চোখের জলে ভাসি

মনের ব্যথা মুছতে আমি যাহার কাছে আসি
পাষাণ হৃদে মোর গলে সে পরায় দুখের ফাঁসি
ব্যাকুল হয়ে পরাণ খুলে যারে ভালোবাসি
কাঁদায় আমায় দিবা রাতি, চোখের জলে ভাসি।

(১৮/০৮/১৯৯৭)

বিস্তারিত»

ইয়েস্টারডে ওয়ানস মোর

হাজার বছর আমি পথ হাটিতেছি পৃথিবীর পথে
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশিথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার
তখন, আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার
তখন,মুখোমুখি আমি আর শৈশব
মাঝখানে ব্যবধান-কুড়ি অথবা তিরিশ অথবা চল্লিশ অথবা…..?

আজ অনেকদিন পর আমি আর শৈশব এসে মুখোমুখি দাড়িয়েছি।মনে পড়ছে আমার সেই ছেলেবেলার কথা।একা একাই আমরা সবাই পথ চলে যাই আর নিজের সাথে কথা বলে যাই।আজো একা একা কথা বলতে গিয়ে অনেক কিছুই চোখের সামনে ভেসে উঠছে স্মৃতিপটে।ছেলেবেলার সেই স্মৃতিগুলো আজ নিজের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হয়,মনে হয় রুপকথার মত,স্বপ্ন দেখার পুর ঘুম থেকে জেগে যেমন মনে হয়,আমি যা দেখেছি তা কি আসলেই সত্যি?আবার মনে হয়,ইস যদি সত্যি হত তাহলে কি চমতকার ই না হত জীবন।কিন্তু সত্যকার অর্থে জীবন স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর এবং রঙ্গিন।অতীতচারিতা মানুষের মধ্যে সহজাত একটা ব্যাপার।আধুনিকতা কিংবা যান্ত্রিকতা যাই বলি না কেন তার ভিড়ে আমরা জীবন ও জীবিকার অন্বেষণে পুরনো দিন গুলোকে হারিয়ে ফেলি।সবকিছুই কেমন যেন ঘোলাটে হয়ে আসে স্মৃতিপটে।অতীতের অনেক কিছুই অবিশ্বাস্য মনে হয়,মনে হয় কল্পনায় ঘটে যাওয়া অনেক গল্পের মত।কিন্তু সেই অবিশ্বাসের ঋণ বেড়ে চলে দিন দিন,আর তাই অতীতের অনেক সোনালী মূহূর্ত গুলো আমরা সহজেই অব লীলায় হারিয়ে বসি।আর জীবনের একটা পর্যায়ে এসে সব ফ্যাকাশে মনে হয়,অনেক কিছু অর্জন করেও জীবনের অর্থ নিরর্থক মনে হয়,ভীষণ একাকিত্বে ভুগি।অনেক কিছু পেয়েও মনে হয় কিছুই নেই।জীবনের সেই সময়টাতে একাকিত্বের সঙ্গি হিসেবে এক্টুখানি সুখের ছোয়া দেয়,সংগ দেয় আমাদের সেই অতিতের দিনগুলো,ছেলেবেলার এক টুক রো স্মৃতি।

বিস্তারিত»

চুমু

বৃষ্টি পড়ে টুপূর টাপুর
সঙ্গী আমার মিষ্টি মধুর
ছাতার নিচে দারুণ বাহার
দিচ্ছি চুমু ঠোঁটে তাহার।

ক্লাশের সময় হচ্ছে যে পার
নেই যে কোনো তাড়া আমার
বলি আমি হোকনা দেরি
চুমোয় চুমোয় মনটা ভরি।

বাসের স্টপে হঠাৎ দেখি
বাস এসেছে বাড়ীমুখী
সঙ্গী বলে চলি এবার
চুমু দেবো কালকে আবার।

(৩১/১০/১৯৯৬)

বিস্তারিত»

খুনি

“রক্ত দেখলে ভয় লাগে!!! আজব কথা কস কেন?” – ঝাঁঝের সাথে বলে ওঠেন মাসুম ভাই।

আজকাল উনিই আমাদের স্বঘোষিত সর্দার। একসময় ডাকসাইটে ছাত্রনেতা ছিলেন, তাই গলার স্বর চড়তে খুব বেশি সময় নেয় না। এমনিতে মানুষ ভালো, আমাকে বেশ স্নেহই করেন।

“আগেরবারই তোর টার্ন ছিন, ধানাই পানাই কইরা কাশেমরে দিয়ে করাইছিস। এইবার যদি ছুরি না চালাস, তাইলে কইলাম গিরিঙ্গি হইয়া যাইবো।” বড় করে একটা দম নিতে গিয়ে পাশে পড়ে থাকা ছুরিটা তুলে নেন মাসুম ভাই।

