ফিফটিন মিনিট্স ছবিটির শিরোনাম নেয়া হয়েছে এন্ডি ওয়ারহল (Andy Warhol, বিখ্যাত চিত্রকর, চিত্রপরিচালক) এর ‘15 minutes of fame’ নামক এক হাইপোথিসিস থেকে। সেই ১৯৬৮ সালে তিনি বলেছিলেন, ‘ভবিষ্যতে মানুষ ১৫ মিনিটের মধ্যেই বিশ্ব-নন্দিত (বা নিন্দিত) হয়ে উঠবে’। তাঁর কথা বিশেষ করে বিনোদন বা মিডিয়া জগত, যেমন রিয়ালিটি টিভি প্রোগামের ক্ষেত্রে খুবই প্রযোজ্য। এছাড়া ইন্টারনেটের কল্যানেও আজকাল অতি অল্প সময়ের মধ্যে অনেকেই বিখ্যাত বা কুখ্যাত হয়ে যাচ্ছেন।
বিস্তারিত»আমার প্রেমিকারা-১০
মেয়ে পটাতে আমার গুরুর উপদেশ শিরোধার্য কারন তা পরীক্ষিতভাবেই অব্যর্থ। তিনি আমাকে সবসময়ই উপদেশ দিয়ে গেলেন-হয় টাকা খরচ কর তা না থাকলে সময় খরচ কর!এই দুই জিনিষ থাকলেই হবে,আর কিচ্ছু লাগবেনা।আমি বলি,গুরু বাদ আর রাখলেন কি?
তবে তাতে ঝুঁকি আছে ঢের, টাকা কিংবা সময় এই দুটোর বিনিয়োগই যে মুনাফার নিশ্চয়তা দেবে এমনটি কিন্তু নয়।সব বিনিয়োগের মত এটাও একি শর্ত মেনে চলে,মুনাফা প্রাপ্তির সম্ভাবনার আধিক্য যত বাড়বে,ঝুঁকি ও সমান তালে বেড়ে চলবে।
বিস্তারিত»আমার চারপাশ ০৪
আজকে সকালটা শুরু হল বৃষ্টি দিয়ে। ভোরে প্রচন্ড শব্দে একটা বাজ পরল, তখন প্রায় ছয়টা বাজে। বাজের শব্দ আর ঠান্ডা বাতাস এই দুইয়ে মিলে ঘুম ভেঙ্গে গেল। রাতে ঘুমিয়েছি অনেক দেরীতে তাই এই ঠান্ডা ঠান্ডা বৃষ্টি মুখর পরিবেশে আবার ঘুম। দারুন ঘুম। ঘুমানোর সময় একটা স্বপ্ন দেখলাম। কলেজ নিয়ে। কলেজে থাকতে সকাল বেলা বৃষ্টি ছিল সবার বহু প্রতিক্ষীত কিন্তু তার দেখা পাওয়া যেত ভোর বেলা কদাচিত।
বিস্তারিত»এক্স ক্যাডেট লাইফের প্রথম কবিতাঃ বৃষ্টি ও প্রেম ১
সেই পুতঃ প্রেম সাগর দোলায়
সেই পুতঃ প্রেম জানলা খোলায়
গ্রীলে ঠেকে মুখ,সে এসে দাঁড়ায়
বৃষ্টি ছুঁতে সে দু’হাত বাড়ায়
দু’হাত বাড়িয়ে জল ছুঁতে চায়
বৃষ্টিস্নাত প্রেম ছুঁতে চায়
বৃষ্টি জলের ঘূর্ণিমায়ায়
আজ কেন সে নীল ছুঁতে চায়!
জলে ভেজে গাল,কেন সে হাসে
জল চুমু খায় জানালার পাশে
তার ঠোঁটে হাতে জল ছুঁয়ে যায়
বৃষ্টির প্রেমে নীল ধূয়ে যায়
জলে ভিজে যেতে দুহাত বাড়ায়
কী নিবিড় হাসি চোখের তারায়!
