রংপুর

ঘাঘট নদীর তীরে অবস্থিত রংপুর বাংলাদেশের একটি অতি প্রাচীন অঞ্চল। রংপুর জনপদের প্রত্নতাত্ত্বিক ইতিহাস ও ঐতিহ্য বাংলাদেশের তথা ভারতীয় উপমহাদেশের বিশেষ করে কুচবিহার-কামতা, প্রাগজ্যোতিষ-কামরূপ-কামাক্ষ্যা বা আজকের আসাম ও বিহার অঞ্চলের প্রাগৈতিহাসিক যুগের স্মারক বহন করে চলছে।

জেলার নামকরণ নিয়ে আছে নানা মতবাদ। পৌরানিক যুগে রাজা নরক শ্রীকৃষ্ণের সাথে যুদ্ধে বিজিত হলে তার ছেলে ভগদত্ত প্রাগজ্যোতিষ তথা কামরূপ রাজ্যের রাজা হন। প্রাগজ্যোতিস্বর ভগদত্ত (খ্রীঃপূর্ব ১৫০০ অব্দ) কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধে কুরুপক্ষ অবলম্বন করে নিহত হবার পূর্বে অবসর যাপন,

বিস্তারিত»

আঙ্গারপাড়া বড়বাড়ি/আঙ্গোরা মসজিদ-নীলফামারী

নীলফামারী জেলার দারোয়ানী ও দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলা সড়ক ধরে আনুমানিক ৫ কিলোমিটার পথ চললে রাস্তার দক্ষিন পাশে জেলা সদরের কুন্দপুকুর ইউনিয়নের আঙ্গারপাড়া গ্রামে আঙ্গারপাড়া বড়বাড়ি/আঙ্গোরা/আঙ্গরার মসজিদ অবস্থিত।

মসজিদে প্রবেশের জন্য রাস্তা সংলগ্ন একটি প্রবেশ তোরন আছে যা সাম্প্রতিককালে নির্মিত। প্রবেশ তোরন অতিক্রম করে মসজিদ আঙ্গিনায় ঢুকলে সরাসরি দক্ষিনে একটি মাযার ও পশ্চিমপাশে মসজিদে যাওয়ার রাস্তা।

বিস্তারিত»

কবি মানস

কবির মনে যখন কোন আঁধার নেমে আসে,
তিনি নিশ্চুপ থেকেই আলোর সন্ধান করেন।
তিনি আত্ম সমর্পিত চিত্তে সব মেনে নিলেও
অন্তর্দৃষ্টিতে তিনি আলোর সন্ধান করে যান।

গভীর অনুতাপেও কবি কবিতা খুঁজে বেড়ান,
প্রভাময় প্রেমের উৎস অনুসন্ধান করে চলেন।
জীবনের প্রেমতাড়িত প্রত্যাশা ও প্রত্যাখানের
পুলক নৈরাশ্য নিয়ে কবিতা লিখেন ও পড়েন।

ভারী হৃদয়েও মুখে হাল্কা হাসির প্রলেপ মেখে
কবি বিচরণ করেন নিজ বাসভূমে,

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (৮ম পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১৫।

দিলু মামার বাসা খুঁজে পেতে বেশি বেগ পেতে হল না।
বাবার নির্দেশমতো মহেশপুর বাস স্ট্যান্ডে নেমে কিছুটা হেঁটে ওরা শ্রীরামপুর বাজারে উপস্থিত হল। সেখানে এক বড় দোকানে জিজ্ঞাসা করতেই ওরা মামার বাসা দেখিয়ে দিল।

মামার বাসায় ওরা যখন উপস্থিত হল ততক্ষণে প্রায় সন্ধ্যে হয়ে এসেছে।

বিস্তারিত»

সমুদ্রপারের পাড়ায় পাড়ায় ( লুনসারের লৌহ পাহাড়)

সমুদ্রপারের পাড়ায় পাড়ায়

লুনসারের লৌহ পাহাড়

আমার ব্যক্তিগত মত হল পৃথিবীতে স্বাধীনতা বা স্বাধিকারের জন্যে যুদ্ধই হল শুধুমাত্র ন্যায়সঙ্গত যুদ্ধ।  অন্য সকল যুদ্ধই অনৈতিক এবং মানুষের জন্যে অকল্যাণকর। প্রথম ধরনের যুদ্ধ ছিল ১৯৭১ সনে আমাদের স্বাধীনতার যুদ্ধ। এক অলৌকিক তাড়নায় সমগ্র বাংলার মানুষেরা গ্রথিত হয়েছিল হিরন্ময় কোন এক সুত্রে। গড়ে তুলেছিল বিস্ময়কর প্রতিরোধ। হানাদার পশ্চিম পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে। আমি ঐ সময়টাতে ক্লাস ওয়ানে পড়া এক শিশু।

