নিহোন এর দিনলিপিঃ শেষ পাতা

২৮.০২.২০০২

০৭.৫০ খুব ক্ষুধা লেগেছে। অথচ কাংগোফু ( নার্স) এখনও খাবার নিয়ে আসেনি। ০৮.১৫ কলম হাতে নিয়ে ডায়েরীর পাতা উল্টাতে শুরু করতেই দরজায় নক। : হাই : ওহাইও গোজাইমাছ (সুপ্রভাত) : ওহাইও গোজাইমাছ : দোজো ( খাবার এনেছি, প্লিজ খান) জাপানীদের সামনে একটা জাপানী শব্দ বললেই ওরা মনে করে খুব ভাল জাপানী ভাষা জানি। তখন সমানে জাপানী ভাষায় বকবক করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত বলতে হয় ওয়াকারি মাছেন ( বুঝিনা ),

বিস্তারিত»

প্রকৃত বন্ধুর ভাবনা

গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে বেশ ক’জন পরিচিত মুখ ক্ববরে শায়িত হয়ে গেল! প্রায় প্রতিদিনই মাইকে ঘোষণা শুনতে পাইঃ …. নিবাসী …. নং রোডের …. নং বাড়ীর অমুক গতরাতে ইন্তেকাল করেছেন। মরহুমের নামাজে জানাজা আজ বাদ জোহর …. মাসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। জানাজার পর তাকে … কবরস্থানে দাফন করা হবে।

আবার এ সময়টা বিয়ে শাদীরও ভরা মৌসুম। এমতাবস্থায়, গত সপ্তাহ দুয়েক ধরে প্রায় প্রতিদিনইঃ
১।

বিস্তারিত»

দেখে এলাম ভারতবর্ষঃ পর্ব ১

২০০৯ সাল থেকেই শুরু বন্ধুদের সাথে ঘুরতে যাওয়া।ক্যাডেট কলেজের বন্ধু,বড় ভাই,ডিপার্টমেন্টের বন্ধু,অন্য কলেজের বন্ধু…সবার সাথে একের পর এক ট্যুরে বেড়িয়েছি।কখনো পাহাড়ে,কখনো চরে,কখনো বা নির্জন দ্বীপ,সমুদ্র সৈকতে।২০১৫তে এসে ঠিক করলাম আমরা কয়েকজন,লেভেলটা এবার বাড়িয়ে নিতে হবে,ট্যুরে যাবো দেশের বাইরে।

সবাই স্টুডেন্ট আমরা,টিউশনি করে চলি।আমাদের পক্ষে থাইল্যান্ড-সিঙ্গাপুর যাওয়া সম্ভব নয়,অবধারিত ভাবেই ডেস্টিনেশান প্রতিবেশী দেশ,ভারতবর্ষ।কাশ্মীর যাওয়া অনেক খরচ,প্ল্যান হোল তাই,ঘুরে আসবো সিমলা-মানালি-দিল্লী-কোলকাতা। প্রায় একবছর ধরে প্ল্যানিং আর স্টেপ বাই স্টেপ আগানোর পর গত ২২ডিসেম্বর পা বাড়াই আমরা ইন্ডিয়ার পথে।সেই ট্যুরের অভিজ্ঞতা নিয়েই এই ব্লগ লেখা।আশা করি কারো হয়ত কাজে আসবে।

বিস্তারিত»

গুজব রটনা সম্পর্কিত সচেতনতামূলক একটি ব্লগ

অনলাইন বা অফলাইনে ছেড়ে দেয়া ও ছড়ানো রিউমার-গুজব-হোএক্স নিয়ে কিছু একটা লিখার ইচ্ছা অনেকদিনের।
লিখি লিখি করেও লিখা হয়ে উঠছিল না, নানা কারনে।
এবার লিখাটা একরকমের জরুরীই হয়ে উঠলো হঠাৎ করেই।
কেন? সে কথায় পরে আসছি। তার আগে বলে নেই, আমার প্রথম অনলাইন হোএক্সের শিকার হবার গল্পটা।
গত দশকের গোড়ার কথা। তখনও ফেবু যুগ শুরু হয় নাই।
আমাদের সোশাল মিডিয়া ছিল গ্রুপ মেইল নির্ভর।

বিস্তারিত»

রিইউনিয়নঃ সুন্দর তুমি চক্ষু ভরিয়া এনেছো অশ্রুজল

স্মৃতিরা হলো ঝুলিতে রাখা আহ্লাদী বেড়ালছানার মত; এমনিতে গুটিসুঁটি মেরে সুবোধ বালিকার মত চুপচাপ থাকে কিন্তু একটু নড়াচড়া করলেই আলতো করে সে মাথা উঁচিয়ে নিজের অবস্থান জানান দিয়ে বলে, মিঁয়াও মিঁয়াও! তারপর সেই মিঁয়াও ধ্বনির সাথে সকরুণ বিল্লি পিটপিট চোখে এমন করে তাকায় যে তখন সংসার সন্তান সব ফেলে তার মুখে মাথায় হাত বুলিয়ে আদর করতে মন চায়! আমাদের কলেজের রিইউনিয়নের আলোচনা শুরু হতে আমার সেই তুলতুলে সাদা বেড়ালবাচ্চার কথাই মনে পড়লো!

