নূপুর কাব্য -১

(বুকের মধ্যে হলুদ একটা, পাতার দীর্ঘশ্বাস)


রেলিং এ তোমাকে দেখেই কিনা,
ঈশান কোনের কালো মেঘটা হুড়মুড়িয়ে ছুটে এসে,
হলুদ রোদকে হটিয়ে দিয়ে
ঝুমঝুমিয়ে ভিজিয়ে দিল।

কিংবা তোমার ভেংচি দেখেই,
হঠাৎ করে পালিয়ে গেল।

বৃস্টিটুকু হতে পারলে, দারুন হত।
দারুন হত।


বাতাসের ঝাপটায় বারবার উড়ে যাচ্ছিল তোমার চুল।
দস্যি জানালাটাও এমন,
বন্ধই হচ্ছিল না পুরোপুরি।
এলোমেলো তুমি,
বারংবার কন্ট্রাকটর কে ডাকছিলে।

ইস, চাকুরীও এমন হয় কখনো !

২,৪৭২ বার দেখা হয়েছে

৩১ টি মন্তব্য : “নূপুর কাব্য -১”

  1. সামিয়া (৯৯-০৫)

    senior manus re nam dhore daklen?? lagaitesi giye..

    বাতাসের ঝাপটায় বারবার উড়ে যাচ্ছিল তোমার চুল।
    দস্যি জানালাটাও এমন,
    বন্ধই হচ্ছিল না পুরোপুরি।
    এলোমেলো তুমি,
    বারংবার কন্ট্রাকটর কে ডাকছিলে।

    ইস, চাকুরীও এমন হয় কখনো !

    lady engineer?? :dreamy:

    জবাব দিন
  2. ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

    আচ্ছা আমি কিছু বুঝতেছিনা ক্যান? ্মনে হয় এইটা খুব হাই থটের কবিতা।
    প্রথম কবিতাটা
    ১ম প্যারাঃ বৃষ্টি হলো
    ২য় প্যারাঃ বৃষ্টি পালিয়ে গেল - মানে হলো না
    ৩য় প্যারাঃ হতে পারলে মানে বৃষ্টি হয় নাই।
    সারমর্ম ঃপ্রেমিক ঘোলা চোখে আবোল তাবোল ভাবতেছে আর দেখতেছে।


    “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
    ― Mahatma Gandhi

    জবাব দিন
    • এহসান (৮৯-৯৫)

      ওয়াহিদা নূর আফজা... আপনার কমেন্টে সুপার লাইক... 🙂

      আর ফয়েজ ভাই... দুই নম্বর কবিতাটা অনেক সহজ, ভালো লেগেছে। মজাও লেগেছে। ইদানীং অনেক বৃষ্টি হচ্ছে... ঝুম বৃষ্টি... বৃষ্টিতে খুব ভিজতে ইচ্ছে করে। কেনো যে ভিজি না... বুঝিও না।

      জবাব দিন
      • ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

        ওই তুমি আমারে আপা - আপু কিছু বলো নাই কেন? ভুলে গেছ এইটা ক্যাডে্ট কলেজ ব্লগ? দশটা ফ্রন্টরোল লাগাও। (কপি রাইটঃ সামিয়া)


        “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
        ― Mahatma Gandhi

        জবাব দিন
        • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

          @ আপু,

          ব্যাপারটা আসলে জটিল নয় মোটেই, প্রেমিক-প্রেমিকা গল্প করছিল ইশারায়, একজন ছাদের রেলিং হেলান দিয়ে আরেকজন নীচে, রাস্তায়, হটাৎ করে বৃস্টি আসায় মেয়েটা দৌড়ে বাসায় চলে যায়, একটু পরেই আবার রোদ উঠে, কিন্তু মেয়েটা আর আসে না। তখন প্রেমিক ভাবছে বৃস্টিটুকু হয়ে তাঁর গায়ের উপর ঝরে পড়লেও ভালো হত, অন্ততঃ ছুয়ে দেখাতো যেত। 🙂

          আপনি মহা টিউব লাইট, আপনার স্তাবক যারা আপনার আশেপাশে ঘুর ঘুর করেছিল তাদের কথা আপনি নিশ্চয়ই বুঝতে পারেননি, তাদের জন্য আমার সমবেদনা জানিয়ে গেলাম। 🙂

          এহসানকে আর পাবেন কিনা, খুব ব্যস্ত থাকে, ডিগবাজী দেবার টাইম নেই।

          @ এহসান,

          আমি কিন্তু ভিজেছি, অনেকবার। 😀


          পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

          জবাব দিন
          • ওয়াহিদা নূর আফজা (৮৫-৯১)

            যে কারণে কবিতা বুঝি কম - কবিরা দু লাইন লেখে আর তিন লাইন লুকিয়ে রাখে। কবিতা পাঠকরা কবির মাইন্ড রিডার না হলে সে কবিতা বোঝে না। এই কবির মাইন্ড রিডাররা আমার কাছে রীতিমতো বিস্ময়!