বিস্তারিত»

নটখানা – নীলফামারী

সপ্তদশ শতাব্দীর শেষ ভাগে ও অষ্টাদশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে তৎকালীন নীলফামারীর শহরের প্রাণকেন্দ্রে অর্থাৎ সাকামাছাবন্দরকে কেন্দ্র করে নীল বাণিজ্যের বেসাতি গড়ে তুলেছিল বৃটিশ উপনিবেশকারীরা। বাণিজ্যের লক্ষী ভেবে অন্যান্য ভাগ্যান্বষণীদের মতই ইংরেজ ‘নট’ নামের এক ব্যাক্তি এখানে নীলের পসার সাজিয়ে বসে। নীলফামারী – ডোমার সড়কের যেখানে Danish Bangladesh Leprosy Mission অবস্থিত তার দক্ষিণ সীমানার প্রাচীর ঘেঁষে দাঁড়িয়ে থাকা একটি স্থাপনা আজও মানব ইতিহাসের কলঙ্কিত সেই অধ্যায়ের স্বাক্ষী বহন করে চলছে।

বিস্তারিত»

বকবকানির বাকবাকুম

রাত দুইটা বেজে উনিশ মিনিট। আমি পঞ্চগড়ে। সবাই ঢাকায়। জরুরি কাজে এসেছি। আগের দিন রাত পৌনে এগারটায় বাসে চেপে, হাইওয়ের অস্বাভাবিক ট্রাফিক ঠেলে সতেরো ঘণ্টা পাড়ি দিয়ে পরদিন বিকাল চারটায় পৌছেছি। আরেকটু হলে তো শিকড় গজিয়ে যেত। বিকাল-সন্ধ্যায় টানা ঘুম। এখন আর ঘুম আসছে না। ফেসবুকে সময় কাটাচ্ছি। ওদিকে পরিবার মনে হয় ঘুমিয়ে পড়েছে। ম্যাসেঞ্জারে সাড়া পাচ্ছি না। ফোনে ডিস্টার্ব করতেও ইচ্ছা করছে না।

কিছুক্ষণ অনেক ছোট বয়সের দুজন জুনিয়রের সাথে একই প্লাটফর্মে ভার্চুয়াল ক্যাচাল করলাম।

বিস্তারিত»

কবিতা in progress…

রাতের রাস্তার
কোন নাম থাকে না,
কোন নিয়ম থাকে না,
পায়ে চলা মানুষের পা টলে,
ঘরে ফেরে, কিংবা ফেরে না,
মাটিহীন কংক্রিটে, উবু হয়ে,
ফুল বোধে, নিশ্বাস ভুলে যায়,
ক্লান্তিতে, অপ্রাপ্তিতে, নেশায়
কিংবা অতি-নেশাহীনতায়
মাটির সুবাস পায় না।

বিস্তারিত»

নীলফামারী

উপমহাদেশের বিভিন্ন জায়গার মতো বাংলাদেশের নানা স্থানে পাট গাছের মতো দেখতে নীল গাছও জম্মাতো। ভারতীয় নীল গাছ থেকে উৎপাদিত নীল ইউরোপের নানা দেশে রপ্তানী হতো বলে ইউরোপীয়রা একে ইন্ডিগো নামে চেনে। বৃটিশ উপনিবেশ আমলে বিশেষ করে কোম্পানী আমলে (১৭৫৭ – ১৮৫৭ খ্রীঃ) সারা বাংলায় (বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ) নীল চাষের ব্যাপক আবাদ শুরু হয়। ১৭৯৫ খ্রীঃ পরপরই এর মাত্রা তীব্রতর আকার ধারন করে যশোহর, খুলনা, কুষ্টিয়া,

বিস্তারিত»

‘বাতাস’ বিক্রির কথা

অনেক মানুষকে প্রায়ই বলতে শোনা যায় যে মোবাইল কোম্পানীগুলো ‘বাতাস’ বিক্রি করে দেশের সব অর্থ বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছে। যেমন অবলীলায় একথাটি বলে ফেলা যায়, এই ‘বাতাস’ কি করে তৈরী হয় তা বুঝে কথাটি বলা বা ভাবা তেমনই যটিল।
একজন সাধারণ ব্যবহারকারীর জন্য এমনটা ভেবে নেয়া খুবই স্বাভাবিক। আমরা যখন এক বোতল পানি কিনি অথবা এক বোতল টমেটো কেচাপ কিনি – তখন কিন্তু একটুও ভাবি না যে “আরে পানি’তো আমাদের দেশে হাটে-মাঠে-ঘাটেই পাওয়া যায়!

