দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে …

অনেক দিন ধরে “ব্লগ লিখি, ব্লগ লিখি” করেও ব্লগ লিখা হচ্ছে না। সময়ের অভাব, টপিকের অভাব এবং সর্বোপরি “কোয়ান্টিটি নয় কোয়ালিটি”র চক্করে ঘুরপাক খেতে খেতে, কি-বোর্ড আর আঙ্গুলের শত্রুতা চিরস্থায়ী হওয়ার আগেই তাই উপস্থিতি জানান দেয়া টাইপ পোষ্ট … বিয়াপওক তাড়াহুড়ায় লিখা … তাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টি দিয়ে পড়ার জন্য অনুরোধ করতেই পারি।

“দন্ডিতের সাথে, দন্ডদাতা কাঁদে যবে সমান আঘাতে,
শ্রেষ্ঠ সে বিচার”।

বিস্তারিত»

একটা গোপন কথা ছিল বলবার

মায়ের কাছে শোনা; আমার জন্ম নাকি এক ঝড়ের রাতে, কালবৈশাখী ঝড়। মুষুলধারে বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়ার তান্ডব উপেক্ষা করে তুমি বাইরে বসেছিলে, নানাবাড়ির বারান্দায়, চওড়া বেঞ্চিটির উপর। ভেতর বাড়ি থেকে আমার গগনবিদারী কান্না শোনবার জন্য তোমার অধীর উৎকন্ঠা। আমি নাকি পৃথিবীর আলোয় এসে ছোট্ট চোখ দুটো পিটপিট করে কিছু খুজছিলাম, বোধহয় তোমাকেই। আমায় দুহাতে জড়িয়ে তুমি প্রাণভরে দেখছিলে, আর আমি, পরম মমতার ছোয়া পেয়ে যেন নিজের অস্তিত্বের মর্মার্থ উপলব্ধি করে নিচ্ছিলাম।

বিস্তারিত»

আমার ক্যাডেট লাইফ এবং প্রবাস লাইফ

২১ শে মে ১৯৯২ – প্রায় ৫৫০ এর মত নিবো’ধ কিছু বালক-বালিকার সাথে নিবো’ধ আমিও বোধশক্তি বৃদ্ধির জন্যে ক্যাডেট কলেজ নামক দেশের সনামধণ্য এক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠাণে নিজেকে বিষজ’ন দিলাম।জয়েন করার দিন আমার সাথে বাবা,মা ছাড়াও গিয়েছিল আমার প্রতিবেশী এক আপু।সবকিছুই ক্যামন যেন একটা ঘোরের মত মনে হচ্ছিল ।আর আমার এবং আমার সজ্জনদের যেভাবে আপ্যায়ণ করা হচ্ছিল আমার কাছে কলেজের সবাইকে মনে হচ্ছিল ফেরেশতা। আনুষ্ঠানিকতা ছেড়ে যখন হাউসে গেলাম তখন আমার কাছে মনে হচ্ছিল সব সিনিয়র ভাইরা আমার দিকে বিশেষ যত্ন নিচ্ছে ব্যাপারটা আমার কাছে আরও দারুণ লাগছিলন।

বিস্তারিত»

কলেজ ছুটিতে মস্ত বড় সারপ্রাইজ!

কলেজ থেকে ছুটিতে আসা আমার জন্য সবসময়েই একটা দারুণ আনন্দের ব্যাপার ছিল। সত্যি কথা বলতে, ক্লাস সেভেন থেকে টুয়েলভ এর প্রতিটা মুহূর্তেই আমি থাকতাম হোমসিক। ক্যাডেট লাইফটার অন্য একটা মজা ছিল, এটা ঠিক; মজাও করেছি – কিন্তু সেটা আমার বাড়ির প্রতি দুর্বলতাটাকে কখনও ম্লান করতে পারেনি। ছুটির দিনগুলো শেষ হয়ে আসলে আমি আস্তে আস্তে মনমরা হয়ে পড়তাম। ছুটির প্রতিটা দিনই আমি উপভোগ করতাম। যদিও বেশীর ভাগ সময় কাটাতাম ক্যাডেট কলেজের ফ্রেন্ডদের সাথেই।

বিস্তারিত»

রাফখাতা (সাপ্তাহিক…১)

