হাই সারাহা! হায় সারাহা!

আমার কোন সারাহা একাউণ্ট/প্রোফাইল নেই। আমি কারো সারাহা একাউণ্ট/প্রোফাইলে কখনো (এখন পর্যন্ত) ঢুকিনি, মন্তব্য করা বা ম্যাসেজ দেয়ার তো প্রশ্নই আসে না। পুরো বিষয়টাই আমার কাছে কেমন যেন অস্বস্তিকর মনে হচ্ছে। এটা অনেকটা নিবন্ধন বিহীন সিম কার্ড দিয়ে পরিচয় গোপন রেখে কাউকে ফোন করার মতই মনে হচ্ছে আমার কছে। কাউকে হিডেন ক্রাশের খবর জানানো, কিংবা মনের ঝাল মিটিয়ে গালি দেয়া, কিংবা এখন পর্যন্ত যেটার খবর সারাহাতে ঘটেছে বলে শুনিনি তা হলো প্রতারণার মাধ্যমে চাঁদা চাওয়া।

বিস্তারিত»

অপার্থিব ইচ্ছেগুলো…

আমি এমন একটা শান্তির দেশে যেতে চাই,
যেখানে উচ্চঃস্বরে কেউ কোন কথা বলেনা,
কেউ উল্টো পথ ধরে আসা যাওয়া করে না।
যেখানে পাখিরা নির্ভয়ে উড়ে যেতে পারে
ব্যস্ত বেখেয়াল মানুষের মাথার ওপর দিয়ে,
একান্তে বলে যেতে পারে তাদের মনের কথা।

একদিন কোন এক নির্জন গিরি চূড়ায় উঠে
পাখির চোখে আমি পৃথিবীটাকে দেখতে চাই।
সে পাহাড়ের বুক চিরে এক আনমনা বহমান
উচ্ছ্বল ঝর্ণা নেচে যাবে তার আপন খেয়ালে।

বিস্তারিত»

আহ ক্রিকেট! আহ রোমান্টিকতা!!

(চৌ জাফরউল্লাহ শরাফত টোনে পড়তে হবে O:) )

-সুপ্রিয় দর্শকমণ্ডলী, জেমস এন্ডারসন প্রান্ত থেকে বল করতে আসছেন ইংল্যান্ডের নয়নমণি, ল্যাঙ্কাশায়ারের সোনার ছেলে, সুইং এর রাজা, সিম এর নবাব জেমস মাইকেল ‘জিমি’ এন্ডারসন!!
এ কী তেলেসমাতি! এ কী অভাবনীয় ব্যাপার! এ কী কাকতলীয় ব্যাপার!
বোলার এবং বোলিং প্রান্তের একই নাম!!

(পাশ থেকে, ফিসফিস করে)
-ভাই, তেলেসমাতি’র কিছু নেই। গত সপ্তাহে ল্যাঙ্কাশায়ার কর্তৃপক্ষ ওর নামেই এই নামকরণ করেছে।

বিস্তারিত»

বাংলাদেশের প্রাচীনতম পাথরের সেতু – জয়পুরহাট

আটাপুর-উচাই-মহীপুর জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ৩টি প্রাচীন গ্রাম। আটপাড়া/আটাপুর/আতাপুর ইউনিয়নের আতাপুর/নোয়াপাড়া মৌজার দক্ষিণে উচাই মৌজা। আটাপুর ও উচাই মৌজাদ্বয়কে পূর্ব ও দক্ষিন দিক দিয়ে তুলশীগঙ্গা নদী ইংরেজী Y অক্ষরের মাথার ন্যায় জড়িয়ে ধরে আছে। উচাই মৌজার দক্ষিণে, তুলশীগঙ্গা নদীর দক্ষিণ-পশ্চিম পাশে মহীপুর/মাহীপুর মৌজা। পরস্পরের সাথে জড়াজড়ি করে থাকা গ্রামত্রয় বাংলাদেশের সভ্যতার অনন্য পাদপীঠ। আনুমানিক ৮-১০ বর্গকিলোমিটারের বিস্তৃর্ণ এলাকা জুড়ে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা খ্রীষ্টপূর্বাব্দ থেকে নিদেন পক্ষে সুলতানি আমলের প্রাচীন নিদর্শনের অস্তিত্ব বাঙলায় এক উন্নত নগর সভ্যতার সুস্পষ্ট ইঙ্গিত।

বিস্তারিত»

বোনেরা নদীর মত

দুই সহোদরা বোন দুই নদীর মত,
যাদের জন্ম হয়েছে একই উৎসে-
শৈলচূড়ায়, গলিত হিমবাহে কিংবা
অন্য কোন উচ্চস্থানে। ওরা একসাথে
কিছু পথ পাড়ি দিয়ে ভাগ হয়ে যায়-
প্রকৃতির অদৃশ্য ইশারায়।

