বিশ্বকাপ ৯৮ আর কিছু ভোল পাল্টানোর গল্প

১। ‘৯৮ এর বিশ্বকাপ। বয়স দশও হয়নি, তারপরও বিশ্বকাপের আমেজটা পেয়ে বসেছিলো ভালো মতোই। প্লেয়ার বলতে যদিও এক রোনালদোকেই চিনতাম, তারপরও আমার মাথায় খালি বিশ্বকাপই। বিশ্বকাপ বলতে খাতায় সারাদিন একটা বেল মাথা ৯ নম্বরের রোনালদো আর নীল রং এর উডিউড পেকার টাইপের বিশ্বকাপের মাসকট ফুটিক্স আঁকা !

২। বিশ্বকাপ শুরু হলো। বাসার ছাদে ব্রাজিলের পতাকা লাগলো, কারণ ফ্যামিলিগত ভাবেই সবাই ব্রাজিলের কড়া সমর্থক।

বিস্তারিত»

মণ্ডল থেকে সরকার-২য় পর্ব

প্রপিতামহ

বাপুরে, তুমরাও তো মুণ্ডল আচেলে ।বাড়িউ আচিলি মুণ্ডল পাড়াত। বড়লোক হয়া সরকার হয়া গিচো। ঝুমর মুণ্ডলের ব্যাটা  হারু মুণ্ডল । তার ব্যাটা পাঁচু মণ্ডল । তার ব্যাটা ছেরফাত সরকার, তুমার বাপের দাদা।ট্যাকা কড়ি বেশি হয়া  সরকার হয়া গেলো।

ছেফাত উল্লাহ সরকার, পিতাঃ পাঁচু মণ্ডল/সরকার, গ্রামঃ মাড়িয়া, থানাঃ বাগাতিপাড়া, মহকুমাঃ নাটোর, জেলাঃ রাজশাহী। তিনি বিয়ে করেছিলেন গালিমপুর গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে।হিন্দু জমিদারদের শাসনামলে তাদের পুকুর ,

বিস্তারিত»

ঘরট্ট (সম্ভবত পাঁচ-ছয় পর্বের একাংশ)

সাবজেক্ট হিসেবে দর্শন যে এতো আগ্রহোদ্দীপক সেটা আগে বুঝিনি। দর্শনপাঠ আমাকে সত্যিই অবাক করেছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে দর্শনের শুরুটাও মানুষের অবাক হবার ক্ষমতা থেকে। অবাক বিস্ময়ে মানুষ নিজেকে প্রশ্ন করেছে, আচ্ছা আমরা কোত্থেকে এলাম? এই পৃথিবীটা আসলে কিসের তৈরি? আকাশে নিয়ম করে র্সূয উঠে, চাঁদ ডুবে, রাতের আকাশে ছড়িয়ে থাকা হাজার হাজার নক্ষত্রকণা – এতোসব আয়োজন – এর পেছনের রহস্য কি? প্রচলিত পূরাণকাহিনী অনুযায়ী এসব এক একজন দেব-দেবী কিম্বা তাদের কোন যাদুকলা। 

বিস্তারিত»

ঘরট্ট (প্রথম পর্বের কিছু অংশ)

আমরা এখন গুলিস্তান বাস স্ট্যান্ডে দাঁড়িয়ে আছি। কিছুক্ষণ আগে এইখানে বানরের খেলা দেখানো হলো। আমাদের এতো কাছে যে না চাইতেও আমরা গোল হয়ে ঘিরে থাকা দর্শকের ভীড়ে মিশে গেলাম। তাও আবার প্রথম সারিতে। বানরের নাম মন্টু মিয়া। খেলার সর্বশেষ আইটেম হিসেবে মন্টু মিয়া এখন বউ খুঁজতে বেরুবে। কী আর্শ্চয! মন্টু মিয়া আমার সামনে এসে লাফালাফি শুরু করে দিল। চারপাশ থেকে তুমুল হাততালি। এতো দুঃখের মাঝেও আমার খুব হাসি পেল।

বিস্তারিত»

ফেসবুকের মানুষগুলো (পর্ব-১)

অফিসে ঢুকেই মহিউদ্দিন আহমেদের মেজাজ খারাপ হয়ে গেলো। ৮ টা ৫০ বাজে। পুরা অফিস খাঁ খাঁ করছে। এমনি রাতে ভাল ঘুম হয়নি। এই খালি অফিস দেখে তার মেজাজ আরো চড়ে গেলো। অফিসে ঢুকার টাইম ৯ টায় । ১০ মিনিট এর রিলাক্স টাইম দেয়া আছে। সবাই হিসাব করে ৯ টা ১০ এই ঢুকবে! মাসে ৩ দিন লেট এলাউড আছে। ঐ সুযোগও নিবে! “রাবিশ! আমি হেড অফ সিকিউরিটিজ হয়ে সময়মতো চলে আসি,

