জয়পুরহাট

বাংলার পাল সাম্রাজ্যের (৭৫০ – ১২০০ খ্রীঃ) দ্বিতীয় নৃপতি ধর্মপালের (৭৭০ – ৮১০ খ্রীঃ) ভাই বাকপালের পুত্র জয়পাল। অনির্ভরযোগ্য সূত্র থেকে জানা যায়, ধর্মপালের অপর ভাই দেবপাল (৮১০ – ৮৫০ আনুঃ খ্রীঃ) তার শাসনামলে জয়পালকে তার প্রধান সেনাপতি হিসাবে নির্বাচিত করে। জয়পাল পরবর্তী কালে এই অঞ্চল শাসন করার সুযোগ/অধিকার পান। স্থানীয়রা খঞ্জনপুরের দক্ষিণ দিকে আনুমানিক ২.৪ কিলোমিটার দূরে একটি ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থাপত্যের নিদর্শনকে জয়পালের রাজবাড়ি বলে চিহ্নিত করে থাকেন।

বিস্তারিত»

সে রাতে আকাশটা অঝোরে ঝরেছিলো

সে রাতে আকাশ যেন ভেঙে পড়েছিলো,
জলভরা মেঘগুলো নেমে এসেছিলো,
পাখিদের নীড়গুলো ভিজে গিয়েছিলো,
নিশাচর পথিকেরা বাড়ী ফিরেছিলো।

সে রাতে আকাশটা অঝোরে ঝরেছিলো,
মেঘ ভরা জলধারা ঝরে পড়েছিলো,
সরীসৃপেরা সারারাত বিবরে ছিলো,
বাহিরের কিছু প্রাণী ভেসে গিয়েছিলো।

সে রাতে আকাশ থেকে নেমে এসেছিলো,
এক সুন্দরী জলপরী মায়ায় ভরা।
এক ঘুমহারা পাখিকে ঘুম পাড়িয়ে,

বিস্তারিত»

বিয়ে বিচ্ছেদ, বিশেষজ্ঞ মতামত ও আমাদের সমাজবিজ্ঞানীরা-১

সম্প্রতি বাংলাদেশে বিশেষ করে শহরাঞ্চলে বিয়ে বিচ্ছেদ মহামারী আকার ধারণ করেছে যা কয়েকমাস আগে মিডিয়াতে এসেছিল। অনেকগুলো পত্রিকা এবিষয়ে সাম্প্রতিক তথ্য ও উপাত্তের পাশাপাশি বিশেষজ্ঞ মতামতের ভিত্তিতে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। সেইসব প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে আমি এই উপসংহারে পৌঁছেছি যে, বিয়ে বিচ্ছেদকে রোধ করার জন্য বাংলাদেশকে তালেবানী আফগানিস্তান বানাতে হবে। পাশাপাশি, সমাজবিজ্ঞান এমন একটি বিষয়, যেখানে বিশেষজ্ঞ হওয়ার জন্য সামজবিজ্ঞান না পড়লেও চলে। কিভাবে এইসব অনুসিদ্ধান্তে আসলাম,

বিস্তারিত»

প্রয়াত শিক্ষক, পরবর্তীতে সহকর্মী মীর ওয়ালীউজ্জামান স্মরণেঃ

এম সি সি তে (Momenshahi Cadet College-MCC) আমার কিছুদিনের শিক্ষক ছিলেন মীর ওয়ালীউজ্জামান, ইংরেজীর প্রভাষক। আমরা তখন একাদশ কিংবা দ্বাদশ শ্রেণীতে, উনি ঢাবি থেকে সদ্য মাস্টার্স করা টগবগে তরুণ শিক্ষক, অত্যন্ত সুদর্শন, নায়কোচিত চেহারা। বয়সের ব্যবধান তেমন ছিলনা (গুরু শিষ্যের মত), তদুপরি ওনার সারল্য এবং আন্তরিকতার কারণে আমরা বন্ধুর মত ছিলাম। আমাদের চোখে উনি তখন ভীষণ একজন স্মার্ট টীচার। এ রকম সুদর্শন একজন ব্যক্তিত্বকে আমরা প্রভাষক নয়,

বিস্তারিত»

কালি-কলম কাহিনী/এই সময়

বা দিক থেকে Croco Rome Dile, Jinhao x250, Jinhao x750, Jinhao 992, Mini Pen without brand name (blue color), Traditional pen F002, KAIDULI এবং BAOER 516

