এইবার কিছু স্মৃতিচারণ: ১৯৭৪ – ১৯৮২

চুয়াত্তরের বিশ্বকাপ ফলো করার সময়ে দুচারটা নতুন দলের নামের সাথে পরিচিত হয়েছিলাম তাদের অনেক গোল হজম করার কারনে। যেমন: জায়ার, হাইতি। পড়ে ঐ জায়ারে মোহম্মদ আলী ফোরম্যানকে হারালে সবাই কে বলতে পেরেছিলাম, “জায়ার চিনো না? ওয়ার্ড কাপে নয় গোল খাওয়া দলটা।

ফাইনালের আগ পর্যন্ত অল্প কিছু প্লেয়ারকে নামে চিনতাম বিচিত্রার কারনে। তখন বাসায় বিচিত্রা রাখা হতো তাই। এঁরা হলেন ফ্রাঞ্জ বেকেন বাওয়ার, রবার্টো রিভোলিন আর য়ুয়ান ক্রাউফ।

বিস্তারিত»

নিকের মেলা

তোলা মাটিতে কলার বাগান
ইট গাঁথা লিন্টন সমান
পাল্লা চৌকাঠ জানালা
দরজা নাই বাঁচলো তালা
মেঝের উপর আকাশ খোলা
বসবে হেথায় নিকের মেলা
তাইরে নাইরে নাইরে না
বৃষ্টি হলে ঘামবে না
রোদ হলে ভিজবে না
নিক বাবা কি কানা ?

বিস্তারিত»

টিটোর গপ্পোঃ অর্থহীন ছড়া

[ ছোটবেলায় এবং ছোটদের কাছে শোনা অর্থহীন কিছু ছড়া ]

এক

গল্প স্বল্প তিলে পুড়কির ছা
গল্প যদি শুনতে চাস তো
মোড়ল বাড়ি যা
মোড়ল গেছে গাড়িতে
গু লাগিছে দাড়িতে
ধুতে গেছে গাঙে
মুতে দিছে ব্যাঙে
ধুস শালার ব্যাঙ
খাড়া দুইটা ঠ্যাং।

দুই

তাইরে নাইরে বন্ধুরে
কলা খাইছে এন্দুরে
কলার ভিতর দানা নাই
পয়সা আনতে মুনে নাই।

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ নিয়ে আরেক কিস্তি

অনেকেরই ধারনা, ৮২-তে ২৪ দল অন্তর্ভুক্তির পর থেকে বিশ্বকাপটা বদলে গেছে। কথাটা পুরোপুরি ঠিক না। বিশ্বকাপের প্রতিযোগিতার থিমে সবচেয়ে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে ৮৬ থেকে। ৮২-তে দল বেড়ে কলেবর ও নক আউটের পরিধি (সেমিফাইনাল অন্তর্ভুক্ত হওয়ায়) খানিকটা বাড়লেও প্রতিযোগিতা মূলতঃ রয়ে গিয়েছিল রাউন্ড রবিন লীগ কেন্দ্রিক। প্রথম ও দ্বিতীয় দুইটা রাইন্ডই হতো রাউন্ড রবিন লিগে। ৭৮ পর্যন্ততো সেমিফাইনালও ছিল না। ৮২-তেই প্রথম সেমি ফাইনাল হয়।

বিস্তারিত»

অতসীর সতীন

http://www.cadetcollegeblog.com/raihan1303/34732 (এ সিরিজের প্রথম গল্প)

http://www.cadetcollegeblog.com/raihan1303/36719 (এ সিরিজের দ্বিতীয় গল্প)

 

অতসী এখন অনেক বড় হয়েছে। সে এখন একটা মেডিকেল কলেজের ছাত্রী……সারাদিন বিজি থাকে। যখন তাকে ফোন দেই, “আমি তো পড়ছি, পরে কথা বলি?” বা “ক্লাসে এখন……পরে ফোন দেই?” টাইপ কথা শুনতে হয় আমার। আমি এইদিকে আমার স্টুডেন্ট নিয়ে বিজি, সন্ধ্যাবেলা আমার নিজেরই ক্লাস ৯ এর বাচ্চাগুলোকে সময় দেয়া লাগে।

বিস্তারিত»

কোথায় পাবো এমন মানুষ!

