গত কয়েকদিনে নিজের সাথে নিজের না জানি কি হয়।
এরপর তীব্র দুঃখবোধ – হায় হায় এটা কি হলো?
এরপর আসলো অভিমান – কেন এমন হলো?
তারপর শুধুই নিস্তব্ধতা ————–
——————-
এরপর ভাবছি……–. একটা হিন্দি সিনেমা দেখলে কেমন হয় !!!!
বিস্তারিত»গত কয়েকদিনে নিজের সাথে নিজের না জানি কি হয়।
এরপর তীব্র দুঃখবোধ – হায় হায় এটা কি হলো?
এরপর আসলো অভিমান – কেন এমন হলো?
তারপর শুধুই নিস্তব্ধতা ————–
——————-
এরপর ভাবছি……–. একটা হিন্দি সিনেমা দেখলে কেমন হয় !!!!
বিস্তারিত»নিচে একটা লিখা দিলাম। এর স্রষ্টা হিসেবে যার নাম, তিনি খুবই বিখ্যাত। তা না হলে নিজের বলে চালাই দিতে একটা ট্রাই মারতাম। যাই হোক, জাতির কাছে জানতে চাই, এটা কি কবিতা, না গান, না আর কিছু………
“বাড়ির পাশে আরশি নগর, সেথা একঘর পড়শি বসত করে।
আমি একদিনও না দেখিলাম তারে।
গিরাম বেড়ে অগাধ পানি, নাই কিনারা নাই তরণি পারে
বাঞ্ছা করি দেখবো তারে,
সেভিং প্রাইভেট রায়ান মুক্তি পাওয়ার পর স্টিভেন স্পিলবার্গের একটা সাক্ষাৎকার পড়েছিলাম। ছবিটার শুরু হয় যুদ্ধ দিয়ে। সরাসরি কাহিনীর মধ্যে না ঢুকে প্রথম ১০ মিনিটের বেশি খালি যুদ্ধ। স্পিলবার্গ বলেছিলেন, যুদ্ধ আসলে কোনো রোমান্টিক বিষয় না। এর মধ্যে সৌন্দর্যের কিছু নাই। তাই এর ভয়াবহতা বোঝাতেই কিছুণ খালি যুদ্ধই দেখানো হয়েছে।
যুদ্ধ আসলে কাউকেই ছাড়ে না। নারী বা শিশুদের জন্য আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই যুদ্ধে। এর শিকার সবাই।
আমাদের কলেজ-১(ছড়া version)
আমাদের কলেজ-২(ছড়া version)
পরলো ধরা সেভেন-গুলা
মিটিং করার ফাঁকে,
ক্লাস এইটের ক্যাডাররা-সব
আসছে ঝাকে ঝাকে।
বিপদে যেমন আসল বন্ধু চেনা যায়, ঠিক তেমনই গত কয়েকদিনে দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে যেভাবে সিসিবির সদস্যরা এগিয়ে এসেছেন, তাতে সিসিবি পরিবারের বন্ধনের জোরও টের পাওয়া যায়। এই শোকের সময়ে আমাদের সাথে আরও অনেক নতুন বন্ধুরা যোগ দিয়েছেন তাদের স্বাগতম জানানোই আমার মূল উদ্দেশ্য।
স্বাগতম।
গত এক সপ্তাহে ৫০০+ সদস্য থেকে এই মাত্র ৭০০ সদস্য পুর্ণ হোল। (চামে দিয়া বামে আমার ক্যাডেট নাম্বারের পুর্তি পালন কইরা লইলাম 😀 )।
বিস্তারিত»এখানে বলা বাহুল্য যে, আমাদের এই আলোচনা বিবর্তনের স্বপক্ষে প্রাপ্ত মিলিয়ন প্রমানের একটি, এবং এই পর্যন্ত পৃথিবীর কোন বৈজ্ঞানিক জার্নালে এমন কোন পেপার প্রকাশিত হয়নি যা বিবর্তনের বিরোধীতা করে।
বিস্তারিত»ক্যাডেট কলেজ ব্লগে আমার আগমন খুবই খারাপ সময়ে।এসেছিলাম এক বন্ধুর কাছ থেকে খবর পেয়ে, কিন্তু এসেই দেখি সব খারাপ সংবাদ। লেখার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু এই দুঃসময়ে কি লিখব ভেবে পেলাম না। তাই কিছু কমেন্ট দিয়েই বাংলা লেখাটা প্র্যাকটিস করতে থাকলাম।
বিস্তারিত»উৎসর্গ: জীবনানন্দ দাশ
কোন বিস্ময় নাই
যদিও বিপন্নতা ছিলো।
উটের গ্রীবা দেখেনি বলে খেদ ছিলো একটু;
সন্ধির বিচ্ছেদ হয়ে গেলে
জীবনের সাথে আনন্দের যোগ
কী করে ঘটে
বিয়োগান্ত ছাড়া –
গত কয়েকদিন কাটলো আবেগ কষ্ট রাগ ভালোবাসা আর বিষণ্ণতা মিলিয়ে অদ্ভুত রকম। সেই মানবীয় কিংবা বানরীয় ( আমার বুদ্ধিবৃত্তি অনুভূতি তাদের সাথে মিল পাই বলে এই শব্দটা আমদানি করলাম ) অনুভূতির আচ্ছন্নতা মুক্তি পাবার চেষ্টা করতে চাইলাম। কিভাবে করা যায়? হঠাৎ করেই ছোটবেলার পুরনো মেথড প্রয়োগ করার চেষ্টা করলাম। ভাবলাম মজার মজার ছড়া পড়া যাক তাতে একটু দম বন্ধ ভাব কেটে যাবে। যেমন ভাবা তেমন কাজ।
বিস্তারিত» ১.
