ঘন্টাখানেক আগে আমার এই বন্ধুটি আমাদের অনেকেরই আত্মার বন্ধু ফাউজুল কবির পিকলু ,পাবনা ক্যাডেট কলেজ (১৯৯৯-২০০৫) কুমিল্লা সেনানিবাসে কর্মরত অবস্থায় মোটর সাইকেল এক্সিডেন্ট করে ঘটনাস্থলে মারা গেছে…আমি আর কিছু লিখতে পারছি না…আপনারা দোয়া করবেন প্লীজ়……আল্লাহ তোকে বেহেশত দিক….
বিস্তারিত»ইনসমনিয়া
(আজ আমি সেই সব হতাশাবাদীদের দলে
যারা রোজ রাত্রে স্ত্রীর স্তন আঁকড়ে ধরে ঘুমায়)
দুপুরের তপ্ত রোদে আমি ফুটপাতের ষড়-কোনাকৃতি খর ইট গুনে চলি,
এক……… দুই……… তিন……………
ঠিক কতগুলো মরদেহ এক গর্তে ফেলে একটি গন-কবর তৈরী হয়?
এক…, দশ….,একশ…?
সাড়ে-আট ফিট একটি গর্তে কি করে শুয়ে থাকে এতগুলো মানুষ?
শ্রীলংকার ক্রিকেটারদের ওপর হামলা
একের পর এক দুঃসংবাদ স্তব্ধ করে দিচ্ছে আমাদেরকে।
আজ সকালে (মঙ্গলবার, মার্চ ০৩) পাকিস্তান সফররত শ্রীলংকা ক্রিকেট দলের ওপর হামলা চালিয়েছে বন্দুকধারীরা। দুই দলের মধ্যে চলমান সিরিজের তৃতীয় দিনের খেলা শুরুর আগে গাদ্দাফি স্টেডিয়ামের কাছে তাদের গাড়িবহরে এ হামলা হয়। ক্রিকেটারদের ওপরে হামলা পাকিস্তানে তো বটেই সারা বিশ্বেই কখনো কোথাও ঘটেনি! অবশ্য নিরাপত্তাহীনতার কারণে সেখানে ক্রিকেটের ক্ষতি কিংবা সফর বাতিল আগেও অনেক বার হয়েছে।
বিস্তারিত»পিলখানা হত্যাকাণ্ডে শহীদ ও নিখোঁজদের তালিকা (আপডেট)
শনিবার সেনা সদরের এক ব্রিফিং এ ৭২ জন নিখোঁজ আছেন বলে জানানো হয়েছিল। সোমবারের ব্রিফিং-এ সেনাবাহিনীর চিফ অফ জেনারেল স্টাফ (সিজিএস) লেফটেন্যান্ট জেনারেল সিনা ইবনে জামালী সংশোধিত নতুন তথ্য দেন। ২৫শে ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে ১৬৮ জন সেনা কর্মকর্তা ছিলেন বলে ধরে নেয়ায় এই বিভ্রান্তি হয়েছে বলে জানান তিনি। এছাড়া অনেকের আত্মীয়-স্বজন খোঁজ করছিলেন, পর্যাপ্ত তথ্য না নিয়ে তাদেরকেও নিখোঁজ হিসেবে ধরা হচ্ছিল। পরে দেখা যায় তারা বিভিন্ন স্থানে আছেন।
বিস্তারিত»নিজেদের কেমন যেনো পাকিস্তানি পাকিস্তানি মনে হচ্ছে
১.
মাহবুব আমার দুই ব্যাচ ছোটো। আমরা একই হাউসে ছিলাম, শরিয়তউল্লা। ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হয়েছি সেই ৮৫ সালে। তারপর অনেকটা সময় চলে গেছে। বয়স ৪০ হয়ে গেছে, চুলও সাদা হতে শুরু করেছে। কলেজে আমি অনেক শুকনা ছিলাম। এখন অনেক বদলে গেছি। সেই সময়ের আমার সাথে যারা ছিল তারা এখন আর আমাকে চিনতে পারে না। একজন বেক্সকা নাইটে গেছি, সবাই মনে করেছে আমি মনে হয় অতিথি কেউ।
“গণমানুষের বিদ্রোহ” অথবা “শ্রেণীসংগ্রামের”গন্ধ পাওয়া বুদ্ধিজীবী এবং সমমনা ব্লগাররা কি কখনো আমার এই ক্ষুদ্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন??
