মানুষ বড় হয়ে কত কিছু হইতে চায়। কেউ ডাক্তার, কেউ ইঞ্জিনিয়ার, নবীন গবেষক, আবার কেউ ছাত্রলীগের নেতা। আমি যত বড় হইতে লাগলাম খালি মনে হতে লাগলো আমার কিছুই হওয়ার দরকার নাই। ২৪/৭ মনের মত আলসেমি করে দিন পার করে দিতে পারলেই আমি খুশী। সে লক্ষ্যে বেশ ভালোমতই এগিয়ে যাচ্ছিলাম। বিএসসি সার্টিফিকেট বালিশের তলায় রেখে রাতের বেলায় ঘুমাতাম আর সকাল সাড়ে বারোটায় ঘুম থেকে উঠে হাই তুলতে তুলতে ভাবতাম –
বিস্তারিত»গুড়াকাব্য: ইহা একটি পুরুষবিদ্বেষী শততম পোস্ট
তীব্র সাম্প্রদায়িক, নারীবিদ্বেষী এবং সংকীর্ণ পুরুষতান্ত্রিক একটি পোস্টের জবাব
এক.
বিকেল বেলা চটপটি
পড়ে থাকে কটকটি
[অর্থ: প্রেমিকার সঙ্গে ডেট করে আইসিডিডিআরবিতে ভর্তি ………………..]
দুই.
ভেলকি লাগরে লাগ
ঝাড়ুর পিঠে ভাগ
[অর্থ: বিপ্লবী নারী সংহতির মিছিলে ভুলে ঢুকে পড়েছিলেন হোমো এরশাদ …………………..]
তিন.
পাশের বাড়ির হাদা
বাসর ঘরে খামচি খেয়ে
ভ্যাকসিনে হল আধা
[অর্থ: বাসর ঘরে ভুলে ঢুকে পড়া বেড়ালকে কখনো মারতে নেই।
বিস্তারিত»ডাকাডাকি পোস্ট
পোস্টটা শুরু করতেসি আমার দিহানাপুর কথা মনে করে। দিহানাপু, আমি গরীব মানূষ, মোবাইলে টাকা থাকে না জন্য তোমাকে ফোন্দিতে পারি না। কিন্তু প্রতিটা দিন আমি তোমার কথা মনে করি, বিশ্বাস করো, চাপা ছাড়তেসি না…প্রতিটা দিন…
ধুমায় পড়াশুনা করতেসি…এই সেমিস্টারে ভালো রেজাল্ট করতেই হবে এমন একটা ভাব…সারাদিন কাজকাম করসি, মাঝে মাঝে ফেসবুকে ঢুকে পড়তেসি জন্য মাত্র ফেইসবুক ডিএক্টিভেট করলাম। এরপর সিসিবিতে এসে দেখি টিটো ভাইয়ের লেখা,
বিস্তারিত»হাফ ডজন অনুকাব্য (এক্টা বেশিও না এক্টা কমও না)
হাত মোটেই নিশপিশ করছিলো না লেখার জন্য। কিন্তু মেল্যা দিন কোনো লেখাটেখা দেই নাই । এমনকি এইখানেও দেখা দেই নাই। হয় না……হয় না……….। সিসিবির আজকের অবস্থা দেইখা কিছু অনুকাব্য লিখে ফেললাম। আহা! কত্তদিন লেখি না………………..কত্তদিন………না…আআআআআআ। …আগে দেখেছি অনুকাব্যের বাজার ভালু। লেখাও যায় তার্তারি। বিশিষ্ট পাঠককুল বয়স কম হইলে চুপিচুপি পইড়া নিবেন। বয়স বেশি হইলে জোরেও পড়তে পারেন। আর বয়স যাদের অনেক বেশি কিন্তু মনে তরুণ 😕 তারা যা খুশি তাই করতে পারেন।
বিস্তারিত»ইন্টারনেট এ আসুন (সম্পাদিত :p)
ইন্টারনেট এ আয় করা যায় এটা সবাই জানে। কিন্তু সত্যি সত্যি টাকা পাওয়া যায় এরকম সাইট খুব কম আছে। বেশিরভাগ ই ভূয়া। আমি খুঁজতে খুঁজতে একটা সাইট পেয়েছি যেটাতে সত্যি ইনকাম করা যায়। PTC সাইট এর নাম অনেকে শুনে থাকবেন। মানে PAY TO CLICK। অর্থাৎ তাদের দেয়া লিংক এ click করতে হবে। বিনিময়ে তারা pay করবে। এখান এ click করুন। আরেকটা ট্যাব এ Alertpayতে গিয়ে একটা অ্যাকাউন্ট খুলে নিন।
বিস্তারিত»আমরা কি ক্ষমা করেছি?
