দুটো বিড়ালের ঝগড়াঝাটির শব্দে মিথির ঘুম ভাঙে। হুট করে ঘুম ভেঙ্গে তার মনে হয়েছিল বাইরে বাড়ির সবাই হুলস্থুল কান্ড ঘটিয়ে ফেলেছে আর সে কিছুই জানে না। কিন্তু না!!! বাড়ির বিড়াল দুটো ঝগড়া করছে । অবিকল মানুষের সুর।
শুয়ে শুয়েই আড়মোড়া ভেঙ্গে জানালা দিয়ে বাইরে তাকায় মিথি।জানালার বাইরে শিউলি গাছটায় এখনো আধঝরা কিছু ফুল পাতার উপর বসে আছে। গাছের উপর তৈরি হওয়া মাকড়সার জালটা শিশির কনার ভারে নুইয়ে পড়েছে।
বড় হয়ে তুমি কি হতে চাও ??
১৫ নভেম্বর ২০০৯
ঢাকা থেকে যাওয়ার আগে ফেসবুক এ একটা স্ট্যাটাস দিয়েছিলাম
‘ যেদিন কোচিং এর জন্য প্রথম ঢাকাই আসলাম সেদিন এর লক্ষ্য আর আজ যখন চলে যাচছি তখন কার প্রাপ্তি !! হয়ত ফার্মগেটের এই সাত রাস্তার মোড়ের মতই আমাদের জীবনের একটা টার্ন তৈরি হচ্ছে’
ক্লাস ১ থেকে শুরু করে ক্লাস ১২ পর্যন্ত যে কইবার Aim in Life বা জীবনের লক্ষ্য রচনা লিখেছি সব গুলোর বিষয়ই আমি ডাক্তার হব ।
বিস্তারিত»” শ্রাবণ মেঘের আড়ালে “
ব্লগে এটা আমার প্রথম লেখা। এটা ক্যাডেট কলেজ নিয়ে লিখিনি । আমার একটা স্বপ্ন নিয়ে লিখেছি । আশা করি এর পরের লেখাগুলো ভালো লাগবে । ;;; ;;;
” শ্রাবণ মেঘের আড়ালে “
বৃষ্টিতে ভিজতে আমার খুব ভালো লাগে। বৃষ্টি ঝরলেই মনে হত যদি একজন সঙ্গী পেতাম, একসাথে বৃষ্টিতে ভেজার জন্য ! তার হাত ধরে হারিয়ে যেতাম প্রিয় বরষার মাঝে। বরষার প্রতিটি সকালে যাকে আমি কদম ফুল দিয়ে শুভসকাল জানাতে পারব।
বিস্তারিত»ঘুম,ক্লাস ও একজন ক্যাডেট ২
ঘটনা ২
নারগিস মাডামের ইংরেজি ক্লাস, ঝিমাইতে ঝিমাইতে ঘুমায়ে গেছিলাম।নিয়ম ছিল ক্লাসের সময় পারমিশন নিয়ে ১ জন বাইরে যেতে পারবে।ঘুম থেকে উঠে মনে হল বাইরে যাওয়া দরকার।আমি জানতাম না ১ জন বাইরে ছিল।পারমিশন চাইলাম ঃ may I go out ,madam? মাডাম কট মট করে উত্তর দিল is there anybody out? কিন্তু আমি শুনলাম is there any doubt? মনে মনে কইলাম মাডাম এতক্ষন যা পড়াইছে সেই সম্পর্কে আমার কোন doubt আছে কিনা সেটাই মনে হয় জানতে চাইছে ।
ঘুম, ক্লাস ও একজন ক্যাডেট
এখানে অতিথি সদস্য বাদে যারা আছি সবাই ক্যাডেট নামক প্রাণী । ক্যারওলাস লিনিয়াস বোধহয় তার জীবদ্দশায় এই আজব প্রানীর মুখোমুখি হয় নাই আর ICZN , ICBN এই প্রানীর খবর পাই নাই তাই নির্দিষ্ট কোন সাইন্টিফিক নাম কপালে জোটে নাই। কিন্তু এরা সবাই একই প্রজাতি ভুক্ত। সুনির্দিষ্ট কিছু চারিত্রিক ও মানসিক বৈশিষ্ট্য সবার মধ্যেই বিদ্যমান।
এমনই একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ‘ ক্যাডেট ক্লাসে ঘুমায় ’
আসল কথা হচ্ছে,
হে বীর, তোমায় সালাম
সময়টা ১৯৭১ সালের মার্চ মাস। আইয়ুব ক্যাডেট কলেজের ক্যাডেটদের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। কিন্তু বাড়িতে পাঠিয়ে দিলেই বা কি, অনেকেই বাড়ি ফিরে যায় নি। অনেকেই বলতে অনেক সাহসী ক্যাডেট। দেশমাতৃকার এই চরম দুর্দিনে বাড়ি গিয়ে আরামে ঘুমাবে কি করে? চারঘাটের ছেলে আব্দুল মান্নাফও এর ব্যাতিক্রম নয়। এ্যাডজুটেন্ট ক্যাপ্টেন আব্দুর রশীদের সাথে তার নিয়মিত যোগাযোগ হয়। কোথায় কবে অপারেশন হবে তার সবকিছুই বলতে গেলে মান্নাফ জানে।
