আলতু মগজের ফালতু কথাঃ একটি এপ্রনের আত্মকাহিনী

undefined

[আদিকথাঃ শুরুতেই বইলা নেই, নিচের  রচনার কন্টেন্টখানা পুরাপুরি উদ্ভট, কাল্পনিক আর আলতু মগজপ্রসূত। আজাইরা প্যাঁচালে ইরিটেট হওয়া পাবলিকদের পড়া নিষেধ]

আমি এপ্রোন।

দেখতে আমি লম্বা সাইজের জাস্ট একটা সাদা কাপড়ের টুকরা হইলেও বাইরের দেশে আমার মর্যাদা ব্যাপক। অথচ আফসুশ, আমার কোনো মর্যাদা নাই। কারণ এপ্রোন হইলেও আমি বাংলাদেশী এপ্রোন। 😐 মেডিকেল পার্সোনাল, নার্স, ল্যাব টেকনিশিয়ান…ইনারা ছাড়াও আইজকাল অনেক স্কুল-কলেজের পুলামাইয়্যারাও ল্যাব-ওয়ার্কের বাইরেও আমারে ইউজ করা শুরু করছে।

বিস্তারিত»

অসংলগ্ন ভাবনাচিন্তা ……… ভাসা ভাসা ভাষা পর্ব

আলসেমি করে করে অনেক দিন কিছুই লেখা হয়না। এরমধ্যে কয়েকদিন আগে খেয়াল করলাম ইংরেজীতে স্বপ্ন দেখছি। দুই মাস ধরে দিনের মধ্যে ১৪ ঘন্টারও বেশি ইংরেজীতেই কথাবার্তা বললে হয়তো এইরকমই হয়ে যায়। যাহোক, মনে হলো যেমনই হোক একটা কিছু লেখা যাক।

অনেক আগে রিডার্স ডাইজেস্টে একটা জোক পড়েছিলাম৷ একটা টিন এজ মেয়ে তার মাকে গিয়ে প্রশ্ন করলো, মা, তুমি কেন বাবার প্রেমে পড়লে?
মা জবাব দিচ্ছে,

বিস্তারিত»

নির্বাণ

ফুজি পাহাড়ের কাছে আশি হ্রদ, পাশে ছোট্ট পর্যটন শহর হাকোনে। ক্ষনিক অবকাশে এসেছি। সারাদিন হ্রদের পাশে, পাহাড়ের ঢালে হাঁটাহাঁটি। টোকিওর কর্মকোলাহলের বাইরে ধীর সেলুলয়েড চিত্রের মতো সময়।শান্ত হ্রদের জলে নুড়ি কুড়োচ্ছে আমার স্ত্রী নোরিকো,আমি পায়চারি করছি পাড়ে। দূরে শিনতো মন্দির তোরণের আবছা কাঠামো, পটভূমিতে পাহাড়ী অরণ্যের বিস্তার।সব চেয়ে বড় পাহাড়টি ফুজি। শরতের হালকা কুয়াশায় মোড়া পাহাড়ী অরণ্যে পাতার রঙ এখন লাল। যতদূর চোখ যায়,শুধু লাল আর লাল আর লাল।

বিস্তারিত»

সহসা উল্কাপাত

জানিনা সেদিন মুক্ত আকাশে পাখিরা গাইল কী না !
জানিনা সে’রাতে মুক্ত বাতাস পেল নাকি এ জোৎস্না !
তবু এটা জানি পৃথিবী সেদিন আনন্দে আপ্লুত-
হয়ে পড়েছিল, কারণ সেদিন হয়েছিল এটা পূত।
ধরার মাঝেতে বিচরণ করে গেছেন কত মানব।
তবু তার মাঝে অভাব দেখেছি- কয়েক মহামানব!
আজ এই দিনে পৃথিবীর ‘পরে জন্মেছিল যে জন,
দেখেছি তারেই সকলের মাঝে হয়েছেন যে সুজন।

বিস্তারিত»