আমি বরাবর এই ধরনের আলোচনা করার জন্য বিভিন্ন জনের কাছে নানা ধরনের কটু কথা শুনে আসছি তবুও আমি এই কথা গুলো বলব কারণ কাউকে না কাউকে তো বলতেই হবে।
১৯৪৮ সালে ধর্মের ভিত্তিতে এই উপমহাদেশকে দুইটি পৃথক র্র্রাষ্টে বিভক্ত করা হয় ভারত আর পাকিস্তান।যারা আমার মত মোটামুটি ইতিহাস জানেন তারা অব্যশই স্বীকার করবেন যে পাকিস্তান দেশটি সৃষ্টির পেছনে বাঙালি মুসলমানদের একটি বড় ধরনের সর্মথন ছিল বলেই এটা সম্ভব হয়েছিল।এর পেছনে কিছু রাজনৈতিক কারণ ছিল কারণ তদকালীন বাংলাদেশে যারা মুসলীম লীগ করত তাদের ধারণা ছিল যেহেতু বাঙালিরা সংথ্যাগরিষ্ঠ ছিল পৃথক দেশ হলে তাদের হাতেই দেশের ক্ষমতা থাকার কথা ছিল।কিন্তু তা না হয়ে আমরা হয়ে উঠলাম পশ্চিম পাকিস্তানের একটি উপনিবেশ।এরপরের সংগ্রাম আর রক্তের ইতিহাস আমাদের সবার জানা।
অভিশাপ
আজকাল খুব ব্যস্ত পড়াশোনা আর থিসিস নিয়ে। কাজ করতে অনেক রাত হয়ে যাই সকাল ঘুম থেকে উঠে আবার পুরান গৎবাধা জীবন।আমি এখন সবার থেকে দূরে দূরে থাকার চেষ্টা করি সবার থেকে কারণটা হল আমার একটা দৃঢ় বিশ্বাস জন্মে গেছে সেটা হল আমার প্রিয় জিনিষ গুলো আমার কাছ থেকে কেন জানি দূরে সরে যাই হাজার চেষ্টা করেও আমি আমার কাছে নিজের করে রাখতে পারিনা।তাই অজানা ভয়ে প্রিয় মানুষ গুলোর কাছ থেকে দূরে দুরে থাকার চেষ্টা আমাকে করতে হয়।
বিস্তারিত»হালখাতা
শুভ নববর্ষ ১৪১৮।
বাংলা ক্যালেন্ডার এমনিতেই পিছানো থাকে গ্রেগরিয়ান বছরের তুলনায়। পাক্কা ৫৯৩ বছর, ভাল ভাবে বললে ৫৯৩ বছর ৩ মাস ১৩ দিন ৬ ঘন্টার এদিক ওদিক। এই জন্যই বুঝি আমরা এখনো পিছিয়ে পশ্চিমের তুলনায়। শুধু তাই নয় দিন শুরুতেই পিছিয়ে পড়ি কমসে কম ৬ ঘন্টা। গ্রেগরিয়ান(যাকে আমরা ইংরেজি ক্যালেন্ডার বলি) দিন যেখানে শুরু হয় রাত ১২টায় আমাদের বাংলা দিন শুরু হয় ভোরে সূর্যের সাথে।
ডাকঘর – দুই
ক্ষণে ক্ষণে বসন্তদিন ফেলেছে নিঃশ্বাস
[আগের চিঠিটি এখানে]
প্রিয় পুণ্ডরীক,
তোমার চিঠি আমাকে চমকে দিলো এতো বছর পর। বিরিশিরি গিয়েছিলাম একটি রেসিডেন্সিয়াল আর্ট এ্যাপ্রিসিয়েশন ওয়ার্কশপ করাতে। দুদিন আগে ফিরে দেখি অমুক বিলের চিঠি, তমুক দাওয়াতের কার্ডে লিভিং রুমের চায়ের টেবিলে খামের স্তূপ। আজ সেগুলো ঘাটতে গিয়ে অপ্রত্যাশিত তোমার এই চিঠি আমাকে ভীষণ আশ্চর্য করলো।
বিস্তারিত»বৃক্ষরোপণ এবং অপ্রাসঙ্গিক কিছু কথা
প্রথম লেখা ব্লগের কিছু কমেন্ট থেকে দ্বিতীয় লেখার প্রেরণা পেলাম। ধন্যবাদ সবাইকে।
প্রথমেই অপ্রাসঙ্গিক কি সেটা বলি।
গত কয়েকদিন যাবত নিজের অজান্তে/ ভুলে হারাম কোক খাচ্ছি।
না ইয়াহুর সেই বহুল আলোচিত কোকের প্রস্তুত প্রণালীর কথা বলছিনা; পাত্রের কথা বলছি। (এখানে অনেকেই কোক খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে) একটু অবাক শোনাচ্ছে; নয় কি?