বিস্তারিত»

কাল্পনিক কথোপকথন : প্রথম পর্ব

– আচ্ছা,বেদনার রঙ কি?
– নীল।
– আর ভালোবাসার?
– লাল।
– লাল আর নীল মিশে কি হয়?
– জীবন।
– উফফ, এতো কঠিন কঠিন কথা বলো কেনো?
– জী বাংলা।
– কী?
– ওই যে, জীবন মানে জী বাংলা।
– তুমি যে কি!
– মানুষ।
– মানুষ না ছাই!
– মরলে তো কবর দিবে,

বিস্তারিত»

মণ্ডল থেকে সরকার- ১ম পর্ব

ফিরিঙ্গী ঠেঙ্গা

ঝুন্ডুর পালের জ্বালায় আতালুত গোবরা ফকির। মাছ খাওয়ার জন্য খালি মালামু করতিচে। নিজের তো পুকুর মাটিয়াল নাই। কি করা যায়। লাইনের খাদে মাছ ধরলে হয়।সরকারী মাল দরিয়ামে ঢাল। ১৯৩২/৩৩ সালের কথা বলছি।সবে রেল লাইন চালু হয়েছে ( ১৯৩০ সালে আব্দুলপুর-আমনুরা ব্রডগেজ সেকশন চালু হয়)। পূর্ব বাংলা রেলের (EBR) জনৈক ইংরেজ সাহেব ট্রলিতে চড়ে দাপ্তরিক কাজে যাচ্ছিলেন। রেল লাইনের পাশে নিচু জায়গায় (খাদ) এক নেটিভকে মাছ ধরা দেখে চান্দি গরম হয়ে যায় তার।

বিস্তারিত»

উন্মাদনায় মাতি ফুটবলে বাঁচি

আপডেট: প্রতিযোগিতার সময় সীমা বাড়িয়ে লেখা জমা দেবার শেষ সময় ১০ জুন ২০১৪ করা হলো। এখনো লেখা না দিয়ে থাকলে এই সুযোগে মেতে উঠুন ফুটবল উন্মাদনায়!

ম্যারাডোনার ঈশ্বরের হাতের বা ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা গোল কিংবা তার কান্না ভেজা চোখ, রজার মিলারের কর্ণার ফ্লাগের সামনে নাচ কিংবা ভালদামারো হিগুইতার চুলের বাহার, বেবেতোর সদ্য জন্ম নেয়া শিশুকে উৎসর্গ করা রোমারিও-বেবেতো-মাজিনহোর গোল উদযাপন কিংবা টাইব্রেকার মিস করে ব্যাজিওর নিথর হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা,

বিস্তারিত»

গ্রীষ্মের সকাল

সকালেই কাকের অকাল ভালবাসা
বিদ্যুতের দুই তারে দুই কাক
প্রচন্ড শব্দে ফুটল ট্রান্সফরমার
বিদ্যুত গেল চলে, আমিতো হতবাক

উফ, আবহাওয়া ভয়ানক গরম
দেখি ঘেমে গেছে তোমার নাক
আদর করে গেলাম মুছতে
দেখালে তুমি ভীষণ রাগ।

বিস্তারিত»

হাসিনা-খালেদা

বুবু-ম্যাডাম
সুপ্রিয় হাসিনা বুবু ও খালেদা ম্যাডাম আপনাদের দুইজনকেই সালাম।
আপনাদের দুইজনকেই অশেষ শ্রদ্ধা।
সেই ১৯৯১ এর মার্চ থেকে শুরু।
আজ ২০১৪ মে।

আপনারা দুজনেই বাঙলাদেশ নামক গরীব দেশটির যোগ্যতর ব্যক্তি ছিলেন দেশ পরিচালনা করার জন্য। সেটা আপনারা পালন করেছেন, করে চলছেন ও।

ম্যাডাম-বুবু

কিন্তু বুবু-ম্যাডাম আমরা দেশবাসী আপনাদের সন্তানসম।
আজ আমাদেরো কিছু বলার আছে আপনাদের কাছে।

বিস্তারিত»

নস্টালজিয়া-৩

নস্টালজিয়া-১
নস্টালজিয়া-২

পানির জগ
কলেজে আমার দ্বিতীয় দিন। তার আগেরদিন একটা ঘোরের মধ্যেই কেটে গেল। নতুন পরিবেশ, নতুন মানুষজন, নতুন নতুন কালচার, বড় ভাইয়াদের কাছ থেকে নানান আচার ব্যবহার শিখতে হচ্ছে। শিখতে গিয়ে ব্যাপারগুলো যেমন কঠিন লাগছিল তেমনি ভয়ও লাগছিল। এতো নিয়ম-কানুন কিভাবে মনে রাখব? মনে মনে ভাবছিলাম “হালার কোন আজব জায়গায় আইলাম”। এইসব নিয়ম কানুন শিখানোর জন্য দুইজন ডেডিকেটেড ইমিডিয়েট সিনিয়র বিদ্যমান এক.

