রূপবিলাস (শেষ)


৭.
টেবিলটা খালি পরে আছে, সাথে চেয়ারটাও। মানুষটা নেই। সকাল থেকে ফোনগুলো সৌরভ-ই
ধরছে। বিরক্তিকর কাজ। বারকয়েক তার ইচ্ছে হয়েছে ফোনটা ছুড়ে ফেলে দিতে কিংবা তার ছিঁড়ে
ফেলতে। দীঘি এত ধৈর্য্য কোথায় পায় বুঝে না সৌরভ। দীঘি আজ আসেনি, ফোন করেছিল অসুস্থ । সেদিনও কত চটপটে ছিল, এক রাতের মধ্যেই কি এমন হয়ে গেল! আচ্ছা সৌরভের কি দেখতে
যাওয়া উচিত। না যাওয়াটাও কি মানায়। ফোনের সাথে কথা বলতে বলতে অফিস শেষ হয় সৌরভের। এরপর দোটানার মধ্যে দীঘিদের ফ্লাটের সামনে গিয়ে হাজির হয় সে। এটাইত ঠিকানা নাকি! মিলিয়ে নেয় সে বারকয়েক।

দরজা খুলে দীঘি নিজেই। ভূত দেখল নাকি? এত চমকে উঠল যে।
দীঘিঃ আপনি……!!
-এইদিকে একটা কাজ ছিল। ভাবলাম দেখে যাই।
দীঘিঃ ও আচ্ছা।
একটা অস্বস্থিকর বিরতি এরপর। হয়ত বুঝে নিতে চেষ্টা করছে একে অপরের মতলবটা।
দীঘিঃ আসুন ভেতরে আসুন।
ড্রয়িংরুমটা ছোট কিন্তু পরিপাটি। দেয়ালটা কি ধূসর নাকি সময়ে এরকম হয়ে গেছে বুঝতে পারে না
সৌরভ। দেয়ালে বেশ বড় একটা গ্রুপ ছবি বাঁধানো। ভালমত দেখতে বসা থেকে উঠে পড়ে এগিয়ে যায় সে। এ সময় দীঘি ঘরে ঢুকে।
দীঘিঃ পারিবারিক ছবি…।
– হুম… এটা কি আপনি না?
দীঘিঃ হ্যা…। আপনি হয়ত ভাবছেন আমি ফাঁকি মারার জন্য মিথ্যে বলেছি। আসলে তা না। আমার
ছেলে অসুস্থ।
দীঘি নিচে তাকিয়ে থাকে। সৌরভ কি বলবে বুঝতে পারেনা।
– কিন্তু…।
দীঘিঃ উপায় ছিলনা। বিবাহিত জানালে চাকুরী পেতাম না। সে সময় খুব দরকার ছিল।
– কি এমন দরকার ছিল…?!!
ঠিক প্রশ্ন ছিল কিনা বুঝতে সময় নেয় দীঘি।
দীঘিঃ ছবিতে সামনে বাচচা কোলে নিয়ে যে ভদ্রলোককে দেখছেন সে আমার ছেলের বাবা, বাবলু
হওয়ার পরপরই দেশের বাইরে চলে যায়। কিছুদিন ভালই ছিলাম। নিয়মিত যোগাযোগ হত, এরপর
হঠাৎ করে সব থেমে যায়। একদিন জানতে পারলাম পালিয়ে বেড়াচ্ছে, হয়ত কোন…। এরপর শুধুই
অপেক্ষার পালা, ধৈর্য্য ধরে আছি।
সৌরভের কি বলা উচিত? প্রতারণার খেলায় সেও-ত শিকার।
– আপনার ছেলে কোথায়? তাকে দেখে যাই।

বিছানায় গুটিসুটি মেরে শুয়ে আছে বাবলু। পাশে বয়স্ক এক মহিলা বসে। ছবিতে দেখেছে সৌরভ,
ছেলের দাদী বোধহয়। কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকে পাশে, অনাকাঙ্খিত অতিথির মত। ফেরার পথে
বিদায়বেলায় দীঘির কথাগুলো বারবার বাজতে থাকে কানে,
– দয়া করে বলবেন না অফিসের কাউকে। তাহলে ভাল বিপদে পড়ে যাব। খুব তাড়াতাড়িই আমি
চাকুরীটা ছেড়ে দেব। নতুন একটা চাকুরীর জন্য শুরু থেকেই চেষ্টা করছি।

