১
নিঁখুত প্রকৃতিকে সহ্য করা দুষ্কর
সেই অন্বেষনে প্রত্যয়ী মানুষের
সবুজ পাহাড় ডিঙানোর স্বপ্নটি
অপূর্ণ রয়ে যাওয়ার আকুতি
তাই নীল বেদনা হয়ে ঝরে
পুরোটা আকাশ জুড়ে !
একুশ নিয়ে … (আদিখ্যেতা নয় মোটেও)
একুশ এলেই আমরা বাংলা নিয়ে খুব মাতামাতি করি … বাইশ এলে আবার ভুলেও যাই। তেইশ থেকে বাংলিশ আবার শুরু … তাও তো মন্দের ভাল। বইমেলা, শহীদ মিনার তবু তো মনে করিয়ে দেয় একুশের কথা। আহ্লাদের আতিশায্যে লিখলামই না হয় একটা দুইটা কবিতা।
একুশ এলেই লিখতে বসি, লেখালেখি বেড়ে যায়।
একুশ নিয়ে লেখালেখির মাত্রা যেন ছেড়ে যায় …
তবে একথা সত্যি …
বিস্তারিত»ভাগ্যবানের দূঃখ
একটা নূতন গল্প বলব বলে আজ খুলে বসলাম আমার খেরোখাতা,
বহুদিনের অব্যাবহারে জমে গেছে ধূলোর আস্তরণ।
প্রাপ্তির হিসেব মিলাতে গিয়ে আজ নিজেকে বড় ভাগ্যবান মনে হয় –
মনে হয় এত দ্রুত সব পাবার ছিল না।
আজ কেন যেন নিজের গল্প শোনাতে ইচ্ছে করে না আর,
শীতনিদ্রার সুখ খুঁজে পেয়েছি, নীরবতাই আজ পরম আরাধ্য।
একটি মূর্তিনির্মাণের সময় যা যা ঘটে
“উদভ্রান্ত সফেদ, দুলে ওঠো নীল তেপান্তর!”
আমি তার প্রান্তরেখায় তোমার মূর্তি বানাই,
ক্রমশ এগিয়ে আসা তারাদল; সেখানে
স্মিত হাসিমুখঃ নিয়ন-সুলভ- এঁকে রাত জেগে থাকে। আর
আমি হাতুড়ি বাটাল মেপে, নিখুঁত আঘাতে
প্রান্তরেখা ঝকঝকে ধারালো করি
যারা পর্যটক ছিলেন। আমাদের দেশে, মাটি ঘেঁষা সে’সকল
জটাচুলো পথিকেরা, এসে খুব মনোযোগী, দেখে
আমার কেরদানি। মূর্তির গায়ে দিগন্তভেদী আলো জমে থাকে,
কল্পনার এপিটাফ
ঘুম ভেঙ্গে চোখ মেলে চাইলাম,
নিশ্ছিদ্র অন্ধকার, ছন্দপতনহীন নীরবতা মাঝে।
যখন জেগে ছিলাম মূমুর্ষূ আমার চারপাশে ছিল কত কি!