ক. আহ… বৃহঃস্পতিবার রাত। সেই কলেজ লাইফ থেকেই সপ্তাহের সেরা সময়। মাঝে শুধুমাত্র বিএমএ’র ১ম তিন টার্মের বৃহঃস্পতিবার রাত বাদ দিলে এই রাত আসলেই মনটা ভাল হয়ে যায়। তবে এখন কোর্সে এসে এই ভাল লাগার মাত্রাটা অনেক বেড়ে গিয়েছে। ক্লাস, খাওয়া, পড়াশুনা, হোম এসাইনমেন্ট এই চক্করে পুরা যন্ত্র হয়ে গিয়েছি। তাই এখন বৃহঃস্পতিবার রাতগুলো আরো অসাধারন হয়ে উঠেছে।

খ. পুরো সপ্তাহের এই যান্ত্রিক জীবনের মাঝে মেন্টাল রিলিফের বিষয় আছে দুইটি…

বিস্তারিত»

সবার দেখাদেখি আমিও …

ছবিগুলো নিছকই মজা পাবার জন্য। তবে মজার বদলে কারও কোন জায়গায় আঘাত লাগলে মাইনাস দিতে পারেন। এইটা ব্লগিও ঈমানের সর্বনিন্মস্তর। 😀

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কলেজে মিছিল !!!

ক্যাডেট হিসেবে আত্নপ্রকাশ করার আগে থেকেই জেনে আসছি আমাদের কলেজের নাম ঐতিহ্যবাহী ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ । আমাদের কলেজের সবকিছুই ঐতিহ্যবাহী। যেকোন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বা প্রিন্সিপালের ভাষনে অথবা বার্ষিকীতে বাণী লেখার সময় ঐতিহ্যবাহী শব্দটা ব্যবহার করতে কার্পণ্য করতেন না কেউই। আমাদের একটা ঐতিহ্যবাহী দীঘিও আছে যেটির সাথে সব হাউসের বাথরূমের লাইনের কানেকশন। বলা বাহূল্য আমাদের গোসলের পানির সাপ্লাই আসতো দীঘি থেকেই। বিড়াট বড় শান্ত দীঘি এবং ভরপুর পানি।

বিস্তারিত»

চেইন মেইল থেকে ছবি ব্লগ

চেইন মেইলকে ব্লগে রূপ দেওয়ার আইডিয়াটা রবিনের কাছ থেকে নিলাম। 😀 (রবিনের উপর দিয়া চালাইলেও স্পষ্ট মনে আছে আমিও এর আগে ডায়নোসোরের বিরানি নিয়া একটা পোস্ট মারছিলাম।) আসলে কয়েকদিন কিছু না লিখলে আঙুলগুলা নিশপিষ করতে থাকে!

আজ এরকম একটা ছবি ব্লগের চেইন মেইল পেয়ে মনে হলো, ধার করা মজাটা শেয়ার করে ফেলি। বলা হচ্ছে এগুলো ভারতের ছবি। কিন্তু প্রথম ছবিটা কেমন জানি শ্রীলংকার মনে হচ্ছে!

বিস্তারিত»

এলোমেলো-৪: নাম ছিল না

১.
সকালে এলার্মের শব্দে ধরফর করে ঘুম থেকে উঠি। তারপর বিরক্ত মুখে বাথরুমের দিকে পা বাড়াই। বিরক্তির সেই যে শুরু, তা আর যেন থামতেই চায় না! অফিসে আসতেও বিরক্ত লাগে। সেই সিস্টেম থেকে ডাটা নেয়া, ডাটার উপর কোয়েরী লেখা, পার্ফরমেন্স ট্রেন্ড এনালাইসিস করা, আজাইরা সব মিটিং করা- আর কত! আমার গ্রুপ মেম্বাররা এই ডিপার্টমেন্টে নতুন। তাদেরকে মাঝে মধ্যে টুকটাক কাজ বুঝিয়ে দিতে হয়। এইটা করতেও কেন জানি এখন বিরক্ত লাগে।

বিস্তারিত»

দু’ একটা কথা

অনেকদিন বাদে ব্লগে আসা। এর মধ্যে ব্লগের কলেবর সবদিকেই বেশ বেড়েছে। তার মানে এই না যে ব্লগে সময়ে অসময়ে ঢুঁ মারিনি, তবে সেটা উল্লেখ করার মত কিছু না। তবে সময় সুযোগ পেলেই প্রথম পাতায় চোখ বুলিয়ে নিতে ভুলিনি। সে যাই হউক তুহিনের দুর্ঘটনার খবর ছিল অনাকাঙ্খিত। স্বস্তি পেলাম ও এখন আশঙ্কামুক্ত জেনে। ইদানিং ব্লগে ভাল মানের আর বিচিত্র বিষয় নিয়ে এত চমৎকার চমৎকার লেখা আসছে যে নিজে আবাল টাইপের কিছু লিখতে ইচ্ছা করেনা।