মেসে ফিরতে রাত করে সেদিন সৌরভ। গেটের দারোয়ানকে ঘুম থেকে জাগিয়ে গেট খুলতে হয়।
দারোয়ান খুব বিরক্তি নিয়ে গেট খুলে দেয়, চিঠি ধরিয়ে দেয় হাতে সাথে একটা বক্স। চিঠিটা আসলাম ভাইয়ের, বক্সের ভিতরে মোবাইল ফোন। আজকে বিকেলে মেস ছেড়ে দিয়েছেন, পরিবারের সাথে বাসা নিয়েছেন ঢাকায়। কারো দেয়া জিনিস নিতে ইচ্ছে করেনা সৌরভের। মানুষ চলে যাবে যাক, স্মৃতি ধরে রেখে লাভ কি। স্মৃতির ভার কতদিন বয়ে বেড়াবে সে। এক সময় হাপিয়ে উঠবে, উঠবে কি? কি দরকার ছিল মোবাইলটার কিংবা গ্রুপ ছবিটার।

৮.
বড় রাস্তা ছেড়ে যখন সৌরভ গ্রামের মেঠো পথ ধরত দূর থেকে দেখে ছুটে আসত, দুইহাতে সৌরভের হাতটা ধরে টেনে নিয়ে যেত বাড়ির ভিতরে। গত কয়েক মাসের ফিরিস্তি শুনাত, এত জোরে বাতাস করত যেন শরীর থেকে শহরের ধুলো, গন্ধ সব উবে যাবে। অবশেষে যখন মা লেবুর সরবত নিয়ে আসতেন বুড়িটা ব্যাগ নিয়ে দৌড় দিত। ব্যাগ খুলে যা যা পছন্দ হত নিয়ে নিত, যেন ব্যাগটাই ওর। অবশ্য ব্যাগের ভিতরে ওর জিনিসপত্রই বেশি থাকত, আর মায়ের একটা শাড়ি। একবার ব্যাগ থেকে রেজর নিয়ে বুড়ি বলেছিল,
– ভাইয়া এইটা আমার।
সৌরভঃ তুই এটা নিয়ে কি করবি।
– জামাই পুতুলের শেভ করাব।
সেদিন খুব এক চোট হেসেছিল মা-ছেলে মিলে। কতইবা বয়স তখন মেয়েটার বার কি তের।
আজ সেই বুড়িটার বিয়ে। ছোটবেলায় তার রান্নাঘর সৌরভ ভেঙে দিয়েছিল বলে সে কি কান্না, আজ তার রান্নাঘর গড়তে আরেকজন আসছে। কিন্তু তারপরও বুড়ির কান্না থামছে না।

সবাই এসে গেছে প্রায় কিন্তু একজনের অপেক্ষায় সে। নীলিমার আসার কথা। সৌরভ অবশ্য তাকে আসতে বলেনি। ছুটির জন্য অবেদন করার সময় নীলিমা নিজে থেকেই আসতে চাইল। ঢাকা থেকে বেশি দূরে না; কুমিল্লার বরুরায় গ্রামটা। এত সময় লাগার কথা না। বড় রাস্তায় মানুষ পাঠিয়ে রেখেছে সৌরভ, যেন আসলে সোজা এখানে নিয়ে আসে। ইতোমধ্যে মা একবার তাড়া দিয়ে গেছেন কাজী সাহেব আরও এক জায়গায় যাবেন।

– বাহ… খুব সুন্দর করে সাজিয়েছেন-ত বাড়িটা। আপনার বোন কই? ওকে এটা দিব নিজের হাতে।
হাতের প্যাকেটটার দিকে ইংগিত করে । নীলিমাকে কখনো হাসতে দেখেনি সৌরভ। অবাক হয়ে বলে,
সৌরভঃ কখন আসলেন? কেউ এসে বললও না। আমি লোক পাঠিয়েছিলাম…।
-হুম… এইমাত্র আসলাম; তারাই নিয়ে আসল এখানে।
সৌরভঃ আর দেরী করলে হয়ত বিয়েটা দেখতে পেতেন না। আমার সাথে আসুন।