দুই সহোদরার জন্ম হয় একই পরিবারে।
ওরা বেড়ে ওঠে একসাথে, আনন্দে দুখে।
তারপর ওরা ভাগ হয়ে যায় দুই সংসারে,
দূরত্ব রচিত হয় তাদের মাঝে, চিরতরে।

বিস্তারিত»

প্রিয়জনের বিদায়কালে স্নেহ-মায়া-ভালবাসার অভিব্যক্তিঃ

প্রিয়জনের বিদায়কালে স্নেহ-মায়া-ভালবাসার অভিব্যক্তিঃ

আমাদের এ ক্ষুদ্র জীবনে আমরা কতজনের সাথেই স্নেহ ভালবাসা, মায়া মমতার অটুট বাঁধনে আবদ্ধ হই ও থাকি। কারো সাথে জন্ম থেকেই, যেমন বাবা মা, ভাই বোন এবং পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে, আবার কারো সাথে মায়া ভালবাসার ডোরে আবদ্ধ হই জীবন-পথে চলতে গিয়ে। কখনো সে বাঁধন চির অটুট থেকে যায়, আবার কখনো পারস্পরিক দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলে সে বাঁধন ধীরে ধীরে শিথিল হয়ে যায়।

বিস্তারিত»

শান্তির দেশ ভুটান ভ্রমণ – ২

স্কুলের ছাত্র থাকাকালীন সময়ে ভূগোল আমার অন্যতম প্রিয় বিষয় ছিল। সহপাঠীদের সাথে কিংবা বাসায় বড় বোনের সাথে আমরা ম্যাপ ম্যাপ খেলতাম। বেশ মনে পড়ছে আমরা আরেকটা খেলা খেলতাম, যার নাম ছিল “Name-Place-Animal-Thing”। অর্থাৎ কেউ একজন পালাক্রমে ইংরেজী একটা বর্ণ উল্লেখ করবে, পরে সবাই সেই বর্ণকে আদ্যোক্ষর করে প্রথমে একজন মানুষের নাম, তারপরে একটা জায়গার নাম, তারপর একটা প্রাণীর নাম এবং সবশেষে যে কোন একটা জিনিসের নাম লিখবে।

বিস্তারিত»

শান্তির দেশ ভুটান ভ্রমণ — ১

প্রায় হঠাৎ করেই এক অনির্ধারিত সাক্ষাতে আমরা চার বন্ধু দম্পতি ইচ্ছে প্রকাশ করলাম, শান্তির দেশ ভুটান সফরে যাব। শুধু ইচ্ছে প্রকাশ করলেই তো হবেনা, অর্থকড়ি ছাড়াও কিছু কাঠ খড়ও পোড়াতে হবে। আমাদের মধ্যে সবচেয়ে কম কথা বলে যে বন্ধুটি, সেই দায়িত্ব নিল সবার পক্ষ থেকে হোটেল বুকিং, টিকেট বুকিং, তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ ইত্যাদি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার। শুধু তাই নয়, ০৬ মে ১৭ তারিখে তার বাসায় বাকী তিন যুগলকে দাওয়াত করে সফরের উপর একটা নাতিদীর্ঘ প্রারম্ভিক ব্রীফিং দিল এবং টিকেট ও হোটেল বুকিং এর কাগজপত্র হস্তান্তর করলো।

বিস্তারিত»

বাস্তবমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা : কিছু ভাবনা

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে খুব সাধারণ একটা অভিযোগ হল, এখানে যা শেখান হয়, বাস্তব জীবনে তা কাজে লাগে খুবি কম। আর বাস্তব জীবনে যা কাজে লাগে, সেগুলো সবাই শেখে ঠেলায় পড়ে। কথারটার মধ্যে সত্যতা আছে বলেই মনে করি। আমার মতে এই ব্যাপারগুলো আমাদের স্কুল সিলেবাসে থাকা উচিত যেগুলো বাস্তব জীবনে কাজে লাগবে-

রান্না ও পুষ্টি: সাধারণ রান্নার নিয়ম-কানুন জানা ও অভিজ্ঞতা থাকা সবারই দরকার।

বিস্তারিত»

ডিভোর্স এণ্ড সোশ্যাল মিডিয়া

কিছু বিষয়ের অহেতুক সমালোচনা আমি একেবারেই মেনে নিতে পারি না। বিশাল এই সমাজের নিতান্তই একটা ক্ষুদ্র অংশ হিসেবে আমার ধারণা, কিছু-কিছু সমালোচনা, হাসি-তামাসা বা তিরস্কার, ব্যাক্তি এবং সমাজ উভয়ের দৃষ্টিতেই অগ্রহনযোগ্য। হাসি-তামাসা টাইপের সমালোচনা বা কটাক্ষ, যা ইদানিং “ট্রল” নামে ব্যপকভাবে পরিচিত, এসবের মধ্য দিয়ে আমরা কিন্তু প্রকৃতার্থে নিজের বুদ্ধিমত্তা এবং রুচিজ্ঞানকেই জনসম্মুখে নিয়ে আসি। অনেকেই হয়ত মুখে কিছু বলে আমাদের এই অসুস্থ মানসিকতা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছেন না,

