকে এসে দেখি বেশ কিছু কমেন্ট,যার বেশিরভাগই হল আমার লেখার আকৃতি নিয়ে। ব্যপক আহ্বান পাইলাম বড় লেখার জন্য। এতে করে লাভ যা হল, সেটা হচ্ছে নিজেকে একদিনেই তুমুল হিট ভেবে :-B এবং হঠাৎ আমার ভিতরে উদিত সামাজিক দায়বদ্ধতা হতে নিজেরেই নিজে বাঁশ :bash: দিতে আরামের ঘুমটারে ছাইড়া এই ভরদুপুরবেলাতেই বইসা গেলাম লিখতে। যা হোক আসল ঘটনায় আসি। এইরকম আমজনতার আহ্বানে সাড়া দিতে গিয়া কলেজেও আমি ব্যপক বাম্বু লাভ করিয়াছি।

বিস্তারিত»

এক বিবাহিত মেয়ের প্রতি

সেই বয়সের কথা। এক বালিকার সাথে তুমুল প্রেম করি। সেই বালিকা একদিন আবেগঘন হইয়া কইল, বিয়ার পরেও কি তুমি আমারে এইভাবে ভালবাসবা?
আমি কইলাম, অবশ্যই বাসবো। আমি বিবাহিত মেয়েদেরই সবচেয়ে বেশি ভালবাসি। 😡

বালিকা এই কথার অর্থ কী বুঝলো কে জানে। একদিন আইসা কইলো তার আমেরিকা যাইতে মন চায়। সে চইলা যাইতাছে। তয় একা যাইতে কেমন লাগে, তাই বাধ্য হইয়া এক ছেলের সাথে যাইতাছে।

বিস্তারিত»

প্রথম হাবিজাবি

ব্লগে আমার প্রোফাইল খোলার পর আজই প্রথম লিখতে বসেছি। লেখক হিসাবে আমি বরাবরই দুর্বল প্রকৃতির। মনের ভাব সঠিক ভাবে ব্যক্ত করার ক্ষমতার দুর্বলতার দরুন আমাকে বাংলার এক প্রবাদপুরুষ ছিনাই (রাজশাহী ক্যডেট কলেজে তিনি সাঁনাই হিসাবে ব্যপক পরিচিত) তার ক্লাসে প্রায়শঃই নীল ডাউন করে রাখতেন। এতে লাভ কিছুমাত্র তো হয়ই নাই বরং অন্যরা বসে থাকার দরুন এবং আমি নীচে নীল ডাউন হয়ে থাকাতে বরাবরই আমার এন্টিনাও নীচে থাকত।

বিস্তারিত»

অ-প্রাকৃতিক

[মস্তকটীকাঃ (ব্লগীয় আদলের সাথে বইয়ের ফারাক, তাই পাদটীকা উপরে উঠে আসছে ধীরে ধীরে। এজন্যে তার নাম দিলাম মস্তকটীকা।) যা ভাবি, যা দেখি, তারে নাড়াচাড়া করতে ইচ্ছা করে। এর সাথে বালক বয়সের খেলনা নিয়ে অবিমৃশ্যতার মিল আছে। খেলনা ভেঙে গেলে কান্না পেতো, কিছু করার থাকতো না। এখনও মাঝে মাঝে নাড়াচাড়ার ইচ্ছাবশে চারপাশের দৃশ্য ও ঘটনা ভেঙে যায়। দেখি কিছুই নির্মিত হয় না।

বিস্তারিত»

ভালোবাসাই ভুল ছিল

moon-0

ভালোবাসাই ভুল ছিল

আজ রাতে বারান্দার কোণে
একটা রহস্যময়ী চাঁদ ঝুলছিল,
–ঠিক তোমার তিলটার মত
যেখানে আমি চুমু খেয়েছিলাম কত।