আমার কালি কলমের “এই সময়” শুরু হয়েছিল ২০১২ সালে। কি মনে করে KAIDULI নামক ব্র্যান্ডের একটা কলম কিনলাম যাতে Piston টাইপের ইংক কনভার্টার আছে কিনা তা নিশ্চিত হয়েই। কারন রাবারের Bladder যুক্ত Squeeze টাইপ ইংক কনভার্টার আমার কাছে একেবারেই সেকেলে মনে হত। তারপর কিনলাম BAOER 516 ঐ বছরই একই জায়গা সেই নিউমার্কেট থেকে। লিখে যা আরাম…। সেকেলে ইংক কনভার্টার থাকা সত্ত্বেও এরপর কিনলাম এক নাম না জানা (কলমের গায়ে কোন Brand Name খোদাই করা নেই) গাঢ়হ‌্ নীল রং এর ছোট একটা কলম।

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন গল্প

নাফিস (১৯) আর নাকিব (১১) দুই ভাই। ওদের বাবা মা উভয়েই চিকিৎসক ছিলেন। ছিলেন বলছি, কারণ ওদের মা সদ্য প্রয়াত, মাত্র ৪৮ বছর বয়সে এক মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় অকুস্থলেই নিহত হন। দুই ভাই এর মধ্যে বয়সের ব্যবধানটা একটু বেশী হলেও ওরা, বিশেষ করে প্রবাসে আসার পর থেকে একে অপরের বন্ধু হয়ে যায়। আজ থেকে ৮ বছর আগে ওদেরকে নিয়ে যখন ওদের বাবা মা ইমিগ্রেশন ভিসায় আমেরিকার নিউ ইয়র্কে এলো,

বিস্তারিত»

পোষ্য

আজকে স্বপ্ন দেখছিলাম আমার চামড়ার নিচে স্টোমডিয়াম ( তেলাপোকার ডিম) ভর্তি। চুলকালেই ঘামাচির মতন উঠে আসছে। মাঝে মাঝে দুই একটার মধ্যে শিশু তেলাপোকাও আরাম করে বসে থাকে, ছাদ ভাঙ্গলেই বিরক্ত হইয়ে ছুটাছুটি শুরু করে। অথচ আমি যেই স্বপ্নটা দেখছিলাম সেইটা কিন্তু খুব সুন্দর, মিষ্ট মিষ্ট একটা স্বপ্ন। আমি স্বপ্ন দেখি অনেক লম্বা লম্বা, ( যেইটা আসলে অলস মানুষ হিসেবে আমার বৈশিষ্ট্য) অনেক ডিটেইলে; যদিও ঘুম থেকে উঠার পরে তার খুব কমই মনে থাকে,

বিস্তারিত»

ঈদ মুবারক!


আজ সন্ধ্যে ৭টা ২০ মিনিটে আমার শয়নকক্ষ থেকে ঈদুল ফিতর-২০১৭ এর নতুন চাঁদের ছবি।


আজ সন্ধ্যে ৭টা ২০ মিনিটে আমার শয়নকক্ষ থেকে ঈদুল ফিতর-২০১৭ এর নতুন চাঁদের ছবি।

রমজানের শেষ দিনে আজ ঘরে বসেই মাগরিবের নামাজ পড়লাম। নামাজ পড়ে বেডরুমের পর্দাটা সরিয়ে দেখি, আকাশের বুকে একফালি চাঁদ। ঈদুল ফিতর-২০১৭ এর চাঁদ। জীবনে এর আগে কখনো ঘরে বসে শয়নকক্ষ থেকে নতুন উদিত কোন চাঁদ দেখিনি,

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড! (শেষ পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ ১০

২১।

নভেম্বর, ১৯৭১।

গত দুই দিন ধরে অনিক এবং ওদের দলের সবারই মন খুব প্রফুল্ল। এই মুহূর্তে ওরা গাংনির একটি স্কুল ঘরে অবস্থান নিয়েছে। ঘরটির অর্ধেকের বেশি গোলার আঘাতে বিধ্বস্ত হলেও ভেতরে কয়েকটি রুম অক্ষত আছে।

বিস্তারিত»

