শুরু হলো অগ্রযাত্রা ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’-এর

The Launching Ceremony of The ‘Forum of Young Professionals’

দেশের তরুণ পেশাজীবিদেরকে নিয়ে শুরু হলো অগ্রযাত্রা নতুন সংগঠন ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’-এর। গত ২৬ জুন, ২০১৩ বিকালে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স হলে এই নতুন সংগঠনটি আত্মপ্রকাশ করে। ইটিভি সহ দেশের অনেক ইলেকট্রনিক মিডিয়া এই সংবাদ প্রচার করেছে। এছাড়া বিভিন্ন পত্র-পত্রিকাও নিজস্ব প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। তার একটি এখানে শেয়ার করা হলো।

প্রবীণ আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল-হক বলেছেন, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কাজ হচ্ছে টেন্ডারবাজি করা। তারা এখন টেন্ডারলীগে পরিণত হয়েছে। এ যুবকদের গোলাগুলি বন্ধ করে দেশের জন্য কাজ করা প্রয়োজন।
বুধবার বিকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের কনফারেন্স লাউঞ্জে ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’–এর আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার রফিক-উল হক এ ফর্মুলা দেন।
তিনি বলেন, দেশের প্রধান দুই নেত্রীই গণতন্ত্রের কথা বলেন। তাদের উদ্দেশ্য কি- তা জানতে দু’জনকে বঙ্গবন্ধু সম্মেলন কেন্দ্রে মিডিয়ার সামনে বসান। তখন দু’জনকে প্রশ্ন করলেই বোঝা যাবে- আসলেই তারা সত্যিকারের গণতন্ত্র চান কিনা।
তরুণ সংসদ সদস্য পার্থ ও পুলকের কথা উল্লেখ করে রফিক-উল হক বলেন, তাদের মতো যুবক এমপির ভালো কাজের জন্য এগিয়ে আসা প্রয়োজন।
একজনের দুইবার রাষ্ট্রপতি না হওয়ার বিধান রয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বেলায়ও এমন বিধান থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন এ প্রবীণ আইনজীবী।
দেশের কেউ নিরপেক্ষ নয় দাবি করে তিনি বলেন, দেশে থেকে কখনো অরাজনৈতিক হওয়া যায় না। কোনো না কোনো দলের পক্ষে সাপোর্ট থাকবেই। তবুও ভালো কিছু করতে হবে দেশের স্বার্থে।
যুবকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, কোনো কাজ করার আগে সে কাজ সম্পর্কে ভালো করে জেনে নিন। তাহলে দেখবেন, আপনাকে টাকার পেছনে নয়- টাকাই আপনার পেছনে ছুটবে।
সংগঠনের সভাপতি ডা. রমিত আজাদের সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন দৈনিক আমাদের অর্থনীতির সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ সরকার, সৈয়দ আবিদুর রহমান প্রমুখ। – See more at: http://71.18.217.100/?p=12768#sthash.HZAArpMx.dpuf

সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা সিলেট ক্যাডেট কলেজের ১৪ তম ব্যাচের সৈয়দ আবিদুর রহমান। তিনি বর্তমানে মালেশিয়ায় পি, এইচ, ডি, ডিগ্রী প্রাপ্তির জন্য গবেষণা করছেন।

‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’ নামক সংগঠনটির লক্ষ্য, উদ্দ্যেশ্য ও প্রতিষ্ঠার ইতিহাস সংক্ষেপে তুলে ধরেন সংগঠনটির সভাপতি ডঃ রমিত আজাদ। সভাপতির পূর্ণ বক্তব্য এখানে তুলে দেয়া হলো।

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
সম্মানিত অতিথিবৃন্দ, উপস্থিত ভদ্রমহিলা ও ভদ্রমহোদয়গণ এবং সমবেত সুধীমন্ডলী, আমাদের এই সংগঠন ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালসের’ পক্ষ থেকে আপনাদের সকলের প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা। আসসালামু আলাইকুম। আপনারা অনেক কষ্ট করে স্ব স্ব মূল্যবান সময় নষ্ট করে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছেন, আপনাদের সকলের কাছে আমরা কৃতজ্ঞ। আপনাদের অনুমতিক্রমে ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালসের’ পক্ষ থেকে আমি আমার বক্তব্য শুরু করছি।