আয় আরেকটি বার আয়রে সখা, প্রাণের মাঝে (০২)
আয় আরেকটি বার আয়রে সখা, প্রাণের মাঝে (০১)
১।
২০০০ সাল। আমরা ক্লাস ১১ এ পড়ি। বই খাতা কিনে নিয়ে যাইনি কলেজে তাই পড়ালেখা না করার অজুহাত আপনা থেকেই তৈরি। স্যারদের চক্ষুশূল আমরা তখন। একেতো রেজাল্ট খারাপ হয়েছে এসএসসিতে তার উওর ১১ এ উঠলে যা হয় ব্যাচের ডিসিপ্লিন ও ভাল না। তখনই একটা খুব হাইফাই খবর পেয়ে মন নেচে উঠল। এসএসসিতে স্ট্যান্ড করা সবাইকে হেডকোয়ার্টার থেকে সংবর্ধনা দিবে তাও গার্লস ক্যাডেট কলেজে,
বন্ধ হওয়ার পরও পিসি তে ফেসবুক ইউজ করা এবং ফুল ফেসবুক সাপোর্ট এর উপায়
বন্ধ হওয়ার পরও পিসি তে ফেসবুক ইউজ করা এবং ফুল ফেসবুক সাপোর্ট এর উপায় :
যা করতে হবে তা হলঃ নিচে freegate সফটওয়ার এর লিঙ্ক দিয়েছি,ওটা ডাউনলোড করে নিন।তারপর জাস্ট freegate ক্লিক করে ওপেন করুন।এরপর সরাসরি ইন্টারনেট ব্রাউজার বা গুগল ক্রোম ওপেন করে জম্পেস ভাবে ফেসবুক ইউজ করুন।কিন্তু যারা মজিলা ফায়ারফক্স ইউজ করছেন তারা অপশন এ গিয়ে ইন্টারনেট সেটিংস চেঞ্জ করুন এবং “use proxy”অপশন সিলেক্ট করে “ok”.freegate হয়তো নতুন ভার্সন আসলে তা নিজে থেকেই আপডেট হবে।
বিস্তারিত»আমার ফেসবুকিং আটকায় কে??
সরকার ফেসবুক বন্ধ করসে খুব ভাল করসে!পোলাপাইনের কাম নাই-কাজ নাই…সারাদিন এই ফাউল সাইটে বইসা গ্যাজায়!শুধুশুধু সময়ের অপচয়…এই কথা আমিও বিশ্বাস করি।কিন্তু ফেসবুক ছাড়া আর কোথাও শান্তি পাই না!কলেজ থেকে বের হইসি গত ২৪ তারিখ,পোলাপাইনরে খুব মিস করি!তবু খুব মজা লাগে সবাই ফেসবুকে দেখা সাক্ষাত করতে!কিন্তু কী থেকে কী হলো সন্ধ্যা থেকে ঢুক্তে পারতেসি না…প্রথমে বুঝি নাই কাহিনী কি!বুঝলাম সামুতে ঢুকে।তখন থেকেই হাজার হাজার পোস্ট কেমনে এফবি তে ঢোকা যায়!এর মধ্যে সবচেয়ে ইজি প্রসেস আসতে রাত ২ টা বাজছে।খালি এক সেকেন্ডের মামলা…http এর পর খালি একটা s বসায়া দেন!মানে এড্রেসটা হবে https://www.facebook.com …এই তো!আমি ফেসবুকে ঢুকসিলাম বাট মজা নাইক্কা!কজ পোলাপাইনই নাই।ওরা তো আর জানে না…মোবাইল দিয়া ঢোকে কিছু পাবলিক আছে…যাই হোক যারা ফেসবুক মিস করতেসেন ……আসেন…সরকার তো ফেসবুক আটকাইতে চায়…কিন্তু এইটা তো আর ক্যাডেট কলেজ না।আর ক্যাডেটদের আটকানো যায় নাকি?…চামে আমার প্রোফাইলটাও দিয়ে দেই…পারলে একটা রিকোয়েস্ট মাইরেন!
