সাময়িক পোস্টঃ মন্তব্য মডারেশন

আপডেট -০১

সাময়িকভাবে সদস্যদের জন্য সমস্যাটির সমাধান করা হয়েছে। অর্থাৎ এখন সরাসরি মন্তব্য পাবলিশ করার জন্য লগইন করে মন্তব্য করতে হবে। অতিথি বা লগইন ছাড়া সদস্যদের মন্তব্য করার সুবিধাটি আপাততঃ কাজ করবেনা। এটি খুব তাড়াতাড়িই সারিয়ে তোলা হবে। সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

ওয়ার্ডপ্রেসের কারিগরী সমস্যায় ব্লগের অনেক সদস্যের মন্তব্য মডারেশনে চলে যাচ্ছে। আশা করছি এই ব্যাপারটি সাময়িক।

জাতির এই ক্রান্তিকালে সিসিবির সঙ্গেই থাকুন।

বিস্তারিত»

অপরিচিতা(৩য় পর্ব)

অনেকক্ষণ ধরে সমুদ্র স্নান করে আমরা ফিরে আসি আমাদের রুমে।গোসল সেরে রেডী হই সবাই।উদ্দেশ্য দুপুরের খাবার,তারপর যাব হিমছড়ি।
বৈশাখী রেস্তোরায় ব্যাপক একটা খাওয়া দিলাম সবাই।রুপচাদা আর ভাত।জোশ খাবার।সবাই গলা পর্যন্ত খেলাম মনে হয়।তারপর সেখানে চা খেয়ে কিছুক্ষণ বসে থাকলাম।এই সুযোগে আমি পুনমের কথা তুললাম।বললাম যে সে যা বলেছে তা সত্য।

তাতেও কোন কাজ হল না।কেউ তাকে রাখতে রাজি হল না।আমি আর কোন কথা বলতে চাইলাম না।চুপ মেরে গেলাম।

বিস্তারিত»

ঊনত্রিশ-‘দ্যা টুয়েন্টি নাইন’: কার্ডের একটি খেলা!!

(ডিসক্লেইমারঃ যারা টুয়েন্টি নাইন খেলার নিয়ম জানেন না, তাদের কাছে এই পোষ্ট বিরক্তিকর লাগতে পারে। আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।)

-‘ট্যাঁ ট্যাঁ ট্যাঁ…’
-‘কিরে হালা, অমন করস ক্যান?’
-‘সানাই বাজাই…খিকজ…’
-‘শিট্‌, তোর কাছে ম্যারেজ আছে?’
-‘আবার জিগায়…খেলা তাইলে তেইশে এ গেল গা…’
-‘কোন ব্যাপার না, এমন টেকনিক্যাল খেলা দিমু…’
-‘মামা, এই খেলা তুলতে টেকনিক্যাল না এক্কেবারে গাবতলী টাইপ খেলা দিতে হইব…মু হা হা…’

আমি শুভর দিকে বোঝার চেষ্টা করলাম ওর হাতের কি অবস্থা,

বিস্তারিত»

রাজনৈতিক ছড়া- ‘ছাত্রনেতা’

এক চুমুকে চা শেষ করে, কষে দেবো বক্তৃতা
হাত-পা খিঁচে, ঝাড়বো কেশে- রাজনীতির ঐ ছককথা।
ডিম-পরোটা, ডাল-ভাজি, সাথে কলিজা আর লটপটি
সকাল বেলার নাস্তা আমার, মিষ্টি-ঝালে চটপটি।
পেটটি আমার খালি গেলে- হারিয়ে ফেলি কথার খেঁই
কথার ঝাঁঝে আগুন জ্বালাই- পড়লো পেটে খাবার যেই।
‘আগুন জ্বালো’, ‘আগুন জ্বালো’- জ্বালাই আগুন চারিধার
দিচ্ছে আলো প্রদীপখানা, গোড়ায় কিন্তু অন্ধকার।
মাস পেরিয়ে বছর গেলো,

বিস্তারিত»

শেখ আলীমের হাইকু ৬

জীবনের চোরা গলিতে হাইকু খুঁজি
শব্দের জুয়া সারা দিনমান ছন্দ ধরেছি বাজী
হরতনের বিবির ফাঁদে রুহিতনের গোলাম।
———————————————–