ছেলেমানুষের ভবিষ্যত

ছেলেমানুষেরা যে একগুঁয়ে, মাথামোটা আর অনমনীয়, ব্যাপারটার একটা ভালো উদাহরণ ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রি।ফ্যাশন জগতে মেয়েদের কাপড় চোপড় নিয়ে যে পরিমান পরীক্ষা নিরীক্ষা করা হয় তার দু ভাগও ছেলেদের পোষাক নিয়ে করা হয় কিনা সন্দেহ! কারনটা কি? এই সেক্টরে মেধবী মানুষজন নাই? নাকি বাজার চায়না? অথবা হয় ছেলেদের ফ্যাশনে আগ্রহ নাই, একটা হলেই হল নয়ত তাদের নতুনে আগ্রহ নেই, নতুন কিছু বের করলেও বাজারে বিকোয়না, এর বাইরে তো আর কোন কারন হতে পারেনা,

বিস্তারিত»

খুঁজি অহর্নিশি

যারে খুঁজি অহর্নিশি
সুখে কিংবা দুঃখে ভাসি’
ব্যস্ততা বা বিরামে বসি’
অদেখা তারে ভালবাসি।

ভালবাসি বলেই খুঁজি,
জেগে কিংবা চক্ষু বুঁজি,
শিশু যেমন খোঁজে মা’কে
তেমনি আমি খুঁজি তাকে।

ঢাকা
২০ জুন ২০১৭
সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত।

বিস্তারিত»

জীবনের জন্য ইন্টারনেট

বিশ্বব্যাংক গত বছর তাদের একটি গবেষণায় বলেছিল, বাংলাদেশে ৯০ ভাগ মানুষ এখনো ইন্টারনেট ব্যবহার করে না। নব্বই ভাগ অর্থ প্রায় ১৫ কোটির কাছাকাছি। ওদিকে বাংলাদেশ সরকারের হিসাবে ছয় কোটিরও বেশি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। এই দুই পরিসংখ্যান মিলছে না। বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের গণনার পদ্ধতি ভিন্ন, মতামত ভিন্ন। এই ভিন্নতা কেন হচ্ছে তা ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। তবে এটুকু আশা করা যায় যে এই দুই পক্ষ একসঙ্গে কাজ করলে একটি চিত্র পাওয়া যেতে পারে।

বিস্তারিত»

‘নতুন কাপড়’ আন্দোলন শুরু হোক

অনেক দিন আগের কথা। ১৯৭৭ সাল। আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। আমার পর আরও এক ভাই ও দু’বোন। আমরা সবাই ছোট্ট শিশু তখন। ঈদ এলে আনন্দই ছিল অন্যরকম। বিশেষ করে ঈদের কাপড়। নতুন কাপড় পরার আশা আমাদের সবাইকে আচ্ছন্ন করে রাখতো। পাড়ার সব ছোট ছেলে-মেয়ের জন্য তাদের বাবা-মা রোজার সময়ই নতুন কাপড় কিনে আনতেন। বড়রা আমাদের জন্য কাপড় কিনছেন বা দর্জির কাছে তৈরি করাতে দিচ্ছেন, আর আমাদের মধ্যে আনন্দের নদী বয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত»

বলের বদলে গ্রেনেড (১০ম পর্ব)

আগের পর্বগুলোঃ

১৯।

কামদেবপুর গ্রাম, মেহেরপুর মহকুমা।

পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যে কোন দিন আক্রমণ করতে পারে এই ভয়ে বেশিরভাগ পুরুষ মানুষই গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে গেছে। যারা রয়ে গেছে, তাদের আসলে যাবার আর কোন জায়গা নেই কিংবা অন্যত্র সরে যাবার মতন শারীরিক সক্ষমতা নেই।

বিস্তারিত»

চক্রব্যুহ

আমার এখানে যখন গভীর অমানিশা,
অন্য কোন দূর দিগন্তে তখন অরুণোদয় হচ্ছে।
সেখানে পাখিরা ভোরের প্রার্থনা সঙ্গীত শুরু করেছে,
বিশ্বাসীরা দল বেঁধে উপাসনালয়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আর কিছুক্ষণ পরে,
সেখানে সোনালী আলোর রশ্মি ছড়িয়ে পড়বে।
পাহাড় উপত্যকা পেরিয়ে, লোকালয়ে, বিস্তৃত মাঠে।
মানব মানবীরা বেড়িয়ে পড়বে নিত্যদিনের যাপন কর্মে।

কৃষ্ণপক্ষের পরে শুক্লপক্ষ,
আঁধারের পর আলো,

বিস্তারিত»