বিডিআরকৃত গণহত্যার(সানাউল্লাহ ভাইয়ের মত আমিও একে গণহত্যা বলেই মনে করি) পরবর্তী সময়ে সেনাবাহিনীতে কর্মরত এই ব্লগের অনেক সদস্য এবং ক্যাডেট কলেজের আরো অনেক কাছের মানুষের খোঁজ নিতে ফোনে কথা বলেছি বেশ কয়েকজনের সাথে।দুটি কথোপকথন উল্লেখ করলে মোটামুটি সবগুলোর সারমর্মই পাওয়া যায়ঃ
১) মেজর “আ” কান্নারুদ্ধ কণ্ঠে বলছিলেন-“ভাই যারা মারা গিয়েছে তারা আমার আত্মীয়ের চেয়েও বেশি ছিল।আমরা মারা গেলাম, আমাদের স্ত্রী পুত্র নির্যাতিত হল-আর এর পরেও সব দোষ আমাদের?আমরা কি আসলেই এত খারাপ যে আমাদের লাশ ড্রেনে পড়ে থাকলেও আত্মীয় স্বজন ছাড়া আর কেউ একফোঁটা কষ্ট পায়না?”
বিস্তারিত»চিন্তাঝড় ২: পিলখানা হত্যাযজ্ঞ — কারা, কেন, কিভাবে?
ঘটনার প্রথম প্রহরেই আমরা দ্রুত কিছু বিষয়ে অগ্রিম ইঙ্গিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম (এখানে)। এবার এ বিষয়গুলো নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করা দরকার। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য এবং কিছু আনুমানিক বিশ্লেষণকে ভিত্তি করে দ্রুত লিখছি:
বিস্তারিত»যার যায়, সেই বোঝে…!!!
[ কোন ক্ষোভের বশে লেখা নয়, কারো বিবেককে জাগাবার জন্যও এটি নয়…কারো মতবাদ-ধারণাকে আমূল বদলে দেবার প্রচেষ্টা তো অবশ্যই নয়…এটি গল্পচ্ছলে বলা একটি রূঢ় বাস্তবতা!! ]
মফস্বল শহর। দুপুর গড়িয়ে মাত্র বিকেল হওয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে ৮/১০ জনের একদল কিশোর ক্রিকেট খেলার জন্য বের হয়ে পড়েছে। এদের সবার বয়স ১২ থেকে ১৬ এর মধ্যে। সবার সামনে যাকে দেখা যাচ্ছে বল হাতে, ওর নাম বাবলু।
বিস্তারিত»মাজহার আমাকে তুই মাফ করে দিস রে ভাই…
মাজহার,
আমার দোয়া নিস। আশা করি জান্নাতে ভাল আছিস। ২৪ তারিখের প্যারেডের সময় তোর সাথে শেষ দেখা হবার পর থেকে মনটা কেমন জানি করে। তোর জন্য খুব কষ্ট হচ্ছে রে ভাই। প্যারেডের পেছনের দর্শক সারি থেকে পালিয়ে আমি, তুই, জুনায়েদ আর জাহাঙ্গীর গেলাম সিগারেট খেতে। ওখানে আমার কোরের নন-স্মোকার আসাদও আসল। ওর সাথে মনের সুখে ঠিকমতো কথা বলতে পারলাম না তোদেরই জন্য।
তোকে জিজ্ঞেস করলাম,
বিস্তারিত»আমাদের মাফ করে দিও
কাঁদতে খুব লজ্জা লাগে। শেষ দুঃখে কেঁদেছিলাম ৯৮ এর ২৯ ডিসেম্বর। নিজেকে নিয়ে একটা গর্ব ছিলো, আমি ব্যাটা ছেলে। কাঁদবো কেন?