নীলিমাকে দেখে বুড়ির কান্না থেমে যায়। চোখেমুখে প্রশ্নবোধক ভাব ফুটিয়ে সৌরভের দিকে তাকায়।
সৌরভঃ উনি..
কথা শেষ করতে দেয়না নীলিমা,
-আমি নীলিমা। তোমার ভাইয়ের বন্ধু।
দুষ্টুমির ঝিলিক দেখা যায় বুড়ির দু’চোখে। সৌরভের অস্বস্থি লাগে কিন্তু কিছু বলে না, কান্না থেমেছে
এতেই সে খুশি।

বিদায়বেলায় মা-মেয়ে মিলে দ্বিগুন উৎসাহে কান্নাকাটি শুরু করে। ছেলে পাশের গ্রামেরই, ইচ্ছে হলেই তিড়িং বিড়িং লাফাতে লাফাতে মায়ের কাছে চলে আসতে পারবে। তাহলে এত কান্নাকাটি কিসের? সৌরভের একবার মনে হল বলুক, “খবরদার কাঁদবি না। কেউ কি মারা গেছে নাকি এখানে!!”। কিন্তু একজনের দিকে তাকিয়ে আর বলা হয়ে উঠে না সৌরভের। নীলিমাকে যে এর আগে কাঁদতেও দেখেনি সে। আজ বৃষ্টি হলেও মন্দ হতনা।

৯.
সেদিন কোন বিশেষ দিন ছিল বলে মনে হয় না। অন্যান্য দিনের মতই সেদিনও সৌরভ খান সাহেবকে
বাড়ি পৌছিয়ে দিতে সন্ধ্যায় রওনা দিয়েছিল। খান সাহেবকে কোন বিষয়ে চিন্তিতও দেখাচ্ছিল না। শেষ কথাগুলো মনে আছে বেশ,
– সৌরভ… তুমি আমাকে স্যার ডাক না কেন?
সৌরভঃ আপনি বললে…
– না এটাই ভাল। আমার আশেপাশের সবাই স্যার ডাকতে ডাকতে অস্থির করে তুলে। সবাই প্রভু হতে
চায় অথবা ভৃত্য । মাঝামাঝি কেউ থাকতে চায় না।
সৌরভ আর কিছু বলতে পারেনি। দুই পাশের জানালায় মুখোশধারী চারজনকে দেখতে পায় সে। এরপর সব সাদা আর লাল, বিকট শব্দে ধাতব বস্তুগুলোর ছুটোছুটি। রক্ত মাংসের ভিড়ে আহমদ খানকে আর চিনতে পারেনি সে।

হাসপাতালে জ্ঞান ফিরে দীঘি আর আসলাম ভাইকে দেখতে পায় সে। প্রথমে বুঝতে একটু সময় লাগে তার।
– খান সাহেব… ?
দীঘি মাথা নাড়ায়। সৌরভের বুঝতে অসুবিধা হয় না।
– বখতিয়ার হোসেনও?
নীলিমাঃ না… এখনো আইসিইউতে জ্ঞান ফিরেনি।

মানুষ মরে গেলে ভাল নাকি মন্দ এ নিয়ে দুনিয়া ব্যস্ত হয়ে পরে। আচ্ছা আহমদ খান কি ভাল মানুষ
নাকি খারাপ? আসলাম ভাই অবশ্য সবসময় বলতেন, “বুঝলি সৌরভ… দুনিয়াতে প্রতিদিন ভাল মানুষ যতগুলো মরে খারাপ মানুষও তত মরে, এইভাবেই পৃথিবী সাম্য বজায় রাখে”। তাহলে সে বেঁচে রইল কেন। তাহলে সেও কি আহমদ খানের মত মানুষ। আহমদ খান খারাপ হলে সেও কি খারাপ।