বিস্তারিত»

আমার আমি

আমি সবসময়ই একটা পদ্ধতি অনুসরণ করি, যখন আমার মন খারাপ থাকে। একটু মজা করি, কারও সাথে খুনসুটি করি বা খুব জোড়ে কিছু মেটাল বা র‌্যাপ গান শুনি। জানি না কেন, কিন্তু এসব করতে আমার ভালো লাগে। কাল থেকে আমার মন খুব বিক্ষিপ্ত অবস্থায় আছে। সকালে উঠেই তুহিনের খবরটা পেলাম। তারপর আমার কলেজের বন্ধু আহাদের হাতে অপারেশনের খবর(এখন আশঙ্কামুক্ত)। তার আগের দিন আবার জানতে পারলাম যে আমার নাকি পা ভেঙে গেছে।

বিস্তারিত»

সি সি বি ভাবনা (…নাকি নিছক আবর্জনা)

[তুহিনের মর্মান্তিক ঘটনাটার সময় এরকম একটা পোস্ট দেয়া হয়তো ঠিক হচ্ছে না। তারপরেও এই পোস্টের কিছু অংশ হয়তো কাজে লাগবে ভবিষ্যতে (আল্লাহ না করুন) অন্য কোন ইমারজেন্সীতে]

সি সি বি যাতে সবসময় আমাদের নিয়মিত যোগাযোগের একটা প্লাটফর্ম হয়ে থাকতে পারে এ কামনা আমাদের সবসময়। সি সি বি কীভাবে আরও Functional ও interactive হতে পারে এ চিন্তাও আমাদের সবার।

ব্লগ এডু-মডুদেরকে বলছি।

বিস্তারিত»

মসজিদে মোবাইল বন্ধ রাখুন

১ম পর্ব
মাগরিবের নামাজের আযান হয়ে গেছে অনেকক্ষণ আগেই । হতদন্ত হয়ে অজু করে মসজিদে ঢুকেই দেখি মুসুল্লীরা ততক্ষণে রুকুতে চলে গেছেন । আমি যথাসম্ভব তাড়াতাড়ি শরীক হলাম জামাআতে । সিজদায় গিয়ে হঠাৎ মনে হল “মোবাইলটা কি সুইচ অফ করেছি?”
আমি ঘামতে শুরু করলাম কারণ রিংটোন দেয়া ছিল হাই ভলিয়ম “তেরে নাম”

আমার তো নামাজ থেকে মন উঠে গেল ।

বিস্তারিত»

কত রঙ্গ জানো গো বন্ধু

(১)

প্রেসিডেন্ট থাকা অবস্থায় বিল এবং আমি বিনা পয়সায় অনেক বক্তৃতা দিয়েছি। এখন বক্তৃতা দেওয়ার জন্য আকর্ষণীয় সম্মানী পাচ্ছি এটা সাবেক প্রেসিডেন্ট হিসাবে বাড়তি পাওনা।

কানাডার টরোন্টোতে প্রথমবারের মত একই মঞ্চে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টনের সঙ্গে বক্তৃতা দিতে এসে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ এ কথা বলেন।

মন্তব্য :

এমনটা দেখা আমাদের দেশের সাবেক উপদেষ্টাদের।

বিস্তারিত»

মালায়শিয়ার চিঠি – ০৭

সিতি হাজার, ৩৩ বছর বয়সের এই মহিলা, নিজের দেশ ছেড়ে মালায়শিয়ায় এসেছিলেন ২০০৬ সালে । বিবাহ বিচ্ছেদের পর দেশে কোন কাজ না পেয়ে, তিনি একটু বেশি টাকা পয়সা আয়ের জন্য পাড়ি জমান মালায়শিয়ায়। এখানে এসে তিনি ৪৩ বছর বয়সী এক মহিলার দুটি সন্তানদের দেখা শোনার কাজ পেয়েছিলেন। কিন্তু তার মালিক তাকে সব সময় মারধর করত আর ঠিক মত খেতে দিত না। মাঝে মাঝে খালি ভাত খেতে দিত আবার কোন সময় শূকর খেতে বাধ্য করত।

বিস্তারিত»