“মানুষ মূলত একা”

অনেকদিন এপাড়ায় আসা হয় না।
ইচ্ছে যে হয় না, তা নয় কিন্তু পুরনো লিখা এগোয় না, আর তারিখ বদলে যে নতুন লিখা ঢুকাতে হয়, সেটা আবার ভাল লাগে না।
তাছাড়া লিখতে না এলে পড়াও হয় না। সময়টা অন্য কোনোখানে খেয়ে ফেলে যে, তাই।
এরমধ্যে বিভিন্ন সময় যে ভাবনাগুলো এসেছিল, তা ভাগ ভাগ করে ফেবুতে দিয়েছি স্ট্যাটাসাকারে।
সেটাও মন্দ না। কেউ না কেউ তো পড়ছেন।

বিস্তারিত»

মুসাফিরের সফরনামাঃ মক্কা মদীনা-

প্রথম পর্বে লিখেছিলাম  ছুটিতে দেশে যাওয়ার পথে কায়রো ভ্রমণ নিয়ে। এবার ফেরার গল্প। ঢাকা থেকে  গন্তব্য জুবা, দুবাই,জেদ্দা আর কায়রো হয়ে। উদ্দেশ্য জেদ্দায় ৭২ ঘণ্টা ট্রানজিট নিয়ে মক্কা ও মদীনা দর্শন এবং অবশ্যই উমরাহ্‌ পালন।

বাংলাদেশ থেকে উমরাহ পালনের জন্য অবশ্যই কোন না কোন একটি  অনুমোদিত ট্র্যাভেল এজেন্সির থেকে প্যাকেজ নিতে হয়। এক্ষেত্রে  দিন,হোটেল এবং প্যাকেজভেদে পার পারসন খরচ ১,১০,০০০/- থেকে ১,৪০,০০০/- এর মত (প্লেন ফেয়ার সহ,

বিস্তারিত»

পর্বতশৃঙ্গে

পর্বতশৃঙ্গে

“পাহাড়-চুড়ায় দাঁড়িয়ে মনে হয়েছিল

আমি এই পৃথিবীকে পদতলে রেখেছি

এই আক্ষরিক সত্যের কাছে যুক্তি মূর্ছা যায়”। – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

সত্যজিত রায়ের ‘কাঞ্চনজঙ্ঘা’ ছবিটি আমি দেখি ১৯৯২ কি ৯৩ সনে। ১৯৬২ সনে কলকাতায় মুক্তি পাওয়া এই ছবিটা যদিও ব্যবসা সফলতার মুখ দেখেনি অথবা আন্তর্জাতিক কোন চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কার পায়নি, তারপরেও আমার মনে হয়েছে সত্যজিতের চলচ্চিত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র এটা।

বিস্তারিত»

কায়রোর দিনলিপি

ছবিতে দেখা সুবিশাল গগনচুম্বী পিরামিড,পবিত্র কুরআনে পড়া অত্যাচারী ফেরাউন, নীলনদ, মুসা নবী আর মমির গল্প- মিশর সম্পর্কে আগ্রহহীন মানুষ সম্ভবত পৃথিবীতেই বিরল।পিরামিড,মরুভুমি, নীলনদ, ফেরাউন আর মমি আমাকে যেমন টেনেছে, তেমনি কৈশোরের নায়ক মাসুদ রানার কায়রোর বিভিন্ন মিশনও আমাকে করেছে দুর্নিবার আকর্ষণ। আবার একই সাথে আরবের বেদুঈন আর মহানবী (সঃ) এর মক্কা মদীনাও আমাকে টানে সমানভাবে। কিন্তু বাংলাদেশে বসে এত দূরদেশে ভ্রমণের চিন্তা বিলাসিতার পর্যায়ে পড়ে।

বিস্তারিত»

“মা” – স্মৃতি রোমন্থন আর অনুধাবন

FB_IMG_1462551329951

ছবিটা অসাধারন হয়েছে!
ছবির বক্তব্যটাও আনপ্যারালাল!