প্রথম পোস্ট: নিজেকে উপস্থাপন

অনেক দিন হয়ে গেল সিসিবিতে নীরব পাঠকের ভুমিকায়। সাহসের অভাবে কোন পোস্ট করা হয়ে উঠেনি। তবে কালে ভদ্রে দুই-একটা মন্তব্য করেছি। আর এই সাহসের অভাবটা আমার চিরদিনই ছিল। প্রতিটি ব্যাচে ভেজাবেড়াল টাইপের দুই-একটা ক্যাডেট থাকে। তদেরই মতো আমি একজন। ভেজাবেড়াল কি রকম? ধরেন, নিচে নিচে বহুত দুষ্টামি ফাজলামি করবে কিন্তু সিনিয়রদের সামনে গেলে, বেটা কিছুই বোঝে না। স্যারদের সামনে গেলেতো অবস্থা আরো বেগতিক, ছাইড়া দিলো দিলো অবস্থা।

বিস্তারিত»

১৯৭১- ভিন্ন দৃষ্টিকোণ হতে …………………

মার্চের প্রথম সপ্তাহেই ৫০০০ বিহাড়ি ও অবাঙ্গালী চট্টগ্রাম বন্দর হতে করাচি বন্দরে উপস্থিত হয়। তাদের সবাই আওয়ামী দস্যুদের দ্বারা চরমভাবে নির্যাতিত। তাদের আহাজারিতে করাচি বন্দর শোকে স্তব্দ। এই করুণ সংবাদসমুহ পাকিস্তানি সংবাদপত্রে প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। কারন পাকিস্তানের কেন্দ্রীয় সরকারের তথ্য মন্ত্রানালয়ের একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার নির্দেশ ছিল পূর্ব পাকিস্তানে ঘটে যাওয়া অবাঙ্গালীদের প্রতি নির্যাতন, ধর্ষণ, লুট। ও হত্যার সংবাদ বা প্রতিবেদন প্রকাশ না করার জন্য।

বিস্তারিত»

বিক্ষিপ্ত

পথের বাঁকে স্বপ্নের বেঁচাকেনা
কুয়াশায় মোড়া ভালবাসার অনুরাগ
কিংবা নদীর জলে ভেসে থাকা মন
পাতায় পাতায় ঝরে রক্তের দাগ।

দখিনা বাতাসে সুখের আভাস
ছাদের কোনায় বাস্তবতা চুপচাপ

বিস্তারিত»

গান

ছাত্রদের কন্ঠঃ

দশটি বছর বইয়ের মাঝে হয়ে গেলো পার

অনেক হলো পড়ালেখা ভাল্লাগে না আর।

কলেজ বলে হয়ে রূঢ়

বানাবো তোমাকে বুড়ো

তার আগে তে আমার থেকে পাবে না নিস্তার।

বিস্তারিত»

আমি সখী নষ্ট মানুষ

আমি সখী নষ্ট মানুষ, ঘুণে খাওয়া, শতেক পোড়েন মন
একশো পশুর লক্ষ আঁচড় বুকে করে ফিরছি সারাক্ষণ
তোর কী হবে আমার সাথে হৃদয় জড়ালে?
ভালোবাসায় মন পোড়ালে?
ভাবিস সখী, তুই তো সুখী, সুখবিলাসী
তোর পরানে তিরিশটা জলরঙের হাসি
ধুনচিবনের কঞ্চিতে কি আঁশ মেটে মন?
আমার অন্ধকারের বন্ধ ঘরে করবি কী তখন?

আলো হয়ে আসলি না হয়,

বিস্তারিত»

মস্তিষ্কে ক্যামিকাল ল্যিচ

বালিশে মাথা দিয়ে শুয়ে আছি। পাশে ফোন, সাইলেন্ট করা। বাতি জ্বলছে-নিভছে… ফোন আসছে। মানুষের চোখ ১৮০ ডিগ্রিতে না দেখলে হয়তো টের পেতাম না। কে ফোন করছে সেটা তুলে দেখতে ইচ্ছা করছে না, ভীষণ ক্লান্তি। অলসতায় পুরো শরীর চেপে ঠেসে আছে বিছানায়। তবু অনেক কষ্টে তুললাম – দেখি বাপ্পী ফোন করেছে। ধরার সাথে সাথে বলল: “ডুড্, কি করিস? কতক্ষণ ধরে ফোন করছি।”
“আমি ঘুমাই; মানে ঘুম থেকে উঠলাম আর কি।”

বিস্তারিত»

পাতাঝরার গান

চিৎ হয়ে তার আকাশ দেখার আয়োজনে
বাধ সেধেছে আজ পর্ণমোচী দিন…..

