বাংলাস্তান সম্পর্কিত আলাপ

[ধর্মনুনুভূতি আহত হতে পারে। ঢুইকেন না। সত্য কথা তিতা লাগবে।]

বাংলাদেশের গলিতে গলিতে চিপায় চাপায় মসজিদ। প্রতি ওয়াক্তের নামাজে দুইচারজন বুড়োমানুষ আর হুজুর ছাড়া লোক হয় না। তবে জুম্মার দিন ভিড় উপচায় পড়ে। এতোই উপচে পড়ে, যে রাস্তাঘাট সব বন্ধ হয়ে যায়। গাড়ি চলে না।

অথচ এই দেশ দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন! ক্যামনে হইলো? যে দেশে এত ধার্ম্মিক, সেখানে দুর্নীতি হয় ক্যামনে?

তারপর ধরেন,

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রাকৃতজন (পর্ব ০.৪: অথঃ ইমিগ্রেশান)

এদেশে এসেছিলাম এক বছরের ভিসা নিয়ে। তবে ভিসা হাতে পাওয়ার তিন মাস পরে এদেশে আসার কারনে হাতে আর সময় ছিল মাত্র নয় মাস। এর মাঝেই চাকরী-বাকরী খোঁজা, গোধূলির জন্ম, এসব করতে করতে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসলো। তখন মেয়াদ বাড়ানোর জন্য অ্যাপ্লাই করলাম, পেয়ে গেলাম আরও চার বছরের জন্য। এই চার বছর যখন শেষ হবে তখন আমাদের এদেশে অবস্থানের সময়কাল হবে চার বছর নয় মাস।

বিস্তারিত»

বেলা শেষের অবেলায়

সুর্যটা ডুবতে বসেছে।
সেই সাথে রাসেল ও। ত্রিশ বছরের জীবন এতো দ্রুত শেষ হয়ে যাবে…
ডিমের কুসুমের আকার নিয়ে রক্তিম ভানু অস্তাচলে যাই যাই করছে। সামনে পিছনে আঁধারের ব্যাকগ্রাউন্ড নিয়ে এক অপুর্ব বিষাদময়তা লেজের মত অদৃশ্য রশ্মিতে বাঁধা! সামনে কেউ নেই। পেছনে অনেকে থেকেও নেই।
একা একজন মানুষ।
স্মৃতির মিনারে আজনম ক্লান্ত এক পথিক পথের শেষে এসে বিষন্ন প্রহর গুনছে!

কি করছে এখন রেবেকা?

বিস্তারিত»

ইস্তানবুলের ডায়েরী………কিছু স্মৃতিচারণ

স্বপ্ন নাকি বাস্তবতা… নাকি দুটোই…অনেকের মত আমিও হাতড়ে বেড়াই এই প্রশ্নের না জানা উত্তরটি। হয়ত সেই অজানা উত্তরের আশায় হাতড়িয়ে বেড়াতেই কেটে গেছে সময়ের গর্ভ থেকে নামবিহীন ২ টি বছর। খুলে দেখা হয়নি সেই পুরনো ডায়েরীর মলাটখানা। হয়তবা তারই আবর্তে ঢাকা পড়ে গেছে সেই অভিজ্ঞতার পাতা গুলো, জীর্ণতা ছেয়ে বসেছে প্রতিটি কোণে। আজ হটাৎ করেই অজানা এক বাস্তবতার বুক চিরে আবারো সেই ডায়েরীর মলাটখানায় হাত রাখলাম।

বিস্তারিত»

পৌষের এক বিকেল

পৌষের এক বিকেল
——————–
সেদিন ছিল পৌষের এক ঝিম মারা বিকেল।
ধান কাটার পরের বিষন্নতাকে সাথী করে,
খড়কুটার নিস্তেজতা উড়ানো বাতাস
ভেসে এসে থমকে দাঁড়ায় আমার আঙিনায়!