বিস্তারিত»

অস্তাচলের ভাবনা

সন্ধ্যা ঘনায়ে এলো,পাখি খোঁজে নীড়,
মেঘ তুমি ভেসে যাবে ছড়িয়ে আবির।
আমি হেথা দেখে যাবো রঙের খেলায়
তোমার হারিয়ে যাওয়া আঁধার বেলায়।

মেঘ তুমি ভেসে যাবে কোন দেশেতে?
অনুপম এ রঙে তোমায় কে এঁকেছে?
সোনালী আভায় মোড়া নীল ধুপছায়া
প্রেয়সীর কপোল সম কোমল কায়া!

বিস্তারিত»

বারো শিবালয় মন্দির – জয়পুরহাট

জয়পুরহাট জেলা সদরের হেলকুন্ডা গ্রামে বাস করতেন কান্ত মন্ডল ও তার পরিবার। পেশায় গন্ধ-বনিক কান্ত মন্ডল নবাবী আমলে (১৭০৭ – ১৭৫৭ খ্রীঃ) অর্থ-বিত্ত-ঐশ্বর্য্যে এতটাই সম্মৃদ্ধি অর্জন করেন যে, তাকে মূর্শিদাবাদের তৎকালীন ধন্যাঢ্য ব্যাক্তি জগৎশেঠের সাথে তুলনা করা হতো। এই বংশেরই অন্যতম সফল পুরুষ রাজীব লোচন মন্ডল।

সম্ভবতঃ অষ্টাদশ শতাব্দীর শেষভাগে অথবা উনবিংশ শতাব্দীর প্রথমার্ধে রাজীব লোচন মন্ডল জয়পুরহাট জেলার সদর উপজেলার বেল আমলা গ্রামে ‘বারো শিবালয় মন্দির’ নামে একটি মন্দির নির্মাণ করেন।

বিস্তারিত»

প্রভুর ক্ষমা, মায়ের আশীষ

নিজের লেখায় কখনো তৃপ্ত বোধ করি না। যতবার পড়ি, ততবারই সম্পাদনা করতে ইচ্ছে হয়। নিজের লেখা পুরনো কবিতার ঝাঁপি খুলে আজ এই কবিতাটাকে হাতের কাছে পেলাম। পড়ে ভাল লাগলো, কবিতা লেখার পেছনের অনুভূতিটার কথা মনে পড়ে গেল। সাথে সাথে মাকে ফোন করলাম, দোয়া চাইলাম। মা জানালেন, সব সময় আমরা তাঁর দোয়ায় আছি। মাথায় তাঁর অদৃশ্য হাতের পরশ অনুভব করলাম। মায়ের হাসিমাখা কথাগুলো কানে গেঁথে রইলো।

বিস্তারিত»

তউফিক স্যারের জন্যে প্রার্থনা!

আমি নিজে বিখ্যাত মানুষ না হলেও অনেক বিখ্যাত মানুষদের সাথে আমার পরিচিতি ও সখ্যতা ছিল। কৈশোরকাল হতেই। এই সুযোগটা মূলত সৃষ্টি হয়েছিলো মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজে আমার পড়াশুনা করার সুবাদে। ১৯৭৭ থেকে ১৯৮৩ সাল। ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে সবার একটা সাধারণ ধারণা যে সমাজের বিত্তবান শ্রেণীর অভিভাবকদের সন্তানরা এখানে পড়াশুনা করে। বিষয়টার বর্তমান সত্যতা সম্পর্কে আমি খুব বেশি ওয়াকিবহাল নই। তবে আমাদের সময়ে, তৎপূর্বে, এমনকি আমাদের পরের অনেকটা সময় জুড়েও ধারণাটা সত্য ছিল না।

বিস্তারিত»

জয়পুরহাট

বাংলার পাল সাম্রাজ্যের (৭৫০ – ১২০০ খ্রীঃ) দ্বিতীয় নৃপতি ধর্মপালের (৭৭০ – ৮১০ খ্রীঃ) ভাই বাকপালের পুত্র জয়পাল। অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, ধর্মপালের অপর ভাই দেবপাল (৮১০ – ৮৫০ আনুঃ খ্রীঃ) তার শাসনামলে জয়পালকে তার প্রধান সেনাপতি হিসাবে নির্বাচিত করে। জয়পাল পরবর্তী কালে এই অঞ্চল শাসন করার সুযোগ/অধিকার পান। স্থানীয়রা খঞ্জনপুরের দক্ষিণ দিকে আনুমানিক ২.৪ কিলোমিটার দূরে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপত্যের নিদর্শনকে জয়পালের রাজবাড়ি বলে চিহ্নিত করে থাকেন।

বিস্তারিত»