একথা সবাই স্বীকার করবেন যে, একটি জাতি গঠনে তরুণ প্রজন্ম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। সেই প্রাচীন সভ্যতার যুগ থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত যে কোন সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আন্দোলনে তরুনরাই ছিলো মূল চালিকা শক্তি, প্রথম সারির সৈনিক। প্রাচীন গ্রীসের খ্যাতিমান চিন্তাবিদ ও মহাজ্ঞানী দার্শনিক সক্রেটিসের অনুসারীরা মূলতঃ ছিলো তরুণ সমাজ। পরবর্তিতেও সমাজ ও রাষ্ট্রের নতুন ও মহতী উদ্যোগগুলোতে সর্বাগ্রে প্রচন্ড উদ্যম ও সাহস নিয়ে এগিয়ে এসেছে যুব সমাজ। এই আমাদের দেশেই তরুণরা এক সময় বিপ্লব করেছে ও বৃটিশ বিরোধী আন্দোলন করে হটিয়ে দিয়েছিল দুশো বছরের গ্লানি। এই তরুণরাই আন্দোলন করে রক্ষা করেছিল ভাষার মর্যাদা। যার জ্বলজ্বলে স্বাক্ষর হয়ে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে শহীদ মিণার। মুক্তিযুদ্ধের সেই উত্তাল দিনুলোতে, অজস্র তরুণ কি অসীম সাহসিকতা নিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করেছিলো! শত্রুপক্ষ বরাবরই বলতো “বাঙালী মার্শাল রেস না”। ২৫শে মার্চের পরপরই যখন লক্ষ লক্ষ তরুণ লুঙ্গি পরে হাটু কাদায় দাঁড়িয়ে অস্র হাতে প্রশিক্ষন নিতে শুরু করল, বাঙালীর এই রাতারাতি মার্শাল রেস হয়ে যাওয়া দেখে পাকিস্তানি শাসক চক্র রিতিমতভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পড়ে। এই তরুণদেরই অবদান আমাদের আনন্দ-বেদনার মহাকাব্য ‘৭১-এর মহান বিজয়ের পর্বত হয়ে দাঁড়িয়ে আছে জাতীয় স্মৃতিসৌধ। স্বৈরাচারী এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে তরুণদের অবদান তো আমাদের স্মৃতিতে এখনও অম্লান।

আমাদের দেশে বর্তমানে সাড়ে চার কোটি মানুষ ২৫ থেকে ৪৫ বৎসর বয়সের মধ্যে। এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ পেশাজীবি। কয়েক বৎসর আগে আমরা লক্ষ্য করেছিলাম যে, এই বিশাল তরুণ পেশাদাররা নিজেদের কাজ নিয়ে বড় বেশী ব্যস্ত, জাতীয় স্বার্থ সংশ্লিস্ট কোন বিষয়ে তাদের তেমন একটা আগ্রহ নেই। এমনকি তরুণদের একাংশ চাঁদাবাজি, মারামারি, সন্ত্রাস ও নানাবিধ অপরাধে জড়িত রয়েছে, যা দেখে হতাশ না হয়ে পারা যায়না। আবার পাশাপাশি একদল তরুণকে দেখা যায় অত্যন্ত উদ্যমি, মেধাবী ও সৃজনশীল। এসময় আমরা একদল তরুণ পেশাজীবি ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস’ প্রতিষ্ঠা করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করি। যার মূল উদ্দেশ্য হবে সমাজের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশের মধ্যে এমনভাবে সচেতনতা সৃষ্টি করা যাতে তারা ধ্বংসাত্মক পথ পরিত্যাগ করে স্বতস্ফুর্তভাবে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে।

আমাদের এই মহতি উদ্যোগ অনেকেই স্বাদরে গ্রহন করে এবং তাদের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়। আমাদের চারদিকে ভীড় জমানো অজস্র তরুণ পেশাজীবিদের দক্ষতা, উদ্যম , উৎসাহ ও দেশপ্রেম দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি ও সাহস সঞ্চয় করেছি। তাদের সকলের ভালোবাসা, পরামর্শ ও সহযোগীতা পেলে এবং অগ্রজদের পৃষ্ঠপোষকতা ও উপদেশ পেলে আমরা এই সংগঠনটির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারবো বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।

