রাজা দুষ্মন্ত বড়ই চিন্তিত। বিগত দু’দিন যাবৎ শকুন্তলাকে দেখা গিয়াছে মোবাইলে কোন এক অজ্ঞাত ব্যক্তির সাথে ফাইট দিতে। সে ঘন ঘন ছোট বার্তাও পাঠাইতে থাকে। আবার ফিরতি বার্তা পড়িয়া মুচকি মুচকি হাসে। তাহাকে ওই অজ্ঞাতনামা ব্যক্তির কথা সুধাইলে সে বলে, তুমার তাতে কি? ইয়েতে চুল্কাচ্ছে?বেটা বুড়া ভাম! আজকাল রিক্সাওলারা পর্যন্ত মোবাইল ইউস করতেসে। আর তুমি একটা আখাইত্তা,নিজের একটা মোবাইল কেনারও মুরোদ নাই,আবার নাম দিসে রাজা,হেঁহ।
বিস্তারিত»ভালবাসার শব্দ
একটা কবিতা লিখব বলে
কলম ধরেছি
গড়াই পাড়ের এক দামাল
ছেলের কথা বলব বলে
রাত জ়েগে আছি
ছেলেটি পান্থজনের
প্রানান্তর মিছিলের সর্বাগ্রে ছিল
যে মিছিলে প্রান দিয়েছিল
সোহরাব মাস্টারের ছোট্ট মেয়েটি
অস্ফুট নিঃশ্বাসে বাবা’কে, মা’কে ডেকেছিল
শস্যের রঙে, ঢেঁকির শব্দে
তাকে আগলে রাখতে।
একটা পদ্দ্য লিখব বলে
পথে নেমেছি
একদল ক্ষুধার্থ শিশুর কথা
জানাব বলে শব্দ খুঁজছি
যে শব্দগুলো তার মা’কে
অবধারিত প্রান্তর থেকে ফিরিয়ে
এনে চোখের জল মুছে দেবে
কাজল পরিয়ে দিয়ে
ভালবাসাহীন কামাদ্দীপ্তের
থাবা থমকে দেবে
মা’কে শৃংখলমুক্ত করে
ভেজা চুল এলিয়ে
উনুনের গন্ধে
উঠোনে রোদ পোয়াতে দেখতে চাইবে।
তার পরঃ
ছেলেঃ
সময়টা পড়ন্ত বিকেল। ব্যাকগ্রাউণ্ডে গান বাজছে,”সারাদিন তোমায় ভেবে, হোলনা আমার কোনো কাজ,……।”
কি যে করা যায় , বিকালে সবাই যায় কই??? সব শালাদের এতো ব্যস্ততা…টিউশনি…।
একটা সাইটই ওপেন হয়ে, কনট্যাক্টসে একটাই নাম, ৬২ টা নাম এর মাঝে কেবল একটাই নাম, আচ্ছা এ কি করে সারাদিন ?……
গানটাতো ভালো, এটা স্ট্যাটাস দেয়া যাক , বাহ নতুন একটা স্ট্যাটাস পাওয়া গেলো ।
বিস্তারিত»……….ব্যতিক্রমী বিদায়ী ভাষণ……..
