জনাব ফখরউদ্দিন আকন্দ স্যার – ব্যাটিং এর জগতে উজ্জ্বল নক্ষত্র

মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে যারা ১৯৯০ থেকে পরবর্তি বছরে পড়েছেন তাদের সবার “ফখরউদ্দিন আকন্দ” নাম দেখা মাত্র চেনার কথা। গনিতের এই শিক্ষকের নিকনেম ছিল ব্যাটসম্যান (আগের কথা ঠিক জানিনা)।

মূল কাহিনীতে যাবার আগে নামকরনের সার্থকতা একটু বর্ণনা করে যেতে চাই। লেকচার, কথা, বকা, স্যার ম্যাডামদের এই মোক্ষম অস্ত্রটিকে যে নামেই ডাকতে চান উনি সেটা ক্যাডেটদের উপর প্রয়োগ করতেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং দীর্ঘ সময় ধরে। বাধ্য হয়েই ব্যাপারটির হয়ত নাম হয়ে গিয়েছিল ব্যাটিং।

বিস্তারিত»

ধারাবাহিকঃ ৩য় বিশ্বের রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ

প্রারম্ভিকঃ

১। আজ অবধি সামরিক বাহিনীর কার্যসম্পাদনের জন্য সামরিক বাহিনীর কোনো বিকল্প খুজে পাওয়া যায়নি। এডাম স্মিথ এর মতে, “First duty of the sovereign, that of protecting the society from violence and invasion of other independent societies can only be performed by means of military force.” বর্তমানে পৃথিবীর প্রতিটি রাষ্ট্রই এই মতের সাথে একমত পোষণ করে, যে কোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার জন্য নিজেদের এই প্রথম এবং দায়ীত্ব পালনের জন্য প্রস্তুত করেছে।

বিস্তারিত»

মোটেও যে নয় মশকরা, যায়না মশা বশ করা!

আমাদের পাড়াতে
নালায়েক মশাগুলা
থাকে বিনা ভাড়াতে।

যেথা আছে ডোবা-নালা
যেথা আছে কর্দম
মশাদের ছানাপোনা
খেলে সেথা হরদম।

ধীরে ধীরে সন্ধ্যাতে
নেমে এলে রাত্র
মশাগুলো ঘুম ভেঙে
হাই তোলে মাত্র।

বিস্তারিত»

চিকেন ফ্রাই-২

প্রিন্সিপাল আবু সাঈদ বিশ্বাস আর অ্যাডজুট্যান্ট শফিউল্লাহ মাস্তান এর শাসনামলে(২০০৪-০৬) আমাদের কলেজ যে এমন একটা দোযখের মধ্য দিয়ে গেল তা আর বলার মত না। আমাদের “শাহী ক্যাডেট”-এর অস্তিত্ত্ব নিয়েও আমরা তখন চিন্তিত। কিন্তু আমাদের ব্যাচের ভাগ্যটা এতোই ভাল যে এস,এস,সি পরীক্ষার সময় প্রিন্সিপাল বদলী হয়ে গেলেন আর ছুটির মধ্যে অ্যাডজুট্যান্ট-ও। আর নতুন যারা এলেন? তারা তো দুইজনই মাটির মানুষ। আমরা কলেজ থেকে আসার আগ পর্যন্ত তাদের ছায়াতলেই কাটিয়ে দিলাম।

বিস্তারিত»

ওয়ার ক্রাইম্‌স স্ট্র্যাটেজিক ফোরাম (WCSF)

[এই লেখাটি মূলত WCSF এর মূল পোর্টাল অনুসরণে ইংরেজি থেকে বাংলা করা। লেখাটি প্রথমে মুক্তাঙ্গনে প্রকাশিত হয়েছে। সেখান থেকেই হুবহু কপি করে সিসিবিতে দেয়া হল, মূলত বার্তাটি সবার মধ্যে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্দেশ্যে।]

War Crimes Strategy Forum (WCSF) স্বেচ্ছাসেবকদের উদ্যোগে গড়ে ওঠা বিভিন্ন সংগঠন ও সংগঠনবহির্ভূত কর্মী-সংগঠকদের একটি জোট, যার মূল লক্ষ্য যুদ্ধাপরাধীদের আসন্ন বিচারপ্রক্রিয়াকে সর্বতোভাবে সহায়তা করা,

বিস্তারিত»