দিনটা এমনভাবে শুরু হবে ভাবিনি। মোবাইল নিঃশব্দ করে ঘুমাই। আজ জেগে উঠেই দুঃসংবাদ নিয়ে আসা সুকান্ত গুপ্ত অলকের ক্ষুদে বার্তাটি পড়ে স্তব্ধ হয়ে গেলাম। বেনজির ভাই নেই! মুহূর্তের জন্যও কিছুতেই বাস্তবটা মাথা থেকে সরাতে পারছি না, বেনজির আহমেদ আসলেই আর নেই।

প্রথম পরিচয় কবে? মনে নেই। রাজনীতি করতেন না, কিন্তু আওয়ামী লীগ ও কমিউনিস্ট পার্টি’র (সিপিবি) সবার সঙ্গে ঘণিষ্ট ছিলেন। আশির দশকে সচিত্র সন্ধানী অথবা একতা’র সঙ্গে যুক্ত থাকার সুবাদে পরিচয় হয়েছিল।

বিস্তারিত»

জ্বরে পুড়ে ফুটবল জ্বরঃ প্রথম প্রেমে পড়িনি।

শেষ বিকেলের রোদ এসে পড়ছে চোখে। বাবার কোল থেকে নেমে দাঁড়ালাম। গাজীপুর সেনানিবাসের ডুপ্লেক্স বাড়ির সামনে বেশখানিকটা গাড়িবারান্দার শেষ প্রান্তে গিয়ে দাঁড়িয়েছে ভাইয়া। লনে হাঁটছে শফিক মামা। ঘাড় ঘুড়িয়ে তাকিয়ে দেখি দোতালার বারান্দায় বসে মা হাসছে। লজ্জায় পা নড়াতে পারছি না। আমার পায়ের সামনে বলটা ছেড়ে দিল বাবা। আজকে ব্রাজিল বনাম আর্জেন্টিনার খেলা হবে। আজকে আমি ব্রাজিল, কারণ গতকাল ভাইয়া ছিল ব্রাজিল। বল নিয়ে গুটিগুটি পায়ে এগিয়ে ভাইয়ার সামনে গিয়ে খেই হারিয়ে ফেললাম।

বিস্তারিত»

একটি পারিবারিক ফুটবলীয় গল্প

বিশ্বকাপ/ফুটবল প্রসঙ্গে আমার লেখাটি কতোটুকু প্রাসঙ্গিক তা জানিনা।বিশ্বকাপ এর শুরুতে প্রচণ্ড ফুটবল প্রেমিক একজন মানুষের কথা শুনতে হয়তো সবার ভালোই লাগবে

ক্যাডেট কলেজের ফুটবলের কথা আশাকরি সবারই মনে আছে। আহ!কি রোমাঞ্চকর দিনগুলি। নভিসেস ড্রিল এর আগে হাড় ভাঙা পরিশ্রমের মধ্যে মাঝে মাঝে যখন বিকেলে ড্রিলের জায়গায় গেমস করার সুযোগ পাওয়া যেত,মনে হতো “এত সুখ কি আমার কপালে সইবে?” নাহ! সুখ বেশীদিন সয়নি।

বিস্তারিত»

প্রথম প্রেমের গল্প

শুনেছি মানুষ নাকি তার প্রথম প্রেমকে ভুলতে পারেনা। আর সেখানে যদি থাকে বেদনার গল্প, তাহলে তো আরো ভুলার কথা না। আজকে প্রথম প্রেম এর গল্প বলতেই বসলাম।

না, কোন মানবীর গল্প বলছিনা। বলছিলাম “রোনাল্ডো-দ্যা ফেনোমেনন আর ব্রাজিল” এর কথা।

গল্পের শুরুটা ১৯৯৮ এর কোন এক পড়ন্ত দুপুরে। পড়ি তখন চতুর্থ শ্রেনীতে। বাড়িওয়ালাদের ছেলে রিমন এর সাথে আমাদের ভাই-বোনের খুব ভালো সম্পর্ক।

বিস্তারিত»

আন্তর্জাতিক ফুটবল অনুসরণ: শুরুর স্মৃতি

জীবনে প্রথম যে আন্তর্জাতিক ফুটবলটা ফলো করেছিলাম, সেটা বিশ্বকাপ না, মিউনিখ অলিম্পিকের ফুটবল।

৭২ সালে ক্লাশ টুতে পড়ি। একটি ক্লাশ টু-এর ছেলে অলিম্পিক ও তার ফুটবল ফলো করেছে, এখনো তা মনে করে রেখেছে, এটা অনেকেই বিশ্বাস করতে চাইবে না। কিন্তু কি করার, আমরা যে স্মৃতিধারী তরুনতম মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম। আমাদেরকে পুরনো অনেক কথা কষ্ট করে মনে রাখতে হয়েছে / হচ্ছে ভবিষ্যতে জীবন্ত ফসিল রোল প্লে করার জন্য।

বিস্তারিত»

