অনেক দিন আগের কথা। ১৯৭৭ সাল। আমি ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ি। আমার পর আরও এক ভাই ও দু’বোন। আমরা সবাই ছোট্ট শিশু তখন। ঈদ এলে আনন্দই ছিল অন্যরকম। বিশেষ করে ঈদের কাপড়। নতুন কাপড় পরার আশা আমাদের সবাইকে আচ্ছন্ন করে রাখতো। পাড়ার সব ছোট ছেলে-মেয়ের জন্য তাদের বাবা-মা রোজার সময়ই নতুন কাপড় কিনে আনতেন। বড়রা আমাদের জন্য কাপড় কিনছেন বা দর্জির কাছে তৈরি করাতে দিচ্ছেন, আর আমাদের মধ্যে আনন্দের নদী বয়ে যাচ্ছে।
বিস্তারিত»ব্রেকআপ_ম্যানেজমেন্ট
অনেকদিন হলো, এপাড়ায় আসা হয় না।
আজকাল যেসব ফরমেট বিহীন কথাবার্তা লিখি, তা না গল্প, না কবিতা, না ব্লগ।
তাই পোস্ট করতে আসা হয় না।
অন্য অনেক কিছু পড়ে পড়ে সময় ফুরিয়ে যায় বলে এখান পড়তেও আসা হয় না খুব একটা।
আজ এলাম এই লেখাটা আর্কাইভ করতে।
মনে হলো, তিন পর্বের এই লেখাটা আর্কাইভিং-এর জন্য উপযুক্ত…
১
“প্রতিটা ব্রেকাপই কষ্টকর।
আমি আমাকেই বেশী ভালবাসি
আমি আমাকেই বেশী ভালবাসি
—————————
আমি আমার চেয়ে কাউকে বেশি ভাল কি বাসি? মনে হয় না। আমি একটু স্বার্থপর গোছের মানুষ। নিজে খুশি হলেই মনে হয় গোটা দুনিয়া বুঝি আনন্দিত। কিন্ত আমার আসে পাশে কত মন খারাপ মানুষের ঢল। আমি যে তাদের কষ্ট বুঝতে পারিনা তা কিন্ত না। আমি খানিক পাশ কাটিয়ে চলি। আমার মাথায় হাজার ভাবনার কোনটা যে কখন আমাকে শাসন করবে আমি নিজেও তা জানিনা।
বিস্তারিত»দু:সময়।
দু:সময়
ওবায়েদুল্লাহ খান ওয়াহেদী
এত জল বুকে শুয়ে হে জলধি
জগৎ জ্বলে খরতাপে,
পুডে খাক চরাচর ঘর বাড়ী
জলে দাউ দাউ লোলুপ বহ্নি শিখা,
নিষ্ঠুর নির্দয় আক্রোসে আস্ফালন
উমর্িলা কি পরাক্রমশালী?
অস্থির উৎকন্ঠায় গোকুলের কুলবাসি,
গর্জন হুংকারে উথালি বাণে
ধাবিত জলোচ্ছ্বস,
ভেসে যায় বসত শতাব্দীর
সুনামির তান্ডব প্রলয় নাচে
প্রকৃতির কোলাহল স্তব্ধ চিরতর।
নিহত কি ?
নিহত কি?