বিস্তারিত»বন্ধুর পরিচয়ঃ ৯৬-০২ ব্যাচের ক্যাডেট
ক্যাডেট কলেজের প্রথম দিনের কথা খুব ১ টা মনে পড়েনা। সৃতি কেমন যেন ঝাপসা হয়ে গেছে। যেদিন প্রথম যাব কলেজে সেইদিন ছিল জুনের ৪ তারিখ, সাল ১৯৯৬। আজ থেকে ঠিক ১৬ বছর আগে জুনের ৩ তারিখ ১৯৯৬ সাল, এই দিনে রংপুরের আশে পাশে আমার এক মামার বাসায় উঠেছিলাম একটি অজানা ভবিষ্যতের মধ্যে প্রবেশ করার জন্য। বৃষ্টিতে ভিজে রিক্সায় করে কলেজের সামনে নেমেছিলাম। বৃষ্টির কারনে আমার সাদা জামার হাতায় দাগ পরে গিয়েছিল এটা মনে আছে।
বিস্তারিত»আমার লেখাটা একটু পড়বেন কি?
যাবার কয়েকদিন আগে, প্রিন্সিপাল বাংলোর ল্যাম্ব রোস্টের গন্ধে প্রায় ভুলেই গিয়েছিলাম যে, ২ দিন পরে কলেজ থেকে চলে যাবো। চেতনা ফিরলো যখন রানা ভাই এসে একটা হাঁক ছাড়লেন, ভাই কাপড় জমা দেন, কাপড়। হায়রে ক্যাডেট লাইফ। আমার এক ফ্রেন্ডকে প্রায়ই বলতে শুনতাম,”যৌবনের তেজ আর জোরে চাপা ছোটো বাথরুম দুইটাই ক্ষণস্থায়ী। ” সে যদিও হিন্দিতে বলতো আমি একটু অনুবাদ করে দিলাম আর কি! আরে, আর কি লিখতে গিয়ে মনে পড়লো আমাদের আর্কিমিডিস স্যারের কথা মানে ভূগোলের মকবুল স্যারের কথা।
বিস্তারিত»জনসচেতনতামূলক পোস্ট!!
১।
পদ্ধতি একঃ কাকরাইল মসজিদ বা শাহবাগের মোড় থেকে মৎসভবন চৌরাস্তা পাড় হয়ে দুই থেকে আড়াইশো গজ সামনে এগিয়ে যান। এবার ডাইনে তাকান। ভাল কথা, আপনি যেখানে দাঁড়িয়েছেন এখানে গাড়ি থামানোর নিয়ম নেই, সুতরাং সবচেয়ে ভাল হয় আরেকটু সামনে গিয়ে ফোয়ারা থেকে ইউ টার্ন নিয়ে রাস্তার অপরপাশে চলে আসুন। এবার বামে তাকান।
পদ্ধতি দুইঃ পল্টন থেকে তোপখানা রোড ধরে সোজা আসতে থাকুন।
বিস্তারিত»একজন একা মানুষের গল্প……
যে ছেলেটা দিনের পর দিন একলা একলা তালা বদ্ধ একটা ছোট ঘরে বড় হয়েছে , তার জীবন আর কতটা ভাল হতে পারে বলতে পারেন ? সেই ছেলেটা যাকে তার বাবা মার অস্তিত্ব অনুভব করতে হত ঘুম এর মধ্যেই। হয়তো সকালে অফিস এ যাওয়ার সময় আদর মাখা চুমুর স্পর্শে , কিংবা রাত্রে অফিস থেকে আগত ক্লান্ত হাতের কোমল ছোঁয়ায় , অথবা হয়তো ঘুম এর মধ্যেই আধা জাগ্রত ছেলেতা কে খাইয়ে দেওয়ার মধ্যে।
বিস্তারিত»আমার দ্বিচক্রযান
কিছু কিছু শব্দের প্রতি কেন যেন আমার এক অযৌক্তিক ভালবাসা তথা পক্ষপাত। তন্মধ্যে অন্যতম ‘দ্বিচক্রযান’। প্রথম এই শব্দটা কোন এক ঈদের নাটকের, জাহিদ হাসান এবং বন্যা মির্জা অভিনীত, শিরোনাম থেকে মাথায় ঢুকে যায়। কেন যেন তখন থেকেই এই শব্দটির প্রতি ভালোলাগা সৃষ্টি হল। সবাই যেখানে সাইকেল বলেই সহজভাবে কার্য সমাধানের পথ খোঁজে, আমি সেখানে এরকম এক কিম্ভূত কিমাকার শব্দের প্রেমে পড়ে যাই। না, শুধু শব্দের প্রেমেই না বস্তুটার প্রতিও আমার তীব্র আকর্ষণ।
বিস্তারিত»স্বাভাবিক মৃত্যু!!
