দৌড়ে এসে আর এভাবে লাফ দিয়ে ভুঁড়ির উপর বসবি না। পিলে চমকে যাবে, ভুঁড়ি গলে যাবে।আরে এখন কি আর সেই বয়স আছে নাকি, দৌড়ে এসে লাফ দিয়ে ভুঁড়ির উপর বসে পরা! ওজন বেড়েছে,বড় হয়েছিশ্ না, তুইতো দিনে পঞ্চাশবার বলিস বয়স হয়েছে। আরে তোর বয়সে আমার মা তিন তিনটি সন্তানের মা হয়েছিলেন। ধাড়ী খুকী!
আরাম করে পেটের ওপর সেটেল হয়ে বসে প্রশ্নের ঝাঁপি খুলে দিল আমার রাজকুমারী।
ভালবাসা (এক)
হ্যলো তুই কোথায় ? রাত সাড়ে এগারটা শীতের রাত, আর কোথায় আবার চাট গাঁর বাসায়, লেপের নিচে! তুই কালকেই ঢাকায় চলে আয়, জরুরি দরকার!
জরুরি দরকার যে কি, তা মোটামোটি আমার জানা হয়েই গেছে। নিশ্চয়ই ধানমন্ডির ‘কড়াই গোশত’ এর ইলিশ সস অথবা গুলশান ২ এর ‘খাজানার’ মাটন দম বিরিয়ানী বা উত্তরার ‘একুশে রেস্তোরার’ গ্রীল চিকেন বা ধানমন্ডির-বনানীর ‘স্টার’ হোটেলের কাচ্চি এবং কাবাব। নিদেন পক্ষে,
বিস্তারিত»নিউটন,আইনস্টাইন,হিটলারদের সাথে দেখা !!!!
রুয়েটে পরে সোহাগ ।ব্রিলিয়ান্ট ছাত্র ।প্রথম সেমিস্টার এ ভাল রেজাল্ট করছে ।২য় সেমিস্টারে একটু খারাপ করছে । সোহাগ এর এই ভাল রেজাল্ট করার পিছনে তার বাবা-মায়ের অবদান অনস্বীকার্য । তার বাবা-মা তাকে পড়াশুনার ব্যাপারে খুব তাগিদ দেয়।৩য় সেমিস্টার এর ক্লাস টেস্ট,ল্যাব-রিপোর্ট,অ্যাসাইনমেন্ট ইত্যাদির কারণে জীবন যখন দিশেহারা ঠিক তখনি চলে এলো রমযান মাসের ৪৫ দিন এর
ছুটি ।স্বভাবতই বাসায় প্রত্যাবর্তন । তারপর শুরু হয় শেষ রাত্রিতে সেহেরী খাওয়া,সারাদিন রোযা রাখা আর সন্ধ্যায় ইফতারি খাওয়া ।ইফতারি খাবার পর শরীর এক অদ্ভুত ক্লান্তিতে ভরে ওঠে আর ঘুমে আচ্ছন্ন হয়ে আসে সোহাগ এর দুইটি চোখ ।
বিস্তারিত»ইজ্জত আর মেশিন দুইটাই হুমকি তে।
কয়দিন হইল ফেসবুকে একটা তামশা শুরু হইছে। আপনার অমুক অমুক বন্ধু এই লিঙ্ক শেয়ার করছে, ওই লিস্টে কিছু বিশ্বস্ত বন্ধুর নাম দেখলাম। দেখায় অমুকের স্ক্যান্ডাল ভিডিও, তমুকের এইডা- ঐডা দেখা যাচ্ছে এই টিভি শো তে। এগুলার ওপরে থাকে প্রায় কাপড় না না পড়া কোন একটা মেয়ের ছবি।ডানে বামে তাকাইয়া রুমে কেও নাই শিওর হইয়া দিলাম লিঙ্কটায় ক্লিক কইরা।জিগাইলো আপনি ১৮+ কিনা।লাফ দিয়া উঠলাম , কইলাম ১০০বার।
বিস্তারিত»শিক্ষক VS ক্যাডেট এর ৬বছরের ম্যাচের কিছু ধারাবিবরনি। সিজন ২-এপিসোড-১
সবাই কয় ভদ্রলোকের এক কথা। তাই মেলা দিন হইল এই সিরিজের আর এক পর্ব লিখতে গিয়েও মনের ভিতর খচখচ করছিল। লাস্ট পর্বে কইছিলাম এইডা আর লিখুম না। কিন্তু একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভাইবা দেখলাম হুদাই খচখচ করতেছে। ওই কথা তো আমার জন্য প্রজয্যই না । :goragori: :goragori: :goragori: তাই লিখতে বইসা গেলাম।
১) সৈয়দ নুরুল ইসলাম স্যার। বাংলা ডিপার্টমেন্ট। স্যার নতুন আসছেন কলেজে।
বিস্তারিত»“শুভেচ্ছা”
আজ সকালে ঘুম ভাঙ্গল ঠাডা পইরা। ঠাডা বুঝেন? বজ্রপাত রে আমাগো এলাকায় ঠাডা কয়।
সকালে সারে সাতটা নাগাদ বাপে ফোন দিয়া ঘুম ভাঙ্গাইল।ঘুম জড়ানো গলায় বললাম
-স্লামুয়ালাইকুম আব্বু
-নিচে আয়। আমি তোর বাসার নিচে।
ঘুম ছুইটা গেল। রুমের চারি দিকে তাকাইয়া।রুমের অবস্থা দেখে ইচ্ছা করল সিড়ি দিয়ে না নেমে সরাসরি ছয় তলা থেকে লাফ দিয়া নাইমা যাই।
বিস্তারিত»জগতের সকল নারী সুখী হোক !!!
