প্রিয় এলাকাবাসী,
আপনাদের অবগতির জন্য জানানো যাইতেছে যে,আমার আরও কিছু ( ৭ খানা ) পেইন্টিং একটি গ্রুপ এক্সিবিশনে যাইতেছে । আরও আনন্দের বিষয় হইলো ঐ একই এক্সিবিশনে আরও ৩ পিস এক্স ক্যাডেটের ছবি যাইতেছে । এখন আপনারাই বলেন , আমার গত এক্সিবিশনে যারা যামু যামু কইরাও যান নাই , আমার জন্য না গেলেও ৪ জন এক্স ক্যাডেটের এক্সিবিশন হিসেবে ঐখানে ১বার ঢুঁ মারাটা আপনার কর্তব্য হইয়া যায় কীনা?
স্মৃতির শোকেস
২য় বর্ষ ফাইনাল পরীক্ষার সময় আমার পাশে একটা সিট সবসময় খালি থাকতো। পরীক্ষার্থীর নাম ছিল নীলিমা আচার্য।
মনে পড়ল সেই পরীক্ষারই মাত্র দু’বছর আগে প্রথম যখন ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্লাসে ঢুকছিলাম তখন খুব হতাশ হয়েছিলাম, কারণ ক্লাসে ঢুকেই দেখি মাত্র ৪ জন মেয়ে। চামড়ার রঙ দেখে মনে হলো এর মাঝে দু’জন ইউরোপীয়,একজন আফ্রিকান আর একজন আমাদের উপমহাদেশের। স্বল্পবসনা দুই ইউরোপীয় ললনার মাঝে একটা সীট ফাঁকা থাকা সত্ত্বেও গিয়ে বসলাম পিছনে।
বিস্তারিত»কাঁড়া আর আকাঁড়া
ছেলেবেলা ম্যাজিকের মতো ছিল। কতোকিছু জানতাম না। কতোকিছুর কার্যকারণ আর কলকব্জা বুঝতাম না। তাই অজানা ব্যাপারগুলোকে ভেলকিবাজি মনে হতো। স্কুল ছুটি হলে এক আইসক্রিমের গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতো, দু’টাকা দিলেই কমলা কমলা পলিথিনে মোড়ানো। একপাশের পলিথিন দাঁতে টেনে ছিঁড়ে ফেলতাম, তারপরে মুখের মধ্যে গলে গলে যেতো কমলার স্বাদ। ঠোঁট আর জিব একদম টকটকে কমলা হয়ে উঠতো। সেই আইসক্রিম বানানোর বিদ্যা অজানা ছিলো, খুব আশ্চর্য হতাম, রোজ এতো এতো আইসক্রিম কোথায় বানায়?
বিস্তারিত»যৌবন বৃষ্টি চাই
|| যৌবন বৃষ্টি চাই ||
বাঁশি আর বাজবে না কোন গভীর নিশুতি রাতে,
বাতাসের ছম ছম নিশ্চুপ প্রবাহ আর জলের ক্ষয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোন সুর অবশিষ্ট রইবে না আর।
ভালোলাগার যৌবন ফিরবে নাকো কোন রোদ্দুর মাখা ভোরে।
সব সুর, উচ্ছ্বাস রক্তে যৌবনের উন্মাদনা নিয়ে তোলপাড় করবে না কভু।
সম্পদের টিলা, শুভ্র বিছানা নির্জন অন্ধকারে পরিহাস করে যাবে মামদো ভূতের ন্যায়,
বিস্তারিত»ফটোব্লগঃ জাস্ট সেলোগ্রাফী-১৬, পদ্মা রিসোর্টে আমরা কয়েকজন
ব্লগার দের জন্য আবারো আমি সেলোগ্রাফী নিয়ে হাজির। যার যে স্বভাব।
আমরা কতিপয় কিছুদিন আগে ঘুরে আসলাম পদ্মা রিসোর্ট থেকে। কঠিন শীত যখন ছিলো।
সেই দিনের কিছু ছবি।

এলোমেলো কথামালা-২