[গল্পটা স্থান-কাল-পাত্রভেদে কাল্পনিক।এটা নিছকই ব্লগারের কল্পনাপ্রসূত।তবে এর প্রেক্ষাপট বাস্তবিক হলেও হতে পারে।কোন ব্যক্তিবিশেষের সাথে বিষয়বস্তু বা বর্ণনার বিন্দুমাত্র মিল থাকলে তা অনভিপ্রেত কাকতাল মাত্র।এর জন্য ব্লগার দায়ী নন]
*************************
বেলা প্রায় দুপুর ১২টা।৫ম সেমিস্টারের ক্লাসও দেখতে দেখতে শেষ হয়ে গেল।সময় যে কিভাবে কাটে টেরই পাওয়া যায় না।ক্লাস শেষে অ্যাটেন্ডেন্স নিয়ে স্যার বেরিয়ে গেলেন।সবাই যার যার মত ব্যাগ গুছিয়ে বিদায় নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে,মনটা সবারই ফুরফুরে।কারণ,আরো একটা সেমিস্টার শেষ + কয়েকদিনের বিরতি + বিশ্রামের সুযোগ…ইত্যাদি…।কিন্তু একটা ছেলে স্যারের পিছনে পিছনে গিয়ে,
বিস্তারিত»‘হলি’ থেকে শিখলাম, জীবনের রং মেখে মানুষ হই ।
দিল্লী। মার্চ ১ , ২০১০। বাংলা type নিয়ে রীতিমত যুদ্ধ করতে হচ্ছে । কিন্তু তাই বলে পিছিয়ে পরলে চলবেনা , অনেক কষ্ট করে লিখছি , প্রথমেই বলি অনেক typo এবং বানান ভুল থাকবে , দয়া করে অনুবাদ করে নেবেন । অনেকদিন পরে ব্লগিং করছি । আজকে আমার ছুটি , ইন্ডিয়াতে আজকে হলি উত্সব, সবাই রং মেখে একাকার । আমিও গিয়েছিলাম , নিজেকে একটু রাঙাতে ।
বিস্তারিত»সিসিবি সমাবেশঃ মালয়েশিয়া ২০১০
গত কিছুদিন আগে হয়ে গেলো মালয়েশিয়াতে সিসিবি সমাবেশ ২০১০।
২ দিনের সমাবেশে হাজির ছিলেন
আমাদের সবার প্রিয় মইনূল ভাই(ককক,৯২-৯৮),ফররুখ ভাই (মকক,৯২-৯৮),মিশেল (সকক,৯৪-০০),মুক্তাদির (ককক,৯৪-০০),মেহেদী (বকক,৯৫-০১) এবং লেখক।
তার কিছু ছবি দেয়া হলো ।
ফেব্রুয়ারী চলে গেল
জীবন বদলে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।
মাঝে মাঝেই পুরোনো লোকের সংগে, বন্ধুদের সংগে দেখা হয়ে যায়। পুরনো আনন্দে মেতে উঠি। এইতো কিছুদিন আগে আজাদ আর রকিবুল এলো চিটাগাং, রকিবুল আবার আহ্লাদী ভাবে আবদার করে ফেললো, “দোস্ত লইট্টা মাছ খাব” আর আমিও পুরোনো স্বরে বলে ফেললাম, “হালার পুত, পাছায় লাত্থি মাইরা সিদ্ধ কইরা ওই গোস্ত তোরে রাইন্ধা খাওয়ামু। লইট্টা খাইতে চায়?“ রাতে আড্ডা, কে বলবে আমরা পয়ত্রিশ পেরুনো মানুষ।
বিস্তারিত»বক্ররেখায় প্রস্থান
“উফ, একটুর জন্য ম্যচটা হাতছাড়া হয়ে গেল”-বলছিল রাসেলের টিমমেট তারেক। তারেকের দিকে এক পলক তাকিয়েও দৃষ্টি সরিয়ে নিল রাসেল। মনটা তার একটু বেশীই খারাপ। এই টুর্নামেন্টের জন্য তার ২ টা পরীক্ষা মিস হয়ে গেছে। তার উপর এই টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ স্কোরারও সে, তারপরও ফাইনালে তার জন্যই কিনা দল হেরে গেল! শেষ ৫ সেকেণ্ডে ফ্রি-শুট পেয়েও স্কোর করতে না পারায় তারা হেরে গেছে ৭৮-৭৭ পয়েন্টে।
‘খুব একা একা লাগছে,
জীবিত বা মৃত ব্যক্তির সাথে কোনো মিল নাই কিন্তু
১.