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (৭ম পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১৩।

এপ্রিল, ১৯৭১

অস্থায়ী বাংলাদেশ সরকার গঠনের খবর শুনে অন্যান্য স্থানের মতনই গোপালগঞ্জেও সবার মধ্যে নতুন করে উদ্দীপনা জেগে উঠল। কেননা, সরকার গঠনের মাধ্যমে চলমান স্বাধীনতা যুদ্ধ আনুষ্ঠানিক মর্যাদা পাবে। এতে করে বহির্বিশ্বেও এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পাবে। ইতোমধ্যে প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদের নির্দেশে শিলিগুড়ির অল ইন্ডিয়া রেডিওকে বদলে নাম রাখা হয়েছে স্বাধীন বাংলা বেতার কেন্দ্র।

বিস্তারিত»

কুড়িগ্রাম ও রাণী সত্যবতীর প্রত্নকীর্তি

কুড়িগ্রাম

মানব সভ্যতার বিস্তৃতির আদি পর্বে বাঙলায় যে সব স্থানে প্রথম বসতি গড়ে উঠেছিল ধরলা নদী তীরের কুড়িগ্রাম তাদের মধ্যে অন্যতম। নেগ্রিটো আর অষ্ট্রিকদের হাত ধরে বাঙলায় মানব সভ্যতার গোড়াপত্তন হয়। আমাদের আদিতম গর্বিত অনার্য পুরুষদের অন্যতম অষ্ট্রিক ভাষাভাষি ‘কোল’ নৃগোষ্ঠীর সভ্যতার অস্তিত্ব এখানে বিরাজমান। এদেরই একটি ক্ষুদ্র ধারা ‘কিরাত/কুরি’ নামে পরিচিত। অষ্ট্রিক ভাষায় ‘কোর বা কুর’ শব্দের অর্থ ‘মানুষ’। এই কুরি ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর এখনো বসবাস রয়েছে কুড়িগ্রামে।

বিস্তারিত»

ক্যাডেট কথিকাঃ পর্ব ৯

হুহুন্নারা হারিয়ে গেল কালের চক্রে

ভূপৃষ্ঠ থেকে চৌত্রিশ হাজার ফুট ওপর থেকে এবারের ক্যাডেট কথিকা লিখছি। অস্ট্রেলিয়ায় শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছি। যেতে যেতে ভাবছি, সাবেকী লোকজন কত সুখেই না ছিল। ছয় বেহারা শতেক বার হুহুন্না বললেই পৌঁছে যাওয়া যেতো বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়ির ঘাটে। তাদের পাসপোর্ট ভিসা কিংবা বেনজোডায়াজেপিনের দরকার পড়তো না। আধুনিক নাগরিক জীবন বড় জটিল! আমেরিকার দক্ষিন কোণ থেকে পশ্চিম তীরে পৌঁছুতে বিমানে সাড়ে পাঁচ ঘন্টা লেগে গেল।

বিস্তারিত»

ভালোবাসার ঘৃণা

বুকের মাঝে ছিলে তুমি
আছো আজো সেখানেই
বাসবো ভালো জনম জনম
থাকবে তুমি যেখানেই।

কষ্ট, দুঃখ, জ্বালা যত
করছি স্বীকার দায় তার
সুখ গুলো সব হোক তোমারই
ভুল গুলো সব হোক আমার।

আমার তরে আর কোনদিন
ভিজবেনা জানি ঐ দু’চোখ
ঘৃণারা সব একজোট আজ
কখন নেবে সকল শোধ।

সুখস্মৃতি আজো কাঁদায় মোরে
তোমায় ভোলা যায়না তো
চাইনা আমি ভুলতে তোমায়
ঘৃণা তুমি করলেও।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (৬ষ্ঠ পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১১।

গত তিন দিন ধরে অনিক প্রায় আক্ষরিক অর্থেই শুয়ে বসে সময় কাটাচ্ছে। ‘প্রায়’ এজন্যই বলা কেননা মাঝে মাঝে জোর করে হলেও পড়তে বসছে। ইন্টার পরীক্ষার তো আর বেশি বাকি নেই। ক্লাস হোক বা না হোক-দেখা গেল পরীক্ষার তারিখ ঠিকই দিয়ে দিয়েছে-প্রস্তুতি না থাকলে তখন বিপদ হয়ে যাবে!

বিস্তারিত»