বিস্তারিত»সাময়িক পোস্টঃ ফেসবুক বন্ধ
স্মৃতির বিশ্বকাপ-২
(বিশ্বকাপের স্মৃতি নিয়ে সিরিজ শুরু করে এখন হালকা বিপদে পড়ে গেছি, ১১ই জুন দ্রুত কাছে চলে আসছে, তার আগে আরো ৪টি বিশ্বকাপ কভার করতে হবে, আজ ১৯৯৪ দিয়ে দিলাম, আশা করি বাকি তিনটেও ডেটলাইনের আগেই দিতে পারবো।)
১৯৯৪ (ইউএসএ)![]()
সত্যিকার ভাবে বিশ্বকাপ উপভোগ করা শুরু করেছি ১৯৯৪ এর বিশ্বকাপ থেকে। টুর্নামেন্ট শুরুর জন্য দিন গোনা,
বিস্তারিত»এক কিপটে বালকের গল্প
এক ছিল বালক। আপন খেয়ালে সে ঘুরে বেড়াত মাঠ-ঘাট, বন প্রান্তরে। একটু কিপটে ছিল, তবে তাতে তেমন কোন দোষ দেখি না। তার চোখ জুড়ে ছিল অসম্ভব কল্পনার রঙ। কিপটুস হলেও মনটা ছিলো ভালোবাসায় ভরপুর। মাঝে মাঝেই সে বলতো, এ ভালোবাসা আমি কাউকে দেবো না, কেবল নিজের বুকপকেটেই হুড়কো তুলে আটকে রাখবো। যদিও বালক নিজেও বুঝতে পারেনি, কোন এক চন্দ্রাহত রাতে মায়ার বাতাসে উড়ে বুকপকেটের ভালোবাসাটুকু ভাগাভাগি হয়ে জমা পড়েছে অন্য কিছু মানুষের মনে।
বিস্তারিত»আমি আর তুমি = আমরা
আজাদ ভাইয়ের পোস্ট দেখে আমার মনে পড়ে গেল যে ছোটবেলায় এরকম কিছু ছন্দ আমিও শুনেছিলাম। আজ আর কিছু লাগিয়ে দিলাম…….
আমি ছেলে তুমি মেয়ে
আমি কাজি তুমি বিয়ে।
আমি আয়না তুমি চিরুনি
আমি পোলাও তুমি বিরিয়ানি ।
আমি বাড়ী তুমি ঘর
আমি নদী তুমি চর ।
আমি চেয়ার তুমি টেবিল
আমি ডিজেল তুমি মবিল।
আমি ভাল তুমি পাগল
আমি গরু তুমি ছাগল।
কালপুরুষ
ক্লাস এইটে থাকার সময় হঠাৎ করে আমাদের ব্যাচের আকাশে ধূমকেতুর মত কতিপয় মহান কবির আবির্ভাব হল। তারা একেক জন একেক ডাইমেনশনের কবিতা লিখে বাংলার কাব্যকে সমৃদ্ধ করেছিলেন। এদের মধ্যে রাসেল ছিল চারন কবি। যেকোনো বিষয় নিয়ে যেকোনো সময়ে খাতা কলমের ধার না ধেরে চোখের নিমিষে কাব্য রচনা করতে পারত আমাদের এই চারন কবি। জামান এবং হাসান ছিল সত্যেন্দ্রনাথ ঘরানার কবি, ছন্দ না মিলিয়ে তারা কোনো লাইন লেখাকে কবিতার অবমাননা মনে করত।
বিস্তারিত»ফুটবল লিজেন্ড —— দ্য ব্ল্যাক পার্ল
বিশ্বকাপ নিয়ে একটা লেখা শুরু করেছিলাম। এর মধ্যে দেখি আহসান স্মৃতির বিশ্বকাপ নিয়ে একটা সিরিজ শুরু করে দিয়েছে। ঠিক করেছি আমার লেখাটা ভেঙ্গে ভেঙ্গে ওর লেখাতে কমেন্ট হিসেবে দিয়ে দেবো। ফুটবল নিয়ে কি লেখা যায় চিন্তা করতে করতে মাথায় এলো, ফুটবলারদের নিয়ে লেখি। “ফুটবলার” বললেই সবার মনে প্রথমে ভেসে আসে পেলে বা ম্যারাডোনার নাম। কিন্তু এরা ছাড়াও আরোও যারা ফুটবল শিল্পী ছিলেন বা আছেন তাদের নিয়ে একটা “দশে মিলে করি সিরিজ”
বিস্তারিত»গন্তব্য বেইজিং
“জ্ঞান অর্জনের জন্য সূদুর চীন দেশেও যাও।” এই কথা মেনে চীন এ সরকারী একটা কোর্সে এসেছি ৫ মাসের জন্য। এই কোর্সের সময়ের ঘটনা নিয়ে লেখার ইচ্ছা অনেকদিন ধরে থাকলেও লিখব লিখব করে লেখা হয় নাই। যদিও আমার লেখা সুখপাঠ্য তো নয়ই এমনকি পাঠযোগ্য ও নয়। তারপরও আপনাদের সাথে শেয়ার করছি।
কবীরকে যখন ফোন এবং মেইল এ চায়না আসার পর আমার অনুভূতি জানালাম; তখন ও বলল,
বিস্তারিত»