গার্ডেন্স বাই দ্য বে সিঙ্গাপুর

২০১০ সালে মেরিনা বে স্যান্ডসের ৫৭ তলার ছাদে নারকেল গাছ দেখে আমাকে চমকে যেতে দেখে আমার মেজবান প্যাসিফিক মেরিনের ক্যাপ্টেন শাখাওয়েত বলেছিলেন, আরও কিছু দিন অপেক্ষা কর, সমুদ্রের দিকে নতুন পার্ক হচ্ছে, সারা বিশ্বের গাছ পালা সেখানে দেখতে পাবে।
২০১৩ সালে গিয়ে শুনলাম, সেই পার্ক ২০১২ সালের জুন মাসে দর্শনার্থিদের জন্যে খুলে দেওয়া হয়েছে। গার্ডেন্স বাই দ্য বে এখন সিঙ্গাপুরবাসীদের নতুন গর্ব।ভাবলাম আর কিছু দেখি না দেখি এই বিস্ময় উদ্যান না দেখে ফিরে যাওয়া যাবেনা।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ সিসিবিয়ানদের আড্ডার গল্প

মায়ের দেয়া কল্কাপাড়ের শাড়ি পরবো নাকি কর্ণ স্টা্রচে ইস্তিরি করা কড়কড়ে সুতির একখানা টিউনিক পরবো ভাবতে ভাবতেই সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। সিসিবির সরব ব্লগারদের প্রায় কাউকেই চিনিনা তাই দু’ চারজন নিরব পাঠককে কল করে বলি, চলে এসো ক্লাবে। জোরসে আড্ডা হবে সকাল সকাল! কিন্তু আজই কি কারণে যেন কারো কারো ব্যস্ততা খানিক বেশী। কারো হয়তো মায়ের খুড়তুতো দিদির মেয়ের পাকা দেখা আজই, কেউবা ঢাকার বাইরে মধুচন্দ্রিমায়।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ মোহনভোগ, জাজা এবং মাতা-পুত্রী সমাচার

গ্রিটসের মোহনভোগ রান্না করেছিলাম ব্যাপক আয়োজন করে। গ্রিটস হলো হলুদ ভুট্টার গুড়ো, যা বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন নামে পরিচিত। আমাদের দেশের সুজির চাইতে একটু বড় দানার এই গ্রিটস ইউরোপ, আফ্রিকা অথবা এশিয়ার দেশ গুলোতে কোথাও পোলেন্টা, কোথাও মাহলামা আবার কোথাওবা কুকু নামে পরিচিত। নরম আর সহজপাচ্য বলে আমেরিকার বুড়োবুড়িদের কাছে সকালের নাস্তায় গ্রিটস পছন্দের খাবার। সামান্য মাখন ছড়িয়ে, নুন আর গোল মরিচে গ্রিটস খেতে আমার মন্দ লাগেনা।

বিস্তারিত»

সোশালাইজেশন ম্যানার্সঃ ফেসবুক বিড়ম্বনা

সোশালাইজেশন ম্যানার্সঃ ফেসবুক বিড়ম্বনা

আমি খুবই বিব্রত বোধ করি যখন কেউ আমাকে জিজ্ঞেস করে, “আমি কি আপনাকে ফেসবুকে ফ্রেন্ড রিকুয়েস্ট পাঠাতে পারি?” একদিন জনসম্মুখে এমন প্রশ্ন করায় একজনকে জবাব দিয়েছিলাম, “পাঠাতে পার, কিন্তু এক্সেপ্ট করব কি করব না, সে সিদ্ধান্ত নেবার স্বাধীনতা সম্পূর্ণভাবেই আমার।”

আমার কাছে মনে হয়, এটা একটা একান্ত প্রাইভেট ব্যাপার। আমার পরিচিতজনদের মধ্যে কাকে আমি ড্রইং রূম থেকেই বিদায় দেব,

বিস্তারিত»

ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (ঙ)

প-তে পযুক্তি (র-ফলা নাই)
আমি যদি বলি গত তিন বছর ধরে আমি একটি প্রযুক্তির উপর বসে আছি তাহলে আপনি কি ভাববেন? “এ আর এমন কি? সবাই কোন না কোন ধরনের প্রযুক্তির উপর বসে আছে।” কিন্তু আমি আপনাকে বলবো আমার কথাটি আক্ষরিক অর্থে নিতে। কারণ প্রযুক্তিটির নাম কর্নিং গরিলা টেকনোলজি। বর্তমান যুগের সিংহভাগ স্মার্টফোন কিংবা ট্যাবলেটগুলোর স্ক্রীণ যেই প্রযুক্তির কাঁচ দিয়ে বানানো হয় সেই প্রযুক্তি।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ স্যাডেল ইয়োর ড্রিমস বিফোর ইউ রাইড ‘এম