মঙ্গলালোকে ফিরে দেখা

অটোয়া। ২৪শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯, রাত। ২১৯ বেল স্ট্রীটের একটা ঘেঁটো অ্যাপার্টমেন্ট। বৈচিত্র্যহীন একঘেয়ে জীবন। পড়া আর অ্যাসাইনমেন্ট করা; আমার শীতকালীন সেমিস্টার তখন মাঝামাঝি। টেবিল ল্যাম্পের আলোয় ঘর আলো-আঁধারী খেলছে। মূলতঃ ল্যাপিতে একটু পর পর ফেইসবুক, ইয়াহু আর জিমেইলে উঁকি মারছি আর এরিক ক্ল্যাপটন গাইছে ‘টিয়ারস ইন হ্যাভেন’ পড়ার ব্যাকগ্রাউন্ডে। পড়ার কথা সাবা মাহমুদের “পলিটিকস্ অব পায়িটি”। ২৬শে ফেব্রুয়ারি প্রফেসর রাদারফোর্ডের থিওরী-২ ক্লাসের রিডিং। দারুণ বই,

বিস্তারিত»

ছোটগল্প :যেভাবে জন্ম নিতে পারতো একটি গল্প

খুব ধীরে এগিয়ে গিয়ে আমার দরজাটা আধ খোলা করে দিই যাতে পাশের রুম থেকে আমার অবয়ব ধরা পড়ে। আলোহীন ঘরে টেবিল ল্যাম্প জ্বেলে দিয়ে এক ধরণের আদিভৌতিক পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করি। পানি খাওয়ার নাম করে মাঝের রুমে গিয়ে সেখান হতে আমার লিখার পরিবেশের অসাধারণত্ব বুঝবার চেষ্টা করি। গতকালকের চেয়ে কোন অংশেই কম চমকপ্রদ হয়নি। আমার লিখার ঘর দেখেই স্বপন আমার দিকে কড়া দৃষ্টি হানে।” আজকে বাদ দিলে হতো না।

বিস্তারিত»

২৫’

বহতা সময়ের স্রোতে
অবিরত জোয়ার ভাটা
একটি সমাধির পাশে
আমি আবার দাঁড়িয়ে ~
খয়েরী ফ্রেমে সবুজ ঘাস
ছুঁয়েছি এই কম্পমান হাতে।

বিস্তারিত»

অস্ত্র থেকে অক্ষরঃ একজোড়া লড়াকু হাতের গল্প

ভারতীয় একটি সিনেমা দেখেছিলাম বেশ ক’দিন আগে।বাণিজ্যিক সিনেমা হলেও গল্পের ভিন্নতার কারণে মনে বেশ খানিকটা দাগ কেটেছিলো সিনেমাটি।গল্পের নায়ক ছিলেন ৭০ বছরের বৃদ্ধ এক প্রাক্তন বিপ্লবী,যিনি কিনা ভারতের স্বাধীনতার ৫০ বছর পরও দেশে জেঁকে বসা অনিয়ম,অন্যায় আর দুর্নীতি রুখতে আবার হাতে অস্ত্র তুলে নেন।দেশপ্রেমের পটভূমিকায় ভিন্নস্বাদের এ সিনেমাটিতে অভিনয় করেছিলেন কমল হাসান-দ্বৈত ভূমিকায় দুটি ভিন্ন যুগের ভিন্ন দুই লড়াইকে তিনি যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছিলেন,তাকে শুধু বাণিজ্যিক বলে উড়িয়ে দিলে সম্ভবত বেশ অবিচারই করা হবে।

বিস্তারিত»

বন্ধু… তোকে মনে পড়ে – ২ (মাজহার স্মরণে…)

বন্ধু তোকে মনে পড়ে – ১

বন্ধু তোকে মনে পড়ে
এই শহরের, এই বিকেলে
একলা কোন পথে,
বন্ধু তোকে মনে পড়ে
ব্যস্ত শহরের ব্যস্ত রেস্তোরার
ব্যস্ত চায়ের কাপে;
তোকে কি কখনো ভোলা যায়?
তোকে কি কখনো ভোলা যায়???!!!
তবুও দিন কেটে যায়…
তবুও দিন কেটে যায়…

বন্ধু তোকে মনে পড়ে
খেলার মাঠে ক্রিকেট ব্যাটে
আর প্রাণহীন আড্ডায়,

বিস্তারিত»

নির্বাণ

Bare_Trees_by_the_surreal_arts
মানুষকে বোবা করে তোলার সব প্রক্রিয়া যখন সমাপ্ত, তখন তাদের মাঝে এক ধরনের মিশ্র ক্লান্তি দেখা যাবে। অবয়ব পরিষ্কার নয় বলে তারা ঠিক কতোটা ক্লান্ত, সেটা আমি বুঝে উঠতে পারি না। স্যরি, আমি খালি নিজের কথা বলি। বাকিরাও বুঝে উঠতে পারে না। আমি এবং বাকিরা, আমরা সবাই তাদের মুখের রেখা পড়ার চেষ্টা করি। কিন্তু কোনো লাভ নাই, শালাদের মুখই নাই, তার আবার মুখের রেখা?