বাতাসে একটা অজানা ফুলের গন্ধ ভাসছিল,
ঠিক যেন তোমার বুকের চেনা সৌরভ

দূর থেকে ভেসে আসছিল কোন তরুনীর হাসি
কেন যেন তোমার হাসির কথাই মনে করিয়ে দিল,

হঠাৎ কিছু কালো মেঘ এসে ঢেকে দেয় চাঁদকে
ঠিক যেমন করে তোমার রেশমী চুলে ঢেকে যেত তিলটা,

বিস্তারিত»

বাংলা সিনেমা নিয়ে হালকা চালে গভীর ভাবনা-১

[লেখাটা আমার দুইজন প্রিয় বন্ধু টিটো আর কামরুলকে উৎসর্গ করলাম।যে দুজন মানুষের সাথে আমি চলচ্চিত্রের অনেক ভাবনা শেয়ার করেছি,তা ভেবে অনেক স্বপ্ন্ব ও দেখেছি।তা অতীতের কথা কিন্তু এখনও মনেপ্রাণে বিশ্বাস করি,এই দুজন একসময় মহৎ কোন শিল্প তৈরী করবে।আর এই লেখাটা নিয়ে নানান হা-হা,হি-হি আর ইমোর মাঝে ভাবনার খোরাক যোগাক,এটাই আসল কথা। 😉 ]

বাংলা সিনেমা নিয়ে লোকে নাক সিঁটকায়,এ আর নতুন কিছু নয়।কোন ভালো গল্প নেই,ভালো চিত্রনাট্য নেই,টেকনিশিয়ানরা দক্ষ নন,সঙ্গীতের অবস্থা খুবই সঙ্গীন,অভিনয় যাচ্ছেতাই,গুণী পরিচালকের অভাব-এরকম বিস্তর অভিযোগ।কিন্তু তারচেয়েও একটি বড় প্রশ্ন রয়ে গেছে-তথাকথিত রুচিশীল দর্শক বলে নিজেকে যারা উন্নত মনে করেন,তারা কি ভালো চলচ্চিত্রের কোন চাহিদা বাজারে তৈরী করতে পেরছেন?এওতো সত্য যে,দিনশেষে চলচ্চিত্র একটি পণ্য,যার ভিত্তি পুঁজির উপর দাঁড়িয়ে কিন্তু অন্য আর দশটা অর্থনৈতিক পণ্য থেকে এটি একটু আলাদা করা যায়,কারন এর একটা শিল্পগুণ রয়েছে যার সাথে কিছুটা সামাজিক দায়বদ্ধতা রয়েছে।তাই এই পণ্যটিকে বাজারে সরবরাহের ক্ষেত্রে শুধু যোগানদাতার দোষ খুঁজলে হবেনা,চাহিদার দিকটাও দেখতে হয়।

বিস্তারিত»

অভিশাপ

আমি তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি
তুমি আর কথা বলতে পারবে না।
কথা বলতে গেলেই কুকুরের মত ঘেউ ঘেউ
শব্দ বের হবে তোমার মুখ থেকে।

আমি তোমাকে অভিশাপ দিচ্ছি
তুমি আর কাঁদতে পারবে না।

বিস্তারিত»

গ্রামটিতে ‘৭১ এ কোন কুকুরই ছিল না!!

১১ মে, ১৯৭১ সাল। পাকিস্তানী সৈন্যরা আসছে জানতে পেরে অনেকেই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যারা রয়ে গেছে, তাদের আসলে যাবার আর কোন জায়গা নেই। অবশ্য সুলায়মান, রহমত এবং মফিজ-যারা কিনা বর্তমান ‘গন্ডগোল’ এর বিরুদ্ধে, তারা উলটো অধীর আগ্রহে পাক বাহিনীর জন্য অপেক্ষা করছে।

অবশেষে দুপুরনাগাদ পাকি বাহিনী গ্রামের একেবারে উপকন্ঠে এসে পৌঁছলো। দলটা বেশি বড় নয়, কমান্ডিং অফিসার একজন মেজর। মেজর সরফরাজ গ্রামের একমাত্র পাকা স্কুল ঘরটায় একটা চেয়ার পেতে বসে তার এডভান্স টিমকে নির্দেশ দিলেন,

বিস্তারিত»