দেশে যাতায়াতের জন্য এমিরেটস এয়ারলাইন্স আমাদের পছন্দের। ওদের প্লেনে উঠলেই দেশ দেশ একটা ভাব চলে আসে। তারা অনলাইনে এমিরেটসের মুভি লিস্টের পাত্তা লাগায়, সামনের দিকে সিটের বুকিং দেয় সাথে সাথেই। বাড়ির বাইরে পা দেয়া মাত্র আমার খাই খাই একটা ফিলিং শুরু হয়ে যায় সব সময়। যাত্রায় ভোজন নাস্তি’ কথাটি আমি খুব মানি। ভারী খাবার খাইনা বটে কিন্তু সামান্য বাদাম বা প্রেটসেলস অথবা আধা কাপ কমলার জুসে বেশ চলে যায়।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ ইয়ার্ডলি অথবা চিনিটুশের শৈশব

এক

আমার আশেপাশে দেশী দোকানপাট কিছুই নেই কিন্তু ভারতীয় সব আছে। সুরে সুরে ইংরেজী বলা গুজরাটি, তামিল আর কর্ণাটকের লোকজন আছে চারপাশে প্রচুর। বিশাল আকারের প্যাটেল প্লাজায় কী নেই তাই ভাবি! বারোয়ারী মুদি দোকান থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ, চটকদার শাড়ীর দোকান, স্বর্ণকার অথবা টিউটোরিয়াল সবই আছে।

আজ তারার জন্য লিচু কিনতে চেরিয়ানে গেছি সকালবেলায়। চেরিয়ান সুপার মার্কেটটি আকারে বেশ বড়সড়, এতে সজনে ডাটা থেকে শুরু করে ফ্রোজেন ডালপুরি,

বিস্তারিত»

মাছ বিভ্রাট

বিশাল হিউষ্টন, বিশালতর টেক্সাস। এখানে এলোপাতাড়ি ঘোরাঘুরি সোজা নয়। হুটহাট বেরিয়ে যাওয়া চলে না, রীতিমত প্ল্যান প্রোগ্রাম করতে হয়। লাগে প্রচুর সময়, এবং বেশ শক্ত পোক্ত একখানা গাড়ি। সঙ্গীসাথী জোটানো আরো কঠিন- এর চাকুরি তো ওর সর্দি, বাচ্চাকাচ্চাদের ব্যাপার তো লেগেই আছে সারা বছর। অগত্যা কবির বাণী ভরসা- একলা চলো রে। একে সময় কম, তায় পুরনো গাড়ী। তাই বিকেল-সন্ধ্যে-উইকএন্ডের ঘোরাঘুরি সীমিত রাখি ক্লিয়ারলেক, কেমা, গ্যালভাষ্টন,

বিস্তারিত»

ঢাকার শুনানি, ঢাকায় শুনানি (ঘ)

শুক্রবারে ধানমন্ডিতে কাকার বাসায় যাবার সময় দুই এক ফোঁটা বৃষ্টি মাথায় পড়েছিল। সেটা সহ্য হয়নি। দেশে আসার পর প্রথম রোগ বালাই কিংবা বলা চলে রোগ বালাইয়ের উপসর্গঃ হাল্কা জ্বর, গায়ে ব্যথা, মুখে অরুচি এইসব ধানাইপানাই। কিন্তু নিয়ম করে সন্ধ্যায় ও ভোররাতে জ্বরের আনাগোনা দেখে গতকাল গিয়েছিলাম ডাক্তারখানায়। টাইফয়েড ও প্যারাটাইফয়েড আমার খুব কাছের বন্ধু। ভাবলাম আবারো বাড়ি এলো কিনা?

এলাকার হাসপাতালের কাউন্টারের সামনে হেসে,

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ আবোলতাবোল

ব্রাউন থ্রেশার ডাকা মাদারস ডে’র সকাল। আগের রাতে সুপ্তি কল করে বলেছে ও কি আসতে পারে আমাদের একটুখানি দেখতে? আমি বললাম, এই না রাতে ফিরলে ডালাস থেকে, এখনই আবার এতো দূর থেকে ড্রাইভ করে আসবে ‘একটুখানি’ দেখতে? আমার কন্ঠের সংশয় টের পেয়ে ও বলল, তোমাদের ওদিকে প্যাটেল ব্রাদার্সে যাবো বাজার করতে, তাই ভাবলাম একটু দেখা করে যাই মা-মেয়ের সাথে!

