চেতনা চোরদের জবাব দিতে হবে

শাহবাগে আবেগ চুরি গেল
চেতনা জমা নিয়ে সুদ তুলল
তথাকথিত দেশপ্রেমিকের দল।
ওরা ভুলে যায়
আমার চেতনা শুধু তিন শব্দেই নয়
বুকের ভেতর পুষে রাখছি রাগ
শরীর জুড়ে আমার বাংলাদেশ
হৃদয় আমার পূর্ণ শাহবাগ।
…………
সুদখোরদের জবাব দিতে হবে
চেতনাচোরদের জবাব দিতে হবে।

 

বিস্তারিত»

নতুন সূচনা

– এই ছেলে এই……………………।
কিছুটা অবাক রাত ২টা বাজে এমন সময় এইভাবে কোন মেয়েলী স্বরের ডাক নিশ্চয়ই কেউ আশা করবে না। ঘুরে তাকাতেই দেখলাম হলুদ কামিজ আর সবুজ সালোয়ার পরিহিতা আমাকে তার কাছে এগিয়ে যেতে অনুরোধ করছেন না ঠিক আদেশ দিচ্ছেন। কিছুটা ভয় পাওয়া স্বাভাবিক একে রাত তার উপর কমলাপুর রেলস্টেশন আশে পাশে আর কাউকে দেখা যাচ্ছেনা। তবে যে ধারণাটা মনে আসছিল তা সত্যি হবার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ।

বিস্তারিত»

ধর্ষিতা

মে মাসের বৃষ্টিভেজা কোন এক রাত ছিল। পাশের বাড়ির তুলির মায়ের কাছ থেকে দু’কোচ চাল ধার করে এনে রান্নায় চড়িয়েছিল রঞ্জনা। বৃদ্ধা মা চৌকিতে শুয়ে বাতের ব্যাথায় কাতরাচ্ছিলেন। তিন বছরের পুত্র নিলয় ক্ষুধায় কাতর হয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘুমিয়ে পড়েছিল। পাঁচ বছরের অরিন্দম তখনো কাঁদছিল। এমতাবস্থায় ঘটনাটা ঘটল। রঞ্জনা স্পষ্ট শুনতে পেলেন বকরের কন্ঠ। পাশের বাড়ির তুলির ওপর ওপর নজর রাখত এই বকর। একবার পুকুরপাড়ের বাঁশবনে একা পেয়ে নষ্টামির সুযোগও নিয়েছিল,

বিস্তারিত»

একাত্তরে দুইটি “নেয়ার ডেথ” অভিজ্ঞতা ও এর সাথে সংস্লিষ্টগণ

একাত্তরে স্বাধীনতা যুদ্ধ চলা কালে অন্তত দুইবার আমার আব্বা নিশ্চত মৃত্যুর খুব কাছ থেকে বের হয়ে এসেছিলেন।

প্রথম ঘটনাটা এইরকমঃ
সানাউল্লাহ নামে নড়াইল তুলারামপুরের বাসিন্দা এক রাজাকার কমান্ডার ছিলেন নড়াইল সদরের দায়িত্বে। তাঁর কিছু প্রতিনিধি তৎকালীন নড়াইল বাসস্ট্যান্ডে থেকে তাঁর আইজ এন্ড এয়ার হিসাবে লক্ষ রাখতেন যারা আসা যাওয়া করছেন তাঁদের মধ্যে পাকিস্তানবিরোধি বলে সন্দেহভাজন কেউ আছেন কিনা।
জুন মাসের প্রথম দিকে আমাদেরকে মায়ের মাতুলালয় লোহাগড়া থানাধীন পাচুরিয়া গ্রামে নিরাপদ আশ্রয়ে রেখে আব্বা জীবিকার সন্ধানে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হলেন।

বিস্তারিত»

নতুন শহর

কিছু কিছু দিন থাকে যেদিন চন্দ্রবিন্দু বাজতে থাকে ঘরে। ছিমছাম আবহাওয়া। এই দিনগুলোতে ছিমছাম জীবন, ছিমছাম গুছানো চিন্তা আর ভালবাসা জড়ানো মন পেতে ভাল লাগে, আর ভাল লাগে বারবার অবাক হতে, চন্দ্রবিন্দু কেন এত অছাম। একই ঘটনা ঘটে মহীনের ঘোড়াগুলি কিংবা অঞ্জন…কিংবা আরও অনেকের সাথে। এই সময়গুলোতে আক্ষরিক অর্থেই একটা প্রশ্ন বারবার ঘোরাফেরা করে, তবে শাহরুখ খান নয় কেন? কিংবা বাপ্পি লাহিড়ী? আনুশেহ আস্তে করে উত্তর দিয়ে যায়,

