uegfiu
sejhgewhg
আত্ম পরিচয়ঃ নারীর ক্ষমতায়ন, নাকি অপব্যাখ্যা?
৮ই মার্চ বিশ্ব নারী দিবসকে উপলক্ষ্য করে মনে মনে একটা লেখা আমি প্ল্যান করেছিলাম । কিন্তু অফিসে নানা রকম ব্যস্ততার কারণে শেষ পর্যন্ত আর সময় করে উঠতে পারিনি। অবশেষে সব ব্যস্ততাকে নিস্তার দিয়ে আজকে কিছুটা সময় বের করেছি।
গত কয়েক সপ্তাহ জুড়ে মাথার মধ্যে কিছু ভাবনা কিলবিল করছে। সিসিবি আমার জন্য বেশ কনভেনিয়েন্ট একটা প্লাটফর্ম এসব এলোমেলো ভাবনাকে লাগাম লাগাবার।
শুরু করি গত সপ্তাহে সিএনএন-এ দেখা একটা সংবাদ-ক্লিপ বিশ্লেষন দিয়ে।
বিস্তারিত»বই
আমার সিনেমার দেখা শুরু হয়েছে ক্যাডেট কলেজ থেকে বের হওয়ার পরে, একই সাথে বই পড়াও বন্ধ হয়েছে কলেজ থেকে বের হওয়ার পরে। কলেজে থাকতে অন্য সবার মত আমারও সবচেয়ে প্রিয় দিন ছিল বৃহস্পতিবার। কিন্তু আমি চরম দিনের একটা জিনিস সবসময়ে বাদ দিয়ে গেছি, সেটা হল ভিডিও শো। ঐ সময় হয় অন্য হাউজে আমার মত কাউকে খুঁজে গল্প করতাম কিংবা বেশিরভাগ সময়ে নিজের বেডে শুয়ে বই পড়তাম।
বিস্তারিত»পারিবারিক বকর বকর
ক্ষুদে বার্তায় পদ্য বিনিময়
আমার গিন্নী বাংলার ছাত্রী। এক দিন ওর এক বান্ধবীকে আমার লেখা কিছু কবিতা শুনালাম।পরের দিন বেশ ভালই ঝাড়ি খেতে হলো।রোবট আবার কবিতা লেখে । কবিতার কিছু বুঝ তুমি ? কবিতার মধ্যে থাকতে হবে প্রেম ভালোবাসা ।ও বস্তু তোমার মধ্যে আছে ? মনের আক্ষেপ প্রকাশ করা ওসব ছাইপাশ কোনও কবিতা নয়। সেটা আবার পেপারে ছাপার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছো। আরে সাধনা লাগে সাধনা ।
বিস্তারিত»আমরা এমন কেনো?
ওয়েডিং স্ক্রিন ডট কম এর ওয়েব সাইট লঞ্চিং এর প্রোগ্রাম থেকে বাসায় ফিরছিলাম। ভালো খরচ করেছে ওরা। আমি গিয়েছিলাম সাংবাদিক হিসাবে। গিয়ে পেলাম অনুষ্ঠানের অন্যতম ব্যাবস্থাপক হিসাবে এক ছোট ভাইকে। অনুষ্ঠান প্লাস খাওয়া দাওয়া বেশ ভালো হয়েছে। টাওয়ার হ্যামলেটের মেয়র থেকে শুরু করে অনেক বিশিষ্ট লন্ডনী বাংলাদেশিরা উপস্থিত ছিলেন অনুষ্ঠানে। কেটারিং এর সাথে জড়িত একজন ভারতীয় আর গুটিকয়েক ইংলিশ আর কালো বাদে বাকি সবাই বাংলাদেশি ছিলো।
বিস্তারিত»ক্ষুদে কবিতা
রুদ্ধ আকাশ
কে বলে উন্মুক্ত আকাশ ?
গরল বর্ষনে প্রস্তুত
ঘন মেঘে রুদ্ধ !
অমৃতের ছদ্মবেশে যার ছিটে ফোটা
পৌঁছে গেছে শোবার ঘরে।
চাতক মন অতৃপ্ত!
হারিকিরি
একদেশ দুই নীতি
চায়না পাকি পিরীতি !
মুষিকের নেতাগিরি
হংকংয়ে হারিকিরি !
Frozen Heart
Winter shook the bones
With arctic vortex.
