অকালপক্ক!

আমার পিতার মাথার চুল প্রায় শাদা। মধ্য তিরিশেই তাকে দেখতাম মাঝে মাঝে ছুটির দিনে হাতে একটা শণ্‌ (চিমটা) নিয়ে আয়নার সামনে গিয়ে চুল বাছতে। তারপরে একটা সময়ে পাকাচুলের সংখ্যা এত বেড়ে গেল যে সেগুলো বাছার খুব একটা দরকার পড়েনি। বেশ কাঁচাপাকা একটা ধূসরতা তাঁর মাথার ওপরে মেঘের মত বসে যায়। চোখের ওপরে মোটা ফ্রেম আর ভারী কাচের চশমায় তাঁকে ঋষিসুলভ লাগে আমার! সময়ের সাথে সাথে মাথার উপরের সেই মেঘ আরো ফর্সা,

বিস্তারিত»

কেমন আছেন সবাই?

বাসা ভর্তি মেহমান। তাও এমন সব মেহমান যাদের সামেন সিগারেট খাওয়া যায় না। কাল রাতের খাওয়া শেষে দরজা বন্ধ করে গেলাম বারান্দায়। সিগারেট খেতে। বারান্দায় আলো ছিল না। অন্ধকারে সিগারেটের আগুনের হলকা বোধকরী এলাকার নাইটগার্ডের যথেষ্ট কৌতুহল তৈরি করেছিল। সে রাস্তা থেকে বেশ সিটি মারা শুরু করল। তাদের সিটির নিশ্চয়ই কোন মানে আছে। কারণ মূহুর্তেই দেখলাম সিটি বাজাতে বাজাতে আরো তিনজন নাইট গার্ড জমা হয়ে গেল।

বিস্তারিত»

ছয়মিশালী নাইট প্রেপ

কলেজ থেকে চলে আসার পর এখনো প্রেপ টাইমটা প্রচন্ড মিস করি ।
তার মানে এই নয় যে আমি প্রচুর পড়াশুনা করতাম । আসলে তিন হাউসের সব বন্ধুরা এই প্রেপ টাইমেই একসাথে হতাম । আলোচনা হত সারাদিনের এবং পরদিনের কার্যক্রম নিয়ে । প্রাণখুলে টিজ হত এই সময় । আর যদি কোন ইন্টার হাউস কম্পিটিশন থাকত তাহলে তো পুরো প্রেপ কোন দিক দিয়ে পার হত টেরই পেতাম না ।

বিস্তারিত»

তোমায় আমি আর ভালবাসি না

তোমায় আমি আর ভালবাসি না
তোমার দেখা পাওয়ার জন্য
জি-ই-সি-র মোড়ে, মানুষের ভীড়ে
মুখে শুকনো হাসি, হাতে টকটকে লাল গোলাপ নিয়ে
দাঁড়িয়ে থেকে আর করব না অপেক্ষা।
শুধুমাত্র তোমার স্পর্শ পাওয়ার জন্য
দিগ্বিদিকজ্ঞানশূন্য হয়ে ছুটব না আর
এদিক থেকে ওদিক, এখান থেকে ওখানে।

বিস্তারিত»

আজ ছেলেটার জন্মদিন

এখন ফেসবুকের যুগ, চাই কিংবা না চাই সবার জন্মদিনের কথা মনিটরের কোনায় ভেসে উঠবেই। তাই প্রতিদিন চেনা, আধাচেনা কিংবা অপরিচিত অনেককেই নেটের বিভিন্ন প্রান্তে শুভেচ্ছা জানিয়ে যাই অবিরাম। তবে এদের মাঝে অনেককেই আলাদা ভাবে শুভেচ্ছা জানাতে ইচ্ছে করে কিন্তু সবসময় কেন জানি হয়ে উঠে না।

এই ছেলেটা কে আমি চিনি নেটের মাধ্যমে আর ভাল করে বললে ব্লগ পাড়ার এক ব্লগ থেকে। তখন তার গুরুগম্ভীর লেখা-জোকা পড়ে আমার ধারানা হয়েছিল এইটা বিরাট কেউকেটা কেও একজন হবে।

বিস্তারিত»

চার বছর আগে

২০০১ সালে
আজ থেকে ঠিক চার বছর আগে
সময়টা ঠিক জানা নেই
দুপুর না বিকেল মনে নেই
সবকিছুই অস্পষ্ট; কেমন জানি ভাসা ভাসা
তবুও সব অস্পষ্টতা ছাড়িয়ে

বিস্তারিত»

সাম্প্রদায়িক, বড়ই সাম্প্রদায়িক!