বিশ্বকাপ দেখোয়াড়

হোসে মরিনহোর মত নিজেকে স্পেশাল ওয়ানই মনে করি।বিশ্বকাপের নিচে কোন খেলা দেখিনা।সেই হিসেবে আমাকে বিশ্বকাপের খেলোয়াড় থুড়ি দেখোয়াড় বলতে পারেন।আমার মিতা, প্রয়াত টিটো ভিলানোভা বেশ ভাল খেলতেন।আমি যে খুব খারাপ খেলতাম তা কিন্তু নয়।প্রাইমারীতে গোল্লাছুট আর বদন দুই খেলাতেই ছিলাম বাগুন লচপচি! সেইরাম খেলতাম।না হলে কি আর দুই দলেই খেলা যায় ? কালেভদ্রে ফুটবল খেলতাম বটে।সাদা রংয়ের বলটাকে লাথি মারে।বড্ড মায়া হত আমার।হঠাৎ বলে পা লাগলে মনে মনে ছালাম করতাম আর গুনে রাখতাম কয়বার পাপটা করা হলো।

বিস্তারিত»

একটি সুখস্বপ্ন

[বিঃ দ্রঃ সত্য ঘটনা অবলম্বনে লেখা 😛 ]

এক্স ক্যাডেট হওয়ার প্রায় তিন বছর পেরিয়ে গেছে। কলেজকে আগের মত এখন আর মিস করা হয়না, মাঝে মাঝে আশপাশের কিছু কিছু ঘটনায় কলেজের কথা খুব বেশী মনে পড়ে যায়। মাঝে মাঝে বৃহস্পতিবার রাতে ডিভিডি শো গুলোর কথা মনে পড়ে, কিংবা বাস্কেটবল গ্রাউন্ড দেখলে কলেজের বাস্কেটবল গ্রাউন্ডটাকে খুব মিস করি। মনে পড়ে ক্লাসে কিংবা প্রেপে দোস্তদের সাথে আড্ডা কিংবা ফাজলামির কথা,

বিস্তারিত»

বাবা

বাবার সাথে আমার প্রায় সবসময় ই একটা (প্রায়) কোল্ড ওয়ার লেগে থাকে। চিন্তা ভাবনায় ও মাঝে মাঝেই অমিল ধরা পরে। খুব একটা গভীরের কথা মন খুলে বলা হয় না বাবা কে যত টা মা কে বলা হয়। অনেক কথা বাবার কাছে পৌছতে মাঝখানে একটা মাধ্যম লাগে, মাধ্যম টা মা। জীবনে খুব একটা সন্তুষ্ট করতে পারি নি বাবা কে। আমার সময়ে SSC তে A+ পাওয়ার পর বাবা শুধু বলেছিল “ভাল করেছ”

বিস্তারিত»

রাজশাহীর পুঠিয়া হাসপাতালে চিকিৎসাসেবায় নতুনমাত্রা

এমন হতভাগা কেউ আছেন যার পা ভেঙ্গেছে ? প্লাষ্টার করার পর ডাক্তার যখন বলেন ঐ পায়ে ভর দেবেন না । সাথে যত বন্ধু বান্ধবই থাক কেমন লাগে ? তারা আপনাকে যথাসম্ভব উঁচু করে রাখলেও কিন্তু খুবই অসহায় লাগে । এ অবস্থায় একটি হুইল চেয়ার আপনার কষ্ট অনেকখানি কমিয়ে দিতে পারে। একজন চলৎশক্তিহীন প্রতিবন্ধী রিক্সা , ভ্যান বা অন্য কোন যানবাহনে হাসপাতাল পর্যন্ত পৌছালো । জরুরী বিভাগ বা অন্যকোন শাখায় সেবা নিতে সে যখন গড়িয়ে গড়িয়ে,

বিস্তারিত»

কমিটেড বনাম ক্যাজুয়াল সম্পর্ক

আজকে রেডিওতে একটা মজার ডিসকাশান শুনছিলাম দুই তরুন-তরুনী আরজের মধ্যে। পুরাই “নদীর একুল কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস” – অবস্থা…
তারা উষ্মা প্রকাশ করছিল যে এখনকার ছেলে মেয়েদের প্রেমে আগের সেই কমিটমেন্ট নাই যা তাঁদের বাবা-মায়েদের সময় ছিল।
এরা নাকি অনেক সময়েই শুধু এই জন্য রিলেশনে জড়ায় যে একটা রিলেশন না থাকলে কেমন দেখায়। তাছাড়া রিলেশন তো রিলেশনই। বিয়ে কাকে করবো কখন করবো তার সাথে তো এর আর কোন সম্পর্ক নাই।

বিস্তারিত»