বিস্তারিত»

আমার চারপাশ ০১

০১।
আমার সব কিছুর শুরু একটু দেরীতে, যাকে বলে কিনা লেট ব্লুমার। নাইন টেনে কলেজের ছেলেপেলেরা যখন হাওয়ায় তাদের মন ভাসানো শুরু করেছে তখন ঐটা আমার কাছে বড়দের ব্যাপার, লজ্জার ব্যাপার। প্রত্যেক ছুটি শেষে কলেজের ছেলেপেলেরা যখন তাদের নতুন নতুন পরীদের বর্ণনা দেয় তখন বাকীদের মত আমিও তা শুনি কিন্তু মনে মনে ভাবি পোলাপাইন সব ইচড়ে পাকা। আমাদের ইনটেকের ফার্স্ট ক্যাডেট যখন প্রত্যেক ভ্যাকেশনে তার নতুন নতুন অফার পাওয়ার কাহিনি বলে মনে মনে তখন বলি শালা মেয়েরাও দেখি সব ইচড়ে পাকা।

বিস্তারিত»

কেনো আমার এমন হলো

কেনো আমার এমন হলো

কেনো আমি পদ্য লিখে হতে গেলাম ব্যর্থ কবি
কেনো আমি শিল্পি হয়ে এঁকে গেলাম রঙ্গিন ছবি
জানতাম যদি আঁকলে ছবি ছুড়বে গালি অপবাদে
গুটিয়ে নিতাম হাতটি আমার স্বার্থপরের অপরাধে।

বিস্তারিত»

প্রার্থনা। অথবা অনুরোধ। অথবা ব্যর্থ প্রয়াস।

অনুরোধ

——————————————————————————
প্রার্থনা
——————————————————————————
অথবা
——————————————————————————
অনুরোধ
——————————————————————————
অথবা
——————————————————————————
ব্যর্থ প্রয়াস
——————————————————————————

বিস্তারিত»

টেক গুরুদের সাহায্য চাই

ব্লগের ভাই-বেরাদাররা,
prison break season 4 কিভাবে ডাউনলোড করা যায় এই ব্যাপারে আমাকে কি কেউ সাহায্য করতে পারেন? আমি মাইকেল স্কোফিল্ড এবং তার সাংগপাংগদের পরবর্তী কান্ডকীর্তি দেখার জন্য বড়ই উচাটন।

বিস্তারিত»

হৃদয়ে বাজো তুমি

হৃদয়ে বাজো তুমি
জীবন্ত উষ্ণ এক শিল্পিত সুরে
আমার ক্রমক্ষয়মান অর্ধশতাব্দীর
প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে;
বাজো তুমি হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে
ফুসফুসের প্রতিটি শ্বাসে প্রশ্বাসে।
কল্পলোকের প্রতিটি গানে বাজো তুমি
মনের প্রতিটি কোণে কোণে,
বাজো তুমি পুষ্পকোমাল পায়ের নূপুরে
রংধনু রাঙ্গা ফুলের বাগানে;
হৃদয়ে বাজো তুমি
গোধূলি পার্কে নিবিড় আলিঙ্গনে
রাজধানীর ফ্ল্যাটের অনুগ্র বাহুবন্ধনে
কম্পিত চুম্বনে,

বিস্তারিত»

ভ্রমোলগ ১: ক্লান্ত ঢাকাত্যাগ এবং ক্রমশ সবুজায়ন

ভ্রমণে বেরোলেই অপরিচিত মুখগুলোকে কেন আমার পরিচিত মনে হয়? এমন না যে এটা আজকেই ঘটছে। আমি আগেও খেয়াল করেছি, সহযাত্রীদের, অপেক্ষমাণ মানুষের মুখ আমার কাছে আপন মনে হয় খুব। অথচ সেই মুখটাকেই এই স্টেশন, প্ল্যাটফর্মের বাইরে দেখলে আমি ফিরেও তাকাতাম না! ঘরের বাইরে বেরিয়ে আমি কি কিছুটা বিপন্ন হয়ে পড়ি? এজন্যে অচেনাকেও আপন মনে হয়? অথবা আমি একটু সাহসী রোমাঞ্চপ্রিয় হয়ে উঠি, তাই অপরিচিতকেই ভাল লাগে!

বিস্তারিত»

আন্দোলন

(অনেক আগের লেখা একটা কবিতা। যতদুর মনে পড়ছে, দেশে তখন রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল।
এই জালস্থানে এটা আমার প্রথম লেখা। আশা করি কেউ মনে কষ্ট পাবেন না।)

মুক্ত আকাশ স্নিগ্ধ বাতাস
স্বাদু জলের নদী
সবুজ পাতা তৃণলতা
বলতো আমার দিদি।

বিস্তারিত»

চুমু-সংক্রান্ত

১.
“মদ ছোঁবেনা কোনদিন, আমাকে ছুঁয়ে
কথা দাও!” — অপ্রস্তুত ঠোঁট চুঁয়ে
এরপর আলগোছে
আধপেগ নীট চুমু ঢেলে
অনুনয়ে শুধায় এরকম,
“ক্যানো, আমি কি মদের কিছু কম?”

