ভাল আছি …. ভাল নেই

জীবন বড়ই বিচিত্র। খুব কম সময়ই আমরা নিজ নিজ অবস্থানে থেকে খুশি থাকি, ভাল থাকি। সেই সাথে জীবনের নিরাপত্তা নিয়েও সদাসংশয়। এই উইকএন্ডে আম্মার কথায় চাপা ঊৎকন্ঠা, অদূর ভবিষ্যতে ভূমিকম্পে ঢাকা দাঁড়িয়ে থাকবে কিনা তা নিয়ে। ক্যান্সার সার্ভাইবার মা আজ অপরিকল্পিত নগরায়ণের ভয়ে নিজেই সদাকম্পিত।

ব্যক্তি আমি হয়তবা ভূমিকম্প হতে নিরাপদ (ভৌগলিক অবস্থানগত কারনে)। কাগজে কলমে জীবনের নিরাপত্তাও আছে।আসলে কি তাই ……

ঘটনা একঃ স্প্রিং ব্রেকে ০৪ দিনের ছুটিতে আমার স্ত্রী বেড়াতে এসেছে।

বিস্তারিত»

~ আমার দেশ আমার ভাষা আমার কৃষ্টি আমার ঐতিহ্য – ভালবাসা ও যতনে আমারই মাতা আমারই আত্মজার মতো ~

ঈদ, পূজা, বড়দিন, এসব আমাদের ধর্মীয় উৎসব। পহেলা ফাগুন বা পহেলা বৈশাখ, অগ্রানের উদযাপন কি বর্ষা বরণ বা ধরুন পিঠা উৎসব। বলি এমন সব দিনগুলো কি? এমন কি ১১ জৈষ্ঠ বা ২৫ বৈশাখ? আমাদের কৃষ্টি ও ঐতিহ্যের অংশ এবং উদযাপনের উৎস নয় কি? ২১ ফেব্রুয়ারী, ২৬ মার্চ, ১৬ ডিসেম্বর? রক্ত ঝরা অর্জনের উদযাপন নয় কি?

একটা জাতির, একটা দেশের, একটা স্বাধীন ভূখন্ডের জনগোষ্ঠীর (সকল ধর্ম বর্ণের সব্বাইকে মিলিয়ে যে সমষ্টি) উৎসবের উদযাপনের স্মরণের একটা ঐতিহ্য ও কৃষ্টির ধারাবাহিকতায় আমার আপনার রক্ত প্রবাহের মতোই আমাদের ত্বকের নীচে শোণিতের সাথে মিশে আছে এই দিনগুলো।

বিস্তারিত»

নতুন বছর (১৪২৩) ও কিছু ভাবনা

১৪২৩। শুভ নব বর্ষ। নতুন বছর শুরু হল। বছর শুরুর সাথে সাথে একটা নতুন সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললাম–লেখালেখি।  অনেক আগে সিসিবি তে নিবন্ধন করেছিলাম, কিন্তু কখনও লেখা হয়নি। প্রথমত বাংলা লেখাটা বেশ কষ্টকর, খুব বেশি চেষ্টা করা হয়নি কখনও। দ্বিতীয়ত, হাতে সময় কম ছিল। কলেজ থেকে বের হয়েছি ২০০৩। দেখতে দেখতে ১৩ বছর পার হয়ে গেল। কলেজে টুকটাক লিখতাম, ওয়াল মাগাজিন, ক্রনিকাল এ কিছুটা হাতে খড়ি হয়েছিল।

বিস্তারিত»

চৈতালি

গাড় সবুজের গলায় লাল মাফলার মোরগ ডাকা ভোর থেকে শুরুখুরের ঘায়ে ধুলি উড়িয়ে গোপালের গোয়ালে ফেরা অব্দি টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুক বিটপ বদলানোর সময়টুকু ছাড়া টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুক টুকুরুকএ কি মাছরাঙা না কি হুদহুদ ?

শুকনো পাতার মর্মরেকড়ই  বীজের ঐকতান। ঘেঁটু ফুলে মৌমাছির গুঞ্জন। রক্ত লাল শিমুল ফুলেসাত ভাই ছ্যাতারে শালিকটুনটুনির পতঙ্গ অভিযান। মউ মউ মউ আমের মোলে মউমাছি হতে চায় মন। সবুজের বুকে সোনার কারুকাজ পাকা গম আর চৈতালী বিরুত।

বিস্তারিত»

চার গুন শূণ্য = শূণ্য (পর্ব-০০১)