– আচ্ছা আসলাম ভাই আপনার মনে আছে সবসময় আপনি ভাল-খারাপ মানুষ নিয়ে একটা কথা
বলতেন।
আসলাম ভাইঃ পরে শুনব। তুই বিশ্রাম নে… ডাক্তারের সাথে কথা বলে আসি, তোর বাড়িতেও
খবরটা দিতে হবে।
আসলাম ভাই সৌরভকে কথা বলার সুযোগ না দিয়ে বের হয়ে যান।
– দীঘি আপনার কি মনে হয়…। আমি ভাল না খারাপ।
দীঘিঃ এভাবে কেউ জিজ্ঞেস করে নাকি?
– বলুন না। জানাটা জরুরী।
দীঘিঃ আপনি ভাল আঁকতে পারেন না।
– আপনি আমার কাগজটা দেখেছেন? কেন দেখলেন?
দীঘিঃ আপনি আমার ছবি কেন আঁকলেন?

প্রশ্নটার উত্তর যদি প্রশ্নটার মতই সহজ হত। সৌরভ কিছু বলে না আর। চোখ সরিয়ে নেয়। জীবনে
অনেক প্রশ্নের উত্তর দেয়াটা সহজ না। উচিতও না মনে হয়। ঘুমে দুইচোখ ভারি হয়ে আসে তার।
ঘুমটাই ভাল; এখানে কেউ আসবে না প্রশ্ন করতে, জ্বালাতে। যদি নাই জাগল স্বপ্ন ভাঙ্গার কোন
সুযোগও নেই। তাকে যে কেন জাগালো ওরা স্বপ্ন ভাংগার দেশে!

৯.
অনেকদিন পর অফিসে আসল সৌরভ। সবাই দৌড়ের উপর আছে, নিশ্বাস ফেলছে মেপে মেপে।
দীঘির সাথে দেখা হ্ল সৌরভের। আজকে তারও শেষ দিন তাই ব্যস্ত। সৌরভের সাথে বেশি কথা বলে
না সে,
-যান ভিতরে যান নীলিমা ম্যাডাম আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।

নীলিমা বসে আছে পিছনের জানালার দিকে মুখ করে শূন্য দৃষ্টিতে। আশেপাশে বড় বড় প্যাকেট
পরে আছে, জিনিসপত্র গুছানো হচ্ছে। কি বলবে বুঝতে পারেনা সৌরভ, তাই ঘর থেকে বের
হয়ে বাইরের দরজায় নক করে সে।
– আসুন সৌরভ সাহেব… বসুন। আমি কিছুদিনের জন্য ভাইয়ের ওখানে যাচ্ছি, জানিনা কবে ফিরব।
দীঘি বলছিল আপনি নাকি আর থাকতে চান না, কি করবেন বের হয়ে?
সৌরভঃ গ্রামে যাব।
-ভাল। আপনাকে একটা জিনিস দিব, দেওয়ার মত আর কাউকে পেলাম না।
সৌরভঃ কি?
– আমার মাছগুলো।
সৌরভঃ আচ্ছা ঠিক আছে।
– বাবা আর আমার মধ্যে একটা খেলা ছিল। আপনার মনে আছে প্রথমদিনের কথা। আপনাকে
চাকুরীতে নেওয়ার ইচ্ছা শুরু থেকেই ছিল তার। কিন্তু এও জানত আমি তা হতে দিব না। তাই আপনাকে সেদিন চাকুরীতে নেয়নি বাবা, পরে আমিই আপনাকে ডাকি। বাবা সবসময় আমাকে দেখাতেন, আমি জিতে গেছি। কিন্তু শেষে হেরে গেলাম, বাবাকে-ত বাঁচাতে পারলাম না। সে কেন বাঁচল না।
শেষে এসে অন্যমনস্ক হয়ে যায় নীলিমা। সৌরভ কি বলবে ভেবে পায় না।
সৌরভঃ আপনার কি মনে হয় আমি ভাল?
– জ্বী সৌরভ সাহেব… আপনি ভাল মানুষ।
সৌরভঃ তাহলে আপানার বাবাও ভাল মানুষ।
– আপনি আসতে পারেন।

শেষ লাইনটাতে কি লুকিয়ে আছে তা সৌরভ বোঝার চেষ্টা করে না। হয়ত কখনো করবেও না।
কারণ বোঝার চেষ্টা করাটা যে বৃথা। নীলিমা একা থাকতে চায়, কাঁদার জন্য? কিন্তু সৌরভ-ত তাকে
কাঁদতে দেখেছেই; তাহলে বাঁধা কিসের? নাকি এ কাঁদা ভিন্ন!