১। এই সিরিজটি শুরু করার সময়ে ভেবেছিলাম…পরের কয়েকটি পর্ব জুড়েই শুধু বদরুল ভাইয়ের (নামঃ বদরুল আলম, ক্যাডেট নং-৩৯৯, বদর হাউস, ৮ম ইনটেক, ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ, কলেজে অবস্থানকালীন সময়ঃ ১৯৭১-৭৭) কথা লিখবো। কিভাবে তিনি তুরস্কে আসলেন…কিভাবে ভাবী-র সাথে তাঁর পরিচয়…বিবাহ…সন্তানদের গল্প…ইত্যাদি …ইত্যাদি।
২। পরের দিকে লিখতে চেয়েছিলাম…কিভাবে তিনি তুরস্কের মার্সিন শহরে একজন অনাহুত আগন্তক থেকে সেখানে একজন ব্যবসায়ী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন…কিভাবে তিনি বাংলাদেশের একজন ব্যবসায়ী-র পাল্লায় পড়ে ২/৩ লাখ মার্কিন ডলার লস খেয়েছিলেন……আবার ঘুরে দাঁড়িয়ে নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছিলেন…।
বিস্তারিত»ফুটবল ব্লগ
অনেক দিন পর লিখতে হচ্ছে। কারণ টরেস। আজকাল ক্লাব ফুটবল নিয়ে লেখালেখি করতে ইচ্ছে করেনা। কারণ লিভারপুল। চরম ব্যস্ত সময় যাচ্ছে। তাই আগের মত প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ২০০ মিনিট ফুটবল দেখা হয় না। কিন্তু দেখি। ব্যবসা, খন্ডকালীন চাকরী, ঢাকা – কুমিল্লা মহাসড়কের জ্যাম, গোলাপজানের প্যানপ্যানানী, আর প্রতিনিয়তই বড় হয়ে উঠা টরেস মিয়াঁর দুষ্টুমিতে খেলা দেখার সময়ই কমে গেছে আর লেখালেখি তো অনেক দূরের ব্যাপার।
আমি প্যাচাল লিখবো…
বিস্তারিত»বিশ্বকাপ পূর্বানুমান-২
(চলমান)
শুরুতেই আবদুল্লাহ-আল আমীনের মন্তব্যের উত্তরে বলছি। বাংলাদেশ নিয়ে বিশ্লেষণের সময়টা নাহয় একটু পরেই আসুক।
গত পর্বে লিখেছিলাম কাপ যাদের হাতে আছে, অর্থাৎ অস্ট্রেলিয়াকে নিয়ে। এবার লিখছি কাপ যাদের হাতে উঠতে পারে তাদের নিয়ে।
শুরুতেই ভারত।ভারত শুধু বৃহত্তম গণতন্ত্রের দেশই নয়,খুব সম্ভবত বৃহত্তম গণমাধ্যমেরও দেশ। তাদের অনেক চ্যানেল, অনেক পত্রিকা, অনেক সংবাদ সংস্থা ও একই সঙ্গে অনেক সাবেক ক্রিকেটার। এছাড়া জ্যোতিষিরা তো আছেই।
আরো একখানা ছবিব্লগ
আগের পোস্ট এখনো মডারেশন কিউতে আছে, বেকার না বসে আরেকখানা দিয়ে দেই। ছবিব্লগ দিয়ে যে আরাম (ছবি আপলোড করা থাকলে), বলে বুঝানো যাবে না।






এনিম্যাল জোক্স ও অন্যান্য
এনিম্যাল জোক্স আমার খুবই পছন্দের জিনিস। খুব সাধারন একটা জোক যখন কোন প্রানীকে নিয়ে করা হয়, আমার কেন জানি খুবই হাসি পায়।
কিছুদিন আগে আলপিনের একটা জোকের কথা বলি। পুকুরের পাড়ে ব্যাঙ হাতে গ্রেনেড নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে, কুমির তা দেখে এগিয়ে এসে জিজ্ঞেস করল
ঃকি ব্যাপার ব্যাঙ ভাই? হাতে গ্রেনেড কেন?
ঃওই জলহস্তিটার মুখে মারব?