তোমার ছায়ার মিথ্যে মায়ায়
হারিয়ে যখন নষ্ট আঁধারে
খুঁজে পেতে চাই ব্যর্থ আলো
অচেনা অতীত যাক হারিয়ে।
************
বিস্তারিত»তাঁর নাম Friedrich Gustav Emil Martin Niemöller। জার্মান কবি। প্রথম জীবনে ছিলেন হিটলার সমর্থক। পরে হিটলারের কর্মকান্ডে শঙ্কিত হয়ে হিটলার বিরোধী হলেন। ফলো পেয়েছিলেন। বন্দী থাকতে হয়েছে বন্দীশিবিরে। মুক্তিপান যুদ্ধ শেষে, ১৯৪৫ সালে।
তাঁর একটা বিখ্যাত কবিতা আছে। এই কবিতা এখন কিংবদন্তীতে পরিণত হয়ে আছে। মূল কবিতাটা এরকম-
“In Germany, they came first for the Communists, And I didn’t speak up because I wasn’t a Communist;
এই দেশে মমতাময়ী বোনের অভাব আমাকে বুঝতে হয়না কোনদিন।
মেলার ভীড়ে আমি যখন হারিয়ে যাই, কত নারী আমাকে কোলে তুলে নেয়-
সম্পূর্ণ নিজের ইচ্ছায় আইসক্রীম কিনে দিয়ে আমার হাতে হাত রাখে!
ভাইয়া, কাঁদে না। বাবাকে এক্ষুণি পেয়ে যাবে।
সম্পূর্ন অকারণে হাসি ছুটে যায় বলে- এই দেশে আমাকে বন্ধুহীন থাকতে হয়না কোনদিন।
বাড়ী ছেড়ে চলে আসবার পথে ট্রেনে বসে বসে-
মাঝে মধ্যে খুব কাঁদতাম যখন।
ব্লগানো যে কি এটা নেশা তাহা হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। ভাগ্যিশ এখন ছুটি নইলে মনে হয় ক্লাশ ফাঁকি দিয়ে এইখানেই ঘুর ঘুর করতাম।আমি মাত্র গতকাল একটা পোষ্ট দিলাম।এখন দেখি তা ২১৪ বার পড়া হইছে!!! আমার ব্লগস্পট এ আমি ছাড়া আর কেউ ঢুকে নাকি আমার সন্দেহ আছে। আর এইখানে এতো ফিডব্যাক!! আসলেই খুব ভাল লাগার মতো বিষয়।
যে জিনিশ নিয়ে লিখতে বসিলাম তা আসলেই খুব মন খারাপ করার।গতকয়েক বছর ধরে আমার সাপোর্ট করা কোনো দলই কিছু পাইতেছে না।
বিস্তারিত»আজ অনেক দিন ধরেই চাচ্ছি ব্লগে লেখার জন্য…কিছুতেই হয়ে উঠছে না।ছুটি চলছিল।২৭ ফেব্রুয়ারিতে বাসা(সিরাজগঞ্জ) থেকে খুলনা(কুয়েট) আসছি।আমার ডাইনোসরটার(মগকক,৯৯) সাথে যেহেতু নিয়মিত ফোনালাপ( আনুমানিক দৈনিক গড়ে ৪ ঘন্টা) হয়,আর এর মধ্যে কলেজের স্মৃতিচারন হয় প্রায় ৫০ ভাগ সময়।
বিস্তারিত»প্রায় প্রথম থেকেই এই ব্লগের সাথে আছি আমি। প্রথম দিকে ছোট ছোট ভাই বোন গুলা কাজ করে যায় আর আমি পাশে থেকে ওদের কাজগুলা দেখে যাই। আর নিজে টুকটাক কাজ জানি বলে দাবি করে তাদেরকে সাহায্য করব বলে আশা দিয়ে যাই। কিন্তু কোনদিন কোন সাহায্য করিনি। আমার থেকে অনেক ছোট পিচ্চি গুলা যখন এটাকে একেবারে দাঁড় করিয়ে ফেলল তখন আমি ওদের বলি ,” সাব্বাশ পোলাপান ,
বিস্তারিত»