যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ডায়েরীর পাতা: চুমুতে আপত্তি (?!)
এক ভাই এর মারফত জানলাম ফেসবুকে নাকি কি ইভেন্ট খোলা হয়েছে যার নাম পুলিশি প্রহড়ায় প্রকাশ্যে চুমু খাবো জাতীয় কিছু একটা। দেখলাম ইভেন্ট পেইজটা। সেখানে আরিফুর রহমান নামের এক ভাই এর ভিডিও ভ্লগ দেখলাম যেখানে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে কেন প্রকাশ্যে চুমু খাওয়া উচিৎ আমাদের। ইভেন্ট ওয়ালে মানুষজনের পোস্টও দেখলাম। বেশ লাগলো।
বাংলাদেশের প্রত্যেকটা জিনিস আমি মিস করি। বিশেষ করে কিছু মানুষকে যারা কল্পনার এক অবাস্তব জগৎ এ বাস করে।
বিস্তারিত»রিফাতের বই এসেছে বইমেলাতে
ফেরদৌস জামান রিফাত ২০০৪ ইনটেকের ছেলে। জেসিসির এক্স-ক্যাডেট। সিসিবি তে লিখে। ফেসবুকে লিখে। কলেজে থাকতে ওকে ঐভাবে চিনতাম না। ওর সাথে প্রথম পরিচয় এক্কেবারে যমের বাড়িতে। সেই ২০১০ সালে। কলেজ থেকে বের হওয়ার পর আইএসএসবি তে গিয়ে। আমাদের ব্যাচের প্রথম আইএসএসবি ছিল ঐটা। বিভিন্ন কারনে সেই আইএসএসবি ছিল এক চরম বিভীষিকাময় একটা এক্সপেরিয়েন্স। সেই গল্প অন্য দিন করা যাবে। আজকে আলাপ শুধু রিফাত কে নিয়ে হবে..
বিস্তারিত»‘আজন্ম সলজ্জ সাধ – একদিন আকাশে কিছু ফানুশ উড়াই…’
‘আজন্ম সলজ্জ সাধ – একদিন আকাশে কিছু ফানুশ উড়াই…’
আমার দুই মেয়েরই খুব পছন্দ বারবি ডল। প্রায় দুই দশক সময়কাল ধরে এই বারবি ডলগুলো আমার বাসায় সঞ্চিত হচ্ছে। প্রথম দশ বছর জমিয়েছে আমার বড় মেয়ে এবং পরের দশ বছর জমিয়েছে আমার ছোট মেয়ে। সংখ্যায় এরা দুই ডজনের মত। গত দুই দশকে সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এই বারবি গুলোর ফ্যাশনে পরিবর্তন লক্ষণীয়। তবে মজার ব্যাপার হল দুইজনের ভেতরে বয়সের পার্থক্য প্রায় এক দশক হলেও এবং একজন ইউনিভার্সিটিতে ও অন্যজন ক্লাস ফোরে পড়লেও এখনো প্রায়শই দুই বোনের মধ্যে পুতুলগুলোর মালিকানা,
বিস্তারিত»যেমন ইচ্ছে লেখার আমার ডায়েরীর পাতা: কেন লিখছি কি লিখছি
ডায়েরী লেখার অভ্যাস প্রথম হয় ক্যাডেট কলেজে গিয়ে। কেমন জানি একটা নিয়ম ছিল সব ক্যাডেটকে বাধ্যতামূলক ডায়েরী লেখা লাগবে। এতো তেল সব ক্যাডেটের থাকত না। দেখা যেত হাউজ ইন্সপেকশনের দিন সব গোছানো শেষে কয়েক সপ্তাহের ডায়েরী একবারে লিখে ফেলতো। আমার আবার শরীরে তেল চর্বি না থাকলেও এইসব হাবিজাবি কাজে ভালই তেল ছিল। ক্লাস এইট থেকে মোটামুটি নিয়মিত ডায়েরী লিখছি। এমনো হইছে দুইটা ডায়েরী লেখা হইছে।
বিস্তারিত»তিনটি প্রতিক্রিয়া
এক
সম্প্রতি দাবা খেলাকে হারাম বলে ঘোষণা করেছে সৌদি আরবের গ্র্যান্ড মুফতি মহোদয়। খবরটি দেখার সাথে সাথে মনে ভেসে উঠলো উৎপল দত্তর চেহারা, হীরকের রাজা। কল্পনায় দেখতে পেলাম রাজসভায় বসে তিনি এরকম একটি ঘোষণা দিচ্ছেন –
রাজাঃ
দাবা!
খেললে কিন্তু জাহান্নামে যাবা।
… ঠিক কি না?
সভাসদ দলঃ
ঠিইইইক, ঠিক ঠিক …
দাবাড়ুরা সব ইহুদি-কাফের-নাস্তিক!