বিস্তারিত»

পাঁচ মিনিট বিরহের গল্প/ ৪

– তোমার নতুন রুমমেটের সমস্যা কী?
– হার্টের সমস্যা মনে হয়
– নাফিস, ঠিকমতো কথা বলো
– জি, অবশ্যই অবশ্যই
– তোমার সমস্যা কী?
– বিরাট সমস্যা
– মাইর চিনো?
– জি, চিনি
– খামচি চিনো?
– জি, চিনি। যাদের নখ বড় তারা খামচি দেয়, যেমন বাঘ, সিংহ, বিড়াল ইত্যাদি
– আমি বাঘ নাকি সিংহ?

বিস্তারিত»

খঞ্জনী

আমাদের গল্পটা শীতের শেষের দিকে এক বিকেলের। ম্যাড়মেড়ে, ক্লান্ত কিংবা ঠান্ডায় জবুথবু হয়ে বসে থাকার কোন বিকেল নয় সেটা। ঝরা পাতার মর্মর শব্দ আর ঠান্ডা বাতাসের শো-শো আওয়াজের সাথে উজ্জ্বল হলদে রোদে ভরা সে বিকেল। এমন সময়ে মনে হয় না কারো ইচ্ছে করে লেপ-কম্বল গায়ে ঘরে বসে থাকতে। বরং ইচ্ছে হয় গরম কাপড় গায়ে চড়িয়ে পকেটে দু’হাত ঢুকিয়ে একলা পথে হাঁটতে। আমি তাই পথে বেড়িয়ে পড়ি।

বিস্তারিত»

কথোপকথন

-ফ্রি তে নাকি কিছুই পাওয়া যায় না।মূল্য দিতে হয়।এইজন্যই বোধহয় তোমার আমার মাঝে অতটা …ইউ নো ..’ম্যাটেরিয়াল ‘ নাই! তোমাকে পেতে আমার ওয়েট করা ছাড়া আরতো কিছুই করতে হয় নি!
-কে বলছে? তোমার সবসময় ফোনে কথাবলা বন্ধুদের কেউ? ….অফকোর্স উইদাউট মিনিং এনি ডিজরেস্পেক্ট টু দেম!তোমার বন্ধুদেরতো আবার সমালোচনা করা নিষেধ! দেবতাকূল!
-হুম! তুমি কি আমাকে খোঁচা দিলা? ইন অ্যান “অ্যাটেম্পট টু টীজ ”

বিস্তারিত»

বেনামী …

রাস্তাঘাট হারতাল উপলক্ষে যথেষ্টই ফাঁকা !! চারপাশে কেমন যেন একটা শোক শোক ভাব !! খুব বাজে ধরনের আবহাওয়ায় মন-মেজাজ খুব বাজে থাকে !! মিশ্র আবহাওয়ায় থাকে মিশ্র ! কবিসাহিত্যিক রা ব্যাপার টা কে বলে গিয়েছেন প্রকৃতির লীলা ! এসব লীলা ফিলা আবার কি বিষয় !! , ভাবতে ভাবতেই জানালার কাচ নিচে নামিয়ে দিল মৈত্রী ! সামনেই ছোট খাটো একটা জটলা দেখা যাচ্ছে। ‘আজকাল মানুষের কি কোন কাজ নাই নাকি?

বিস্তারিত»

যদ্যপি আমার গুরু…

জীবনে প্রথম কোন বই পড়েছিলাম মনে নেই। ঠাকুরমা’র ঝুলি হবে হয়তো। তবে সবচেয়ে বেশী পড়েছি হুমায়ুন আহমেদ স্যারের বই। এটা নিশ্চিত।

আজ অনেকে বলছে স্যারের মৃত্যুদিবস!!! আমার প্রশ্ন স্যার মারা গেলেন কিভাবে??

তাঁর কি মৃত্যু আছে? একজন হুমায়ূন আহমেদ কি মরনশীল কেউ? এই নষ্ট পৃথিবী কে স্যারের দেহ ত্যাগ করেছে…কিন্তু স্যার তো আমাদের মাঝেই আছেন! পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা অগুনিত হিমু-মিসির আলী-শুভ্র-রুপা-মাজেদা খালা-মহাজ্ঞানী ফিহা-মজিদ-রমনা থানার ওসি-পাংখাপুলার রশীদ-তিতলী-কংকা-মুনা-বাকের ভাই-সৈয়দ বংশের পোলা-বদি-ধনু শেখ-মুহিব-বাদল-আতাহারদের মাঝেই স্যার চিরকাল থাকবেন!