১০.
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে, টিপ টিপ বৃষ্টি। মানুষগুলো ছুটোছুটি শুরু করে দিয়েছে। আচ্ছা বৃষ্টিকে এত ভয় কেন তাদের? বৃষ্টি থেকে বাঁচার কতই না আয়োজন!! বৃষ্টি কি মানুষের চেয়ে বেশি হিংস্র, স্বার্থপর?! মানুষ থেকে বাঁচবে কিভাবে বোকাগুলো।

বৃষ্টিতে তার ভয় নেই কারণ মানুষ থেকে বাঁচেনি। জুতো জোড়া খুলে হাতে তুলে নেয় সে, আরেক হাতে প্লাস্টিকের ব্যাগে মাছ তিনটি। বহুদিন পর আবার মুক্তির স্বাদ পায় পা দু’টো, কিন্তু মন-মায়া? ধানমন্ডি লেকের দিকে হাঁটা শুরু করে সে, অনেকদিন যাওয়া হয় না। আর হয়ত যাওয়াও হবে না তার। মানুষগুলোকে দেখতে হবে শেষবারের মত, বহুরূপী মানুষগুলোকে। শেষবারের মত রূপবিলাসের স্বাদ নিবে সে।

যখন লেকে পৌছায়, বৃষ্টি থেমে গেছে। মানুষগুলো খোপ ছেড়ে বের হতে শুরু করেছে পিলপিল করে।
ভিড় করছে লেকে, হেঁটে বেড়াচ্ছে, দৌঁড়াচ্ছে, লাফাচ্ছে, হাসছে, ঝগড়া করছে, গালি দিচ্ছে, কিলবিল
করছে। কতই না রূপের বাহার!! তাদের কখনোই পুরোপুরি চিনতে পারেনি সৌরভ। এর থেকে
মাছগুলোই ভাল, মনের আনন্দে সাঁতরে বেড়াচ্ছে। কারও ক্ষতি করার সামর্থ নেই। কিন্তু পানি কমে
গেল কেন? খেয়াল করে দেখে সে, ব্যাগ ফুটো করে পানি গড়িয়ে পরছে। একটু একটু করে হাটু পানিতে নেমে পড়ে সে লেকের মধ্যে। কিছুক্ষণ পানির মধ্যে ধরে রেখে মুখ খুলে দেয় ব্যাগের।

– যা… আজ তোরাও মুক্ত।

পিছন থেকে হয়ত কেউ বলে উঠে,
– কি ভাসিয়ে দিলেন?
সৌরভঃ আমার তিন মায়া। অপ্সরী, টিপ তরুণী আর… রূপবিলাসী।

১,৩৮৬ বার দেখা হয়েছে

২১ টি মন্তব্য : “রূপবিলাস (শেষ)”

  1. ফয়েজ (৮৭-৯৩)

    তাড়াহুড়া করেছো মনে হল। এই পর্বে শেষ করতে হবে, অনেক প্লট মাথায় গিজগিজ করছে পুরা উসাইন বোল্টের মত শেষ করেছো মনে হচ্ছে।


    পালটে দেবার স্বপ্ন আমার এখনও গেল না

    জবাব দিন
  2. আদনান (১৯৯৪-২০০০)

    অনেক গ্যাপ । পাঠক হিসেবে আমার মনে অনেক প্রশ্ন কিন্তু লেখার গুনে সেসব প্রশ্ন উপেক্ষা করাই যায় । হাসনাইন লেখাটা আমার খুবই ভাল লেগেছে । একটা পূর্নাংগ গল্প পড়লাম যেন । লেখা থামাইস না ।

    জবাব দিন

মন্তব্য করুন

দয়া করে বাংলায় মন্তব্য করুন। ইংরেজীতে প্রদানকৃত মন্তব্য প্রকাশ অথবা প্রদর্শনের নিশ্চয়তা আপনাকে দেয়া হচ্ছেনা।