অতিথি নারায়ণ বলে কথা তাই বারণ করতে পারিনা মুখের ওপর।

বিস্তারিত»

নিজেকে খুবই ভাগ্যবান মনে হচ্ছে………

ঘণ্টাখানেক আগে মস্কো বিমানবন্দরে নামলাম। অপেক্ষা করছি পরবর্তী বিমানের জন্য, জার্মানীর ডুসেলডর্ফে যাবো। সময় কাটানোর জন্য নেটে গিয়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম ছবিটা দেখে-
MAMUNBALAYET-1431771402-bfdcfbe_xlarge

ছবির এই মানুষগুলোও আমার মতো বাংলাদেশী, এরাও গন্তব্যের অপেক্ষা করছে। অথচ আমাদের মাঝে কত পার্থক্য!

আল্লাহর কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা আমাকে এই মানুষগুলোর মতো জীবনের কঠিন পরীক্ষায় পড়তে হয়নি।

অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে দোওয়া করি এদের কষ্ট দ্রুত লাঘব হয়ে যাক।

বিস্তারিত»

ব্যক্তিগত রেসিপি – ১১

ফেসবুক ও টিয়াপাখি

‘তোর সঙ্গে আর কথা নেই’ ফেসবুক মেসেঞ্জারে পৃ-র বারতা পেয়ে একটু নড়েচড়ে বসলাম। ঢাকার ফুরফুরে বিকেল মুহূর্তে কেমন ম্লান হয়ে আসে।
‘কথা নয় নেই, দেখা তো হোক!’
‘কোন কথা নেই। নেই, নেই!’ যেন ফুঁসে উঠে সেলফোন।
বারদুয়েক ফোন করি অতএব, সাড়া মেলেনা। অজ্ঞাত অপরাধের হিসেবনিকেশ করতে করতে ঢাকার বুকে নেমে আসি। এ বিশাল জনসমুদ্রে নিজেকে আরো একা মনে হয় আর তাতে স্বস্তিবোধই করি খানিক।

বিস্তারিত»

হ্যাটস অফ টু এমেক সিস্টারস – সাথে কিছু প্রস্তাব

কত কিছু নিয়েই না ব্লগ লিখার তাগিদ থাকে।
কখনো নিজের দিক থেকে আবার কখনো অন্যদের কাছ থেকেও।
অথচ এক এক সময় এমন এক একটা বিষয়ের মুখোমুখি হই যে সব তাগিদ পিছনে ফেলে সেটা নিয়েই বসে যেতে হয়।

এই রকমের একটা পরিস্থিতির মুখোমুখি হলাম আজ আবার।
বলছিলাম এমেকের বোনদের আয়োজনে আজ অনুষ্ঠিত ও আমার অংশ নেয়া “জরায়ু মুখ ক্যান্সার” সম্পর্কিত এওয়ারনেস জাগানো প্রোগ্রামটির কথা।

বিস্তারিত»

দিনলিপিঃ এডিবল এরেঞ্জমেন্ট

দেশে মা খালাদের দেখেছি কেউ অসুস্থ হলে আতপ চালের ভাত, কচি মুর্গির ঝোল, আর সুপ রাঁধতে ব্যতিব্যাস্ত হয়ে পরেন। সাথে কাঁচা পেঁপে সহযোগে শিঙ্গি মাছের সুরুয়া অথবা জাম আলু আর মাগুর মাছের জড়াজড়ি কোন প্রেপ থাকে। অসুস্থতার কারণ যা’ই হোকনা কেনো ঝোলে ভাতে মাখামাখি আয়োজনে রোগীর প্রতি উপচানো ভালবাসা দেখাতে সবাই তৎপর হয়ে ওঠে। আর কেউ মারা গেলে তো বাঙ্গালী বাড়িতে উনুনই জ্বলেনা পাঁচদিন। আত্মীয়স্বজন আর বন্ধুদের বাড়ি থেকে প্রতিবেলা খাবার থেকে শুরু করে থারমোফ্লাস্কে চা অবধি পৌঁছে যায় সেই বাড়িতে।

বিস্তারিত»

উদ্বাস্তুর উদ্যান

1  5
ঢাকায় আমাদের কোন বাড়ি নেই। ভাড়ার বাসায় উদ্বাস্তুর মত জীবন যাপন।এক চিলতে বারান্দায় প্রথমে কয়েকটা টব রেখেছিলাম মাঝে মধ্যে বারান্দায় বসে চায়ে চুমুক দেয়ার জন্যে। বড় লোকদের পাড়ায় এসে মনে হল বারান্দায় বসে চা খাওয়ার চল টা উঠে গিয়েছে। সুন্দর সুন্দর বারান্দা শূন্য পড়ে থাকে। পরে বুঝেছি এই সব বাড়ির মালিকদের অঢেল বিত্ত, তবে ছেলেমেয়েরা কাছে অথবা দেশে না থাকায় তাদের ভরসা,

বিস্তারিত»