খুব সকাল বেলা সবার চেঁচামেচিতে ঘুম ভেঙ্গে গেল। আমার আরো ঘুমের দরকার ছিল। পাশ ফিরে শুয়ে পড়লাম। না, ঘুম ধরে না আর। এত সোরগোলের মাঝে কি আর ঘুমানো যায় শান্তি মত!
সবার কথা হল- সূর্যডোবা দেখতে পারি নাই তো কি হয়েছে, সূর্যোদয় দেখবে। আমি বললাম যে আমি দেখব না। কিন্তু কে শোনে কার কথা। আমাকে যেতেই হবে তাদের সাথে।
“আমি যাব” বলে বালিশ মাথার উপর দিয়ে উপুড় হয়ে শুয়ে পড়ি।
দিন আসে দিন যায়। সময়ের ঘোড়সওয়ার আমরা পুরাতন হতে হতে নতুনদের দেখি। আবার আশান্বিত হই। উদ্বেলিত হই। নিজের এক হাতের জায়গায় দশ হাতের অস্তিত্ব অনুভব করি। একতাই বল – সেই ছোটবেলায় শেখা বাণীটার মর্ম অনুধাবন করি। স্বপ্ন শাণিত করি। ভাবনায় ভেসে উঠে – হবে। যা হওয়ার কথা ছিল, হয়নি – তা হবে। যা হওয়ার কথা – তাও হবে। নতুন প্রাণ, নতুন আশা। আবারও নতুন করে স্বপ্ন দেখা।
আর মাত্র ২৩ দিন। শুরু হয়ে যাচ্ছে আরেকটি বিশ্বকাপ, দ্যা গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ। সবাই আবারো মেতে উঠবে ফুটবল উৎসবে। ব্যক্তিগতভাবে আমার এই বাকি দিনগুলো অনেক লম্বা মনে হচ্ছে। কবে যে ১১ তারিখ আসবে। গত কয়েকদিন বেশ ব্যস্ত ছিলাম, রাতদিন দম ফেলার সময় পাইনি। আজকে একটু ফ্রি হয়ে আগের বিশ্বকাপগুলো নিয়ে একটু গুগল করলাম। দারুন দারুন সব স্মৃতি মনে পড়ে গেল। সেগুলো সবার সাথে শেয়ার করার লোভ সামলাতে পারলাম না।
১৯৮৩ সালের শেষের দিক তখন। জাপান থেকে দেশে ফিরে জোরে সোরে কাজে লেগে গেলাম। প্রিন্টিং প্রেস থেকে ১৬X১৬ ঘরের ব্লাঙ্ক টেমপ্লেট ছাপিয়ে নিলাম। আমার সহকর্মী গ্রাফিস আর্টিষ্ট আশরাফকে লাগিয়ে দিলাম বিভিন্ন অক্ষরের আকার অনুসারে প্রতিটি অক্ষরের জন্যে একটি করে ঘরের গ্রিড পূরণ করতে। দুই টাকা দিয়ে কেনা প্রথম শ্রেনীর পাঠ্য বিদ্যাসাগরের বর্ণমালা বই অনুসরণ করে সব স্বরবর্ণ ও ব্যঞ্জন বর্ণ আমরা মেট্রিক্সে লিপিবদ্ধ করতে লাগলাম।
মহাভারতের একলব্যের গল্প আমরা অনেকেই জানি।তৎকালীন সময়ের শ্রেষ্ঠ অস্ত্রগুরু ছিলেন দ্রোণাচার্য যিনি কেবল উচ্চবংশীয় রাজপুত্রদের যুদ্ধবিদ্যা শিক্ষা দিতেন।দুর্যোধন থেকে অর্জুন-মহাভারতের শ্রেষ্ঠ বীরগণ অধিকাংশই এঁর শিষ্য।শূদ্র বংশীয় রাজপুত্র একলব্য দ্রোণাচার্যের কাছে অস্ত্রশিক্ষা করতে চাইলে নিম্নবর্ণের অজুহাতে তিনি তাকে প্রত্যাখ্যান করেন।
ভগ্নহৃদয় একলব্য পরবর্তীতে গভীর জঙ্গলে দ্রোণাচার্যের মূর্তি গড়ে সেটিকে গুরুর সম্মানে পূজা করে নিজে নিজেই কঠোর প্রশিক্ষণে আত্মনিয়োগ করেন।এভাবে বহুদিন কেটে যায়-ঘটনাক্রমে একদিন দ্রোণাচার্য তাঁর শ্রেষ্ঠ ছাত্র অর্জুনসহ বাকিদের নিয়ে সেই বনে হরিণ শিকার করতে আসেন।তাঁর পোষা কুকুরটি হরিণের পিছু পিছু বনের ভিতরে ছুটে যেতে যেতে একসময় হারিয়ে যায়।কুকুরের কান্নার শব্দ শুনে দ্রোণাচার্য এবং তাঁর শিষ্যরা বনের ভেতরে একটি কুটীরের কাছে উপস্থিত হয়ে দেখেন-সাতটি তীরের মাধ্যমে কুকুরটিকে পাশের অশ্বথ গাছের সাথে এমনভাবে গেঁথে ফেলা হয়েছে যে তার গায়ে বিন্দুমাত্র আঁচড় লাগেনি কিন্তু সেটি কোনভাবেই নড়াচড়া করতে পারছেনা।
আমাদের কলেজের খুব মেধাবী এবং প্রিয় একজন আপা আইভি আপা (৯৪-০০)।
তিনি আমাদের কলেজ প্রিফেক্ট ছিলেন। আপার হাজব্যান্ড খুবই রেয়ার একধরনের ক্যান্সারে ভুগছেন। মেডিকেলের ভাষায় বলে Biphenotypic Leukemia. এই রোগের চিকিৎসার জন্য প্রচুর অর্থের প্রয়োজন, যার সঙ্কুলান করা আপার পুরা পরিবারের জন্য কষ্টসাধ্য।
মাত্র ৩ বছর হল তাদের বিয়ে হয়েছে এবং ১ বছরের একটি মেয়েও আছে।