এমনই এক বিকেল! যখন
সাদা বকেরা ঝিমায় কেবলি,
স্মৃতিতে ওদের জলভরা বিলের পুরনো সুখস্মৃতি।

গোবরে লেপা উঠান কৃষাণীর চোখের মত
ঝকমকে আলোর চমকে উদ্ভাসিত!
এখানে সেখানে পরে থাকা ধানের ছড়া
ঠুসি পরানো বলদের চোখে জাগায় লোভাতুর চাহনি।

বিস্তারিত»

শাহবাগ

মাঝে মধ্যে অবাক হইয়া ভাবি শাহবাগ যেন জোঁকের মুখে নুন হইয়া গেছে!
প্রায় তো দুই বছর হইতে চললো। তেরো সালের ফেব্রুয়ারি থেকে-
এখন অব্দি কম তো গালি খায় নাই শাহবাগ। নিরীহ মাসুম চৌরাস্তার মোড়টারে
কী পরিমাণ এবিউজের শিকার হইতে হইলো – ভাবলেই মায়া লাগে।

কে না তারে গালি দিছে! কাদের মোল্লার পুত্র থেকে গোলামাজমের পুত্র,
লন্ডনের বড়ো গণতন্ত্র থেকে ব্যারনেস ভার্সি,

বিস্তারিত»

আত্মজৈবনিক

এবং কয়েক যুগ পেরিয়ে গেলে খেয়াল হলো যে কবিতা লিখি না
মাথার ভেতর এই খেয়াল মাটিতে পড়ার আগেই আমি দুই ভাগ হয়ে
তর্কে নামলাম। এক ভাগ বলে ওঠে হয়তো আপ্নে কখনই
কবিতা লিখতে পারতেন না। শুনে অন্য ভাগ তেড়ে আসে,
বেশি বুঝেন ইচ্ছা হয় না তাই লিখি না নাহলে দেখিয়ে দিতাম।
আমি দুই ভাগের তর্ক শুনি, কমলার জুস খাই
জুস বেশ তেতো লাগলে ভাবি একটু চিনি মেশালে মন্দ হতো না।

বিস্তারিত»

বুমেরাং

একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ভিন্ন ডিপার্টমেন্টে অনেক ছেলেমেয়ের সাথে দুটো ছেলে মেয়ে পড়তো।
একজন জগৎ সংসার ভোলার জন্য রাতদিন নেশায় ডুবে থাকতো। অন্যজন সংসার করবে বলে সবার অমতে বিয়ে করে অকূলে পড়লো। এরা একদিন সেন্ট্রাল লাইব্রেরীর সিড়িতে এক আড্ডায় বন্ধুদের ভীড়ে পড়ে পরিচিত হলো। ছেলেটার লাল চোখ, ফর্সা মুখ আর আরো কী কী ব্যাপারের কম্বিনেশন মেয়েটার কেমন যেন লাগলো। বান্ধবীর কাছে সে জানলো ছেলেটা অসুখী,

বিস্তারিত»

দ্য ফার্স্ট কিস

এক মেয়ে আর এক ছেলের সাথে কঠিন সম্পর্ক ছিল। ১৪ বছর আগে তাদের কিভাবে যেন বিচ্ছেদ হয়ে যায়। একটা যুক্তিযুক্ত কারণ ছিল। পারিবারিক, সামাজিক.. আজ তার স্মরণের কিছু প্রয়োজন নাই।

১৪ বছর পরে মেয়েটার ক্লাসমেটদের মধ্যে একজনের সাথে এই ছেলেটা ওই মেয়েটার কিছু মিল পেয়ে যায়। ঠিক কোথায় এই মিল তা ছেলেটাই ভালোভাবে জানে না। বন্ধুদের আড্ডায় তাদের পরিচয় হয়েছিল। কোনো বন্ধুর মাধ্যমে।

বিস্তারিত»