            স্তাবক যে কী পাওয়ারফুল তা হাসিনা-খালেদাকে দেখে বুঝছি। এক চান্সে প্রধানমন্ত্রী। আমাদের মতো আমজনতা যাদের স্বামী-বাপের জোর নাই তাদের কাছে স্তাবক হচ্ছে গরীবকে নীলহাতি উপহার দেবার মতো।

            তবে তুমি কবি মানুষ - তোমার স্তাবক বাড়লে কবিতাও বাড়তে থাকবে।


            “Happiness is when what you think, what you say, and what you do are in harmony.”
            ― Mahatma Gandhi

            জবাব দিন
            • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

              আপনার শেষ লাইনটা, যেহেতু এক্সক্লুসিভ আমাকে নিয়ে, তাই মজাও পেলাম অনেক। 🙂

              না আপু, আমার স্তাবক নেই কোন, বয়সও হয়ে গিয়েছে অনেক। আর আমাকে কবি বলে আমাকে লজ্জাতেই ফেললেন। মনের আনন্দের জন্য লিখি, ঈদানীং রুটি-রুজি টেনশানে লিখতেও পারি না সময়ও পাই না।

              সিসিবি একটা হাঁফ ছাড়ার জায়গা হয়ে আছে।


              পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

              জবাব দিন
  3. আহসান আকাশ (৯৬-০২)

    প্রথম টা বুঝি নাই 🙁

    ২য়টা বুঝছি, দারুন লাগলো 😀


    আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, করি বাংলায় হাহাকার
    আমি সব দেখে শুনে, ক্ষেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার ৷

    জবাব দিন
  4. সাইফুল (৯২-৯৮)

    ফয়েজ ভাই,

    কবিতাগুলো আপনার ব্যাখ্যার আগে কয়েকবার পড়েছিলাম। তখন ২য় কবিতাটার গ্রাউন্ড গেস করতে পারছিলাম। প্রথমটা উপর দিয়ে গেছিল হালকা। ব্যাখ্যার পর পানির মত ক্লীয়ার...

    ভাল লাগছে... :boss:

    জবাব দিন
  5. ওবায়দুল্লাহ (১৯৮৮-১৯৯৪)

    সুপ্রিয় ফয়েজ ভাই,
    সালাম।
    অনেক দিন আপনারে অনলাইন পাইয়া ঢু মারলাম।
    অফিস ছুটির আগে এরকম কিছুই চাচ্ছিলাম।
    নুপুরের ছন্দ টাইপ। :clap:

    বৃষ্টি এবং কন্ডাক্টর এর পর আমি অপর একটি ইচ্ছার প্রস্তাব রাখিতেছি এখানে। আমি ককবাজার যাবার কথা বলায় মনে পড়ল। (এতে সম্পাদক দায়ী নই। 😛 )
    সে অনেককাল আগেকার কথা। আমার খুব ভাল একজন বন্ধু। তাহার চেহারা শান্তশিষ্ট হইলেও সময় সময় সে উক্তি করিয়া দুনিয়া পাথরাইয়া ফেলিত।
    ক্লাসের ব্রেকে আমরা কলেজের লাইব্রেরীতে বসিয়া আছি । সে ইংরেজী একটা ইংরেজী ম্যাগাজিন দেখিতেছিল। ম্যাগাজিনের ভেতরে একটা পাতায় দামী ঘড়ির বিজ্ঞাপনে নামী একজন মডেল সাঁতার পোশাকে সমুদ্র সৈকতে ফ্রেমে বন্দী। পিছনে নীল আকাশ - ফেনিল সমুদ্র। ঘড়ি পড়ে আকর্ষনীয়া মডেল বালুকারাশির সাথে কি যেন খুনসুটি করিতেছে। তার শরীরে চিক চিক করিতেছে বালি। এই দৃশ্য অনেকক্ষন অবলোকন করিয়া সে দীর্ঘশ্বাস ফেলিয়া কহিয়া উঠিল - ইশশিরে ! আমি কেন বালি হইলাম না !!
    :bash: (সম্পাদিত)


    সৈয়দ সাফী

    জবাব দিন
    • ফয়েজ (৮৭-৯৩)

      😀 😀

      btw, পানি হইতে পারলে আরও মারাত্মক হইতো, কি কও ।

      তোমার চিঠিখানি পড়িয়া অন্তরে পুলক অনুভব করিলাম। হৃদয় কিসের তাড়নায় যেন ছলকাইয়া উঠিল। 😛

      তোমার শান্ত বন্ধুকে শহীদ কাদরী ন্যায় সশস্ত্র সালাম জানাইলাম ::salute::


      পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

      জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।