ক্ষেত্রফলের দিক থেকে ছোট হলেও জনসংখ্যার হিসাবে বিশাল আমাদের এই বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থেই সম্ভাবনাময়। ভৌগলিক অবস্থানের নাজুকতা ও জনসংখ্যার বিশালত্ব নিয়ে অনেকেই অনেক সময় হতাশা প্রকাশ করলেও আমরা মনে করি যে সকলে মিলে যদি এগিয়ে যাওয়ার সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য স্থির করি তাহলে আমাদের অগ্রগতি কেই বাধাগ্রস্ত করতে পারবে না। হতাশা নয় বরং সাহসে বুক বেধে এগিয়ে চলার মত যথেষ্ট পুঁজি আমাদের রয়েছে। আমাদের রয়েছে একটি গৌরবময় ইতিহাস। আসুন একটু পিছনে ফিরে দেখি। আজকের এই দরিদ্র বাংলাদেশই একসময় ছিলো বিশ্বের সমৃদ্ধিশালী দেশগুলোর অন্যতম। দর্শন থেকে শুরু করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি পর্যন্ত সর্বক্ষেত্রেই আমাদের পূর্বপুরুষদের অবদান বিশ্বব্যাপি স্বীকৃত।

আমাদেরই ভূমিপুত্র মহাজ্ঞানী অতীশ দীপংকর বৌদ্ধ দর্শনের আলো ছড়িয়ে দিয়েছিলেন এশিয়ার সর্বত্র। মার্শাল আর্টের জনক বোধিধর্ম আমাদেরই পুর্বপুরুষদের একজন। এদেশেরই সন্তান শ্রীধর প্রথম সফলভাবে সমাধান করেছিলেন দ্বিঘাত সমীকরন এবং প্রান্জলভাব প্রকাশ করেছিলেন বীজগণিতের ব্যবহারিক প্রয়োগ। নবাব আলিবর্দি ও সিরাজউদ্দৌলার দরবারের খ্যাতিমান দার্শনিক মুহাম্মদ আলী ফাজিল ও হেকিম হাদি আলি খান দর্শন ও চিকিৎসা শাস্ত্রে এতই পন্ডিত ছিলেন যে তাদেরকে বলা হতো সে যুগের প্লেটো ও গ্যালেন। বাংলার জাহাজ নির্মাণ প্রকৌশল, মেটালার্জি থেকে শুরু করে ইতিহাস খ্যাত ঢাকাই মসলিন পর্যন্ত নানাবিধ প্রযুক্তির শুনাম ছিলো বিশ্বজোড়া।আমাদের অতীত সাফল্যের পুরো ইতিহাস এই ক্ষুদ্র বক্তৃতার পরিসরে তুলে ধরা সম্ভব নয়। নবাব আলিবর্দি খানের দরবারের অলংকার গোলাম হোসেন তাবাতাবাই-য়ের সচিত বিখ্যাত ইতিহাস গ্রন্থ ‘সিয়ার-উল-মুতাক্ষেরিণ’ পাঠ করলে আমাদের ঐতিহ্যময় বাংলার অনেক সাফল্যের কথাই জানা যাবে।

এক কথাই বলবো যে, আমাদের রয়েছে আড়াই হাজার বছরের পুরাতন বর্ণমালা। আমাদের গণিতবিদদের সৃস্ট দশমিক পদ্ধতি আজ সমগ্র বিশ্বে গণিতের আলো ছড়িয়ে দিয়েছে। এই কারণেই আমাদের জাতীয় নেতা হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী বলেছিলেন, “একথা সত্য যে, ইংরেজদের পাশবিক শক্তির কাছে আমরা হার মানতে বাধ্য হয়েছি, কিন্তু সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যগত গুনাগুন বিচার করলে আমরা তাদের চাইতে কোন অংশেই কম নই।”