বিস্তারিত»

বইমেলায় কেনা ম্যালা ম্যালা বইয়ের খবর!

বিংশ শতাব্দীর প্রথম দশক (i.e. ২০১০) -এর প্রথম বছরে সাড়ম্বরে নামলাম বইশিকারে (বউ নেই তাতে কী, বই তো শিকার করা যায়)! সেই তালে পড়ে এবারে জীবনের সবচেয়ে বেশি বার বইমেলায় গিয়েছি। সুযোগ পেলেই সকালে, দুপুরে বা বিকেলে একবার করে ঢুঁ মেরেছি বাংলা একাডেমির সবুজ ঘাসের মাঠটিতে। ঘুরতে ঘুরতে বিস্তর বইও কেনা হয়ে গেছে। আড্ডাবাজির ফাঁকে ফাঁকে উৎসাহ আর কৌতূহলী করে তুলতে পারলেই বইগুলো সানন্দে আমার পকেটে আসতো,

বিস্তারিত»

লাইভ ফ্রম কলেজঃএক্সকারশন টু বইমেলা

অনেকদিন পর ব্লগে!
বহু কাঠখড় পুড়িয়ে আমাদের এইবার এক্সকারশনের ভেন্যু ঠিক করা হল বইমেলা!বরাবরের মত এবারও সিলেটে হওয়ার কথা ছিল!শেষ পর্যন্ত বহু অনুনয় বিনয় করে এবার বইমেলাতে প্লেস ঠিক করা হল!কুমিল্লা থেকে সিলেট যেতে আসতে ৭-৮ ঘন্টা লেগে যায়!তার ওপর খালি চা-বাগানে কী সোন্দর্য খুজে পায় কে জানে!
এর চেয়ে বইমেলাই ভালো!বই কেনার জন্য পকেটমানি থেকে টাকা দেয়া হলো,বই মেলাতে যাওয়ার আগে মিউজিয়াম!আইডিয়াটা বসসসস!!!!

বিস্তারিত»

গিফটের প্যাকেটে কার নাম লিখবো ?

( এই লিখাটা আমি গত ২০০৯ এর মে মাসে দিতে চেয়েছিলাম।কিন্তু মাগার অভ্র সংক্রান্ত জটিলতার কারনে এবং আইভোরী কোস্টে থাকায় দেয়া সম্ভব হয় নাই।তাই মাত্র ৮/৯ টি মাস অপেক্ষা করে দেশে এসে সেট হয়ে লিখাটা শেষ করলাম।মে মাসে আবার দেয়ার ইচ্ছা থাকলেও কোনভাবেই আর নিজেকে অপেক্ষায় রাখতে পারলাম না,দিয়ে দিলাম।যা হউক,সি সি বি তে এইটাই আমার প্রথম লিখা((আগের ছবি ব্লগটা বাদ দিলে;লিখা ব্লগ আর কি))।দেশ ও জনগনের কাছে দোয়া প্রার্থী ।

বিস্তারিত»

আলোচনা পোস্ট: পাহাড়ে কি ঘটছে এবং কি করা যায়

পাহাড়ে নৃশংস ঘটনা বেড়েই চলেছে। এই উদ্দেশ্যেই আলোচনা করতে চাই।

কারন নিরপেক্ষ বিশ্লেষণ খুবই দুর্লভ। বিচ্ছিন্নতাবাদী নিষ্ঠুরতা যেমন আছে তেমনি শোনা যায় সামরিক বাহিনী কতৃক বিভিন্ন নির্মমতার কথাও। সুতরাং আবেগকে পাশে রেখে এই সমস্যার একটি মানবিক সমাধান প্রয়োজন। কারন ব্যক্তিগত অবস্থান থেকে আমি মানবতার চেয়ে বড় অন্যকিছুকেই মানতে রাজী নই।

যাই হোক আলোচনা শুরু করছি বদরুদ্দীন উমরের একটি কথা দিয়ে এবং কিছু স্বাধীনতা পরবর্তী ঘটনা দিয়ে

প্রথমত জাতীয়তাবাদ যদিও সমজাতন্ত্রের সাথে সাংঘর্ষিক তাও কেন দুটোকেই একইসাথে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল তা ঐ সময়ের তাত্বিকরাই বলতে পারবেন।

বিস্তারিত»