ইদানিং ফেসবুকে এই ছবিটা অনেকেই শেয়ার করছেন। বেশ ইমোশন প্রভোকিং একটা ছবি। কিন্তু এটা কি বাস্তব চিত্র, নাকি শুধুই একটা মডেলিং ফটোগ্রাফ, সেটা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে। কোথায় যেন একটা ত্রুটি আছে এই ফটোগ্রাফে। বাচ্চাটার যে বয়স, তাতে সুঁচ ফোটানোর বিষয়টিতে তার ভয় পাবারই কথা, কিন্তু সেটা তার চোখেমুখে নেই। আবার বাচ্চা যদি এতটাই সাহসী বা সুঁচ ফোটানোতে এতটাই নির্ভীক,

বিস্তারিত»

ট্যানজির গল্প

ম্যানিটোবা ইউনিভার্সিটিতে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়েছিলাম।ক্যালেন্ডারে ফাগুন এসে গেছে । মনে এবং বনে আসেনি। তুষার গলা শেষ হয়ে চকচকে সুর্য উঠেছে। সেই সূর্য সিনেমার পর্দায় দেখা সূর্যের মত। আলো আছে উত্তাপ নেই। আর যাকে দেখতে পাচ্ছিনা, সেই বাতাস কোথা থেকে এসে যে গা কাঁপিয়ে দিয়ে যাচ্ছে বোঝাও যাচ্ছেনা। বাসস্টপের সামনে ঘাসে মধ্যে জুবুথুবু হয়ে বসে থাকা এক জোড়া বুনো হাঁস আর আমি ছাড়া আশে পাশে আর কোন প্রাণি নেই।

বিস্তারিত»

আরন্যক

আরন্যক

 

“আমার হাতের তালুতে আকাশ/রাতের গভীরে ঢাকা সপ্তর্ষি/কে আমাকে খুঁজে পাবে?” – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

 

 

ছোট বেলা থেকেই বনে বনে ঘুরে বেড়ানোর ইচ্ছে আমার! একদম প্রাগৈতিহাসিক ঘন বনে, যেখানে ঢুকলে নিজেই বেরোনোর পথ খুঁজে পাব না কোনোদিন!পথ হারিয়ে আমি ঘুরতে থাকব নিবিড় বন-পাহাড়ের  ভেতরে অনন্ত কাল!

 

 

আমার সেনাবাহিনীতে প্রথম বদলি হয়েছিল চট্টগ্রাম সেনানিবাসের ৫ সিগন্যাল ব্যাটালিয়নে।

বিস্তারিত»

ABCD অথবা বাংলা শক – ১

বিঃ দ্রঃ ঘটনা গুলো সব সত্য, কিছুটা পরিমার্জিত (নাম, পরিচয়, স্থান উহ্য রেখে)। কাউকে অসম্মান অথবা আঘাত করার উদ্দেশ্যে নয়, বরং নিজের চিন্তার শুদ্ধতার লক্ষেই এই অসলগ্ন চিন্তাকে লেখায় রূপান্তর। অন্যকারো অভিজ্ঞতার সাথে মিনিয়ে বিচিত্র মানুষের ততধিক বিচিত্র কর্মকান্ডের ব্যাখা খোঁজার অপচেষ্টা।

 

কালচারাল শক !!! দেশের বাইরে প্রথম যে বিষয়টি ফেস করেতে হয় তা হল, নিজেকে অন্য একটি দেশের/জাতির সংস্কৃতির সাথে মানিয়ে নেয়ার চেষ্টা। 

বিস্তারিত»

কৈশোরের চাঞ্চল্য, একটি অপমান ও কিছু কথা (১)

পনের বছর আগের কথা। তখন ২০০১ সাল, এস এস সি পরীক্ষা দেবার প্রস্তুতি নিচ্ছি। সম্ভবত, কলেজে শুধু আমরাই আছি। পরীক্ষার দিন তিনেক বাকি। সবার মন খারাপ, গ্রেডিং সিস্টেম চালু হচ্ছে। কেউ জানেনা কিভাবে  গ্রেডিং হবে। স্যাররাও কনফিউজড। সবারই বেশ টেনশন । এর মধ্যে কারো একজনের উর্বর মাথা থেকে আসলো, শেড  ক্রিকেট খেলতে হবে। টেনশন কমে যেতে পারে। যেই কথা সেই কাজ, কর্ক এর বল জোগাড় করা হল,

বিস্তারিত»

ভাল আছি …. ভাল নেই

জীবন বড়ই বিচিত্র। খুব কম সময়ই আমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে খুশি থাকি, ভাল থাকি। সেই সাথে জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও সদাসংশয়। এই উইকএন্ডে আম্মার কথায় চাপা ঊৎকন্ঠা, অদূর ভবিষ্যতে ভূমিকম্পে ঢাকা দাঁড়িয়ে থাকবে কিনা তা নিয়ে। ক্যান্সার সার্ভাইবার মা আজ অপরিকল্পিত নগরায়ণের ভয়ে নিজেই সদাকম্পিত।