আ মরি বাংলা ভাষা
প্রেমিক
“প্রেমিক”
( জাপানী মরমী কবি তামাহোমা-সানের(১৮৮৪-১৯৮৪) সুদীর্ঘ কবিতা। প্রিয় সামুরাই শিষ্য হু-সেন ((মতান্তরে হু-সান) যখন কবির কাছে প্রেমিকের সংজ্ঞা জানতে চায়, তিনি তখন এ কবিতাটি বর্ণনা করেন। বঙ্গানুবাদ এই অধম )
১
বসিয়াছিলেন কবি তামা-হোমা শান্ত নদীর তীরে,
শিষ্য হু-সান পাশে আসিয়া দাঁড়াইল নতশীরে।
হু-সান ছিল দারুণ যোদ্ধা সামুরাই দুর্বার,
তরবারী হাতে করিত সকল বিপত্তি চুরমার।
আমাদের হারুন স্যার
আমাদের হারুন স্যার
“পুত্রশোকাতুর রবীন্দ্রনাথ রাত্রে ট্রেনে আসতে আসতে দেখলেন জ্যোৎস্নায় আকাশ ভেসে যাচ্ছে, কোথা কিছু কম পড়েছে তার লক্ষণ নেই। তাঁর মন বললে, কম পড়েনি- সমস্তের মধ্যে সবই রয়ে গেছে, আমিও তারি মধ্যে। সমস্তর জন্যে আমার কাজও বাকি রইল। যতদিন আছি সেই কাজের ধারা চলতে থাকবে। সাহস যেন থাকে, অবসাদ যেন না আসে, কোনওখানে কোনও সূত্র যেন ছিন্ন হয়ে না যায়- যা ঘটেছে তাকে যেন সহজে স্বীকার করি,
বিস্তারিত»বেলাশেষে ( ইন দ্যা অটম অফ লাইফ )
মুভিঃ বেলাশেষে(২০১৫)
জেনার/রীতিঃ ফ্যামিলি ড্রামা।
পরিচালানাঃ নন্দিতা রায় / শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।
অভিনয়ঃ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়,স্বতীলেখা সেনগুপ্ত,ঋতুপর্না সেনগুপ্ত,খরাজ মুখোপাধ্যায়,প্রমুখ।

কোন সাধারন বা ক্লিশে কাহিনী সঠিক কারিগরের হাতে পড়লে সেটা কতটা নান্দনিক রূপ নিতে পারে বেলাশেষে দেখে আর একবার উপলব্ধি করালাম।নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় জুটির ইচ্ছে,মুক্তধারা ও রামধনু দেখে আগেই বুঝেছিলাম সাবলীল গল্প বলা একটা শিল্পের নাম;আর সেইধারার সর্বশেষ সংযুক্তি বেলেশেষে।
প্রবাসে প্রাকৃতজন (বিলাতি তিলেরখাজা)
সুপারশপের শেলফে দেখি সুন্দর করে প্যাক করে রাখা তিলের খাজা। তিলের খাজা! হ্যাঁ তিলের খাজা ই তো!! কি সাংঘাতিক! এতদিন পরে এই জিনিষ দেখলে কি মাথা ঠিক রাখা সম্ভব? এই মুহুর্তে যদি গোটা চারেক না খাই তাহলে আমার বংশ পদবীটাই বৃথা। আবার ওদিকে মধ্যপ্রদেশের আপোষহীন ক্রমবৃদ্ধি আর বাসায় লীডার-অব-দ্য-হাউজের ব্যপক চোখ রাঙ্গানিকে ও তো উপেক্ষা করা সহজ কাজ না।
অনেকক্ষণ ভাবলাম, আশেপাশের অন্যান্য আইলে ঘুর ঘুর করলাম।
বিস্তারিত»টুকিটাকি – ২
১
আশির দশকের একজন স্মার্ট নায়িকা ছিলেন দিতি। অনেক সংগ্রামী জীবন। অনেকটা সেলফ-মেড। এখন তিনি অসুস্থ। সহকর্মীরা তাঁর জন্য দোয়া করছেন। আবার বাংলাদেশের মতো রক্ষণশীল সমাজে নায়িকা মানেই শুধু একজন অভিনয়শিল্পী নয় – যেন অন্যকিছু। তাকে সম্মানিত করতে নেই, তার জন্য অপেক্ষা করছে ভয়ংকর পরিণতি। একটি রক্ষণশীল সমাজ অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এই ভয়ংকর পরিণতির ভাবনায় আচ্ছন্ন হয়ে। তাই সে সমাজে কোন সৃষ্টিশীলতা নেই, গতিময়তা নেই।
বার বার তিন বার
কথায় বলে বার বার তিন বার, ইংরেজিতে দে কাম ইন থ্রিজ। বিশেষ করে ফাঁড়া গর্দিশে ইত্যাদি। তেমনি এক তিন ফাঁড়ার গল্প বলছি।
সেদিন হিউষ্টনের বিরাট চীনা বাজারে গিয়েছি। কেনাকাটা সেরে কিউতে দাঁড়িয়ে আছি। আমার আগের খদ্দের গোটা চারেক দুরিয়ান কিনেছেন। সেগুলো কাউন্টারের উপরে ডাঁই করে রাখা। এই বিশেষ ফল সম্পর্কে দুটো কথা আগে বলে রাখা দরকার। কাঁঠালের মত চেহারার এই ফল প্রাচ্যদেশীয়দের কাছে খুবই পছন্দের জিনিষ।
বিস্তারিত»~ কাঁচে না কাছে ~
কাঁচে
দেখছি কাছে
আমাকে
ও তোমাকে
যখন
বিম্বের বিপরীতে
মৌনতা
মন্ত্রস্থ দুহাতে
ভাঙছে সাহচর্য
তখন
২১ জানুয়ারী ২০১৬
বিস্তারিত»“আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার”
“আমরা দুজনে মিলে শূন্য করে চলে যাব জীবনের প্রচুর ভাঁড়ার”
এটা একটা দুজন অসম বয়সী নারীর সত্য গল্প। দুজনের ভেতরে প্রবল পার্থক্য। একজনের বয়স ৭০ এর কাছাকাছি। অন্য জনের বয়স মাত্র ১৫। দুজনেই অসম্পুর্না। একজনের স্বামী মারা গেছে ২০ বছর আগে। ৫০ বছর আগে তিনি এসেছিলেন তার জন্মস্থান উজানের ‘চিলমারী’ থেকে এই ভাঁটির দেশে। অন্য জনের জন্ম ভাঁটির দেশেই । জন্মলগ্ন থেকেই তিনি শারীরিকভাবে প্রতিবন্ধী।
বিস্তারিত»