ইদানীং ঢাকার একটি অভিজাত হোটেলে লটারিতে আইসক্রীম খাওয়ার সুযোগ লইয়া বড়ই মাতামাতি চলিতেছে। সাময়িকভাবে এই দুরভিসন্ধিমূলক কার্যক্রমটি অনেকের আনন্দের খোরাক হইলেও আমাদের একটি বিষয় লইয়া যথেষ্ট চিন্তা করিবার অবকাশ রহিয়াছে। এই ধরনের ঢাকা-কেন্দ্রিক কার্যক্রমের ব্যাপক প্রচার প্রচারনা ও প্রলোভন সাম্প্রদায়িকতার একটি নতুন ধারার উন্মেষ ঘটাইতেছে। আমাদেরকে তাই এই সুপরিকল্পিত চক্রান্তের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান লইতে হইবে। চিন্তাশীল পাঠকগন চিন্তা করিয়া অবাক হইবেন যে যতো খুশি ততো আইসক্রিম এর মত এই রকম একটি সাম্প্রদায়িক পোস্টে ১৫ মে রাত্রি ৯:১১ ঘটিকা পর্যন্ত ১১৯ টি মন্তব্য পড়িয়াছে এবং পোস্টটি ৫১১ বার পঠিত হইয়াছে।

বিস্তারিত»

আমিও ইহাকে পাইলাম…

অবশেষে আমিও একটি লটারি পেলাম, অনেক আগেই জীবনে লটারি জয়ের আশা চিরতরে বর্জন করেছিলাম, কিন্তু সিসিবি, এবিসি এবং সর্বোপরি সানা ভাইয়ের কল্যানে শেষ পর্যন্ত কপালে একটা লটারি মিলল। আমিও শেরাটনে আইসক্রিম খেতে যাচ্ছি।

শুক্রবার আমার জন্য মহা গুরুত্বপূর্ণ দিন, কারন সাধারনত এই একদিনই আমার তাহার সাথে দেখা করার সুযোগ হয়। আজও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কিন্তু শুরুতেই বিপত্তি বাধায় মোবাইলে হঠাৎ এক অচেনা নাম্বার থেকে ফোন।

বিস্তারিত»

সাবধান,হোটেল শেরাটন আর ইগলু কোম্পানিতে কর্মরত এক্স ক্যাডেটরা অন্য চাকরি খোঁজা শুরু করে দিন…

আজি প্রভাতে গিয়াছিলাম বিসিএস মৌখিক পরীক্ষা বিষয়ক সেমিনারে-গিয়াই উহাদের চাপাবাজি এবং জনৈক প্রাক্তন ডিআইজি সাহেবের ভাইভা টিপসের পরিবর্তে উনি বসনিয়ায় মিশনে থাকাকালে কোন সুন্দরী ললনা উনার প্রেমে দিওয়ানা হইয়াছিল সেই কাহিনী শুনিয়া বিবমিষ-চিত্তে বাহির হইয়া আসিলাম।রাস্তায় দাঁড়াইয়া ইক্ষুর শরবতের সহিত কিঞ্চিৎ লেবুর রস মিশ্রিত করিয়া গলাধঃকরণ করিবার উপক্রম করিতেছি-এই মুহূর্তে মুঠোফোন বাজিয়া উঠিল-এই অধমকে কল প্রদানকারী নিজের পরিচয় হিসেবে জানাইলেন রেডিও এবিসি হইতে।ইহা শুনিয়াই আমি যাহা বোঝার বুঝিয়া গেলাম-বিড়ালের ভাগ্যেও শিকা কখনও কখনও ছিঁড়িয়া যায়-গোবেচারাও গোফঁচাড়া দেয় একদিন-ডজন ডজন ছ্যাঁকা খাইতে খাইতেও যাস্ট মাস্ফ্যুর কপালে যাস্ট (গার্ল)ফ্রেন্ড জুটিয়া যায়।

বিস্তারিত»

দিনলিপি ০২:আমি ইহাকে পাইলাম

ইদানিং সকাল থেকে দুপুরের মাঝে অচেনা পিএসটিএন নাম্বার থেকে ফোন পেলেই আতংকে থাকি। অচেনা নাম্বার থেকে ফোন করে সুমিষ্ঠ কন্ঠে বিভিন্ন ব্যাংকের বিভিন্ন অফার নিয়ে মিষ্টি, মিষ্টি কথা।বিরক্তিকর। স্যর ক্রেডিট কার্ড নেন, আমাদের এই লোন টা নেন, এই অফার টা আপনার জন্য বেষ্ট ইত্যাদি। অসহ্য হয়ে গেছি ইদানিং এইসব নিয়ে।
তাই ইদানিং পিএসটিএন থেকে কল আসলে পারতপক্ষে ধরি না।আজকে সকাল এ তেমনি ঘুম থেকেই উঠেই দেখি এক অচেনা নাম্বার থেকে ফোন এসেছিলো।

বিস্তারিত»

শেষ বিদায়ের ক্ষণে!