এখন প্রশ্ন উঠতে পারে যে, এত সমৃদ্ধ কালচারাল ও স্পিরিচুয়াল হেরিটেজ নিয়েও আজ আমরা বিশ্বদরবারে কাঙ্খিত স্থান পেতে ব্যর্থ হয়েছি কেনো? এ নিয়ে ইতিহাসবিদদের নানা তত্ত্ব রয়েছে। তবে একটা বড় কারণ, আমরা আমাদের গৌরবময় ঐতিহ্য দিয়ে যথাযথভাবে অনুপ্রাণিত হয়ে আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারিনি আর বিভিন্ন সময়ে জাতীয় লক্ষ্য অর্জনে নানাভাবে বাধাগ্রস্ত হয়েছি। এসব কারণেই আমরা হতদরিদ্র পশ্চাদপদ।

তাই বলে মনোবল হারালে চলবে না। যে দেশের তরুণরা ভাষা আন্দোলন করেছে, যে দেশের তরুণরা মুক্তিযুদ্ধ করেছে সেই দেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে আমাকে বলতেই হবে যে, এ’ দেশের তরুণদের মধ্যে নৈতিকতা ও দেশাত্মবোধ প্রবল। কিছুদিন আগেও আমার মনে হয়েছিলো, ইদানিং এই দেশাত্মবোধে ভাটা পড়তে শুরু করেছে। কিন্তু গত মে মাসের সাভারের রানা প্লাজার ট্রাজেডিতে স্বেচ্ছাসেবী তরুণরা যেভাবে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো তার প্রশংসাই শুধু করবো না। আমি বলবো এই শোক শক্তি হয়ে দেশের মানুষের মনে নতুন সাহসের সঞ্চার করেছে।

আমরা বিভিন্ন সময় পত্র-পত্রিকায় বাংলাদেশী তরুণ-তরুণিদের দেশে ও বিদেশে সাফল্যের সংবাদ পাই। কম্পিউটার প্রযুক্তি থেকে শুরু করে গবেষণা ও সৃজনশীল কর্মে তাদের এই অর্জন নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। সম্প্রতি ম্যাগসাই পদক পেয়েছেন এই দেশেরই তরুণ প্রজন্মের একজন পেশাজীবি। আজ আমাদের সাহসী তরুন-তরুণীরা দুর্গম হিমালয় অতিক্রম করে পা রেখেছে এভারেস্ট শৃঙ্গে, জয় করেছে দক্ষিণ মেরু । এই সব সাফল্য নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ক। একসময় এদেশ থেকে যে পরিমান মেধা পাচার হতো তা এখন অনেকাংশেই কমে এসেছে। এমনকি দেশে ফিরে আসার প্রবনতাও বেড়েছে। যারা দেশে রয়েছেন এবং প্রবাসী যারা ফিরে আসছেন তাদের কাজের একটি সুষ্ঠু পরিবেশ দেশে প্রতিষ্ঠা করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। আমরা মনে করি ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনালস্ সেই দায়িত্ব পালনে বিশেষ ভূমিকা রাখতে পারবে।

সেই অসম সাহস সেই পর্বত প্রমাণ মনোবল নতুন প্রাণের সঞ্চার করুক বাংলাদেশের তরুণদের মাঝে। দূর হোক দুর্র্নীতি, হতাশা, গ্লানি, অমঙ্গল। আর একবার জয় হোক বাংলার অপরাজেয় তারুণ্যের।

দরিদ্র দরিদ্র থাকবে না পশ্চাদপদ পশ্চাদপদ থাকবে না। আমরা স্বপ্ন দেখি, আমরা স্বপ্ন দেখি একটি সুখী সমৃদ্ধ বাংলাদেশের। তবে স্বপ্ন যেন কেবল স্বপ্নই না থেকে বাস্তবে রূপ নেয় সেই লক্ষ্যে কাজ করার জন্য আমরা প্রতিষ্ঠা করেছি ‘ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনাল্স’। আমাদের চলার পথ মসৃন হবে না জানি। তবুও পথ চলবো। চলুন এগিয়ে যাই।

এতক্ষণ ধৈর্য্য ধরে আমার বক্তব্য শোনার জন্য আপনাদের সকলকে ধন্যবাদ।

ডঃ রমিত আজাদ
সভাপতি
ফোরাম অব ইয়াং প্রফেশনাল্স
বাংলাদেশ

৩৮৭ বার দেখা হয়েছে

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।