১
অফিসে পৌঁছে সিটে বসতে না বসতেই মোবাইলটা বেজে উঠল। মা ফোন করেছেন।
-হ্যালো, বাবা, পৌঁছে গেছিস?
-হ্যাঁ, মা। এই তো মাত্র এসে পৌঁছলাম। ট্রাফিকের কারনে একটু দেরি হয়ে গিয়েছিল…তবে অফিসের সময়ের আগেই চলে আসতে পেরেছি…
-আলহামদুলিল্লাহ্! আজ তো অনেক গরম পড়েছে…একটা স্যালাইন খেয়ে নিস। তোর কাছে আছে? না থাকলে কাউকে দিয়ে…
-আচ্ছা মা, ঠিক আছে। এখন রাখি, পরে কথা হবে…
ঝরে না পড়া সূর্যমুখীদের কথা
কেমন যেন ঝাপসা লাগছে চারিটা দিক। সিলিং এর দিকে এক দৃষ্টিতে চেয়ে আছি। সিলিং এর ইন্টেরিয়র কালারটা যে কি ঠিক বোঝা যাচ্ছে না। কখনো সাদা, কখনো হলুদ, আবার কখনোবা হালকা গোলাপী লাগছে। কেমন যেন একটা ঘোর লাগা ভাব। সিলিং ফ্যানটার দিকে তাকিয়ে থাকতে ভালোই লাগছে। ছন্দিত গতিতে চরকির মত ঘুরে যাচ্ছে অনবরত। আচ্ছা এই সিলিং ফ্যান এর কয়টা পাখা? তিনটা? নাকি চারটা? ঠিক এই প্রশ্নটাই আমাকে ক্যাডেট কলেজ ভর্তি পরীক্ষায় ভাইভাতে জিজ্ঞাসা করেছিলেন একজন আর্মি অফিসার।
বিস্তারিত»একজন রইচ উদ্দিন
বয়স ঠিক কত হবে? ১৩ বা ১৪। নাম রইচ উদ্দিন।সবেমাত্র নবম শ্রেণীর পাঠ চুকিয়েছেন। স্বভাবগত চাঞ্চল্যে মন তার উড়ে বেড়ায়। পরের বাগানের ফল চুরি করে, নয়ত বিকেলে ফুটবল আর নদীতে ঝাপাঝাপিতে দিন কেটে যায় তার নদীর স্রোতের মত। কিন্তু এরই মাঝে সময়টা থমকে দাঁড়ায়। ৭০- এর শেষের দিকের কথা। মাঝে মাঝে এলাকার বড় ভাইদের কাছ থেকে দেশের অবস্থা শুনে একটুআধটু। ইচ্ছা থাকলেও সবসময় সবকিছু জানা হয়ে উঠে না তার।
বিস্তারিত»ওদিয়েনেতে বসবাস
ছোটবেলার গল্পের বই বা ভূগোল পড়তে গিয়ে আফ্রিকা সম্পর্কে শুধুই ‘অন্ধকারাচ্ছন্ন মহাদেশ’, এই শব্দ-গুচ্ছই মনে পড়ে। পরে আরেকটু বড় হয়ে যখন বিভূতির চাঁদের পাহাড় পড়লাম, তখন যেন শংকরের সাথে আফ্রিকার গহীন বনাঞ্চলে আমিও ছুটে চললাম, রত্নের সন্ধানে। তখন থেকেই আফ্রিকার প্রতি এক অজানা-অচেনা রোমাঞ্চ অনুভব করতাম। না জানি কেমন সে? কত না জানি নাম না জানা গাছপালা, জন্তু জানোয়ার, কেমন তারা মানুষজন। মনের কোনা-কাঞ্চিতে আকুলি-বিকুলি করত।
বিস্তারিত»