বিস্তারিত»

পাতা ঝরার গান-০২

২০০৭ সালের জানুয়ারি মাসে মিলিটারি একাডেমিতে গেলাম। ছেলে হিসেবে আমার মধ্যে হোম সিকনেস ব্যাপারটা খুব কম। ক্যাডেট কলেজে পড়ার সুবাদে নিজের কলেজের বন্ধু ছাড়াও বাকি নয় কলেজের আরও অনেক পরিচিত মুখ পেয়েছিলাম ওখানে। প্রথমদিনেই মনে করে নিলাম যে আগামী দুটো বছর যা ই হোক আমার একার সাথে তো আর হবে না। যা হবে সবাইকেই ভাগ করে নিতে হবে। কেউ যদি ভেবে বসেন যে ক্যাডেট কলেজে পড়েছি বলে হোম সিকনেস নেই,

বিস্তারিত»

একটি নির্বাচন পরবর্তি কিছু তাৎক্ষনিক উপলব্ধি

আজ কিছুক্ষণ আগে একটি নির্বাচন হয়ে গেল।
নির্বাচনটা কোথায় হলো, সেটা খুব গুরুত্বপূর্ণ কিছু নয়।
তাছাড়া এখানকার পাঠকদের বেশিরভাগই সে সম্পর্কে অবগত।
তাই তা আর নাই বা বললাম।

এই লিখাটা নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে আমার কিছু ব্যক্তিগত উপলব্ধি জানানোর জন্য লিখছি………

যদিও নির্বাচন হবার কথা ছিল ১৬টি পদের জন্য, কিন্তু তাঁর মধ্যে ১৩ টি পদে বিনা প্রতিদন্দ্বিতায় প্রার্থী নির্বাচিত হয়ে যাওয়ায়,

বিস্তারিত»

পাতা ঝরার গান

স্কুল জীবনের একটু সিনিয়র পর্যায়ে ঠিক কতদিন যে এসেমব্লির পর ক্লাস করা আমার পক্ষে সম্ভব হয়েছে সেটা আমি হাতে গুনে বলে দিতে পারব। এসেম্বলি হত থার্ড পিরিয়ডের পর। রংপুরে লায়ন্স দিয়ে আমার স্কুলিং শুরু। সে সময় আমি আবার তদানীন্তন কেজি শ্রেনীর বেশ উদিয়মান তারকা ছিলাম। প্রথম ক্লাস টিচার ছিলেন মধুছন্দা ম্যাডাম।ম্যডাম বেশ যত্ন করে আমাদের হ্যান্ড রাইটিং শেখাতেন। সে সময় আমাদের স্কুলে আমরা প্যাচানো হাতের ইংরেজী লেখা শিখতাম।

বিস্তারিত»

টুকিটাকি – ১


আকাশ যত অন্ধকার, তারারা ততই স্পষ্ট। এটি একটি পারসিয়ান প্রবাদ। মন খারাপের মুহূর্তে এরকম কিছু শুনতে ইচ্ছে করে। তারপরও মনে হলো এটি ঠিক মতো বুঝতে পারছি না। এর সঠিক অর্থটা কী? যখন আমাদের মন খারাপ থাকে তখনই আমরা জ্বলে উঠি নাকি অন্ধকার সময়েই দূরের আলোরা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। হয়তো শেষেরটা। একবার আর্ট কলেজে গিয়েছিলাম একটি চিত্র প্রদশর্নী দেখতে। সেখানে একটি ভাষ্কর্যের সামনে অদ্ভুত একটি নাম দেখে তার মর্মার্থ উদ্ধারে ব্যস্ত হয়ে পড়লাম।

বিস্তারিত»

নারীর কোন দেশ নাই – ২ : একটি বিচার ও প্রাসঙ্গিক কিছু প্রশ্ন

নারীর কোন দেশ নাই

এই পৃথিবীতে অদ্ভুত এক দেশ আছে
সেই দেশে অদ্ভুত এক নগর আছে
সেই নগরে অদ্ভুত এক কম্যুনিটি আছে
সেই কমুনিটির অদ্ভুত এক সামাজিক যোগাযোগস্থল আছে
তার নাম ডট ডট ডট ডট…