এটা আমার নিজের গল্প।[ অন্য কারো সাথে মিলে গেলে তা নিতান্তই কাকতালীয় !!]
আমার একটা গার্লফ্রেন্ড আছে। বিশ্বাস করেন একটাই। আমাদের অনেক দিনের রিলেশন। প্রায় ৭বছর হল আমরা প্রতিাদিন ঝগড়া করি। প্রতিদিনই প্রায়। এই ৭বছরে খুব বেশী হলে ৭দিন আমাদের মধ্যে কোন ঝগড়া হয় নাই। তাও সেটা এক টানা ৭ দিন হবে না। এক ঘন্টার মধ্যে কখনো কখনো ৩-৪বার ঝগড়া হয় ৩-৪টা ভিন্ন ইস্যু তে।
বিস্তারিত»“শাহাদাত”নামা
জনাব কাজী শাহাদাত হোসেন রাজীব শ্রীচরণেষূ
হে উদার
অর্ধ যুগ আগে, বিলাতের এক গ্রীষ্মকালে তোমার বদনখানি ভাসিয়া উঠিয়াছিলো বোকাবাক্সের চৌকোণায়। তুমি নাকি বাংলাদেশের পক্ষে টেস্ট খেলিতে নামিতেছ। পত্র পত্রিকা মারফত জানিয়ছিলাম, বহুদিন পর নাকি এই অভাগা বঙ্গে এমন এক মানবসন্তানের আগমণ হইয়াছে, যে ফাস্ট বোলিংটা করিতে জানে। আরও জানিয়াছিলাম, তোমার আছে তালগাছের ন্যায় উচ্চতা আর ভীমের ন্যায় শক্তি। লক্ষণের শক্তিশেলের মত তুমিও নাকি চামড়ার গোলকটাকে সবেগে ছুঁড়িতে পার।
সৌন্দর্য বিষয়ক কিছু টিপস
দেশে যাওয়ার আগে কিছুটা ভয়ে ভয়ে থাকি। আমার পরিবারের নারীকুল আবার খুব সৌন্দর্য সচেতন। তবে সেরকম পার্লার গামী নয়। নিজেরাই এক একেকজন সৌন্দর্য-বোদ্ধা। সবার নিজস্ব কিছু টিপস আছে। চারপাশের এই সব নারীকুলের চাপে আমার পক্ষে কোনদিনই আদর্শ নারীবাদী হয়ে উঠা গেল না। বরং আমি নিজেই অনেক টিপসের আবিষ্কারকর্তা (কিম্বা কর্ত্রী)। এগুলো সব প্যাটেন্ট করার কথা ভাবছিলাম। কিন্তু দরদী মন। দেশের দুর্দিনে নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সৌন্দর্য-পিয়াসী জনগণের উদ্দেশ্য আজকে কিছু টিপস উন্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ভাবছি।
বিস্তারিত»২৩ টি ফৌজদারহাটীয় …
“চাপা মারা” আমাদের এই বাঙালি সমাজে ব্যাপক জনপ্রিয় একটা বিষয়। এটা কে কি ঠিক মিথ্যা বলা যায় কিনা সেটা আমার জানা নেই। কিন্তু মিথ্যার খুবই ছোট ভাই কিংবা বোন হিসেবে এটা যে অপভ্রংশ হয়ে গেছে সে বিষয়ে আমার কোন সন্দেহ নেই। তবে পাপ হচ্ছে কি হচ্ছে না তার চেয়ে বড় ব্যাপার আমার মতে এই “চাপা মারা” ব্যাপারটার বাঙ্গালী সমাজে দরকার আছে। বাঙ্গালীরা ভুল মেনে নিতে পারেনা,
বিস্তারিত»আহ্ হা রে তোমরা কি মিস্ করলা!!