ওবায়েদুল্লাহ্ খান ওয়াহেদী।
খুডছে শুকরে মাটি নেহাতই কঁচুর খোজে
টুকছে তাল বসে কুত্তা শিয়াল ইতর সাজে,
তার মাঝে বুনেছে ফসল উঠবে গোলায় ধান
দিচ্ছে ঢেকিতে পার আর গাইছে শিবের গান।
উসকিয়ে দিল যে আগুন জ্বেলে খড়ের গাঁদা
বেনিয়া বুঝেছে ঠিক বোঝেনি ভারবাহী গাধা,
ইংরেজ গেল উদর্র্ু গেল হলো না বাংলা বলা
স্যার বলে ঠুকছি সালাম যাকে বলবো শালা।
বলের বদলে গ্রেনেড (১০ম পর্ব)
চক্রব্যুহ
আমার এখানে যখন গভীর অমানিশা,
অন্য কোন দূর দিগন্তে তখন অরুণোদয় হচ্ছে।
সেখানে পাখিরা ভোরের প্রার্থনা সঙ্গীত শুরু করেছে,
বিশ্বাসীরা দল বেঁধে উপাসনালয়ে যাবার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
আর কিছুক্ষণ পরে,
সেখানে সোনালী আলোর রশ্মি ছড়িয়ে পড়বে।
পাহাড় উপত্যকা পেরিয়ে, লোকালয়ে, বিস্তৃত মাঠে।
মানব মানবীরা বেড়িয়ে পড়বে নিত্যদিনের যাপন কর্মে।
কৃষ্ণপক্ষের পরে শুক্লপক্ষ,
আঁধারের পর আলো,
কাতার সোজা করেন, ভাইসব কাতার সোজা করেন …
ট্রাম্প সাহেবের মনে শান্তি নেই। চমকদার ভঙ্গিতে চটকদার সব কথাবার্তা বলে মার্কিন মুলুকের অর্ধেক আদমকে বেকুব বানিয়ে সাদাবাড়ীর চাবির দখল নিয়েছেন ঠিকই, কিন্তু কেউ তার “লীডারশীপ” কে যথাযথভাবে সন্মান দেয় না, কেয়ার করে না। এমনকি বিবি মেলানি ও কথা শোনেনা, লোকজনের সামনে ঝামটা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নেয়। বড়ই অসৌন্দর্য্য অবস্থা।
এরই মধ্যে একদিন উপদেষ্টাদের পরামর্শ অনুযায়ী মুসলিমদের সাথে “সৌহার্দ্যের সেতুবন্ধন” স্থাপন করার উদ্দেশ্যে তিনি স্থানীয় এক মসজিদে গেলেন।
বিস্তারিত»কেন প্রয়োজন ভিন্নপাঠ?
দারিদ্র্য নিরসনসংক্রান্ত যে-কোনো বৈশ্বিক সম্মেলনে আফ্রিকার প্রসঙ্গ উঠতে বাধ্য। কিন্তু আফ্রিকা কি সত্যিই দরিদ্র ও যুদ্ধ-কবলিত নাকি তাকে দরিদ্র করে রাখা হয়েছে? গুণীজন কহিবেন, উহারা দরিদ্র না হইলে ধনী দেশগুলো অকাতরে হাজার হাজার কোটি ডলার সাহায্য বা সহজ শর্তে ঋণ দিতেছে কেন?
নরওয়েজিয়ান স্কুল অব ইকোনমিকস পরিচালিত সাম্প্রতিক গবেষণা বলছে, ধনী দেশ কর্তৃক দরিদ্র দেশকে সাহায্য প্রদানের প্রচলিত এ ধারণার মধ্যে রয়েছে শুভঙ্করের মস্ত ফাঁকি।
বিস্তারিত»পাকাপোক্ত ভিনগ্রহী
অথচ কিছু উচ্ছ্বাসের গণ্ডিতে-
আমিও ছিলাম উপস্থিত,
চাঁদ-রূপ গণ্ডি আধা-চাঁদ হয়ে
একদিন অমাবস্যা নামলো।
এরপর এলো বরষা
তবু ছাতাটি আর মেললো না,
বরষা কিন্তু থেমে থাকেনি।
এরপর আকাশের ভাগাভাগি হয়ে গেল
ভাগ হলো জোছনাও,
এখন পাকাপোক্ত ভিনগ্রহী হয়ে জোছনা দেখি।
আহ, আকাশের চাঁদটা কি পরিপূর্ণ গোলাকার!!