মা, বাবা, আত্মাহীন আত্মীয়,
ফিনাইলের গন্ধ, সাদা চাদর, নিষ্প্রাণ ডাক্তার
আর ছিল শুকিয়ে যাওয়া কালো গোলাপ, সাদা রজনীগন্ধা।
নাম বিহীন কাব্যকথা
আমি কবি নয়। তাই কবিতা লেখা আমার কম্মও নয়। সিসিবিতে এসে বুঝলাম কিছু একটা দেয়া দরকার, ভ্যালেন্টাইন দিনের ভাব গাম্ভির্যে আবেগ ফুটিয়ে তোলার জন্য। এজন্যই আমার এই ছোট্ট প্রয়াশ, একটু ছোট্ট কাব্য কথা, কারন এটাকে কবিতা বললে কবিতারা ধর্মঘট করতে পারে। নাম দেয়ার সামর্থ আমার নেয়। সিসিবির সদস্যের কাছে নাম দেয়ার দায়িত্ন দিলাম।
বিস্তারিত»ভালোবাসা-দিবসের বিনিময়
আজ ভালবাসার দিনে
তোমাকে দেবো ভোরের সূর্যটা লাল
বিনিময়ে তুমি চুমুতে ঢেকে দাও
আমার দুটো গাল।
আজ ভালবাসার দিনে
সাদা মেঘের দলকে দেবো ছুটি,
বিনিময়ে চাই একান্ত আমার করে
তোমার রাংগা ঠোট দুটি ।
শুধু বাংলা কবিতা আর ছড়ার লিঙ্ক চাই
আমি কবিতা খুব একটা লিখতে পারিনা। কবিতা লিখতে গেলে ছড়া হয়ে যায় অথবা প্যারোডি জাতীয় কিছু। কবিতা লিখতে গিয়ে দেখি ঘুরেফিরে আমার ছন্দ গুলো ছোটবেলা পড়া ছড়া বা কবিতার ভিতর চলে যায়।সিসিবিতে আসতে আসতে আমকে এক ধরনের নস্টালজিয়াতে ভোগা শুরু করেছি। ইদানিং আমার সেই পুরাতন কবিতাগূল(সত্তরের দশকে প্রাথমিক এবং হাই স্কুলে পাঠ্য ছিল) পড়তে ইচ্ছে করে। দেশে থাকলে হয়তো নীলক্ষেত ঘুরে ঠিকই বের করে নিতাম।
বিস্তারিত»ওরে! ‘পিচ্চি কবিতা’দের সবাই একটু আদর করে দাও!
[শুরুতেই বলে নিই, আমি কোনদিনও একদিনে দুটি পোস্ট দিতে পারি না, একটু কুণ্ঠা কাজ করে খুব বেশি প্রগলভ হয়ে গেলাম কী না ভেবে। তবে আজকে বেশ খুশি খুশি লাগছে। সে কারণে সবার সাথে বকবকাইতে ইচ্ছা হইতেছে। কিন্তু একটু আগে যে কবিতাটি দিয়েছি সেটা বেশ বিষণ্ণ এবং কথা বলার জন্যে তেমন মজার নয়। তাই এখানে বেশ ক’টি ছোটখাট কবিতা দিলাম। এগুলোকে আদৌ কবিতা বলা যায় কী না জানি না।
বিস্তারিত»দ্বিঃ২
চব্বিশ পেরোনো এক বালককে চিনি
আয়নার ওপাশে
অসম দূরত্বে দাঁড়িয়ে, বসে, অথবা শুয়ে;
প্রায়শঃ আমার দিকে খুব নির্বাক চোখ
বিম্বের সরলতায় তাকিয়ে থাকে।
শরীরে ক্রমশ পড়ছে বুড়িয়ে যাওয়া পলি-ছাপ,
বিস্তারিত»নেট ওয়ার্ক বিড়াম্বনা
সিসিবিকে ছেড়ে থাকতে পারলামনা। তাই এক আঙ্গুলে লিখা আমার প্রথম এবং সিসিবিতে আমার দ্বিতীয় ছড়া। মন্তব্যের উত্তর কিন্তু দিতে পারবোনা। হাতে এখনো দারুন ব্যাথা। ( শেষ ছন্দে সাফদার ডাক্তারের সাথে কিছুটা মিল থাকতে পারে)
ল্যাপটপে ভরে গেছে এ্যাডওয়ার
আমি কম কিসে ? আমি সারওয়ার !
এ্যাডওয়ার গুলু খুব দুষ্ট
আমারে যে দেয় শুধু কষ্ট,
এই ব্যটা বড় পাজি
আমারে সে করে রাজি
যদি না কিনি এ্যন্টিভাইরাস
আমারে সে করে দেবে মাইনাস !
