চ্যাম্পিওন্স লীগের রেকর্ড নয়বারের বিজয়ী হলো রিয়াল মাদ্রিদ কিন্তু গত চার বছরে শেষ ১৬ এর বাঁধা পার হতে পারেনি রিয়াল মাদ্রিদ। আর কালকেও তারা ফেবারিট না। দু সপ্তাহ আগেই নিজের মাঠে হেরেছে লিভারপুলের কাছে ০-১ গোলে।
[প্রাক-কথন: ২০০৬ এ বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে গিয়েছিলাম ভারতের রাজস্থান প্রদেশটিতে। সেখানকার জয়সলমীর অঞ্চলটির নাম নিশ্চয়ই অনেকেরই জানা।
সত্যজিত রায় খ্যাত সোনার কেল্লা এখানেই অবস্থিত। তো জয়সলমীর থেকে প্রায় কুড়ি কি.মি. পশ্চিমে রয়েছে কূলধারা নামে একটি পরিত্যক্ত জনপদ। প্রায় দেড়শো বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে কেউ থাকেনা, অথচ এক-ইটের আনুমানিক পাঁচ হাজার ঘর দাঁড়িয়ে আছে মাথা তুলে। প্রচলিত ইতিহাস বলে,পঁচাশিটি গ্রাম জুড়ে এখানে বাস করতেন কৃষিজীবী ব্রাহ্মণদের একটি গোষ্ঠী।
আলিমুজ্জামান ভাই (জেসিসি) এর কল্যাণে হাইকুর সাথে দেখলাম সিসিবির পরিচয় হয়েছে। তাই আমার কিছু হাইকু শেয়ার করার দুঃসাহস দেখাচ্ছি। 😕 আরেকটা ব্যাপার হল নেটে পঁচা ডিম ছুঁড়ে মারার কোনো চান্স (পড়ুন ইমো) নাই। :grr:
যেভাবে শুরু
তখন নিউ এজ সবে প্রকাশিত হয়েছে, লিটেরারী এডিটর নিয়াজ জামান ম্যাডাম। আমি তখনো ফার্স্ট ইয়ার এর গন্ডি পেরোই নি। একদিন ডিপার্টমেন্টের নোটিশ বোর্ডে দেখলাম নিউ এজ এবং জাপানীজ দূতাবাস একটা হাইকু প্রতিযোগিতার জন্যে হাইকু চেয়েছে।
“স্যার,আজকে আর পড়ব না।”-মাথার দুইপাশে বেণী দুটো দুলিয়ে রিনরিনে গলায় বলে ওঠে তিশা।
রোহান তখন গোবেচারার মত তাকিয়ে বলে,” কিন্তু আরেকটা সরল যে বাকি ছিল।”
“ওটা আজকে থাক স্যার প্লিইইইজ।”
এবার হার মানল রোহান।ছাত্রীকে ছুটি দিয়ে দিল।উঠতে গিয়েও আবার বসে পড়ল।বলা ঠিক হবে কিনা বুঝে উঠতে পারছে না। আন্টি আবার কি মনে করে।ওর চেহারা দেখে স্মার্ট ছাত্রী বলে উঠল, “স্যার কি কিছু বলবেন?”
মান্নান ভাই এর বাচ্চা ভয়ংকর…..কাচ্চা ভয়ংকর….. পড়ে আমারও এক বাচ্চার কাহিনী মনে পড়ে গেলো।
তার নাম ছিলো আবীর।সে আমার এক সিসিআর এর ফ্রেন্ডের মামাতো ভাই।আমরা যখন ১১ এ পড়ি তখনকার গল্প।
তো একবার সবাই ঈদের কানাকাটা করতে গেলো।সাথে আবীরও।কিন্তু কিছুক্ষন পরে দেখা গেলো যে তাকে কেউ খুঁজ়ে পাচ্ছে না।শেষে তাকে পাওয়া গেলো এক দোকানে সেখানে সে দোকানীর সাথে বেশ জমিয়ে কথা বলছে।পরে দোকানী যা জানালো তা হলো দোকানে রাখা একটা ছেলে ডলের জিপার খুলে সে বলছে “আঙ্কেল আঙ্কেল এই ভাইয়ের নু*টা কোথায়??”
পরে আর একবার বন্ধুর এক মামার বিয়ে।তো সবাই বউ নিয়ে কথা বলছে।তো আবীর কি মনে করে তারই এক কাজিন(মেয়ে) কে বলে ফেললো “তোমাকে আমি বিয়ে করবো!!!!কিন্তু তোমাকে আগে তুমি কাপড় খুলো তোমাকে দেখি।তুমি অনেক সুন্দর!!”
এইবার কিন্তু আবীর মায়ের কাছে চরম মাইর খাইলো।কিন্তু সে কি আর লাইনে আসে?