একদা ডট ডট ডট ডট-এর এক কনিষ্ঠ সদস্য আরেক জেষ্ঠ্যা সদস্যার বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমন কিছু কটুক্তি করলো যা সেই দেশের আইসিটি এক্টের ৫৭ ধারানুযায়ি শাস্তি যোগ্য অপরাধ।

বিস্তারিত»

বিষণ্ণ আলোয় এই বাংলাদেশ, এ আমারই সাড়ে তিন হাত ভূমি…

বহুদিন পর ব্লগানোর ছুটি পেয়েই সুনীলের কোবতে মনে পড়ল-

কুয়াশার মধ্যে এক শিশু যায় ভোরের ইস্কুলে
নিথর দিঘির পাড়ে বসে আছে বক
আমি কি ভুলেছি সব
স্মৃতি, তুমি এত প্রতারক?

বিস্তারিত»

বিরক্তি-অবহেলা চক্র: খুব খারাপ! খুব খারাপ!!

আজ সকালেই দালাইলামার একটি কোটেশন পড়ে যা বুঝলাম তা হলো এই যে –
কখনো কারো ক্রোধের কারন হলেও, বিরক্তির কারন হতে নেই। কারন:
ক্রোধ ও বিরক্তি, দুই-ই মানব মনে থাকা কাছাকাছি ধরনের অবস্থা হলেও তাদের মধ্যে পার্থক্য বিস্তর।

ক্রোধ জিনিষটা তুলনামূলকভাবে তীব্রতর একটি অবস্থা হলেও তা আসে যায়। অর্থাৎ তা দীর্ঘস্থায়ী কিছু নয়।
কিন্তু বিরক্তি কম দৃশ্যমান হলোও তা দীর্ঘ্যস্থায়ী একটি অবস্থা যা ধিকি ধিকি করে জ্বলতেই থাকে।

বিস্তারিত»

টু হুম ইট মে কনসার্ন – চল্লিশের আত্মকথন

টু হুম ইট মে কনসার্ন – চল্লিশের আত্মকথন

এটা কেবলমাত্র প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য একটা জনসচেতনতামূলক লেখা। নিজদায়িত্বে পড়তে হবে এবং লেখার কোন অংশের জন্য লেখককে কোনভাবেই দায়ী করা যাবে না। লেখাটা কিছুটা পুরুষ মানষ থেকে লেখা; নিজের জেণ্ডার এবং বয়সের উপলব্ধির রিফ্লেকশনস মাত্র। এখানে লেখককে জেণ্ডারবিদ্বেষী না ভাবাই স্বস্তিকর, কারন এটা এই লেখাটার একটা বড় দূর্বলতা, আর নিজের দূর্বলতা কেই বা আলোচনায় আনতে চায়?

বিস্তারিত»

পাহাড়ের দিনলিপি-২

DSC_0529
Good Morning Sunday…সকাল থেকে আকাশ মেঘলা…এই মধ্য কার্তিকে, এই হেমন্তে বৃষ্টি হওয়ার কথা না…কাল দুপুর পর্যন্ত আঝোর বৃষ্টি হয়েছে…ঠিক ভাবে বললে মন্ত্রী আসার আগ পর্যন্ত…অথবা মন্ত্রী বৃষ্টি থামতেই এসেছেন…রেইনকোট পড়ে বৃষ্টিতে হাটতে হাটতে ভেবেছি এই কার্তিকের বৃষ্টি নিয়ে কেউ কবিতা লিখেছেন কিনা…ভেবে পাইনি…রাতে ঘরে ফিরে নেটে ঘেটেছি…পেয়েছিলামও…এখন মনে নেই…তাই অফিসে বসেই খোঁজ করছি…পাচ্ছি না…অস্থির লাগছে…
কাল রাতে কোন কোন পেজ গুলো ব্রাউজ করেছি?

বিস্তারিত»

নারীর কোন দেশ নাই

ভাবছিলাম, শততম ব্লগটি কি নিয়ে লিখবো?
চোখের সামনে ঘটে যেতে থাকা একটা বিষয়, যা আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে, There is no country for Women – ভাবলাম, সেটা নিয়েই লিখি…

এদেশে যৌন হয়রানি হয়।
ভালরকমেরই হয়।
অথচ এটার প্রতিকার পাবার জন্য সুনির্দিষ্ট কোন আইন নাই।
একবার একটা আইন হয়েছিল, পরে তা সংশোধন করে হয়রানির ক্লজটা বাদ দেয়া হয়।
তাহলে কি যৌন হয়রানি করে যে কেউ পার পেয়ে যেতে পারবে?

বিস্তারিত»