“কেন, ও কি করেছে?” কুমির কিছুটা অবাক।
ঘৃণার উৎসর্গ পত্র
মৌনতার বেড়াজাল ভেঙ্গে ফুসে উঠা ভাষার চেতনায় ভেসে-
মিথ্যা আর মিথ্যাবাদীর বিরুদ্ধে আমি ছুটে গিয়েছিলাম শ্লোগানের মহড়াতে,
তামাম দেশে দক্ষিণ থেকে পূর্ব, পশ্চিম থেকে উত্তর
তোলপাড় করা প্রতিবাদের সারিতে
মা’র ডাকেই জেগেছিলাম বারবার রক্ত দিতে,
-
অতঃপর
রক্তের বিনিময়ে অম্লান বেদনা আর ভাষা
প্রতিহত হয়ে মিশে রয় আজকের আকাশ বাতাস জুড়ে,
তিক্ত স্বাদে ম্লান হওয়া প্রতিবাদের জোয়ারে-
ঈর্ষান্বিত,
আলো আলো আরও আলো – ফটুকবলগ
কিছু পড়তেও ইচ্ছা করতেসে না, কিছু লিখতেও ইচ্ছা করতেসে না।
ছবি মারি, টাইম পাস। নিচের ছবি গুলা পিসিসি ১৭ ব্যাচের সুমনের বাসার এক ইন্টেরিওর, ভাবী নিজের হাতে ডিমের ঝুড়ি আর কাগজ দিয়ে বানাইসে এই ডিজাইন।






বিশ্বকাপ পূর্বানুমান-১
ফুটবলের বিশ্বকাপ মানুষকে যতটা আলোড়িত করে, ক্রিকেট বিশ্বকাপ হয়তো ঠিক ততটাই নিরুতসাহিত করে। যে দলগুলো সারা বছর ধরে নিজেদের ভেতর ৫০ ওভার, ২০ ওভার, ৫ দিন ইত্যাদি নানা ঘরানার ছকে খেলছে,তাদের নিয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনটাই অনেকটা হাস্যকর। প্রতিবছর ওয়ার্ল্ড টোয়েন্টি টোয়েন্টি, দুই বছর পরপর আইসিসি চ্যাম্পিয়নস ট্রফি ছাড়াও প্রতি বছরই ত্রিদেশীয় গোটা দুয়েক টুর্নামেন্ট লেগেই থাকে। তার উপর গত তিন বছর ধরে ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ নামের এক ক্রিকেটিয় হিন্দি সিরিয়াল শুরু হয়েছে।
বিস্তারিত»২৯ সমগ্র
যেহেতু আজ ক্লাস ছিল না,তাই একটু আগে ঘুম থেকে উঠলাম। ঘুম থেকে উঠেই ক্যাডেট কলেজের কথা মনে পড়ে গেল। মনে পড়ে গেল বিভিন্ন সময়ে এক একজনের মুখ থেকে বের হয়া ডায়ালগ গুলো আর মজার মজার সব ঘটনা গুলো। আর তাই শেয়ার করতেই ব্রাশ না করেই ল্যাপটপ নিয়া বসা।
১…আমরা যখন ক্লাস সেভেনে,তখন আমাদের জেপি ভাইয়ার টানটান করে মশারি টাঙ্গানো নিয়া কালজয়ী ডায়ালগ,”পিটি শু থ্রো করলে যাতে আমার কাসে ব্যাক করে”।
বিস্তারিত»বিশ্বকাপ কথন ১
সিসিবির ব্লগাররা সবাই কোয়ান্টিটি ভুলে কোয়ালিটিতে বিশ্বাসী হয়ে উঠেছে। এ কারনে নিয়মিত দারুণ দারুণ সব লেখা পাচ্ছি। তবে সমস্যা হয়ে গিয়েছে আমার মত আম ব্লগারের, কোয়ালিটির অভাবে টিকে থাকার জন্য কোয়ান্টিটিই যার ভরসা। একে তো বাকি সব লেখার কোয়ালিটি দেখে নিজের লেখা দিতে এক বারের জায়গায় দশবার ভাবা লাগে, আবার একটা দিয়ে দিলেও বিপদ। বাকি লেখকদের কোয়ান্টিটির অভাবে সেই পোস্ট প্রথম পাতা থেকে সরতেই চায়না।
বিস্তারিত»























