ভাল লেখা আসলে-যাকে বলে-খানিকটা বিটকেলে গন্ধের মত। সুগন্ধর আবেদন খুব বেশিক্ষণ থাকে না, নাকে হয়তো রয়ে যায় বেশ কিছু সময়, কিন্তু মাথা থেকে দুরে সরে যেতে সময় নেয় না একটুও। গোলাপ বা রজনীগন্ধা শুঁকলে পরে খানিক পরেই ভুলে যাই, তুলনায় খানিকটা পেট্রোল পোড়া গন্ধ, অথবা সদ্য জ্বালানো দিয়াশলাই কাঠি বা না জ্বালানো বারুদ- এই সব অদ্ভুত কিসিমের গন্ধই মাথায় রয়ে যায় অনেকক্ষণ। ধুপ বা ধুনোর ধোঁয়ার মত মাথায় ঘুরতে থাকে,
বিস্তারিত»দিনবদলের আশা
দিনবদলের আশা নিয়ে দেশের জনগণ
বঙ্গবন্ধুর জ্যোষ্ঠ কন্যা করলো নির্বাচন
নৌকা মার্কায় টিকেট নিয়ে গড়লেন মহাজোট
ম্যাডাম এসে গদি জুড়লেন পেয়ে গণ ভোট।
কান্না
একটা মোবাইল থিমে একটা কবিতা পেয়েছিলাম। আসল কবিতাটা খুবই সুন্দর। কবিতাটার খুবই বিচ্ছিরি একটা অনুবাদ করেছি। সবার সাথে শেয়ার করছি।
যত জোড়ে ইচ্ছা হয়
যতক্ষণ ইচ্ছা করে
কাঁদ। কারণ,
কাঁদতে কোন মানা নেই।
ও, আমি এবং আমরা ……
সংবিধিবদ্ধ সতর্কিকরন – জাতি, ধর্ম, বর্ণ, মত – কাউকে আঘাত দিতে লিখিনি। আঘাত পেলে ক্ষমা করে দেবেন। এটা আমি আমার কল্পনা থেকে লিখেছি, এই চরিত্রগুলো বাস্তব নয়।
ক্লাশ ১২ এর শেষ ছুটি। কেমিস্ট্রি পড়া শেষ করে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াচ্ছি। কিছুক্ষন আগে মোটামুটি ভালো একটা বৃষ্টি হয়ে গিয়েছে। ফার্মগেটের মোড়ের সিনেমা হলটার সামনে দিয়ে যাবার সময় দেখি এক লোক,
বিস্তারিত»চোখের জলে ভাসি
মনের ব্যথা মুছতে আমি যাহার কাছে আসি
পাষাণ হৃদে মোর গলে সে পরায় দুখের ফাঁসি
ব্যাকুল হয়ে পরাণ খুলে যারে ভালোবাসি
কাঁদায় আমায় দিবা রাতি, চোখের জলে ভাসি।
(১৮/০৮/১৯৯৭)
বিস্তারিত»ইয়েস্টারডে ওয়ানস মোর
হাজার বছর আমি পথ হাটিতেছি পৃথিবীর পথে
সিংহল সমুদ্র থেকে নিশিথের অন্ধকারে মালয় সাগরে
জীবন গিয়েছে চলে আমাদের কুড়ি কুড়ি বছরের পার
তখন, আবার যদি দেখা হয় তোমার আমার
তখন,মুখোমুখি আমি আর শৈশব
মাঝখানে ব্যবধান-কুড়ি অথবা তিরিশ অথবা চল্লিশ অথবা…..?