বিস্তারিত»

গোলাম আজমের এসি চাই।

একজন আলেম বুজুর্গ ব্যক্তিকে ৯০বছরের জেল !!! আল্লাহর লানত পরবে। গজব আসবে, গজব। অতিশয় বৃদ্ধ, অসুস্থ, মৃতপ্রায় একজন আলেম মানুষের ওপর বড় জুলুম !!! আল্লাহ আমাদের এই অন্যায় থেকে রক্ষা করুন।

মানলাম আদালতে ওনার শাস্তি হইছে ৯০ বছরের জেল। সরকারের হয়ত কিছুই করার নাই, সবই আদালতের রায়। তাই বলে উনার জন্য তো সরকার এই ৯০বছর সামান্য আরাম আয়েসের ব্যবস্থা করতে পারে। পিজি তে ওনাকে এটাচ বাথ ওয়ালা কেবিন দেয়া হয়েছে এজন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি সরকারের প্রতি।

বিস্তারিত»

আজ(১৮ জুলাই ) নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন

আজ(১৮ জুলাই ) নেলসন ম্যান্ডেলার জন্মদিন, কিভাবে শ্রদ্ধা জানাব এই হিমালয়সম মহামানবকে???
তার ২৭ বছরের কারাজীবনের ২০ বছরের কেটেছে ROBBEN ISLAND -এর সেলে | যেই কবিতাটি তাকে ভীষনভাবে সাহস আর নিরন্তর উত্সাহ যুগিয়েছে তার ভাবান্তর করার চেষ্টা করে উত্সর্গ করলাম ….

================================
রাত্রিতে আমাকে মেরু হতে মেরুন্তরে আচ্ছাদিত করে দেয়
পীট কয়লার মতন নিকষ কালো অন্ধকার ….

স্রষ্টা – দেবতারা যেই হোক,

বিস্তারিত»

পঁচিশ বছর পর …

(কিছুদিন আগে আমার স্বামীর ব্যাচের (বুয়েট-৮৭) রজত জয়ন্তী ছিল। সেই উপলক্ষ্যে এই নাটকটি লিখেছিলাম। অবশ্য নাটকের পাত্র-পাত্রী আপা এবং ভাই তাদের ব্যাচের মতো করে স্ত্রীপ্টটি বদলে নেন।)

দৃশ্য – ১

চারজন ছোট ছোট ছেলে-মেয়ে হাতে চারটা পোস্টার হাতে নিয়ে মন্চের এ’মাথা থেকে ও’মাথা পররয্ন্ত যাবে। তারা চলবে তালে তালে। পেছনে মিউজিক বাজতে থাকবে। পোস্টারের মধ্যে লেখা থাকবেঃ
১। আর্কির চিপার চোথা
২।

বিস্তারিত»

বিবর্ণ অনুভূতি…

ক্রিং ক্রিং। একঘেয়ে শব্দে বেজে চলেছে ফোনটা। চোখ কচলিয়ে পাশ ফেরে ফারহান। দেয়ালের রেডিয়াম ঘড়িটা সময় জানান দিচ্ছে রাত দুটা বেজে সাত। ধুর! কোন বলদ এত রাতে ফোন দিয়েছে?
দেশের মানুষের কি কাজকর্ম নেই নাকি?ভাবতেই মেজাজটা খিঁচ খেয়ে যায় ওর।
মোবাইল স্ক্রিনে আননোন একটা নাম্বার।
আইজ খাইসি তোরে। বিড় বিড় করে ফোনটা রিসিভ করে সে।
-হ্যালো, স্লামালিকুম। কে বলছেন?

বিস্তারিত»

চা-সিগারেট

সকালের নাস্তা সেরে বাসা থেকে বেরিয়ে পড়লাম মোজাম্মেল মামার দোকানের উদ্দেশ্যে। ভার্সিটির ক্লাস ক্যানসেলড হওয়ায় সকালের চা সিগারেট দুপুরের চা সিগারেটে রুপ নিয়েছে। সাড়ে এগারোটায় ঘুম থেকে উঠেছি, এখন বাজে বারোটা দশ। মিরপুর ১৪ নম্বর মোড়ে, ডেন্টাল কলেজের সামনে মামার দোকান।

মোজাম্মেল মামাকে আমার প্রায়ই ফিলসফার পর্যায়ের লোক বলে মনে হয়। মাঝে মাঝে মামার কথা শুনে আমার আফসোস হয়। লোকটা পৃথিবীতে আসতে মিসটাইমিং করে ফেলেছে।

বিস্তারিত»