ঢাকা-চিটাগাং হাইওয়ে, ঘুটঘুটে অন্ধকার চারপাশ। রাত অনেক, দুইটা-তিনটা তো হবেই। হাইওয়ের পাশ দিয়ে হাটছি, কোথায় যাবো জানি না। এত রাত্রে এখানে আমি কি করছি তাও ঠিক মনে পরছে না। একটু পর সাই-সাই করে পাশ দিয়ে বাস চলে যাচ্ছে। দমকা বাতাস গায়ে এসে লাগছে, একটু একটু ভয়ও হচ্ছে, কখন যেন গায়ের উপর এসে চাপা দিয়ে চলে যাবে একটা গাড়ি।
একটা এম্বুলেন্স খুব জোরে জোরে সাইরেন বাজাতে বাজাতে পাশ কেটে চলে গেল।

বিস্তারিত»

একটি আইডিয়ার পোস্টমর্টেম, অথবা(শূন্য + শূন্য)=দুই

আজ একটা হিসেব কষা যাক –

“সত্য আর স্বপ্নের মাঝে    দূ    র    ত্ব   কতখানি?”

 

সত্য – সুন্দর,

স্বপ্ন – স্বপ্নময় ।

সত্য কে আঁকড়ে আমরা বাঁচতে চাই –

আর স্বপ্ন যোগায় সেই প্রেরণা ।

স্বপ্ন যদি হয় শরতের রাতের আকাশ জুড়ে জ্যোৎস্নার প্লাবন – আলো আঁধারের প্রেমালাপ,

তবে,

বিস্তারিত»

স্রষ্টার আজাব: রজনীর ঘুম ঘোরের আজব ভাবনা

6a00d8341bf7f753ef01538fb4c4ff970b
জানেন নাকি, আমরা আগে একত্রে ছিলাম।
পৃথিবীতে কেবল একটি মাত্র মহাদেশ ছিল, প্যানজিয়া
না, কোন ধর্মীয় গ্রন্থের কথা নয়,
আমি টেক্টোনিক প্লেটের কথা বলছি
স্রষ্টা আমাদের কিভাবে আজাব দেন তার কথা বলছি

সেই একক মহাদেশটিতে প্রধান আটটি প্লেটের খন্ডন ছিল
ছিল আরো ছোট ছোট অনেক অপ্রধান প্লেট
পৃথিবীর অভ্যন্তরে গলিত তরল ধাতুর প্রবাহের কারনে
প্লেটগুলো পরস্পরকে ঠেলে দিচ্ছে
দক্ষিন থেকে উত্তরের দিকে ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে তারা

ফলে সৃষ্টি হয়েছে মহাসাগর,

বিস্তারিত»

অনিশ্চিত তীর্থযাত্রা-২

অনেক প্রতীক্ষার পর গত ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০১৬ তারিখে অবশেষে আমার আত্মজৈবনিক স্মৃতিকথা “জীবনের জার্নাল” বইটি ‘বইপত্র প্রকাশন’ এর স্টলে ( নং ১২৭-১২৮) আবির্ভূত হয়। ঐদিন সন্ধ্যের পর আমি বইমেলায় গিয়েছিলাম। বইটিকে স্টলে দেখতে পেয়ে মনটা প্রফুল্ল হয়ে উঠেছিলো। অনেকক্ষণ বসেছিলাম, দেখি অনেকেই এসে স্টলের অন্যান্য বই এর দিকে তাকিয়ে থাকতে থাকতে হঠাৎ আমার বইটা হাতে নিয়ে পৃষ্ঠা ওল্টাতে থাকে। আমি বেশ রোমাঞ্চিত বোধ করতে থাকি,

বিস্তারিত»

অভিমানী ‘তনু’ ও ‘তুবা’

(লেখাটি কয়েকদিন আগে ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে দিয়েছিলাম। পরে আমার দীর্ঘদিনের রুমমেট রাজীবের কথায় ক্যাডেট কলেজ ব্লগে তুলে দিলাম। পুরোটাই আমার ব্যক্তিগত মত, আমি কাউকে ইঙ্গিত করে লেখিনি।) 

১. কয়েকদিন যাবতই ভাবছি আমাদের ‘তনু’ ও ‘তুবা’র কথা। আজ হঠাৎ করেই লিখতে ইচ্ছে হলো। কারন আজকে ফেসবুকে আমার নিউজ ফিডে দেখলাম আগামীকাল আমার শ্যালক শাহবাগ যাচ্ছেন – তনু হত্যার প্রতিবাদ জানাতে। ওর সঙ্গে যখন কথা বললাম,

বিস্তারিত»

না চাওয়া স্বাধীনতা

এতটা স্বাধীনতা চাইনি। ছোটবেলা থেকে আব্বু আম্মু একটু বেশিই কেয়ার নিত। স্কুল -কোচিং শেষে বন্ধুরা যখন খেলত বা ঘুরতে যেত আমি তখন আব্বু কিংবা আম্মুর সাথে বাসায় ফিরতাম।আর শুধু চাইতাম একটু বড় হতে।ক্যাডেট কলেজেও ভ্যাকেশন শেষে সবাই যখন একা একাই কলেজ যেত, আমাকে কলেজ যেতে হতো আব্বু আম্মু দুইজনার সাথে। ” আম্মু আমি বড় হইছি। একা একা যেতে পারি।” কথাটা বাতাসেই মিলায় যেত। আম্মু শুনে শুধু হাসত।