আমার জয়েন করার খুউউউব ইচ্ছা ছিল ইফতার পার্টিতে। লাবলু কে ফোন করতে চাই ছিলাম,বা তোমাদের কাওকে। কারো নম্বর নাই। জে সি সি’র একজনকে চিনি, ফোন করলাম। বুদ্ধি দিল, ভাই ‘ইফতার পার্টি’র’ জন্য খামাখা চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা ৪০০০+৪০০০ টাকা খরচ করে আইবেন-যাবেন? রোজার কষ্ট , ক্ষিদার কষ্ট , প্লাস যে দিনকাল খারাপ পরছে, ঐটা দিয়া বাপে-পুঁতের ঈদের পাঞ্জাবী হইয়া যাইবো। কথাটা মনে ধরল।
আমি আস্ লে অবশ্য তোমাদের অনেক লাভ হইত !!!
উল্টোদেশে,উল্টোরথে – ০১
প্রায়ই আমরা একটা কথা শুনি গ্লোবাল ভিলেজ। শব্দটি নতুন; ১৫/২০ বছর বয়স হয়তো।
সত্যিই সবকিছু চলে এসেছে হাতের নাগালে। বিশেষ করে যোগাযোগ ব্যবস্থা তো এখন অপূর্ব। তা সে পায়ে, চাকায়, বায়ুতে যেভাবেই হোক না কেন। আর মাধ্যম তার বা বেতার যেভাবেই হোক না কেন।
জেমস বন্ডের খুব সম্ভবত টুমরো নেভার ডাইসে দেখেছিলাম কিভাবে খবর বানানো হয়। আমরা অনেকটা সেইরকম না হলেও ঘটনা ঘটার প্রায় সাথে সাথেই জেনে যাচ্ছি।
বিস্তারিত»আমাদের ছেলেবেলা । (এপিসোড ৩)
সিনিওরদের কাছে শোনা কিছু গল্প।
১) ১৪তম ব্যাচ। স্টাডি ট্যুরে গেছে। রাস্তায় এক সময় শুরু হল বাস থামানো হোক। টয়লেট করব। আনোয়ার স্যার বলল একটু পর। খানিক পর শুরু হল চিৎকার। গাড়ি থামবে ক্যাডেট মুতবে। এক পর্যায়ে শুরু হল, ক্যাডেট থামবে গাড়ি মুতবে। স্যার অনঢ়। তারপর শুরু হল বিট। সাথে দাড়ি নিয়ে নানান কথা।আনোয়ার স্যারের দাড়ি ছিল। এক পর্যায়ে স্যার বলল “এই তোমরা ড্রাইভারকে গালাগালি করছ কেন?
বিস্তারিত»আমাদের ছেলেবেলা । (এপিসোড ২)
কিছু ঘটনা জায়গায় উপস্থিত ছিলাম না তাই ডায়লগ চেঞ্জ হতে পারে কিন্তু মূল ঘটনা অপরিবর্তিত।
১) ক্লাস নাইন। গেমস্ এর ফলিন। আমি রেজোয়ানের ডান পাশে দাড়ানো ছিলাম। ইলেভেন এসে দাড়াইছে। আমি সামনের লাইনে চলে গেছি। রেজোয়ান দেখে নাই। সামনে JP আরমান ভাই। রেজোয়ান ইলেভেনের শাকিল ভাইয়ের কাধে হাত দিয়ে বলল “দেখ আরমান ভাইরে কি চিকি লাগতেসে।” শাকিল ভাই ওকে বলল হাউসে গিয়ে দেখা করবা।
বিস্তারিত»আমাদের ছেলেবেলা।
কলেজের কিছু ঘটনা বলি। এটাও মনে হচ্ছে বাজাজ টেলিফিল্ম এর সিরিয়াল গুলার মত হবে। এত ঘটনা। এর বেশ কিছু ঘটনা জায়গায় উপস্থিত ছিলাম না তাই ডায়লগ চেঞ্জ হতে পারে কিন্তু মূল ঘটনা অপরিবর্তিত।
১) ক্লাস সেভেন। প্রথম প্যারেন্টস ডে। আমার আর মুসফিকের প্যারেন্টস আসে নাই। মন খারাপ। আর এক জনের মন খারাপ।সে ক্লাস টুয়েলভের সারোয়ার ভাই। উনার ও কেউ আসে নাই।
বিস্তারিত»