June 06, 2017
বিস্তারিত»#মাথায়_যত_চিন্তা_আসে
ফরিদ শুক্রবার ঘুম থেকে দেরী করে উঠলো। গ্রীষ্ম কাল, তাই জানালা খুলে ঘুমিয়েছিল। ভাল ঘুম হয়েছে। রাতে ট্যাব্ খুলে পড়তে-পড়তে ঘুমিয়ে গিয়েছিল। প্রায় ন’টার সময় ঘুম ভাঙ্গলো। ভেবেছিল চোখ মেলেই রৌদ্রকরজ্জল একটি সকাল দেখবে। নাহ! কেমন যেন একটি সন্ধ্যে-সন্ধ্যে ভাব। চোখ মুছে ঘড়ির দিকে তাকালো। হ্যা, ন’টাই বাজে। তাহলে?!
তার বিছানার ডান দিকে টেলিভিশন সেট। রিমোট দিয়ে চালিয়ে দেশী কয়েকটি চ্যানেলে কিছু না দেখে বিদেশী চ্যানেলে দাঁড়ালো।
বিস্তারিত»আম বৃত্তান্ত
তখন আমি ক্লাস ইলেভেন এ। একাডেমিক ব্লকে ক্লাস টেন বি ফর্মের কোনায় শেডের পাশে একটা ছোট আম গাছ ছিল। গাছে লিচুর চেয়ে সাইজে সামান্য বড় আম গুলো অনেকদিন ধরে চোখে চোখে রাখি, কবে পাকবে। তো আমগুলো কেবল মাত্র পাকা শুরু হয়েছে। এক বৃহস্পতিবার মিল্কব্রেকের পর কোনো এক স্টেজ কম্পিটিশনের সময় অডিটোরিয়াম থেকে পালিয়ে গিয়ে শেডে উঠলাম, সাথে বন্ধু শাহাদুজ্জামান। দুজন মিলে গাছ ছাফা করে দিলাম।
বিস্তারিত»বলের বদলে গ্রেনেড (৯ম পর্ব)
অশনি সংকেত-১
গত কয়েকদিন ধরেই দেখছি রাজনৈতিক অসহনশীলতার চুড়ান্ত মাত্রা। তাও আবার এমন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে যাকে চাইলেই ঘায়েল করে ফেলা যায়। অন্তত বাংলাদেশের সামাজিক এবং রাজনৈতিক বাস্তবতায়। নির্দোষ স্লোগানে। এর চেয়েও ভয়ঙ্কর স্লোগান আমি রাজনৈতিক দল আওয়ামীলীগের মিছিলে শুনেছি। সিরাজগঞ্জে। ‘চাইয়া দ্যাখ খালেদা, আইতাছে তোর বাপেরা’। সেই তুলনায় সনাতনের, ‘ছি ছি হাসিনা, লজ্জায় বাঁচি না’ তো নির্দোষ স্লোগান। লজ্জার অনুভূতি তখনই হয় যখন ব্যক্তি নিজেকে নিজের কাছেই অপরাধী সাব্যস্ত করে।
বিস্তারিত»ক্ষমা করো প্রিয়তমা
চোখের জলে ভেসে যাওয়া বুকে
গুমরে ওঠে কান্নারা
মুক্তোয় গড়া অশ্রু ফোটা
মনকে করে দিশেহারা।
অভিশাপ দাও প্রিয়তমা আজ
ভালোবাসার যোগ্য নই আমি
দু’পায়ে দলেছি প্রেম সকলই
দিয়েছো উজাড়ে যা তুমি।
রিমঝিম ঝিম বৃষ্টির সুরে
একাকার হবো দু’জনেতে
ছোট্ট নীড়ে তুমি আর আমি
আর তো কিছু চাওনি যে।
পারিনি দিতে চেয়েছিলে যা
ক্ষমা করে দিও তুমি মোরে
খেলিনি আমি তোমায় নিয়ে
ভালোবাসি আজো অন্তরে।