কিন্তু কাঁদতে হলো। ২৬ ফেব্রুয়ারী। মাজহার এর বাসায় গিয়েছিলাম। কেন গিয়েছিলাম জানিনা। কিন্তু না গিয়ে পারিনি।
বিস্তারিত»মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মোমবাতি আর ফুল নিয়ে আমরা দাঁড়াবো বিডিআর ফটকে
কর্মসূচি : হত্যাযজ্ঞের শিকার শহীদদের স্মরণ ও শ্রদ্ধা জানানো
কবে-কখন : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ; সন্ধ্যা ৭টা থেকে সাড়ে ৭টা
কোথায় : বিডিআর গেইটের পাশে রাইফেলস স্কয়ারের সামনে
কি করবো : ঘুচাবো কালো জ্বালবো আলো
কারা আসবেন : যারা মানুষ ভালোবাসেন এবং হিংসার অবসান চান
গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআর সদর দপ্তরে এক শ্রেনীর জওয়ানদের পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞে নিশ্চিতভাবে প্রাণ হারিয়েছেন ২ নারীসহ ৬৩ জন।
বিস্তারিত»মেঃ জেঃ শাকিল আহমেদের সাক্ষাৎকার নাকি দেখিয়েছে চ্যানেল আই তে ২০ তারিখ?
আমার বোনের সাথে কথা হলো অনেকক্ষণ। আমাকে বললো গত ২০ তারিখ নাকি চ্যানেল আই এ মেঃজেঃ শাকিল আহমেদের (বিডিআর এর ডিরেক্টর জেনারেল) সাথে সাক্ষাৎকার দেখিয়েছিল যেটা এখন আবার পুনঃপ্রচার করেছে আজকে, যেখানে নাকি উনি বলেছেন বিডিআরের উন্নতি চাইলে সৈনিকদের ভাল করতে হবে……রেশন বাড়িয়ে দিতে হবে……। এবং মজার ব্যাপার হলো, জওয়ানদের মেনে নিতে হবে এরকম অনেকগুলো দাবীর স্বপক্ষেই নাকি উনি মিডিয়াতে ঐ সাক্ষাৎকারে বলেছেন……
আজকাল গুজবের সময়……কোন কথা সহজে মেনে নেয়া যায় না……কিন্তু আমার বোন বলেছে সে নিজে দেখেছে আজকে চ্যানেল আইতে……আর আমার বোন আর্মির ক্যাপ্টেন……
বিস্তারিত»‘শিরোনাম নিষ্প্রয়োজন’
জনসমুদ্রে তখন কোন জোয়ার ভাটা নেই,
হাহাকার আর কান্নায় বাতাস থেমে গেছে।
প্রতিটি চেহারা যেন ফ্যাকাসে –
অসহায় – ভাবলেশহীন!
বুকে ঢিপঢিপ;
মুখে কথা বা চোখে দৃষ্টি নেই।
অতি ব্যস্ততায় উঠে আসছে অনেকে;
কেউ কেউ হুরমুর করে নেমে যাচ্ছে ।
সামিয়া… তোমার জন্যে
সামিয়া, আমার প্রিয় বোন,
তোমার কষ্ট সেভাবে আমরা কেউই হয়তো উপলব্ধি করতে পারছি না, যে হারায় শুধু সেই বুঝে। আমি যে কি বলে তোমাকে সান্তনা দিব আপু আমি বুঝতে পারছিনা… তুমি ভেঙ্গে পড়ো না, তুমি ভেঙ্গে পড়লে তোমার পরিবারের বাকি মানুষজনদেরকে কে দেখবে? মানুষের জন্ম, মৃত্যু আর বিয়ে — এই তিনটি জিনিস আল্লাহ তা’আলা আগেই ঠিক করে রাখেন; এখানে কারো কোন হাত নেই।
বিস্তারিত»ও ক্যাপ্টেন! মাই ক্যাপ্টেন!
(লেখাটি ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজের মামুন রশীদ ভাইয়ের। আজকের সমকাল ও ডেইলি স্টার পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহের ঘটনায় ক্যাডেট কলেজের যারা শহীদ হয়েছেন, তাদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে লেখা।)
ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ছেড়েছি প্রায় তিন দশক আগে। আমার অনেক সিনিয়র, সহপাঠী ও জুনিয়র বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে দায়িত্ব পালন করেছেন কিংবা এখনো করছেন। বাংলাদেশের গৌরবময় স্বাধীনতা যুদ্ধে আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানের অনেক শিক্ষার্থী সরাসরি অংশ নিয়েছে এবং কয়েকজনের রক্তে রঞ্জিত হয়েছে বাংলাদেশের সবুজ প্রান্তর।
বিস্তারিত»