দেখতে দেখতে ভ্যাকেশনটা শেষ হয়ে গেক!২৭ দিন বাসায় ছিলাম!এখন শেষ মুহুর্তে মনটা কেমন যেন করে উঠছে!বুকের ভেতর ফাকা ফাকা! কেমন একটা হাহাকার!সব ফেলে যেন চলে যাচ্ছি,আমার খুব দামী কিছু একটা রয়ে যাচ্ছে এখানে!
প্রতিবার এই অনুভূতিগুলো হয়!উপেক্ষা করতে পারি না এই পরিচিত অনুভবকে!কাল রাতে লিস্ট হাতে নিয়ে আব্বু আম্মু ব্যাগ গুছিয়ে দিয়েছে!এখন খাকিড্রেস পড়ে আমিও রেডি…এক্ষুনি ব্যাগ হাতে করে আব্বুর সাথে বেরিয়ে যাবো!
অনেক কিছু ফেলে যাচ্ছি বাসায়!স্বাধীনতা মনে হয় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণটা!সিসিবিতে লেখা একটা গল্প বাকি রয়ে গেছে…অসমাপ্ত।সময়ের অভাবে লেখা শেষ হয় নি!চেষ্টা করবো কলেজে গিয়ে করতে!

বিস্তারিত»

ব্যালেন্স ট্রান্সফার

১৬ অক্টোবর ২০০৮
আমি তখন ঢাকাতে নাখালপাড়া কমিউনিটি সেন্টার এর সামনের বিল্ডিংয়ে সাত তলায় থাকি । রেটিনাতে মেডিকেল কোচিং করছিলাম ।
রাত তখন প্রায় পৌনে একটা, , ,
আমার বন্ধু নওফেল এর কাছ থেকে একটি এসএমএস আসলো ।
“দোস্ত একটু কল করতে পারবি ?”
আমি কল করে কি ব্যাপার জানতে চাইলাম ।
নওফেলঃ “তোর মোবাইল থেকে দশ টাকা পাঠাতে পারবি ?”

বিস্তারিত»

সরি মা

হঠাত আজকে মাকে খুব মিস করছি। মা তুমি কেমন আছো? দুনিয়ার সব মায়েরাই এতো ভালো কেনো? এই প্রথম বাংলালিঙ্কের কোনো এড আমার ভালো লেগেছে। যেনো একেবারে আমার মনের কথা। সরি মা। তোমাকে সবসময় কষ্ট দেয়ার জন্য, সরি তুমি সবকিছু সহ্য করে হাসি মুখে আশীর্বাদ করার জন্য।
মনে আছে কলেজে যখন চান্স পেলাম, বাবা বলেছিলো যাওয়া না যাওয়া তোমার ইচ্ছা। তুমি চান্স পেয়ে প্রমান করেছো,

বিস্তারিত»

ভাবছাড়া সুরে খাপছাড়া গান

তোমার জন্য নতুন একটা গান লিখে যাই
যতই নতুন শব্দ খুঁজি, কোন শব্দ নাই
শব্দ খুঁজি এদিক ওদিক তাকিয়ে কিছুক্ষণ
কখনও না পেয়ে শব্দ বসাই যেমন তেমন
শব্দ যত সাজাতে যাই হয়ে যায় এলোমেলো

বিস্তারিত»

চা’ওয়ালার হিসেবখাতা

১.
কোন কিছুতে মন বসছে না। অনেক কাজ জমে আছে, কিন্তু করার কোন তাগিদ পাচ্ছি না। কেমন যেন স্যাঁতস্যাঁতে হয়ে আছে মনের আঙ্গিনা। যেন আজব একটা ঘোরের মধ্যে আছি। আজকাল নতুন করে একটা বাজে নেশা জন্মেছে। রাত বাড়লে ব্যাল্কনিতে চেয়ার পেতে বসে থাকি, মেঘের আড়াঁলে লুকিয়ে পড়া চাঁদটাকে আঁতিপাতি করে খুঁজি। আমার মনের কোণেও বোধহয় মেঘ জমেছে।

২.
আমার ব্যাল্কনি থেকে বাইরের চারপাশটা অদ্ভূত সুন্দর মনে হয়।

বিস্তারিত»