সংসার করি সন্যাসে দিন গুনি
গীতা বাইবেল ত্রিপিটক পড়ি কোরানের বাণী শুনি
আদি ও অন্ত মানুষের ইতিহাস।
———————————————–
জোছনা মাতাল শ্যাম পীরিতি রাত
বিষের বাঁশী নোঙর কাটে কূল হারালো রাই
অথই গাঙের জলে নায়ের ছলাৎ।
———————————————–

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ প্যাচাল ০১

ব্রাজিলের সুপার স্টাররা গত বিশ্বকাপে ফ্লপ মারার পর দুঙ্গা ব্রাজিলের দায়িত্ব নিয়েছিলো। এরপর দুঙ্গা মনোযোগ দিয়েছিলো শুধুমাত্র ফলাফল নিয়ে। তথাকথিত শৈল্পিক খেলার ধারক বাহক স্টার খেলোয়াড়দের ফেলে যারা ফলাফল এনে দিতে পারে তাদের দিয়েই দল সাজিয়েছে। দুই জন ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার নিয়ে ব্রাজিল খেলতে পারে এই ধারনা মারিও জাগালোর ডিফেন্সিভ মিডফিল্ডার দুংগা নিজে ম্যানেজার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করে। আর এজন্যই অনেক ব্রাজিল সমর্থকদেরই ব্রাজিলের খেলা রোবোটিক মনে হয়।

বিস্তারিত»

দুই দাড়িওলা-ফ্রয়েড ও মার্ক্সের গোপন প্রেম ও আমাদের চিঠিঃ পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিকটিকে

জেগে আছে ঝাউপাতা আর সব বাদামী প্রেমিকেরা

এখন তীব্র নীল হয়ে কবির লেখার খোরাক জোগায়

মৃদু আলো জ্বেলে মৌমাছিরা জোনাক সেজেছে

কবিদের কাছে তার প্রিয় আবদার

“মেঘ থেকে জল এনে দাও,ভাত ফোটাই”

অতঃপর দরোজার কাছে অবহেলে পড়ে থাকা পুরোনো জুতো,ময়লা মোজা,ভাঙা ডাস্টবিন ভরা ছুড়ে ফেলা কাগজের দলা,দেয়ালে এটে থাকা ডিম ভরা পেটের কুৎসিত টিকটিকি,পুরোনো বছরের ক্যালেন্ডার আর মাকড়সার জালে অন্ধকার ছাদ,নিচে ঘুণে ধরা কাঠের টেবিলের উপর নিউজপ্রিন্ট কাগজ নিয়ে কবি লিখছেন তার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিকটিকে-

“এসো,আমরা পিঠে পিঠ ঠেকিয়ে বসি

অথবা একটা ট্রেঞ্চ খুড়ে-যে রকমভাবে

যুদ্ধরত সৈনিকেরা শত্রুর মুখোমুখি কাঁধ ঠেকিয়ে দাঁড়ায় সাহসী

অথবা পলিড্যামাস ভাইদের মত-দু’জনে পাশাপাশি সিংহাসনে

মুখ্যত আমরা তো আসলে একজন নারীকে শাসনের ব্যাপারে কথা বলবো

আমার পুরোনো প্রেমিকার নতুন প্রেমিক-অথবা ভৃত্য

আমি কঠিন কবিতা লিখবো না,কবিতার নামে আসলে তোমাকে

একটি ম্যাসেজ পৌছে দিচ্ছি,সহস্র বছরের পূর্বপুরুষেরা যেরকম

আমাদের দিয়ে গেছেন পথনির্দেশিকা,সহজ চলার পথ অথবা

একটি সার্বজনীন মেড ইজি সলিউশান।

বিস্তারিত»

শেষ কথা…

ভ্যাকেশন শেষ!
ভাবতেই কেমন জেন লাগছে, এই ছুটিটা যে কিভাবে শেষ হয়ে গেল…খুব অবাক লাগছে।আবার ফিরে যাচ্ছি সেই চিরচেনা ম.গ.ক.ক এর প্রাঙ্গনে।আমার চিরচেনা হাউস, ডাইনিং হল আর ক্লাসরুমগুলা, কেন যানি বুঝিনা, আমার এতো বড় হয়ে যাবার পর ও কেনো জানি যেতে ইচ্ছা করেনা। আগে মাকে বলতাম, কান্নাকাটি করতাম, এখন তা ও পারিনা।
যা হোক, এবার তো ১২, পড়াশোনা করতে হবে অনেক, ছ্যাঁকা যা খাওয়ার খেয় ফেলছি…আর চাইনা!