দ্য আউটসাইডার

রাসেল এবং তিশা দুজনে আধুনিক উচ্চশিক্ষিত। দুজনেই উচ্চবিত্ত ঘরের ছেলেমেয়ে। একই ইউনিভার্সিটি থেকে দুজনে পড়ালেখা শেষ করেছে। ওরা চট্টগ্রামে বড় হয়েছে। রাসেলের বাবা-মা ঢাকায় থাকেন। সে ওর খালার বাসায় থেকে চট্টগ্রামেই পড়ালিখা শেষ করেছে। ভার্সিটির অঙ্গনে কাছাকাছি-পাশাপাশি থাকবার সময়ে দুজনের ভিতরে বন্ধুত্ব হয়। একজন অন্যজনের কাছে আসে। ভালোলাগা থেকে ভালবাসার দিকে পথটি ঢালু হয়ে যায়। তবে এটা রাসেলের দিক থেকে একটু বেশী নিচুতে ধাবিত হবার মত হয়ে পড়ে।

বিস্তারিত»

কেবিন নাম্বার ৩১৮

হাসপাতালের দরজা পার হয়ে ভিতরে ঢোকার পর থেকে আনাম নিজের হার্টবীট অনেক জোরে শুনতে পাচ্ছিলো। দেখলো বাবা শুয়ে আছেন শান্তভাবে। আনামের মনে হল, শব্দে ভরা পৃথিবীটা হঠাৎ নিরব হয়ে গেছে। শব্দটা আচমকা থেমে গিয়ে অদ্ভুত অনুভুতি সৃষ্টি করল আনামের সারা শরীর মনে। মনের ভিতর নি:শব্দ আবেগ সাড়া দিল, ‘ আব্বা! ‘

বাবা কি সেই কথা শুনলেন! চোখ খুললেন। বাচ্চাদেরকে নিয়ে রুমু আনামের আগেই কেবিনে ঢুকেছিল।

বিস্তারিত»

ফিরতি পথে

” এতো রাতে ফোন করলি কেন? তোর হাজব্যান্ড কোথায়? ” তারিকের আওয়াজে বিরক্তির ঝাঁঝ।

” আনহ্যাপি মহিলারাই এত রাতে এইভাবে ফোন করে ”

মিলার মুখ গাল কান থেকে গরম ভাপ উঠতে লাগলো, কঠিন গলায় বললো,

” রাত সাড়ে দশটা, তুই তখন বললি বলেই ফোন করলাম। যাকে তাকে রাত্রে ফোন করি না আমি। রিসিভ ও করি না। ”

তারিকের মেজাজ একই রকম খারাপ ”

বিস্তারিত»

বিজয়ের দিনে বিজয়ীর কথাঃ বিস্মৃত এক সুপারহিরোর গল্প

………………………রাআদ রহমান এবং মাসরুফ হোসেন

শুরুর কথাঃ

“What is it that makes these boys have no fear”???

আমি তখন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র- ভারতীয় একটি মুভিতে এই সংলাপটি শুনে কেন জানি বিশাল একটা ধাক্কা খেয়েছিলাম। স্বাধীনতা সংগ্রামী ভগৎ সিং এবং তাঁর সংগীসাথীরা যখন ফাঁসির মঞ্চে হেঁটে যাচ্ছেন-তাঁদের দৃপ্ত পদচারণা দেখে ব্রিটিশ জেলার মিস্টার ম্যাককিনলে বিড়বিড় করে নিজেকেই এ প্রশ্নটি করছিলেন ।

বিস্তারিত»

প্রবাসে প্রাকৃতজন (পর্ব ০.৮: মাই নেম ইজ খান)

পূর্বের পর্ব: প্রবাসে প্রাকৃতজন (পর্ব ০.৫)

 

আমার শহরের বেশিরভাগ ট্যাক্সি ড্রাইভারই পাকিস্তানি। কখনো কখনো ফোন করে ট্যাক্সি ডেকে আনলে ড্রাইভার এসে সালাম দিয়ে উর্দুতে কথা বলা শুরু করেন, সেলামালেকুম খাঁসাব, ক্যায়সি হেয় আব? কাঁহা যাইয়ে? ইত্যাদি ইত্যাদি। আমি বলি আমি বাঙালী, তেমন একটা উর্দু জানিনা। তাঁরা তখন আকাশ থেকে পড়েন, বলেন, আমরা আর তোমরা তো প্রায় একই –

বিস্তারিত»