ব্যক্তি আমি হয়তবা ভূমিকম্প হতে নিরাপদ (ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে)। কাগজে কলমে জীবনের নিরাপত্তাও আছে।আসলে কি তাই ……

ঘটনা একঃ স্প্রিং ব্রেকে ০৪ দিনের ছুটিতে আমার স্ত্রী বেড়াতে এসেছে।

বিস্তারিত»

~ আমার দেশ আমার ভাষা আমার কৃষ্টি আমার ঐতিহ্য – ভালবাসা ও যতনে আমারই মাতা আমারই আত্মজার মতো ~

ঈদ, পূজা, বড়দিন, এসব আমাদের ধর্মীয় উৎসব। পহেলা ফাগুন বা পহেলা বৈশাখ, অগ্রানের উদযাপন কি বর্ষা বরণ বা ধরুন পিঠা উৎসব। বলি এমন সব দিনগুলো কি? এমন কি ১১ জৈষ্ঠ বা ২৫ বৈশাখ? আমাদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের অংশ এবং উদযাপনের উৎস নয় কি? ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর? রক্ত ঝরা অর্জনের উদযাপন নয় কি?

একটা জাতির, একটা দেশের, একটা স্বাধীন ভূখন্ডের জনগোষ্ঠীর (সকল ধর্ম বর্ণের সব্বাইকে মিলিয়ে যে সমষ্টি) উৎসবের উদযাপনের স্মরণের একটা ঐতিহ্য ও কৃষ্টির ধারাবাহিকতায় আমার আপনার রক্ত প্রবাহের মতোই আমাদের ত্বকের নীচে শোণিতের সাথে মিশে আছে এই দিনগুলো।

বিস্তারিত»

নতুন বছর (১৪২৩) ও কিছু ভাবনা

১৪২৩। শুভ নব বর্ষ। নতুন বছর শুরু হল। বছর শুরুর সাথে সাথে একটা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম–লেখালেখি।  অনেক আগে সিসিবি তে নিবন্ধন করেছিলাম, কিন্তু কখনও লেখা হয়নি। প্রথমত বাংলা লেখাটা বেশ কষ্টকর, খুব বেশি চেষ্টা করা হয়নি কখনও। দ্বিতীয়ত, হাতে সময় কম ছিল। কলেজ থেকে বের হয়েছি ২০০৩। দেখতে দেখতে ১৩ বছর পার হয়ে গেল। কলেজে টুকটাক লিখতাম, ওয়াল মাগাজিন, ক্রনিকাল এ কিছুটা হাতে খড়ি হয়েছিল।

বিস্তারিত»

চৈতালি

গাড় সবুজের গলায় লাল মাফলার মোরগ ডাকা ভোর থেকে শুরুখুরের ঘায়ে ধুলি উড়িয়ে গোপালের গোয়ালে ফেরা অব্দি টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুক বিটপ বদলানোর সময়টুকু ছাড়া টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুকএ কি মাছরাঙা না কি হুদহুদ ?

শুকনো পাতার মর্মরেকড়ই  বীজের ঐকতান। ঘেঁটু ফুলে মৌমাছির গুঞ্জন। রক্ত লাল শিমুল ফুলেসাত ভাই ছ্যাতারে শালিকটুনটুনির পতঙ্গ অভিযান। মউ মউ মউ আমের মোলে মউমাছি হতে চায় মন। সবুজের বুকে সোনার কারুকাজ পাকা গম আর চৈতালী বিরুত।

বিস্তারিত»

চার গুন শূণ্য = শূণ্য (পর্ব-০০১)

ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়ে, ঘুটঘুটে অন্ধকার চারপাশ। রাত অনেক, দুইটা-তিনটা তো হবেই। হাইওয়ের পাশ দিয়ে হাটছি, কোথায় যাবো জানি না। এত রাত্রে এখানে আমি কি করছি তাও ঠিক মনে পরছে না। একটু পর সাই-সাই করে পাশ দিয়ে বাস চলে যাচ্ছে। দমকা বাতাস গায়ে এসে লাগছে, একটু একটু ভয়ও হচ্ছে, কখন যেন গায়ের উপর এসে চাপা দিয়ে চলে যাবে একটা গাড়ি।
একটা এম্বুলেন্স খুব জোরে জোরে সাইরেন বাজাতে বাজাতে পাশ কেটে চলে গেল।

বিস্তারিত»