পাত্র বলতে কোক পান করার পাত্র বা গ্লাস বুঝচ্ছি।
জ্যোতিষ শাস্ত্র (বাংলাদেশ) ১০১-পর্ব এক
জ্যোতিষ শাস্ত্র হল কিছু পদ্ধতি, প্রথা এবং বিশ্বাসের সমষ্টি যাতে মহাকাশে জ্যোতিষ্কসমূহের আপেক্ষিক অবস্থান এবং তৎসংশ্লিষ্ট তথ্যাদির মাধ্যমে মানব জীবন, মানুষের ব্যক্তিত্ব এবং মানবীয় ও বহির্জাগতিক ঘটনাবলী সম্পর্কে ভবিষ্যত বাণী করা হয়।
-সূত্রঃ উইকিপিডিয়া
আপনারা এই লেখার শিরোনাম ভাল করে খেয়াল করে থাকলে নিশ্চয়ই দেখেছেন বন্ধনীর মধ্যে বাংলাদেশ শব্দটি লেখা আছে। এর মানে হচ্ছে আমাদের এই কোর্সটি গতানুগতিক জ্যোতিষ শাস্ত্র থেকে কিছুটা…আসলে মিথ্যে বলে কি লাভ,
বিস্তারিত»“একটা চিঠি” ……(বাবা-মায়ের লেখা, যা পোস্ট করা হয়নি)……….
প্রিয় সন্তান,
…………
আমি যখন বার্ধক্য উপনীত হবো…।আমি আশা করবো.. “তুমি আমাকে বুঝবে এবং আমার সাথে ধৈর্যশীল হবে”
ধরো আমি যদি হঠাৎ থালা ভেঙ্গে ফেলি,অথবা টেবিলে স্যুপ ফেলে নষ্ট করি…..
কারণ আমি আমার দৃষ্টিশক্তি হরিয়ে ফেলছি….। আশা করি তুমি আমার প্রতি চিৎকার করবে না।
বয়স্ক মানুষ খুব স্পর্শকাতর….……
তুমি যখন চিৎকার করে কথা বলো তখন তারা নিজের কাছে খুব ছোট হয়ে যায় ,
কোন আশ্রয় নেই বলেই … ..
ছুটি দেখতে দেখতে একেবারে শেষপ্রান্তে এসে গেল। ব্লগ লেখাই হলো না। এর মাঝে মনে পড়ে গেল গত সপ্তাহের কথা। অন্যরকম দিনগুলোর স্মৃতিময়তায় লেখা এই স্মৃতিকথা…
দ্বিতীয় পর্বের সবচেয়ে বড় এক্সারসাইজ ছিল লৌহকপাট। আর এখন তৃতীয় পর্বের প্রথম বড় এক্সারসাইজ রণগতি। এটার কষ্ট একটু বেশী যে হাঁটতে হয় অনেকটুকু পথ।
“দেখতে দেখতে লৌহকপাট থেকে রণগতি। আজ লেখার এই সময়টা চমকপ্রদ। সেবার পুরো একটা নোটবুক লিখেছিলাম ট্রেঞ্চ এ বসে।
বিস্তারিত»প্রবাসজীবন, পরবাস এবং
এটা আমার লেখা প্রথম ব্লগ। লেখার ইচ্ছা থাকলেও সময়ের অভাবে লেখা হয়ে ওঠেনা। তবে মাঝে মাঝে পড়ি, বিশেষত ব ক ক র নাজমুল (২৫) যখন কোনও লেখা সম্পর্কে আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করে।
লন্ডন বা ইংল্যান্ড এ প্রচুর বাঙালি ছাত্র রয়েছে, আর এদের মাঝে ক্যাডেটদের সংখ্যাও নেহায়েত কম নয়। যারা আছে তারা তো আছেই নতুন যারা এখানে আসতে চায় তারা যাতে এই ভুল না করে এই লেখার উদ্দেশ্য সেটাই।
ডাকঘর – এক
অতীত হয় নূতন পুরানায়
একসময়কার পুরানো ঢাকার তরুন-তরুণীর গল্প। দেশে পড়ালেখার পর্ব চুকিয়ে প্রেরক এবং প্রাপক একই সময়ে বিদেশে যায় পড়তে। প্রাপক স্পেনে এবং প্রেরক কিউবাতে। একসময় তাদের বিচ্ছেদ হয়। প্রাপক দেশে ফিরে আর্ট হিস্ট্রির শিক্ষকতা করে আর প্রেরক হ্যাভানার একটি কলেজে পেইন্টিংসের শিক্ষক। অনেক বছর পর এই চিঠি লেখা হয়।
প্রিয় জারুলফুল,
পরশু শেষরাতে নেভিলের টেলিফোনে আমার ঘুম ভাঙ্গলো।
বিস্তারিত»