২.
ছেলেটির ঠোঁট ফাটে
মাখেনা ভেস্‌লিন,
মেয়েটি যত্নবান
ওরা ঠোঁটে ঠোঁটে লীন

বিস্তারিত»

নিঃস্বঙ্গ মস্তিস্ক

একলা আছি, একাই রবো
একা একাই সুখ পোড়াবো।
কেউ হবেনা সঙ্গী যখন
কী লাভ দেখে মিথ্যে স্বপন,
ব্যর্থতাকে সাথী করে চলব আজীবন।
একলা আছি, একাই রবো
একলা রবে মন।

বিস্তারিত»

বসন্ত ছুঁয়েছে আমাকে…!!!

(শিরোনাম দেখে কেউ বিভ্রান্ত হবেন না। পিচ্চির (আমার ভাতিজা) বসন্ত হয়েছে…আজ দুপুরে ওর সাথে মারপিট করার সময় ওর গায়ের বসন্ত আমার গায়ে লেগেছে…ব্যাস এই হল নামকরণের ইতিহাস…)

পরশুদিনের আগ পর্যন্ত ভাতিজাকে নিয়ে আমরা সবাই চিন্তায় ছিলাম। বাসার হেল্পিং হ্যান্ড মেয়েটার বসন্ত হয়েছে…ওর থেকে পিচ্চির হবার আশঙ্কা অমূলক নয়। গতকাল আমাদের সবাইকে নিশ্চিন্ত করে (হবে কি না-এই চিন্তা থেকে মুক্তি!!!) দুই তিনটা বসন্ত দেখা গেল ওর গায়ে…আর এক দিনের মাথায় মোটামুটি সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়েছে…ভাতিজা অবশ্য স্বাভাবিকই আছে…দেখে মনে হল না সে বসন্তের ভারে কাতর…তবে,

বিস্তারিত»

ক্লাইম্যাক্স

চমকে যাই শরীরে স্রোতস্বীনি জোছনা পতনের শব্দে
চমকে যাই আয়না দেখে আত্নপ্রতিকৃতির এই বিশ্বস্ত ওয়ার্কশপে
চমকে যাই নগরের শব্দে
রিকশার টুনটুন ঝংকারের বায়বীয় অনুনাদে
প্রেমিকা এবং প্রেম পৌরুষ মেরুদন্ড খুচড়া টাকা
দর্শক পার্কের গাড়ল গাছ আর হল্লা করে জেগে উঠা নাগরিক প্লাস্টিক প্রেম
চমকে যাই চায়ের কাপের ছলাৎ শব্দে
ছলকে উথলে পড়ে গাঢ় লিকারের জীবনীশক্তি কবিকূলের
চমকে যাই নক্ষত্রের রাতে বব ডিলনের এক্রোস্টিকের শব্দে
গড়াতে থাকি চমকানো চকমকি পাথর
চমকে যাই খসখসে কলম ছুরি হয়ে সাদা কাগজের হৃদপিন্ড ছিড়ে খুড়ে
একেকটা লাল চমকানো গোধূলী রঙ এর কবিতার আন্দোলনে
চমকে যেতে হয় প্লাবনের কালে ঢেউ প্রবেশের অখন্ড অবসরে
স্রোত স্রোত শুধু স্রোত চমকে যাই স্রোতের শব্দে
চমকে যাই ভালোবাসার বিষাক্ত অনুবাদে
যখন একপেয়ে দেবদূত হয়ে একটা সাদা বক
আর পাহাড়ী ম্যাগনোলিয়া গ্রান্ডিফ্লোরা সব চমকানো চিত্রকল্প স্রোতে ভাসে
চমকে দেয় আমাকে প্রথম বৃষ্টির সোঁদা আদ্র আকর্ষনী গন্ধ
এক সমুদ্র লাফিয়ে উঠে নীল ধূসর ময়লা আকাশে বিছিয়েছিল বৃষ্টি
ভেজা শরীর পরী ,চমকাতে হয় প্রকৃতি আমায় হিংসায় ফেলে
বৃষ্টি তোমায় জড়ায় চমকে যাই সুন্দর তুমি লাল রং মিশে লাল তুমি
চমকে যাই বাঁকা ঠোট বাঁকা দৃষ্টি চমকে যাই পরী ভালোবাসায় ।

বিস্তারিত»