বিস্তারিত»

ওমর খৈয়াম ০১

love-of-omar-khayyam-and-saqi-BI59_l
সুরা, সাকী, পদ্য এই তিন মিলে ওমর খৈয়াম।
তবে সবার উপরে প্রেম।
যে নিজেকে না ভালোবাসে সে অপরকে কিরূপে ভালোবাসিতে পারে!

ওমর খৈয়াম ওমর খৈয়াম এর সংক্ষিপ্ত বিবরণী
গিয়াদ আল‌-দিন আবুল‌-ফাত্তাহ ওমর ইবনে ইব্রাহিম আল-নিশাবুরী খৈয়াম (জ. মে ৩১ ১০৪৮ – মৃ. ডিসেম্বর ৪, ১১৩১) একজন ইরানের কবি, গণিতবেত্তা, দার্শনিক ও জ্যোতির্বিদ। ইরানের নিশাপুরে জন্মগ্রহণ করার পর যুবা বয়সে তিনি সমরখন্দে চলে যান এবং সেখানে শিক্ষা সমাপ্ত করেন।

বিস্তারিত»

ভূমিকম্প

ভূমিকম্প হয়েছে কতই তোমার আমার চুমোতে
সেই কথা ভেবে কাল রাতে আমি কেন যে পারিনি ঘুমোতে

কেঁপেছে শরীর তীব্র আদরে এতটা কাঁপেনি মাটি
তুমি হয়েছিলে কামনার নদী যেখানে সাঁতার কাটি

ভূমিকম্প হয়েছে দু’জনে মাত্রা গিয়েছে ছাড়িয়ে
বিপর্যস্ত আমার নগরী তোমাতে গিয়েছে হারিয়ে

শত সহস্র প্রোটিন পাচার হয়েছে ঠোঁটের কিনারে
চুমুগুলো সব প্রভাতফেরীতে গিয়েছে তোমার মিনারে

কেঁপে উঠেছিল তোমার শরীর কেঁপেছে দেহের বাঁক
লণ্ডভণ্ড হয়েছি দুজনেই কামনায় পুড়ে খাক

দুটি নিঃশ্বাস মিলে গিয়ে যেন হয়েছিল ঝর হাওয়া
শান্ত ছিল না দেহ উপকূল শরীরের আবহাওয়া

ভূমিকম্প আবার হবে তোমার আমার ভূমিতে
তুমি মিশে যাবে আমার ভেতরে আমিও তলাবো তুমিতে

বিস্তারিত»

বাংলা খাবার লন্ডনে

লন্ডনে প্রায় সাড়ে চার বছর এর উপর হয়ে গেল, সেই প্রথম বছরের পর থেকেই কেন যেন দেশে ফেরার চিন্তা শুরু করেছিলাম, কিন্তু পরিস্থিতি আমাকে সেই সুযোগ এনে দেয়নাই। যাই হোক, লন্ডনে আমি যেখানেই যাই আজীবন শুধু অভিযোগ করে গিয়েছি। এর কারণ কি আমি, নাকি যা নিয়ে অভিযোগ করছি তা।

আজকে প্রথমেই খাবারের কথা বলবো, লন্ডনে বাংলাদেশের সব কিছু পাওয়া যায় বলে একটা সুনাম আছে।

বিস্তারিত»

কবিতা। বাহাদুর শাহ জাফর

এই লুণ্ঠিত ভূমিতে আমার হৃদয়ের আর বিশ্বাস নেই,
কে-ই বা পূর্ণতার অনুভূতি পেয়েছে এই অর্থহীন পৃথিবীতে।

বসন্তের মোহময় সময়ে
বুলবুল তার অভিমানী কন্ঠে বলেছে
প্রহরী কিংবা শিকারী নিয়তির রায়ে
আমি শৃঙ্খলিত নই।

এই তীব্র অপেক্ষার আকুতিকে বল
অন্য কোথাও বসতির,
এই বিবর্ণ হৃদয়ে
তার সুযোগ্য স্থান নেই।

ফুলের ডালে বসা বসন্তের মৃদু সমীরনে
আন্দোলিত বুলবুল
আর আমার হৃদয়ের বাগানে
কন্টক ছড়ানো।

বিস্তারিত»