বিস্তারিত»

ঐতিহাসিক দিন

আজ থেকে ১৬ বছর আগে।

এই দিনে।
একদল নিরপরাধের জেলের শাস্তি হলো। তারা জানেও না কেনো। কিন্তু আদেশ যেহেতু হলো যেতে তো হবেই।
তাই তারা ভয়ে ভয়ে জেল খানায় গেলো। কিন্তু তারা জানেও না এই জেলখানার সময়টাই তাদের জীবনের সেরা সময় বলে গন্য হবে। মেয়াদ এর পর সবসময় আফসোস হবে এই সময়টার জন্য। এই কয়েদীরাই সবচেয়ে কাছের হবে তাদের জীবনে।
হ্যা,

বিস্তারিত»

স্ট্যান্ডিং এট দ্যা এজ (লাস্ট ডেইজ ইন ক্যাডেট কলেজ)

ক্যাডেট লাইফটা শেষ হয়ে গেল।কাল আমাদের আর্টস এর এক্সাম শেষ হলো।সায়েন্সের শেষ হবে ১৮ তারিখ!এখন খালি মাস্তি আর মাস্তি।এতদিন কলেজে আমরা একা ছিলাম,আগামীকাল কলেজ আসবে।এভাবেই বোধহয় সব শেষ হয়!২৪ তারিখ মনে হয় আমাদের বিদায়!পুরাটা ক্যাডেটলাইফ এত্ত বাজে লাগতো,ইদানিং কেন যেন যেতে ইচ্ছে করে না!আগে ভাবতাম কবে মুক্তি পাবো,এখন মনে হয় না জানি কোথায় গিয়ে পড়ি।সত্যি খুব মায়া লেগে গেছে।এই ব্লক,কম্পিউটার ল্যাবে ফাঁকি দিয়ে বসে থাকা,লাইব্রেরী তে পড়া,রাত ৩ টা ৪ তা পর্যন্ত জেগে কার্ড খেলা,চান্স পেলেই করিডোর ক্রিকেট!ক্যাডেটরা যে কত নতুন নতু খেলা আবিষ্কার করে।ইদানিং প্রতিদিন রাতে টিভি রুমে খেলা দেখতে যাই!সাউন্ড অফ,পয়েন্টে পয়েন্টে গার্ড দাড় করিয়ে খেলা দেখার এই এডভেঞ্চার আর কই পাবো?জীবনে কোনোদিন কাঠাল খাই না বাসায়।গত সপ্তাহে একাই একটা আস্ত কাঠাল শেষ করেছি প্রতিযোগীতা দিয়ে।চুরি করা কাঠাল বলে কথা!এটা কি চুরি?হাউজের সামনে একটা আম গাছে আম নাই!অথচ এই জীবনে আর কোনোদিন গাছ থেকে পেড়ে কাচা আম খাওয়ার আনন্দটাই পাবো না!ক্যাডেট কলেজের প্রতি মায়া গুলোর সোর্স খুব সিম্পল!তবুও একে এড়াই কি ভাবে?