ইউক্যালিপ্টাসের মুখ
আমি যখন কুয়াশা-শৈশব-মেশানো-ভোরে দৌড়াতাম পিচে-ঢালা-পথে ঘুরে ঘুরে অনবরত;
বারবার তোমাকে টপকে যেতাম আলতো-আঙুল-গীটারে-বোলানোর মত পদবিক্ষেপে
সেখানে দাঁড়ানো ঊর্ধ্বমেঘ-ছোঁয়ায়-সঙ্গমেচ্ছু ইউক্যালিপ্টাসের শরীর, ঋজুত্ব দেখে
লয়-ভাঙা-পা পড়তো পিচ আর আলকাতরা-মেশানো-শতবর্ষী বুড়ো রাস্তায়।
দিনের আলো কতবার বদলে দিত ওর শরীরের চাল-ধোয়া-ঘোলাটে-সাদা রঙ;
আমি সারাদিন ওরপাশে ঘুরে ঘুরে পা মেপে মেপে চকিতে আঁক কষতাম, উপরে
তার শরীর-ছাড়ানো-মুখ দেখার তীব্র, তুমুল, নাড়িছেঁড়া-বাঁধনের মত ইচ্ছারা
বিতর্কিত-বেশ্যা-ছেনাল মেঘেদের সাথে কূট-কুরুক্ষেত্রে মেতেছে শকুনির মতোই!
রঁদেভু
“টেবিলের কোণে মেয়েটি বসে ছিল”
এই দৃশ্যটা বানিয়ে আমি দ্বিধায় পড়ি
সেখানে সে বসে ছিল, কি ছিল না
এমন সন্দেহ আমাকে দোটানায় ফেলে।
আবার, আমি দেখেছি এমন দৃশ্যের পেছনেও
কেউ কেউ ঘোলা শরীরে দাঁড়িয়ে থাকে;
মেয়েটি একাই বসে ছিল, বাঁকানো পিঠ টেনে ধরে।
আমি চুলের পাশে উপবৃত্তাকার কাঁধ দেখি
ওড়নার প্রান্তে শাদা পায়রার ভার দেখি,
প্রথাগত চোখ খুলে ভাঁজের নিভৃতে মেলে দেই
কোমল উরুতে খিলখিল হেসে গড়িয়ে দেই মার্বেল
মেয়েটি সুস্মিতা,
বদনে কৃষ্ণবন
বদনে করেছি কৃষ্ণবন পেয়ার,
লোহা দিয়ে কে যেন মোর ক্ষুর করে দিল তৈয়ার।
জলধি হইতে জল আর সাবান হইতে ফেনা,
কৃষ্ণবন ধ্বংসি আমি অধম একজনা।
চতুর্দশ বর্ষ হইতে মোর
ঊর্বরা হইল মুখ, লাগিল বড় ঘোর।
আচার ০১৬: আবারো কাব্যকথা
[নতুন পোস্ট দেয়ার সময় নাই, তাই পুরোনো একটা কবিতা আবার দিচ্ছি। বাংলা ব্লগ সম্পর্কে তখনো জানি না, চরম বুদ্ধির আধার এই অধম তাই ফেসবুকে ব্লগিং করা শুরু করেছিল। কবিতা লিখে তার স্ক্রিনশট ফেসবুকে আপলোড করে দিতাম। ওটা ছিল আমার প্রথম বাংলা অনলাইন পাবলিকেশন। এর কিছুদিন পরেই বাংলা ব্লগ সম্পর্কে জানতে পারি। আমার ওখানের কবিতা এখানে আবার দিলাম।]
ভালোবাসি ততোটাই যতোটা বাসা যায়।
লোবান জ্বেলে রাতের আধাঁর সাজিয়ে
বাতাসের ফিসফিসানিতে বহুবার বলেছি,