পুরোনো পাতায়ঃ বরফের দেশের গল্প ১০
৪ মার্চ ২০১৪, বৃহস্পতিবার, সন্ধ্যা ৭টা
ইদানিং প্রথম আলো পড়ি না। আমি মনে করি এরচেয়ে সাদা বরফের দিকে চেয়ে থাকলে কিংবা কোমর ধরে উঠাবসা করলে যথাক্রমে চোখ ও স্বাস্থ্যের জন্য ভাল। তারপরেও মানুষ বিগম্যাক কিনে কিংবা পান করে মনস্টার এনার্জি ড্রিঙ্ক তাই আমিও অসুস্থ স্বাদ পেতে প্রথম আলোর পাতায় ঢুঁ মারি। আজ ঢুঁ মারতেই খেলার পাতায় একটি লেখা চোখে পড়লো। আলোর মাঝে কালোর কষ্ট।
পুনরাবৃত্তি
ভর দুপুরে রিকসায় কোথাও যাচ্ছিলাম। প্রচন্ড রোদে এমনিতেই খুব খারাপ লাগছিল,তার উপর ভাড়া নিয়ে যখন অহেতুক কিছু বাড়তি কথা হলো তখন মেজাজ নবমে না চড়ার আর কোন যুক্তিসংগত কারন ছিলনা। ফিরতি পথ ধরার সময় খেয়াল করলাম রিক্সার পেছনে বড় করে লেখা, বাস্তবতা বড়ই কঠিন। অনেক দিন পর নীজের মনেই হেসে উঠলাম,মেজাজ এর মিটার রিডিংটাও ধপ করে তলানিতে পড়ল। সৃষ্টিকর্তা বোধহয় এইভাবেই মানুষকে জীবনের অর্থ মনে করিয়ে দেন,দুর্ভাগ্য যে কম সময়ই আমরা তা বুঝতে পারি।
বিস্তারিত»এদেশে ভারতের শিল্পিগনের নির্বিচার হিন্দি গান প্রসঙ্গে
ভারতীয় শিল্পিরা এদেশে এলে কেবলি হিন্দী গান করে কেন?বেশ কিছুদিন আগে আমাদের ক্লাবে মোনালি ঠাকুর এসেছিলেন। মোনালি পশ্চিম বঙ্গের মেয়ে। কোলকাতায় বড় হয়েছেন। ঘোর বাঙ্গালী এবং সম্ভবতঃ জোড়াসাঁকোর ঠাকুর পরিবারের সাথে সম্পর্কিত। কর্মসূত্রে মানে পেশাদার সঙ্গীত সংশ্লিষ্টতার কারনে মুম্বাই ও হিন্দি গান কেন্দ্রিক বিচরন। আজকাল মূলতঃ হিন্দী গানই করে। সেটার জনপ্রিয় শিল্পিও বটে।
কিছুদিন আগে নচিকেতা এসেছিলেন। চুটিয়ে বাংলা গান করলেন। আমরাও প্রান ভরে উপভোগ করলাম।
বিস্তারিত»বাণিজ্য
[এই পোস্টটি অনেকক্ষণ ভেবে দিচ্ছি। একান্তই নিজস্ব ভাবনা। লিপিবদ্ধ করে রাখা দরকার মনে করি, আর অন্যদের এই বিষয়ে ভাবনা জানারও আগ্রহ হচ্ছে কিছুটা।]
প্রথমেই রায়হান আবীর মনে করিয়ে দিল স্ট্যাটাসে যে, “আমরা যা, তা-ই আমাদের সংস্কৃতি” (তথ্যসূত্র/কপিরাইটঃ সামাজিক বিজ্ঞান বই)। এই সুযোগে ওকে ধন্যবাদ দিয়ে নিতে চাই। ডামাডোলে ভুলে যাই এসব সহজ সংজ্ঞা। ছোটবেলায় কত দ্রুত এসব মুখস্ত করতাম, এখন জীবনের পথ চলতে গিয়ে পদে পদে এসব সংজ্ঞার পুনঃপাঠে উপকৃত হই।
বিস্তারিত»চুলকানির মলম