বিস্তারিত»

হোওয়াইট চ্যাপেল এবং ব্রীক লেন আরেক বাংলাদেশ

[৭৫,জেটল্যান্ড স্ট্রীট]

[সেন্ট পিটারস কলেজ,লন্ডন]

এই পর্বে আমাদের বাঙ্গালীদের নিয়ে কিছু কথা বলবো,

আমার জানামতে TIER-4(ইউ কের ইমিগ্রেশন এর নতুন নিয়ম) এ ৭০০০০ হাজার বাঙ্গালী ছাত্র আসে। শুধু বাংলাদেশ থেকেই নয়, দক্ষিণ এশিয়া, চীন, আফ্রীকা থেকে শুরু করে বিভিন্ন দেশের অনেক স্টুডেন্ট এখানে আসে। এত লোক কিন্তু জব এর অর্ধেক ও নাই।

বিস্তারিত»

Band ও আমাদের কিছু কথা

২০০৫ সাল… প্রথম ক্যাডেট কলেজে ক্যাডেট হিসেবে ঢুকেছিলাম। ক্যাডেট হিসেবে বলছি কারণ আমার চাচা ক্যাডেট হওয়ায় এর আগে অনেক বার আমার চাচার Parents day তে গিয়েছিলাম। কাডেট কলেজে যাওয়ার পর ২ বছরের ভেতরে Music, স্পেশালী Band এর প্রতি বেশ আগ্রহী হয়েছি। যখন আমরা ক্লাস নাইনে তখন গীটার শেখা শুরু করলাম… আমাদের কয়েকজনের স্বপ্ন ছিল ICCLMM এ পারফর্ম করব। আমরা সেভাবে আমাদের কাজ চালাতে লাগলাম। এস.এস.সি পরিক্ষার পর ক্লাস ইলেভেন এ আমরা Principal কে Request করে Band Function করতে চাইলাম।

বিস্তারিত»

শহীদলিপির ইতিহাস-১

[ ভূমিকা – কম্পুউটারে বাংলা ব্যাবহারের ইতিহাস জানতে চেয়ে সচলায়তন ও কাডেট কলেজ ব্লগের কিছু সদস্য আমাকে শহীদলিপির ইতিহাস লিখতে অনুরোধ করেছিলো। তাদের অনুরোধেই এই লেখা। কেউ যদি সচলে এই লেখার লিঙ্কটি দিয়ে দেয় তবে বাধিত হবো। ]

১৯৫২ সালে আমার বয়েস ৪/৫ বছর। ফলে ২১শে ফেব্রুয়ারীর কোন স্পষ্ট স্মৃতি নেই। তবে একটু বড় হবার পর থেকে দেখতাম, ঐ দিন খুব ভোরে ছাত্ররা খালি পায়ে হেটে হাতে ফুল নিয়ে স্থানীয় শহীদ মিনারে মিছিল করে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

সেন্ট পিটারস কলেজ,লন্ডন

৭৫,জেটল্যান্ড স্ট্রীট এর পর থেকে…।

ভাইয়ার সাথে বাসায় আসার পর খুব ভালো লাগলো। একটা অন্য ধরণের পরিবেশ। ভাইয়া আছে, ভাবি আছে এবং একটা ছোট্ট মেয়ে আছে। গোসল করে খাওয়া দাওয়া করলাম।
ভাই-ভাবি কিছু নিয়ম কানুন বললো, যেমন- কালোদের নিগ্র বলা যাবেনা ব্ল্যাক বলতে এধরণের কিছু কথাবার্তা। তারপর সন্ধায় বের হলাম এলাকা ঘুরে দেখার জন্য ভাইয়ার সাথে।
গিয়ে আমার মাথা নষ্ট।

বিস্তারিত»

আমার অবিশ্বাসী হয়ে ওঠা এবং একটি কবিতা(কপিরাইট মাহবুব(০০-০৬))

(ইনস্পিরেশন পাইলাম মাহবুব(০০-০৬) এর পোস্ট থিকা)

এই গল্পের শুরু অষ্টম শ্রেণীতে যখন আব্বু আমার জন্মদিনে বাউলমন প্রকাশনীর অনুবাদ “কালের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস” উপহার দিলেন। কার্ল সাগান এই বই এর ভুমিকায় খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি কথা লিখেছিলেন। “এই বইটি হতে পারে ঈশ্বরের অনস্তিত্ব সম্পর্কেও। এই মহাবিশ্বের কোন সীমা নেই এবং ঈশ্বরের কিছুই করার নেই“। আমাকে বইটি প্রচন্ডভাবে আন্দোলিত করেছিল। মহাবিশ্বের উৎপত্তি এবং তার পরিণাম নিয়ে আমি আগ্রহী হয়ে উঠি।

বিস্তারিত»