সন্তর্পণে এইখানে এসে
ভাবছিলো সে
নীলাকাশ পান করে নেবেই
আজ আঁজলা ভরে
এমন উজ্জ্বল বিকেলে,
মৃদুহেসে অনুচ্চারে
ভালোবাসা বলেছে কি
বলেনি ভালো ক’রে

বিস্তারিত»

কিংকু ইবনে কুদরতে এলাহী

একদিন ইনবক্স খুলে দেখি মেসেজে লেখা, বস আসতেছি। এমনিতেই পক্ক বয়সে বন্ধুবান্ধব খুঁজে পাওয়া খুব মুশকিল। তার উপ্রে খোট্টারদেশে হইলে তো কথাই নাই। জুন মাসের ছয় তারিখে অটোয়ার মুখ উজ্জ্বল করে এসে হাজির হইলেন তিনি নোভা স্কোশিয়ার শিয়াল গ্রাম থেইকা। ওইদিন আবার অটোয়ায় এক্স-ক্যাডেট গেট-টুগেদার আছিল। তারে নিয়ে গেলাম সেইখানে। লকিভুলও (রকিব) তারে দেইখা এক্কেরে গদগদ। তারপর সে ভাবী আর বাচ্চাদের একগাদা ছবিটবি তুইলা এলাহি কান্ডকারখানা।

বিস্তারিত»

প্রিয় বন্ধুর কাছে একটি ব্যক্তিগত চিঠি

মোদাব্বের,

কেমন আছিস ? সুখেই তো বোধ হয় আছিস । তোর তো তাই থাকার কথা । ৬ বছরের ছোট্ট অথচ জীবনের সবচাইতে মূল্যবান যে সময়টুকু তোর সংগে কাটিয়েছি তার মধ্যে কখনও কি তোর মন খারাপ দেখেছিলাম ? এই প্রশ্নের উত্তর দিতে বোধ হয় আমাকে চিন্তা করতে হবে না বিন্দুমাত্র । এখনই বলে দিতে পারি – না,দেখিনি । মাঝে মাঝে অবাক হতাম ; আবার হিংসাও লাগতো কখনও কখনও ।

বিস্তারিত»

তুমি চলে এসো

হুমায়ূন আহমেদকে যার যেমনই লাগুক আমার কাছে উনি একজন অসাধারন লেখক। গতকাল তার একটি উপন্যাস পড়ছিলাম, নাম ‘নি’। সেখানে একটি কথা ছিল এরকম “পাখিদের নিয়ম সবসময় জোড়ায় জোড়ায় থাকা, একটা পুরুষ পাখির সাথে একটা মেয়ে পাখি থাকবেই। কিন্তু সব ঝাঁকে সবসময় পাখি থাকে বেজোড় সংখ্যক; অর্থাৎ কমপক্ষে একটি পাখি থাকবেই যার কোনো জোড়া নেই”। কি অদ্ভূত সুন্দর একটি ঘটনা, আমরা কখনো বুঝতে পারবো না পাখিটি কোনটি,

বিস্তারিত»

ডন আলীমের ১৪ টি কবিতা

(১)

তুমিও হেরে যাবে-
আমাকে হারিয়ে দিলে,

(২)

জানি,
একদিন ফিরে আসতে চাইবে

কিন্তু-
সে সুযোগ তোমাকে দেয়া হবে না

(৩)

প্রেম মানে স্নায়ুযুদ্ধ শেষে
একটি জয় অথবা দুটি পরাজয়

(৪)

স্বপ্নে এসে ডেকেছিল লায়লা ,
চোখ খুলে পেয়েছি
বিষাদের দমকা হাওয়া,
বাকিটা রাত
কেটেছে আমার অনিদ্রা।

বিস্তারিত»