আবার শালা জ্যাম! শালার ঢাকা শহরের কবে যে উন্নতি হবে! ৩০ মিনিট ধরে নিউমার্কেটের জ্যামে আটকা আছি। হেঁটে গেলে এতক্ষণ ৪ বার টিএসসি যাওয়া-আসা করা যেত! পারলে যেতাম। কিন্তু রিকশায় ওর পাশে বসা হবে না। গতরাতে ভাল করে ঘুম হয়নি। হঠাৎ ফোন,ভাইব্রেশনে শুধু ফোন না,আশেপাশের সবকিছুই যেন ভাইব্রেট করছে! রাশেদ ফোন দিল নাতো! ওর হাতটা ছেড়ে দিয়ে পকেট থেকে ফোন বের করলাম।
( পুরনো লেখা। কিছুটা সংস্কার করা হয়েছে। দিতে কেমন যেন লাগে! তবুও দিলাম। সানাউল্লাহ ভাইয়ের “নারী দিবস” বিষয়ক পোস্ট পড়ে ভাবলাম এই লেখাটা পোস্ট করা যায়। আর পুরনো লেখা দিব না। আর ফাঁকিবাজি না। এই শেষ। 😀 )
কালকান্দি গ্রামের মেয়েরা চৌদ্দ বছর বয়েসে নারী হতো।
শেফু নামের মেয়েটা-
তেরো’র শেষ দিনেও রান্নাবাটি খেলায় ডালে লবণ কম দিয়েছিল বলে
আমরা যার কোঁকড়ানো চুলকে কাকের বাসা বলতাম।
গতকাল ৮ মার্চ, ২০০৯ (রবিবার) গ্রীণ হল, ওয়ামা, ইতাবাসি-কু,টোকিও তে সন্ধ্যা ৬টা-৯টা পর্যন্ত পিলখানায় শহীদদের স্মরণে শোক সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আয়োজক ছিল এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ এক্স ক্যাডেটস, জাপান। এতে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় রাষ্ট্রদূত , বাংলাদেশ দূতাবাসের কর্মকর্তাগণ , আনুমানিক ৩০ জন ক্যাডেট ও তাদের পরিবার, কমিউনিটির গণ্যমান্য অনেকে সহ আনুমানিক ৬০ জন। দলমত নির্বিশেষে সবাই এ শোকসভায় নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করেছেন।
সংবাদে ছিলাম দীর্ঘ সময়, ৬ বছর। আমার প্রথম চাকরি। আহমদুল কবির তখন সম্পাদক, আর তার ছেলে মিশু ভাই (আলতামাস কবির) নির্বাহী পরিচালক। জীবনে অনেক বস দেখেছি, তবে আহমদুল কবির একদিক থেকে ব্যতিক্রম। তিনি তর্ক পছন্দ করতেন। যে রিপোর্টার তার সঙ্গে তর্ক করতো, তাকে তিনি বেশি পছন্দ করতেন। জনকণ্ঠের তোয়াব ভাই তো পাল্টা কিছু বললেই বলেন, আমার সঙ্গে তর্ক করবে না। আর আহমদুল কবির সাহেব ভাবতেন,
ম্যাজিক বয় – ০১
২.
রতনের কাকা রফিকুর রহমান বললেন, ভাত বন্ধ করে দিলেই হয়।
রফিকুর রহমান বিশ্বাস করেন যে কোনো সমস্যার সবচেয়ে বড় সমাধান, যে কোনো পাপের সবচেয়ে কার্যকর শাস্তি হলো ভাত বন্ধ করে দেয়া।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে দর্শনের ছাত্র ছিলেন, সে হিসেবে তার চরিত্রে দার্শনিকতা প্রচুর ছিল, তিনি জুতো-প্যান্টের সঙ্গে স্যান্ডো গেঞ্জি পরে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যেতেন।
আজ আমাদের একজন সিনিয়র অফিসার, যশোর এর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের জি ও সি মেজর জেনারেল মো: রফিকুল ইসলাম ও লে: কর্ণেল মো: শহীদুল ইসলাম, আর্টিলারী এক মর্মান্তিক হেলিকপ্টার দূর্ঘটনায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাইহে রাজেউন।
শহীদ ভাই ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজের ১৫ ইনটেকের একজন ক্যাডেট ছিলেন।
রংপুরে যে এলাকায় আমরা থাকতাম, সেই এলাকার নামের আগে “মিস” বসিয়ে আমার মহা রাশভারী বাবা তাকে ডাকতেন। সত্তর দশকের শেষের দিকের কথা বলছি। “মিস ওয়ার্ল্ড” তখন একটা অবাক করা অনুষ্ঠান বড়দের কাছে, আর আমরা কি ছাই তখন বুঝি এতসব।
আমাদের বাসার যতটুকু অংশে ঘর-দোর-উঠোন করেছিলেন বাবা, তার চেয়ে অনেক বেশি অংশই ছিল গাছে ভরা।
আমাদের সাবমেরিন ক্যাবল সংযুক্তির ইতিহাস আশা করি সবার মনে আছে। ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখানো সরকারের প্রথম ডিজিটাল পদক্ষেপ দেখে বুঝলাম, আমাদের সরকারের তথ্য উপদেষ্টাদের মানের তেমন বেশকম হয় নাই। হাজারটা প্রক্সি সার্ভার আছে, কোটি কোটি ওয়েবসাইট আছে, কয়টা ব্যান করবেন? আইটি একটা জাউরা টেকনোলজি – আপনে কঠিন মাপের এক্সপার্ট দিয়া কোনো কিছু সিকিউর করলেও দেখা যাইবো চাইর আনা সাইজের এক পিচ্চি ঐটা ক্র্যাক কইরা বগল বাজাইতেসে –