ঘটনা প্রবাহ ১. আমি যতক্ষনে সব ব্লকড আর জ্যামপ্যাকড রাস্তা দিয়ে ছুটে স্টেডিয়ামে পৌঁছাই ততক্ষনে এলআরবির পারফরম্যান্স প্রায় শেষের দিকে । স্টেডিয়ামের মাঝের বিত্তশালী দর্শকরা তখনো মাত্র আসতেছে, গ্যলারির মাঝের দর্শকরাও আসলে তার গান আদৌ শুনতেছে বলে মনে হল না । ‘গেঁয়ো যোগী ভিখ পায় না’ এই প্রবাদ আসমান থেকে পয়দা হয় নাই, আমাদের দেশেই পয়দা হইছে।জাতি হিসেবে আমরা সব সময়ই হীনমন্যতায় ভুগি। নিজেরা নিজেদের মর্যাদা দিতে না পারলে অন্যদের তো ঠ্যাকা পড়ছে এসে দিয়ে যেতে ।
বিস্তারিত»বরুনা প্রবালের গল্প – ০২
আবারো টলে উঠলাম দিয়েগোর কথায়, মিসিং এবং পুলিশ ইনভেস্টিগেশন, মানে কোন হালকা ব্যপার না। এর পর সব বলে গেলো দিয়েগো একটানা।
এই এপার্টমেন্টে তেমন একটা ভাড়াটে বদল হয় না মাসে মাসে। নির্ঝঞ্ঝাট এবং বন্ধুবৎসল বলতে যা বোঝায়, প্রবালকে সে দলে ফেলা যায় কোন চিন্তা ছাড়াই। তাই প্রবাল চলে যাওয়ার পর দিয়েগোর মন কিছুটা খারাপ ই ছিলো। গত তিনদিন আগে পুলিশের আগমনে দিয়েগো স্বাভাবিক বলে ভাবলেও,
বিস্তারিত»বরুনা প্রবালের গল্প – ০১
রাত বাজে তিনটা, বুঝলাম না ঘুম ভেঙ্গে গেলো কেন? নাহ, এলার্ম বাজে নি, চারিদিকে সুনসান নীরবতা, তারপরে ও কি হল? গত তিন মাস যাবত এ রকম হচ্ছে। কোন শব্দ বা বড়সড় আওয়াজ হলে মিমির ঘুম ও তো ভাংতো। মিমি কিন্তু শান্ত হয়ে ঘুমোচ্ছে। মুহুর্তে মনে হলো প্রবালের কথা, পড়ার রুমে এসে ল্যাপটপ খুলে সবগুলো মেসেঞ্জার চেক করলাম, নাহ, প্রবালের কাছ থেকে কোন নোট আসে নি।
বিস্তারিত»১৯৯৯, ডিসেম্বর…(জ্যাকেট ওয়ালা লোকটির নিজের কথা)
সিরিয়াল ৩
১৯৯৯, ডিসেম্বর…(জ্যাকেট ওয়ালা লোকটির নিজের কথা)
আমার বাবার সাথে বাণিজ্যিক আলাপ হয় জ্যাকেটওয়ালার। জ্যাকেটওয়ালা বলছি কারণ আমি নাম জানি না তার। যাই হোক, জ্যাকেটওয়ালা আমার বাবার মুখে আমার কথা শুনতে শুনতে আমাকে দেখার জন্য অধীর।আমার গুনমুগ্ধ আব্বু আমার এমন গুনকীরতনই করেছেন যে, জ্যাকেট ওয়ালা একদিন আমাদের বাসায় এসেছিলেন আমাকে দেখতে। কিন্তু আমি তখন কলেজে। ড্রইংরুমের দেয়ালে আমার ফটো ছিল। ওইটা দেখে উনি ……মুগ্ধ!( কি মজা,
বিস্তারিত»পচাণুগল্প ০১ #ডিয়েস্লার
– এক্সকিউজ মি, একটা ছবি তুলে দেবেন প্লিজ?
কিছু কণ্ঠ আছে যা শুনলে মাথা চক্কর দেয়, কিছু কণ্ঠে ভুরূ কুঁচকে যায় আর কিছু কণ্ঠে বুকের ভেতর পিয়ানোর সুর বেজে ওঠে। কিন্তু অচেনা নারী কণ্ঠের মাত্র এক লাইনে একইসাথে শরীফের ভুরূ কুঁচকে গেল, মাথায় চক্কর দিল, বুকের ভেতরে হাজারটা পিয়ানো টুংটাং বেজে উঠল। ঝট করে পেছন ফিরে তাকাল সে। উনিশ কুড়ির এক তরুণী ক্যামেরা হাতে দাঁড়িয়ে আছে।
বিস্তারিত»