সাময়িকভাবে সদস্যদের জন্য সমস্যাটির সমাধান করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন সরাসরি মন্তব্য পাবলিশ করার জন্য লগইন করে মন্তব্য করতে হবে। অতিথি বা লগইন ছাড়া সদস্যদের মন্তব্য করার সুবিধাটি আপাততঃ কাজ করবেনা। এটি খুব তাড়াতাড়িই সারিয়ে তোলা হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।
ওয়ার্ডপ্রেসের কারিগরী সমস্যায় ব্লগের অনেক সদস্যের মন্তব্য মডারেশনে চলে যাচ্ছে। আশা করছি এই ব্যাপারটি সাময়িক।
অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্র স্নান করে আমরা ফিরে আসি আমাদের রুমে।গোসল সেরে রেডী হই সবাই।উদ্দেশ্য দুপুরের খাবার,তারপর যাব হিমছড়ি।
বৈশাখী রেস্তোরায় ব্যাপক একটা খাওয়া দিলাম সবাই।রুপচাদা আর ভাত।জোশ খাবার।সবাই গলা পর্যন্ত খেলাম মনে হয়।তারপর সেখানে চা খেয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম।এই সুযোগে আমি পুনমের কথা তুললাম।বললাম যে সে যা বলেছে তা সত্য।
তাতেও কোন কাজ হল না।কেউ তাকে রাখতে রাজি হল না।আমি আর কোন কথা বলতে চাইলাম না।চুপ মেরে গেলাম।
(ডিসক্লেইমারঃ যারা টুয়েন্টি নাইন খেলার নিয়ম জানেন না, তাদের কাছে এই পোষ্ট বিরক্তিকর লাগতে পারে। আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।)
-‘ট্যাঁ ট্যাঁ ট্যাঁ…’
-‘কিরে হালা, অমন করস ক্যান?’
-‘সানাই বাজাই…খিকজ…’
-‘শিট্, তোর কাছে ম্যারেজ আছে?’
-‘আবার জিগায়…খেলা তাইলে তেইশে এ গেল গা…’
-‘কোন ব্যাপার না, এমন টেকনিক্যাল খেলা দিমু…’
-‘মামা, এই খেলা তুলতে টেকনিক্যাল না এক্কেবারে গাবতলী টাইপ খেলা দিতে হইব…মু হা হা…’
আমি শুভর দিকে বোঝার চেষ্টা করলাম ওর হাতের কি অবস্থা,
ব্রাজিলের সুপার স্টাররা গত বিশ্বকাপে ফ্লপ মারার পর দুঙ্গা ব্রাজিলের দায়িত্ব নিয়েছিলো। এরপর দুঙ্গা মনোযোগ দিয়েছিলো শুধুমাত্র ফলাফল নিয়ে। তথাকথিত শৈল্পিক খেলার ধারক বাহক স্টার খেলোয়াড়দের ফেলে যারা ফলাফল এনে দিতে পারে তাদের দিয়েই দল সাজিয়েছে। দুই জন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিয়ে ব্রাজিল খেলতে পারে এই ধারনা মারিও জাগালোর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দুংগা নিজে ম্যানেজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। আর এজন্যই অনেক ব্রাজিল সমর্থকদেরই ব্রাজিলের খেলা রোবোটিক মনে হয়।
অতঃপর দরোজার কাছে অবহেলে পড়ে থাকা পুরোনো জুতো,ময়লা মোজা,ভাঙা ডাস্টবিন ভরা ছুড়ে ফেলা কাগজের দলা,দেয়ালে এটে থাকা ডিম ভরা পেটের কুৎসিত টিকটিকি,পুরোনো বছরের ক্যালেন্ডার আর মাকড়সার জালে অন্ধকার ছাদ,নিচে ঘুণে ধরা কাঠের টেবিলের উপর নিউজপ্রিন্ট কাগজ নিয়ে কবি লিখছেন তার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিকটিকে-
ভ্যাকেশন শেষ!
ভাবতেই কেমন জেন লাগছে, এই ছুটিটা যে কিভাবে শেষ হয়ে গেল…খুব অবাক লাগছে।আবার ফিরে যাচ্ছি সেই চিরচেনা ম.গ.ক.ক এর প্রাঙ্গনে।আমার চিরচেনা হাউস, ডাইনিং হল আর ক্লাসরুমগুলা, কেন যানি বুঝিনা, আমার এতো বড় হয়ে যাবার পর ও কেনো জানি যেতে ইচ্ছা করেনা। আগে মাকে বলতাম, কান্নাকাটি করতাম, এখন তা ও পারিনা।
যা হোক, এবার তো ১২, পড়াশোনা করতে হবে অনেক, ছ্যাঁকা যা খাওয়ার খেয় ফেলছি…আর চাইনা!
এই দিনে।
একদল নিরপরাধের জেলের শাস্তি হলো। তারা জানেও না কেনো। কিন্তু আদেশ যেহেতু হলো যেতে তো হবেই।
তাই তারা ভয়ে ভয়ে জেল খানায় গেলো। কিন্তু তারা জানেও না এই জেলখানার সময়টাই তাদের জীবনের সেরা সময় বলে গন্য হবে। মেয়াদ এর পর সবসময় আফসোস হবে এই সময়টার জন্য। এই কয়েদীরাই সবচেয়ে কাছের হবে তাদের জীবনে।
হ্যা,