বিস্তারিত»

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (তৃতীয় পর্ব)

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (তৃতীয় পর্ব)

 

“বালক হিসেবে আপনি যখন যুদ্ধে যাবেন তখন আপনার মধ্যে অমরত্বের মোহ কাজ করবে। অন্যরা নিহত হবে; কিন্তু আপনি নন…” – আর্নেস্ট হেমিংওয়ে

 

স্বাধিকার বা স্বাধীনতার জন্যে সংগ্রামের অনিবার্য পরিণতিই যুদ্ধ। এটা পৃথিবীর আদিমতম চরম সত্যগুলোর একটি। যুদ্ধের রকমফের যাই হোক না কেন, কোন দেশ বা জাতিই এই সত্যকে পাশ কাটিয়ে যেতে পারেনি।

বিস্তারিত»

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (দ্বিতীয় পর্ব)

বিপ্লব, যুদ্ধ এবং শৈশব (দ্বিতীয় পর্ব)   

‘‘একটি কবিতা লেখা হবে তার জন্য অপেক্ষার উত্তেজনা নিয়ে/ লক্ষ লক্ষ উন্মত্ত অধীর ব্যাকুল বিদ্রোহী শ্রোতা বসে আছে/ ভোর থেকে জনসমুদ্রের উদ্যান সৈকতে/ কখন আসবে কবি? / …শতবছরের শত সংগ্রাম শেষে/ রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে/ অতঃপর কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন/ …কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী?/ গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন তাঁর অমর-কবিতাখানি/ ‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,/ এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’।/ সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।’’ –  

বিস্তারিত»

প্রজন্ম-প্রজন্মান্তর

রংপুর ক্যাডেট কলেজের আমাদের ব্যাচ (১৯৮৮-‘৯৪)-এর দুজন (লেঃ কর্নেল হুমায়ুন এবং অবসরপ্রাপ্ত ক্যাপ্টেন শহীদ)-এর সন্তান বর্তমান প্রজন্মের ক্যাডেট। হুমায়ুনের বড় ছেলে ফৌজদারহাটে ক্লাস এইটে পড়ছে, আর শহীদের বড় মেয়ে আজ জয়পুরহাটে সপ্তম শ্রেনিতে ভর্তি হলো। নতুন প্রজন্মের সবার জন্য দোয়া, অভিন্দন, শুভকামনা এবং ভালবাসা!

আমার মেয়েটার কেবল সাড়ে তিন বছর বয়স। স্বপ্ন দেখি তাকেও ক্যাডেট বানানোর। কিন্তু ইদানিং কালের দূর্ঘটনাগুলো আসলেই মনে চাপ ফেলছে।

বিস্তারিত»

গল্প হলেও সত্যি

ছেলেটি পড়ত রংপুর ক্যাডেট কলেজে।নাম আসিফ।দুষ্ট ক্যাডেটডের লিডার ছিল সে।কিন্তু মনটা পানির মত পরিস্কার আর সরল।আমার বেস্ট ফ্রেন্ড।তাই বলে তাকে এই কমপ্লিমেন্ট দিচ্ছিনা।যে বা যারা তাকে চিনে সবাই একই কথাই বলবে।
মেয়েটি পড়ত জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজে।নাম নিশাত।শান্ত শিষ্ট লেজ বিশিষ্ট মেয়ে।মনের দিক দিয়ে হয়তো সৃষ্টিকর্তা ই তাদের এক বিন্দুতে মিলিয়েছিলেন।তবে আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে গল্পের এই ২ চরিত্র কলেজ জীবনে একে অন্যকে সেভাবে চিনতই না।বলে রাখা ভাল যে ছেলেটার আগে আমি নিজে মেয়েটার বাসা ঘুরে এসেছি!!!:-p
চেনা বলতে ছেলেটার বাসা ছিল গাইবান্ধায় আর মেয়েটির কুড়িগ্রামে।তো মেয়েটির কিছু কলেজমেটের বাসা ছিলো গাইবান্ধায় আর ছেলেটির কিছু কলেজ মেটের বাসা ছিলো কুড়িগ্রামে।তো দেখা যেত যে ছুটির পরে কলেজে গিয়ে তারা সারাদিনই ছুটির গল্পই কেবল করত।এটুকুই তাদের একে অন্যকে চেনার পর্ব ছিল শুরুতে।

বিস্তারিত»