আজ অনেকদিন পর আমি আর শৈশব এসে মুখোমুখি দাড়িয়েছি।মনে পড়ছে আমার সেই ছেলেবেলার কথা।একা একাই আমরা সবাই পথ চলে যাই আর নিজের সাথে কথা বলে যাই।আজো একা একা কথা বলতে গিয়ে অনেক কিছুই চোখের সামনে ভেসে উঠছে স্মৃতিপটে।ছেলেবেলার সেই স্মৃতিগুলো আজ নিজের কাছেই অবিশ্বাস্য মনে হয়,মনে হয় রুপকথার মত,স্বপ্ন দেখার পুর ঘুম থেকে জেগে যেমন মনে হয়,আমি যা দেখেছি তা কি আসলেই সত্যি?আবার মনে হয়,ইস যদি সত্যি হত তাহলে কি চমতকার ই না হত জীবন।কিন্তু সত্যকার অর্থে জীবন স্বপ্নের চেয়েও সুন্দর এবং রঙ্গিন।অতীতচারিতা মানুষের মধ্যে সহজাত একটা ব্যাপার।আধুনিকতা কিংবা যান্ত্রিকতা যাই বলি না কেন তার ভিড়ে আমরা জীবন ও জীবিকার অন্বেষণে পুরনো দিন গুলোকে হারিয়ে ফেলি।সবকিছুই কেমন যেন ঘোলাটে হয়ে আসে স্মৃতিপটে।অতীতের অনেক কিছুই অবিশ্বাস্য মনে হয়,মনে হয় কল্পনায় ঘটে যাওয়া অনেক গল্পের মত।কিন্তু সেই অবিশ্বাসের ঋণ বেড়ে চলে দিন দিন,আর তাই অতীতের অনেক সোনালী মূহূর্ত গুলো আমরা সহজেই অব লীলায় হারিয়ে বসি।আর জীবনের একটা পর্যায়ে এসে সব ফ্যাকাশে মনে হয়,অনেক কিছু অর্জন করেও জীবনের অর্থ নিরর্থক মনে হয়,ভীষণ একাকিত্বে ভুগি।অনেক কিছু পেয়েও মনে হয় কিছুই নেই।জীবনের সেই সময়টাতে একাকিত্বের সঙ্গি হিসেবে এক্টুখানি সুখের ছোয়া দেয়,সংগ দেয় আমাদের সেই অতিতের দিনগুলো,ছেলেবেলার এক টুক রো স্মৃতি।
বিস্তারিত»চুমু
বৃষ্টি পড়ে টুপূর টাপুর
সঙ্গী আমার মিষ্টি মধুর
ছাতার নিচে দারুণ বাহার
দিচ্ছি চুমু ঠোঁটে তাহার।
ক্লাশের সময় হচ্ছে যে পার
নেই যে কোনো তাড়া আমার
বলি আমি হোকনা দেরি
চুমোয় চুমোয় মনটা ভরি।
বাসের স্টপে হঠাৎ দেখি
বাস এসেছে বাড়ীমুখী
সঙ্গী বলে চলি এবার
চুমু দেবো কালকে আবার।
(৩১/১০/১৯৯৬)
বিস্তারিত»খুনি
“রক্ত দেখলে ভয় লাগে!!! আজব কথা কস কেন?” – ঝাঁঝের সাথে বলে ওঠেন মাসুম ভাই।
আজকাল উনিই আমাদের স্বঘোষিত সর্দার। একসময় ডাকসাইটে ছাত্রনেতা ছিলেন, তাই গলার স্বর চড়তে খুব বেশি সময় নেয় না। এমনিতে মানুষ ভালো, আমাকে বেশ স্নেহই করেন।
“আগেরবারই তোর টার্ন ছিন, ধানাই পানাই কইরা কাশেমরে দিয়ে করাইছিস। এইবার যদি ছুরি না চালাস, তাইলে কইলাম গিরিঙ্গি হইয়া যাইবো।” বড় করে একটা দম নিতে গিয়ে পাশে পড়ে থাকা ছুরিটা তুলে নেন মাসুম ভাই।
বিস্তারিত»আমার চারপাশ ০১
০১।