আলফ্রেড হিচকক মশাই জীবনে একটাই কমেডি বানাইছিলেন। ১৯৪১ সালে মুক্তি পায় মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ। কঠিন ভালবাসা দুই জনের মধ্যে। একদিন তারা আবিস্কার করলো তিন বছর আগে তারা যে বিবাহ করেছিলেন, সেইটা বিধিমত হয় নাই। নতুন কইরা যখন বিবাহের কথা উঠলো, বাইকা বসলো মিসেস স্মিথ। সে নাকি কোনো অবস্থাতেই এই ছেলেরে আরেকবার বিয়া করবো না।
সিনেমাটা দেইখা একটু ভাবিত হইলাম। মনে মনে চিন্তা করলাম,
আইনজীবি সনদ পরীক্ষা, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০১০ – অভিজ্ঞতা
গত ২৬ ফেব্রুয়ারী ছিল আমার আইনজ়ীবি হবার পরীক্ষার প্রথম ধাপ, মানে লিখিত পরীক্ষা। (যারা এখন জানেন না তাদের জ্ঞ্যাতার্থে আবার বলছি, আমি কিন্তু সোজা বাংলায়……উকিল হতে যাচ্ছি…মানে ধর আর :duel: আর কেউ আছেন ভাই? একটু জানান দিয়েন)
তো যা বলছিলাম, পরীক্ষার প্রস্তুতি, কলেজ থেকে পাওয়া বাজে অভ্যাস মত, এক মাস আগে শুরু না করে শুরু করলাম এক সপ্তাহ আগে। পড়তে বসে বুঝতে পারলাম,
বিস্তারিত»সিসিবি/ক্যাডেট সমাবেশঃ অটোয়া চ্যাপ্টার
মাঝে মাঝেই সিসিবিবাসীদের নানান আড্ডা-গেট টুগেদারের বর্ণনা আর ছবি ব্লগ দেখে বড় কষ্টে দিনাতিপাত করি আমরা অভাগা প্রবাসীরা। এর উপর আবার কলেজের বন্ধুরা দেখি ফেসবুকের গলি-ঘুপছি ভরিয়ে ফেলে সমাবেশ আর ভ্রমণের ছবি দিয়ে। চিক্কুর দিয়া কাঁদতে ইচ্ছা করলেও নিজেকে সান্ত্বনা দেই এই বলে, “বাছা তোর নাম্বারও আসবে একদিন।” নিজে যদিও তিন-তিনটে গেট-টুগেদারের প্রত্যক্ষ-স্বাক্ষী ছিলাম; কিন্তু জনবল কম থাকায় জনগণ কেমন যেন মিচকা হাসি দিছে ঐগুলা দেখে।
বিস্তারিত»আমার প্রেমিকারা-৬
নদী আর নারীর মধ্যে মিল কি? দুইটাতেই ডুব দিতে ইচ্ছা হয়!- এটি আমার কথা নয়, ব্লগের প্রিন্সিপাল সাহেবের কথা। আমি বলি কি, নদী যদি হয় বুড়িগঙ্গার মত তাহলে তো ডুব মানেই মরন। তবে যারা সাঁতার কাঁটতে চান, তাদের জন্য ভিন্ন কথা। তবে আমি বলি নদীর থেকে ভরা কলস ভালো। এখন বলুন, ভরা কলস আর নারীর মধ্যে মিল কি? গানের ভাষায়- হাতের কাছে ভরা কলস, কিন্তু কখনোই তৃষ্ণা মেটে না।
বিস্তারিত»জনাব ফখরউদ্দিন আকন্দ স্যার – ব্যাটিং এর জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্র
মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে যারা ১৯৯০ থেকে পরবর্তি বছরে পড়েছেন তাদের সবার “ফখরউদ্দিন আকন্দ” নাম দেখা মাত্র চেনার কথা। গনিতের এই শিক্ষকের নিকনেম ছিল ব্যাটসম্যান (আগের কথা ঠিক জানিনা)।
মূল কাহিনীতে যাবার আগে নামকরনের সার্থকতা একটু বর্ণনা করে যেতে চাই। লেকচার, কথা, বকা, স্যার ম্যাডামদের এই মোক্ষম অস্ত্রটিকে যে নামেই ডাকতে চান উনি সেটা ক্যাডেটদের উপর প্রয়োগ করতেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে। বাধ্য হয়েই ব্যাপারটির হয়ত নাম হয়ে গিয়েছিল ব্যাটিং।
বিস্তারিত»ধারাবাহিকঃ ৩য় বিশ্বের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ
প্রারম্ভিকঃ
১। আজ অবধি সামরিক বাহিনীর কার্যসম্পাদনের জন্য সামরিক বাহিনীর কোনো বিকল্প খুজে পাওয়া যায়নি। এডাম স্মিথ এর মতে, “First duty of the sovereign, that of protecting the society from violence and invasion of other independent societies can only be performed by means of military force.” বর্তমানে পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রই এই মতের সাথে একমত পোষণ করে, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য নিজেদের এই প্রথম এবং দায়ীত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করেছে।
বিস্তারিত»মোটেও যে নয় মশকরা, যায়না মশা বশ করা!
আমাদের পাড়াতে
নালায়েক মশাগুলা
থাকে বিনা ভাড়াতে।
যেথা আছে ডোবা-নালা
যেথা আছে কর্দম
মশাদের ছানাপোনা
খেলে সেথা হরদম।
ধীরে ধীরে সন্ধ্যাতে
নেমে এলে রাত্র
মশাগুলো ঘুম ভেঙে
হাই তোলে মাত্র।