আমার সব কিছুর শুরু একটু দেরীতে, যাকে বলে কিনা লেট ব্লুমার। নাইন টেনে কলেজের ছেলেপেলেরা যখন হাওয়ায় তাদের মন ভাসানো শুরু করেছে তখন ঐটা আমার কাছে বড়দের ব্যাপার, লজ্জার ব্যাপার। প্রত্যেক ছুটি শেষে কলেজের ছেলেপেলেরা যখন তাদের নতুন নতুন পরীদের বর্ণনা দেয় তখন বাকীদের মত আমিও তা শুনি কিন্তু মনে মনে ভাবি পোলাপাইন সব ইচড়ে পাকা। আমাদের ইনটেকের ফার্স্ট ক্যাডেট যখন প্রত্যেক ভ্যাকেশনে তার নতুন নতুন অফার পাওয়ার কাহিনি বলে মনে মনে তখন বলি শালা মেয়েরাও দেখি সব ইচড়ে পাকা।
কেনো আমার এমন হলো
কেনো আমার এমন হলো
কেনো আমি পদ্য লিখে হতে গেলাম ব্যর্থ কবি
কেনো আমি শিল্পি হয়ে এঁকে গেলাম রঙ্গিন ছবি
জানতাম যদি আঁকলে ছবি ছুড়বে গালি অপবাদে
গুটিয়ে নিতাম হাতটি আমার স্বার্থপরের অপরাধে।
প্রার্থনা। অথবা অনুরোধ। অথবা ব্যর্থ প্রয়াস।
——————————————————————————
প্রার্থনা
——————————————————————————
অথবা
——————————————————————————
অনুরোধ
——————————————————————————
অথবা
——————————————————————————
ব্যর্থ প্রয়াস
——————————————————————————
টেক গুরুদের সাহায্য চাই
ব্লগের ভাই-বেরাদাররা,
prison break season 4 কিভাবে ডাউনলোড করা যায় এই ব্যাপারে আমাকে কি কেউ সাহায্য করতে পারেন? আমি মাইকেল স্কোফিল্ড এবং তার সাংগপাংগদের পরবর্তী কান্ডকীর্তি দেখার জন্য বড়ই উচাটন।
হৃদয়ে বাজো তুমি
হৃদয়ে বাজো তুমি
জীবন্ত উষ্ণ এক শিল্পিত সুরে
আমার ক্রমক্ষয়মান অর্ধশতাব্দীর
প্রতিটি ক্ষণে ক্ষণে;
বাজো তুমি হৃদয়ের প্রতিটি স্পন্দনে
ফুসফুসের প্রতিটি শ্বাসে প্রশ্বাসে।
কল্পলোকের প্রতিটি গানে বাজো তুমি
মনের প্রতিটি কোণে কোণে,
বাজো তুমি পুষ্পকোমাল পায়ের নূপুরে
রংধনু রাঙ্গা ফুলের বাগানে;
হৃদয়ে বাজো তুমি
গোধূলি পার্কে নিবিড় আলিঙ্গনে
রাজধানীর ফ্ল্যাটের অনুগ্র বাহুবন্ধনে
কম্পিত চুম্বনে,
ভ্রমোলগ ১: ক্লান্ত ঢাকাত্যাগ এবং ক্রমশ সবুজায়ন
ভ্রমণে বেরোলেই অপরিচিত মুখগুলোকে কেন আমার পরিচিত মনে হয়? এমন না যে এটা আজকেই ঘটছে। আমি আগেও খেয়াল করেছি, সহযাত্রীদের, অপেক্ষমাণ মানুষের মুখ আমার কাছে আপন মনে হয় খুব। অথচ সেই মুখটাকেই এই স্টেশন, প্ল্যাটফর্মের বাইরে দেখলে আমি ফিরেও তাকাতাম না! ঘরের বাইরে বেরিয়ে আমি কি কিছুটা বিপন্ন হয়ে পড়ি? এজন্যে অচেনাকেও আপন মনে হয়? অথবা আমি একটু সাহসী রোমাঞ্চপ্রিয় হয়ে উঠি, তাই অপরিচিতকেই ভাল লাগে!
বিস্তারিত»আন্দোলন
(অনেক আগের লেখা একটা কবিতা। যতদুর মনে পড়ছে, দেশে তখন রাজনৈতিক অস্থিরতা বিরাজ করছিল।
এই জালস্থানে এটা আমার প্রথম লেখা। আশা করি কেউ মনে কষ্ট পাবেন না।)
মুক্ত আকাশ স্নিগ্ধ বাতাস
স্বাদু জলের নদী
সবুজ পাতা তৃণলতা
বলতো আমার দিদি।